ও শ্যামা ও শ্যামা

 শ্যামা, ও শ্যামা কি করি বলনা... সংসার কারাগারে মুক্তি মেলেনা।।

কামনা-বাসনা

কিছুতে ছাড়েনা;

বৃথা কাল গেল চলে

হলো না সাধনা।। 
ও শ্যামা ও শ্যামা কি করি বলো না...

সংসার কারাগারে মা মুক্তি মেলে না কাটেনা কাটেনা মায়া বেরি কাটেনা তরণী দাড়ায় ঘাটে ভাড়ানি জোটে না....

কামনা বাসনা পিছু তো ছাড়ে না বৃথা কাল গেল কালি হলো না সাধনা.......


আমারে ছাড়িয়া রে বন্ধু যাইও না....

আমারে ছাড়িয়া রে বন্ধু যাইও না..... 
তোমার লাইগা পরান্ কান্দে 
ঘরে মন বসে না রে আমার ঘরে মন বসে না.....
 আমারে ছাড়িয়া রে বন্ধু যাইও না 
তোমার লাইগা পরান্ কান্দে.... 
ঘরে মন বসে না রে বন্ধু ঘরে মন বসে না..... 

 কোন বা দেশে গেলা রে তুমি 
কোথায় তোমায় খুঁজি..... 
চোখ বান্ধা বল্দের মত  দেশে দেশে ঘুরি 
কোন বা দেশে গেলা রে তুমি
 কোথায় তোমায় খুজি.....
 চোখ বান্ধা বল্দের মত দেশে দেশে ঘুরি 
তুমি ছাড়া আমার পরান্ বাঁচেনা 
তোমার লাইগা পরান্ কান্দে 
ঘরে মন বসে না রে বন্ধু 
ঘরে মন বসে না, 
 আমারে ছাড়িয়া রে বন্ধু যাইও না 
তোমার লাইগা পরান
 কান্দে ঘরে মন বসে না রে বন্ধু 
ঘরে মন বসে না 

 এত সাধের পিরিৎ রে বন্ধু ভেঙ্গে দিবা যদি...
 পিরিতি শিখাইয়া আমায় কেন দিলা ফাঁকি 
এত সাধের পিরিৎ রে বন্ধু ভেঙ্গে দিবা যদি 
পিরিতি শিখাইয়া আমায় কেন দিলা ফাঁকি
 তুমি ছাড়া আমার জীবন বাঁচেনা 
তোমার লাইগা পরান্ কান্দে 
ঘরে মন বসে না রে বন্ধু
 ঘরে মন বসে না 
আমারে ছাড়িয়া রে বন্ধু যাইও না..... 
তোমার লাইগা পরান্ কান্দে 
ঘরে মন বসে না রে বন্ধু 
ঘরে মন বসে না

মা তোর চোখের কাজল

মা তোর চোখের কাজল সারা গায়ে মাখিয়ে দিল কে?
(শিল্পী-শ্রীরাম কুমার চ্যাটার্জী)


মা তোর চোখের কাজল
সারা গায়ে মাখিয়ে দিল কে?(২)
বল কে পরালো শ্মশান চিতার(২)
ঐ ভস্ম দিল কে মাগো
চোখের কাজল সারা গায়ে
মাখিয়ে দিল কে?
মা তোর চোখের কাজল
সারা গায়ে মাখিয়ে দিল কে?

হাড়ের মালা কোথায় পেলি,
যোগিনী সাজ সেজে এলি(২)
মা তোর গৌরি নাম কি বল্ না মাগো(২)
বল হরে নিল কেবা গো
ওরে চোখের কাজল
সারা গায়ে মাখিয়ে দিল কে?
বল্ কে পরালো শ্মশান চিতার
ওরে কে পরালো শ্মশান চিতার
ভস্ম দিল কেবা গো
চোখের কাজল সারা গায়ে
মাখিয়ে দিল কে

দেখে যারে পায়ের শোভা
পা’ নয়তো যেন রক্ত জবা
দেখে যারে পায়ের শোভা
মাগো মা,মাগো মা,
আমার মাগো মাগো
ঐ দেখে যারে পায়ের শোভা
পা’ নয়তো যেন রক্ত জবা
এমন রুপের ডালি কে দেখেছে(২)
এই সারা ত্রিলোকে গো
তোর চোখের কাজল সারা গায়ে
মাখিয়ে দিল কে
মা তোর চোখের কাজল সারা গায়ে
মাখিয়ে দিল কে
বল্ কে পরালো শ্মশান চিতার(২)
ভস্ম দিল কে রে
চোখের কাজল সারা গায়ে
মাখিয়ে দিল কে
মা তোর চোখের কাজল সারা গায়ে
মাখিয়ে দিল কে

প্রাণের ভাই কানাই রে

ওওওওওও কানাই,,,, রেএএএ

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

সোনার চাঁদ বদন,  
ও বদন পাশরি কেমনে? 

