আত্মহংকার আর আত্ম-সম্মানের পার্থক্য

ইগো এবং সেলফ রেসপেক্টের মাঝে পার্থক্য আছে। দুটি আলাদা বিষয়। আমরা দুটিকে এক মনে করি।

আমারা নিজের পারসোনালিটি দেখাতে গিয়ে কাছের মানুষটার সাথে ইগো দেখিয়ে বসে থাকি। তখন আমরা ভাবি আমরা খুব ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। 

আরে ভাই তোমার পারসোনালিটি থাকুক পুরো পৃথিবীর কাছে। অন্তত ঐ একটা মানুষের কাছে তার মতো হও। খুব সাধারণ ভাবে তার সাথে মেশো। 

খুব কাছের মানুষ হয়েও তোমার সাথে কথা বলতে গেলে যদি তার ম্যাচিউরিটি দেখানো লাগে, যদি তার খুব ভেবে চিন্তে কথা বলতে হয় তাহলে আর তুমি তার কাছের মানুষ হতে পারলে কই! এগুলো তো আমরা দূরের মানুষের সাথে করি। যারা আমাদের অচেনা। তুমি তাহলে ঐ দূরের মানুষ হয়েই রয়ে গেলে। তুমি আর কাছের মানুষ হতে পারলে না। 

কাছের মানুষের সাথে এতো বেশি ইগো বা পারসোনালিটি দেখানোর প্রয়োজন নেই। তুমি তার সাথে একেবারেই সাধারণ একজন হয়ে মেশো। তাকে বাচ্চাদের মতো ট্রিট করো। তার হুটহাট পাগলামো আর আবদার গুলো হাসি মুখে পূরণ করতে চেষ্টা করো। তুমি বরং তাকে তার মতো আগলে রাখো। এতে তোমার ব্যক্তিত্ব একটুও কমবে না। তুমি বরং সেই মানুষটার কাছে সারাজীবন সবচেয়ে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষটা হয়েই থাকবে।

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দ্বায়

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, রাধার শ্যামরায়।। তুমি গোঠের রাখাল রাজা, যশোদার কানাই, বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণসখা, নদীয়ার নি...