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

সোনার চাঁদ বদন,  
ও বদন পাশরি কেমনে? 

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

ও কানাই রেএএএএ 

যখন ছিলে বৃন্দাবনে  
রাখাল সনে গোচারণে,
পরে কি না পরে তোমার মনে? 

ও কানাই রেএএএএ 
যখন ছিলে বৃন্দাবনে  
রাখাল সনে গোচারণে,
পরে কি না! 
 পরে তোমার মনে? 

আমরা বনফুলে রাখাল রাজা
বনফুলে রাখাল রাজা
 সাজাইতাম তোরে,,,রেএএএ

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

সোনার চাঁদ বদন,  
ও বদন পাশরি কেমনে? 
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,


কানাই রেএএএএ,,,,এএএ

তুই হলি ভাই  বনমালি 
নিধূবনে কৃষ্ণ কালি 
নাগরালি কে শিখাইল তোরেএএএএএ?

কানাই রেএএএএ,,,,
তুই হলি ভাই  বনমালি 
নিধূবনে কৃষ্ণ কালি 
নাগরালি কে শিখাইল তোরেএএএএএ?

তুই যদি না চিনিস কানাই!  
তুই যদি না চিনিস কানাই!  
আমরা তোরে চিনি,,,,রেএএএএএ

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

সোনার চাঁদ বদন,  
ও বদন পাশরি কেমনে? রেএএএ
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

কানাই রেএএএএ
না জানি কোন কূলনাশী
 কেড়ে নিল চূড়া বাশি 
কাঙ্গাল বেশ কে ধরাইল তোরে,,,,

কানাই রেএএএএ
না জানি কোন কূলনাশী
 কেড়ে নিল চূড়া বাশি 
কাঙ্গাল বেশ কে ধরাইল তোরে,,,,

তাই দেখিয়া আমার মন টা কেমন কেমন করে, 
তাই দেখিয়া আমার মন টা কেমন কেমন করে, এএএ

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএ

সোনার চাঁদ বদন 
বদন পাশরি কেমনে? 
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,, 

সোনার চাঁদ বদন,  
ও বদন পাশরি কেমনে? 

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

কানাই রেএএএএ 
যখন ছিলে বৃন্দাবনে  
রাখাল সনে গোচারণে,
পরে কি না পরে তোমার মনে? 

কানাই রেএএএএ 
যখন ছিলে বৃন্দাবনে  
রাখাল সনে গোচারণে,
পরে কি না পরে তোমার মনে? 

আমরা বনফুলে রাখাল রাজা
বনফুলে রাখাল রাজা
 সাজাইতাম তোরে,,, রেএএএ

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

সোনার চাঁদ বদন,  
ও বদন পাশরি কেমনে? 
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,
প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,,

গুরু আমায় কর করুণা



( ওগো) গুরু আমায় কর করুণা।।
ঝড়-তুফানে বেয়ে যাব ( গুরু,,)
তোমার দেওয়া তরীখানা।।

ভব নদীর ভীষণ তুফান,,
কেঁপে কেঁপে ওঠে পরান।
তুমি গুরু সকল আসান,,
মুস্কিলে যেন পড়ি না।।

গুরু যদি আমার সহায়,,
তবে কেন করব হায় হায়।
গুরু,, তোমার পায়ে সকল উপায়,,
চরণ-ছাড়া ক'র না।।

সকল তীর্থ, সকল কর্ম্ম,,
তুমি গুরু, বড় ধর্ম্ম।
গুরু ছাড়া কে বুঝবে মর্ম,,
গুরুই শ্রেষ্ঠ উপাসনা।।

গুরু অগতির গতি,,
( গুরু) একাধারে শিব-পার্বতী।
গুরু কৃষ্ণ,, গুরু শ্রীমতী,,
গুরুই গঙ্গা যমুনা।।

ভবার গুরু বিশ্বজনা,,
সে-কথা কেউ জানে না।
যে জানে, সে কথা কয় না,,
( সে) জড়িয়ে আছে পা দু'খানা।।

ঝিংগা ফুল লিলেক জাতি কূল

সাঁঝে ফোটে ঝিঙা ফুল
Sanjhe Fote Jhingha Ful
ঝুমুর গান
শিল্পী: অংশুমান রায়

সাঁঝে ফোটে ঝিঙা ফুল,
সকালে মলিন গো।।
সাঁঝে ফোটে ঝিঙা ফুল
সকালে মলিন।
আজ বন ছাড়ে গেলে 
পরের দিন গো
সাঁঝে ফোটে ঝিঙা ফুল
সকালে মলিন।

ঝিঙা ফুল লিলো,
জাতি কূল গো।।
ঝিঙা ফুল লিলো
জাতি কূল।
মনে করি আসাম যাব,
জোড়া পাকা টানাইব।।
আসামে যে সাহেব দিলো
তোর কোদালের কাম
তুয়ার লিলো জাতি কূল রে
বাঁশির গানে।
ঝিঙা ফুল লিলো
জাতি কূল গো
ঝিঙা ফুল লিলো
জাতি কূল।

ঝিঙা ফুল কাঁকড় ফুল,
দেনা গাঁথি মোকে।।
আরে সকাল হলে
দেখা করবো তোকে
সাঁঝে ফুটে ঝিঙা ফুল
সকালে মলিন গো
সাঁঝে ফুটে ঝিঙা ফুল
সকালে মলিন।
আজ বন ছাড়ে গেলে 
পরের দিন গো।
সাঁঝে ফুটে ঝিঙা ফুল,
সকালে মলিন গো।।
সাঁঝে ফুটে ঝিঙা ফুল
সকালে মলিন।

রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে


এখন ভাব,,,,লে কি আর হ,,,বে রাধে,,,,
এখন ভাব,,,,,,,,,লে কি আ,,,,র 
এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,

রাধে শ্যাম তোমা,,,কে ফাকি দিয়েছে,,, 
রাধে শ্যাম তোমা,,,কে ফাকি দিয়েছে,,, 
এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,

এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,! 
রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,, 
রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,, 
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

যাইবার কালে,,এএএএ,,,,,, কতো মিন,,,,,তি,,
চাইলে না হে কালার পানে ও হে শ্রীম,,,তী 
।।🙏🙏🙏

যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিন,,,,,তি,,
যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিন
ও,,,,,,,,, রাধে,,,,,, রা,,,, ধে,,,,,,,,

যাইবার কালে,,,,,,,, ক,,,,,তো মিন,,,,,তি,,
যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিনতি,,
চাইলে না হে কালার পানে ও হে শ্রীম,,,,,তী 


 এখন রাজা হয়ে,,,, রাজ্য পেয়ে,,,,  রাজা হয়ে,,  রাজ্য পেয়ে,,, 
এখন রাজা হয়ে রাজ্য পেয়ে,,,,  রাজা হয়ে,,  রাজ্য পেয়ে,,, 
তোমায় ভুলেছে,,,,রাধে 
তোমায় ভুলেছে,,,,
রাধে,,,,

 শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,

এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,
এখন ভাবলে কি আর ,,,,এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,
রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,, 

🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

শ্যাম গিয়াছে মধুপু,,,,রে,,, ,,,,,,, মন মজেচ্ছে রাজ ভোগেতে কাজ কি ব্রজ পুরে,,,
রাধে,,,,,
শ্যাম গিয়াছে মধুপু,,,,রে,,, ,,,,,,, মন মজেচ্ছে রাজ ভোগেতে কাজ কি ব্রজ পুরে,,,

ওওওওওওওওও  রাধে,,,,
রা,,,,,ধে রাধে 

শ্যাম গিয়া,,,,,,ছে   মধু------পু,,,,রে,,,   মধুপুরে,,,,,,,,, 
মন মজেচ্ছে রাজ ভোগেতে.
কাজ কি ব্রজ পুরে,,,
 রাধে কাজ কি ব্রজ পুরে,,, 


এখন কংশের দাসি কুবজা রানি,,,, 
এখন কংশের দাসি কুবজা রানি,,,,
এখন কংশের দাসি কুবজা রানি,,,,
বামে বসাইছে রাধে,, 
ও রাধে বামে বসাইছে,,, 

রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,
এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,
এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,
এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,

রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,
রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,

যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিন,,,,,তি,,
যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিনতি,,
চাইলে না হে কালার পানে ও হে শ্রীম,,,,,তীরাধে
হেএএএএ রাধে,,,,, রায়ায়ায়ায়াধে 
প্রেমময়ী রায়ায়াধে,,,, 
যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিন,,,,,তি,,
যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিনতি,,
চাইলে না হে কালার পানে ও হে শ্রীম,,,,,তী
রাধেএ_এএ ওওও হে রাধে,,,
যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিন,,,,,তি,,
যাইবার কালে,,,,,,,, কতো মিনতি,,
চাইলে না হে কালার পানে ও হে শ্রীম,,,,,তী

এখন রাজা হয়ে রাজ্য পেয়ে,,,, রাজা হয়ে,, 
 রা,,,,জ্য পেয়ে,,,
এখন রাজা হয়ে রাজ্য পেয়ে,,,, রাজা হয়ে,, 
 রা,,,,জ্য পেয়ে,,,
এখন রাজা হয়ে রাজ্য পেয়ে,,,, রাজা হয়ে,, 
 রাজ্য পেয়ে,,,
এখন রাজা হয়ে রাজ্য পেয়ে,,,, 
 রাজা হয়ে,, রাজ্য পেয়ে,,,,,,
তোমায় ভুলেছে,,,,
রাধে,,,তোমায় ভুলেছে,,,,
রাধে তোমায় ভুলেছে,,,,
রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,
রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,

এখন ভাবলে কি আর হবে রাধে,,,,
এখন ভাব,,,লে কি আর 
,এখন ভাবলে কি,,, আর! 
এখন ভাবলে কি আর হ,,,,বে রাধে,! 
শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,
রাধে শ্যাম তোমাকে ফাকি দিয়েছে,,,

রাধা দর্শনের যাবে যদি শ্যাম

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম সদা যপো না হে,,

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম

ও হে বাঁকা শ্যা,,,,ম   তু,,,মি যপো অবিরাম 

ও হে বাঁ,,,,,কা শ্যা,,,,,,,,,ম 
তুমি যপো অবিরাম 

রাধা নাম যেন ভুল না হে,,,,,

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম সদা      জপো না হে,,

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম।

ও হে বাঁকাশ্যা,,,,ম ও হে বাঁকাশ্যা,,,,ম 
বাঁকা শ্যাম তুমি যপো অবিরাম 
ও হে বাঁকা শ্যা,,,,ম 
ও হে বাঁকা শ্যা,,,,ম তুমি যপো অবিরাম

রাধা নাম ভুল না হে,,,,,রাধা নাম ভুল না হে,,,,,

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম সদা জপো না হে,,
রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম ভুল না হে,,,,,

শ্যাম তোমায় বড় ভালবাসি
আমি বৃন্দে হই শ্রীরাধার দাসী,
শ্যাম তোমায় বড় ভালবাসি
আমি বৃন্দে হই শ্রীরাধার দাসী,

আমি বলব কি বেশী, ওহে কালো শশী
বলব কি বেশী, ও কালো শশী?

রাধা নামে বাঁশি বাজাও না হে
রাধা নামে বাঁশি বাজাও না হে।
রাধা দরশনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম যেন ভুলোনা হে,


তুমি পীত ধরা পরো  রাজ বেশ ছেড়ে,৷ 
চূড়া বাঁধ মু,,,কু,,,ট ফ্যালোও হে,,,দূরে,৷ 

তুমি পীত ধরা পরো রাজ বেশ ছে,,,,ড়ে 
চূড়া বাঁ,,,,ধ মুকু,,,,ট ফ্যালোও হে,,,দূরে,৷ 

আবার বিনদিনীর বেশ  ধরে  না গেলে পরে
ও হে বিনদ বেশ  ধরে না গেলে পরে 
বিনদিনি তোমার বিনদীনি  কথা কবে না,,,,,, 

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম সদা জপো না হে,,
রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম

আমি ভাঙাগড়ার কাজ    করি হে হরি,,,,,
আমি ভাঙতেও পারি আবার গড়তেও পারি,,,

আমি ভাঙাগড়ার কাজ করি হে হরি,, 
আমি ভাঙতেও পা,,,,রি 
ও হে,,,,, বাঁকা শ্যাম হরি,,
আমি ভাঙাতেও পারি আবার গড়তেও পারি,,,



আমি আরো ভালো পারি প্রেমের কারি কুরি
আমি আরো ভালো পারি প্রেমের কারি কুরি
আমি কত ভাবে করি রটনা,,,  
আমি কতো ভাবে করি রটনা,,, 
আমি কতো ভাবে করি রটনা,,, 

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম সদা জপো না হে,,
রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম

বৃন্দে চলিল সঙে কানাই,,, 
ওওওওওওও মন,,৷ 
বৃন্দে চলিল সঙ্গে  কানাই,,
 যেথা বসে আছে আমার বিনদীনি রাই,,,,
বৃন্দে চলিল সঙে কানাই,, 
বৃ,,,,,,,,,,,ন্দে  বৃন্দেএএএএএএ
 চলিল সঙ্গে  কানাই,,
যেথা বসে আছে ওই বিনদীনি রাই

 দাস রাধা শ্যাম  বলে গুরু চাঁদ গোসাই 
দাস রাধা শ্যাম  বলে গুরু চাঁদ গোসাই 
চরণ ছাড়া যেন করো না হে,,৷  
চরণ ছাড়া যেন করো না হে,, 

রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম
রাধা নাম সদা জপো না হে,,
রাধা দর্শনে যাবে যদি শ্যাম।

ও হে বাঁকা শ্যা,,,,ম৷  
ও হে বাঁকা শ্যাম,,, 
ও হে বাঁকা,,, শ্যাম,,, 
ও হে বাঁকা শ্যাম  তুমি যপো অবিরাম 
ও হে বাঁকা শ্যাম তুমি যপো অবিরাম 
রাধা নাম সদা যপো না হে,,, 
রাধা নাম সদা যপো না হে,,, 
রাধা দর্শনের যাবে যদি শ্যাম,, 
রাধা দর্শনের যাবে যদি শ্যাম,৷ 
রাধা দর্শনের যাবে যদি শ্যাম,,, 
রাধা নাম সদা যপো না হে,,,, 

তুমি যপো অবিরাম

তুমি কতো রুপে এসে

তুমি কতো রুপে এসে মোর পাশে বসে 
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,  
এমনি তোমার লিলা গুরু,,
 ও গো এম,,,,নি তোমার লীলা গুরু
সদা আমার মনে দিচ্ছ যে হূস,,

আমায় শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,, 

এমনি তোমার লীলা গুরু,,
 ও গো এম,,,,নি তোমার লীলা গুরু,,,
 ও গো এম,,,,নি তোমার লীলা গুরু

সদা আমার মনে দিচ্ছ যে  হূস,,, 

আমায় শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,, 

তুমি গুরু রুপে করাও চৈতন্য,,,, 
শিষ্য রুপে শেখাও হে দৈন্য,,,
তুমি গুরু রুপে করাও চৈতন্য,,,, 
শিষ্য রুপে শেখাও হে দৈন্য,,,

তুমি কৃপা করে আমায় করলে হে ধন্য,,,
তুমি কৃপা করে আমায় করলে হে ধন্য,,,

যাতে আমি  না হই,,,, বেহূস,, 
যাতে আমি  না হই,,,, বেহূস,,

শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,, 

তুমি কতো রুপে এসে মোর পাশে বসে 
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,  

তুমি সাধু রুপে এসে, করিতেছ কৃ,,,,৷ প,,,,আ,,,
চোর সেজে দিতেছ হে শিক্ষা,,
তুমি সাধু রুপে এসে করিতেছ কৃপা,,,
চোর সেজে দিতেছ হে শিক্ষা,,

তুমি প্রেমিক রুপে এসে দাও প্রেমের দীক্ষা
তুমি প্রেমিক রুপে এসে দাও প্রেমের দীক্ষা

আমায় নানান ভাবে করছ মানুষ,, 

শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,, 

তুমি কতো রুপে এসে মোর পাশে বসে 
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,  
নানান ভাবে  করছ মানুষ,,, 

তোমার লীলা দেখে সাধন হলো হতভম্ব,,, 
যে গেল তার সকল মনের দন্দ, 
তোমার লীলা দেখে সাধন হলো হতভম্ব 
যে গেল তার সকল মনের দন্দ, 

ওরে,,
দূর হলো তার সকল মনের দন্দ,,
দরবেশ মা গোসাই করলো মনের মানুষ,
দরবেশ মা গোসাই করলো মনের মানুষ 

তুমি কতো রুপে এসে মোর পাশে বসে 
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,  
আমায় নানান ভাবে করছ মানুষ,,, 

এমনি তোমার লিলা গুরু,,
 ও গো এম,,,,নি তোমার
 ও এমন,,,,ই তোমার  লী,,,,লা গুরু,,
ও গো এমনি তোমার লীলা গুরু
সদা আমার মনে দিচ্ছ যে  হূস,, 
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,

তুমি কতো রুপে এসে মোর পাশে বসে 
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,  
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,  
নানান ভাবে করছ মানুষ,, 
শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,  
আমায় শিক্ষা দিয়ে করছ মানুষ,,, 




🙏🙏 সুজাতা মা,,, 

পদকর্তা ধন দাস বৈরাগ্য। 


রাধা বলে আর বেজনা

রাধা বলে আর বেজনা 
রাধা বলে আর বেজনা শ্যামের বাশিরে, 
রাধা বলে আর ভিজো না। 

ও শ্যামের বাঁশি শ্যামের বাঁশি রে 
রাধা বলে আর বেজনা 
ওওওওও
শ্যামের বাঁশি শ্যামের বাঁশি রে 
রাধা বলে আর বেজনা 
শ্যামের বাঁশি শ্যামের বাঁশি রে 
রাধা বলে আর বেজনা 

ও বাঁশি পুরুষের হাতে থাকরে,,,,
বাসি পুরুষেরও হাতে থাক,,,,,রে 

ও বাঁশি পুরুষের হাতে থাকরে,,,,
বাসি পুরুষেরও হাতে থাক,,,,,রে 
তবু নারীর বেদন বোঝনা 

রাধা বলে আ,,,,র বেজো না,,,,

শ্যামের বাঁশি শ্যামের বাঁশি রে 

রাধা বলে আর বেজনা 
রাধা বলে আর বেজনা 
রাধা বলে আর বেজনা 

যেই ন শ্যামের বা,,,,,,,,,,,,,,,শি তুমি
ওগো! 
ওই না শ্যামের দাসী আ,,,,,মি গো,,,,,,ও,,,,,

যেই না শ্যামের বাশি তুমি 
যেই ন শ্যামের,,,, যেই না শ্যামের বাসি তুমি
ওগো ওই না শ্যামের  দাসী আমি গো,,,,ওওও

বাসি তোরে হাতে ধরি পায়ে পড়ি রে 
বাসি তোরা হাতে ধ,,,,,,রি পায়ে পড়ি রে 
অবলা ম যাইও না,,, অবলা মো যাইও না,,

রাধা বলে আর বেজনা ,,
রাধা বলে আর ডেকনা ,,
রাধা বলে আর ডেকনা ,,

ও বাসী রাত্রি আর ওই দুপুর কালে 
ওগো রাধা রাধা বাজে বলে
ও বাসি রাত্রি আর দুপুর কালে 
ওগো রাধা রাধা বাজে ব,,,,লে এএএ

আমি হলুদ দিতে নুন ভুলে যাই রে 

ও বাশি,, 
হলুদ দিতে নুন ভুলে যায় রে 
শাশুড়ি দেয় যে কত গঞ্জনা,,,
রাধা বলে আর বেজনা
রাধা বলে আর বেজনা 
রাধা বলে আর বেজনা

রাধা বলে আর বেদনা 
ওওওওও
শ্যামের বাঁশি শ্যামের বাঁশি রে 
রাধা বলে আর বেজনা 
শ্যামের বাঁশি শ্যামের বাঁশি রে 
রাধা বলে আর বেজনা 
ওওওওও
শ্যামের বাঁশি শ্যামের বাঁশি রে 
রাধা বলে আর বেজনা 

গুরু আনন্দময়

ও রে সদানন্দে থাকে যেন আমারই হৃদয়
গুরু আনন্দময়,, 
সদানন্দে থাকে যেন আমারই হৃদয়
গুরু আনন্দময়,,৷  
গুরু আন,,,,,ন্দময়,,
গুরু আনন্দময়,,

তুমি থাকো প্রে,,,মা ন,,,ন্দে
আমায় রাখো মনানন্দে,,
তুমি থাকো প্রেমা নন্দে
আমায় রাখো মনানন্দে
মহা নন্দে থাকে যেন,, 
মহা নন্দে থাকে যেন,,,,,,, আমারই হৃদয়,,, 

গুরু আনন্দময়,,
গুরু আনন্দময়,,৷

 আত্মানন্দে তোমার স্থিতি 
বিরিলে করো বসতি
আত্মানন্দে তোমার স্থিতি 
বিরলে তোমার স্থিতি,, 
আমার মনের পরিস্থিতি 
আমার মনের পরিস্থিতি,,

 তুমি!  জানো হে নিশ্চয়,, 

গুরু আনন্দময় 
গুরু আনন্দময় 
গুরু আনন্দময় 

তুমি থাকো নিজের ভাবে
আমায় রাখো তোমার ভাবে,, 

তুমি থাকো নিজের ভাবে
আমায় রাখো তোমার ভাবে,, 
ভাবেতে ভাব মিশিয়ে যেন 
তোমার ভাবেতে ভাব মিশিয়ে যেন থাকি সর্ব দাই,, 
গুরু আনন্দময়,,, 
গুরু আনন্দময়,, 
গুরু আনন্দময়,,, 

সচ্চিদানন্দে থাকে সা,,,ধ,,,ন 
মা গোসাই তার হয় যে মূলধন,,
সচ্চিদানন্দে থাকে সাধন 
মা গোসাই তার হয় যে মূলধন 

ও তার হৃদে আছে হৃদয়ের ধন
ও তার হৃদে আছে হৃদয়ের ধন
সহজ ভাবে,,,,,, সদা,,,ই রয়

গুরু আনন্দময় 
গুরু আনন্দময় 
তুমি আনন্দময়

সদানন্দে থাকে যেন সবারই হৃদয়
গুরু আনন্দময়,, 
গুরু আনন্দময়,,, 
গুরু আনন্দময়,,, 
গুরু আনন্দময়,,, 
গুরু আনন্দময়,,, 

ঘুমাইয়া মন স্বপ্নে দেখিস

ঘুমাইয়া মন স্বপ্নে দেখিস, আরও টাকার প্রয়োজন।
সুন্দর নারী, রং মহলা তবুও ভরে না মন।

ঘুম যে রে তোর মরনের স্বাদ,
জাইগা কেনো যাস ভুলে।
ঘুম যে রে তোর মরনের স্বাদ,
জাইগা কেনো যাস ভুলে।
জাগিতে আর পারবি না তুই,
জাগিতে আর পারবি না তুই,
যম ঘুমেতে ধরিলে !!
ঘুম যে রে তোর মরনের স্বাদ,
জাইগা কেনো যাস ভুলে!!

চোখের একটা পলক পড়তে
সময় লাগে যতক্ষণ,
এই ভূবনে আয়ু রে তোর
তারও চেয়ে আরও কম।

চোখের একটা পলক পড়তে
সময় লাগে যতক্ষণ,
এই ভূবনে আয়ু রে তোর
তারও চেয়ে আরও কম।
কোথায় যাবি, কেনো এলি?
খবরাদি নাহি নিলি।
ভুইলা কেনো থাকিস মনা,
মরিতে হয় জন্মিলে।
ঘুম যে রে তোর মরনের স্বাদ,
জাইগা কেনো যাস ভুলে !!

এই দুনিয়া জিড়ানোর জায়গা,
নয়রে স্থায়ী ঠিকানা।
মাটির এক পিন্জীরা হইবে, 
অন্তরের আপনজনা।

এই দুনিয়া জিড়ানোর জায়গা, 
নয়রে স্থায়ী ঠিকানা। 
মাটির এক পিন্জীরা হইবে,
অন্তরের আপনজনা।
দিন থাকিতে হাওয়ার গাড়ি,
চালারে মন তাড়াতাড়ি।
চেনা পথ, অচিনা হইবে,
রাইতের আধার ঘিরিলে।
ঘুম যে রে তোর মরনের স্বাদ,
জাইগা কেনো যাস ভুলে।

জাগিতে আর পারবি না তুই,
জাগিতে আর পারবি না তুই,
যম ঘুমেতে ধরিলে !!
ঘুম যে রে তোর মরনের স্বাদ,
জাইগা কেনো যাস ভুলে!!

কথা ও সুরঃ~ শাহাবুদ্দিন মজুমদার

ও দয়াল এই জগতে কেউ নয় আপন

ও গো দয়াল 
ও,,,, দয়াল,,
ও ও ও ও ও 
ও দয়াল ,, ও গো 
এ জগতে কেউ নয় আপন,,
আপন আপন সেই জন,,,
দুঃখের মাঝে মুখের হাসি 
ফুটায় গো জে জন,
ও দ,,,,য়াল,, 
ও গো ফুটায় গো যে জন

যে জন পুবে সূর্য উঠাইয়া 
ওই পশ্চিমে ডুবায়,, 
খোলা মাঠে বাউল সুরে
হ্যাঁ হ্যাঁ একতারার বজায়
ও দয়াল
 ঘরে আমার মন বসে না 
বাইরে আসি তাই,,,
ও দ,,,,,য়াল 
ও দ,,,,,য়াল ও ও ও ও
🪈🪈🪈🪈🪈🪈
কোথায় যেন পশু পাখি
 কাঁ দে বাউল সুরে,,
আমরা বাউল কাদি দ,,য়াল 
একতারার তারে,,
 একতারার তারে,, 
ও দ,,য়াল 
একতারার তারে,,
ওগো,,, ওই 
চাতক কাঁ দে নীল আকাশে,,
ও গো 
 চাতক কাঁ দে নীল আকাশে 
এক ফোঁটা জল চায়,,,

খোলা মাঠে বাউল সুরে
হ্যাঁ হ্যাঁ বাসরি বজায়
 ঘরে আমার মন বসে না 
বাইরে আসি তাই,,,
🪈🪈🪈🪈🪈🪈🪈🪈

দ্বীজ বাসু পাগল বলে,,
 ঐ দুঃখের কথা 
এ জগতে কেউ বোঝে না 
 ঐ মনের ব্যাথা,,,
দয়াল মনেরই ব্যাথা,,,
🪕🪕🪕🪕🪕🪕
🪈🪈🪈🪈🪈
দ্বীজ বাসু পাগল বলে,, 
ঐ দুঃখের কথা 
এ জগতে কেউ বোঝে না 
মনের ব্যাথা,,,
হ্যাঁ হ্যাঁ 
তুমি ছাড়া আর কেউ ,,, নাই,,,
,🪈🪈🪈🪈
তুমি ছাড়া আর কেউ ,,,

তাই তোমারে জানাই,,

খোলা মাঠে বাউল সুরে একতারার বাজাই
ও দয়াল ,,ঘরে আমার মন বসে না বাইরে আসি তাই,,,
ও দ,,,,,য়াল ও ও ও ও ,,, ও গো দয়াল 
খোলা মাঠে বাউল সুরে দোতারা বাজাই 
ও দয়াল ঘরে আমার মন বসে না বাইরে আসি তাই,,,
ও দ,,,,,য়াল ও ও ও ও 
খোলা মাঠে বাউল সুরে বাসুরি বাজাই 
ও দয়াল ঘরে আমার মন বসে না বাইরে আসি তাই,,,
ও দ,,,,,য়াল ও ও ও ও 
দয়াল বাইরে আসি তাই,,,
ও দ,,,,,য়াল ও ও ও ও 
দয়াল বাইরে আসি তাই,,,

তুই কেনে গৌড় হলি

তোর কালো অঙ্গ বাকা,  মাথায় ময়ুর পাখা
চুরা বাশি কোথায় লুকালি কানাই,,,,
আজ,,,  তুই কেনে গৌর হলি? 
বল বল,,, 
 ওরে,, তুই কেনে গৌর হলি রে কানাই,,,

তুই কেনে গৌর হলি,,, 

ও তোর কালো অঙ্গ বাকা,  মাথায় ময়ুর পাখা
ওরে চুরা বাশি কোথায় লুকালি কানাই,,,,
 তুই কেনে গৌর হলি? ও কানাই
 ওরে,, তুই কেনে গৌর হলি রে কানাই,,,

তুই কেনে গৌর হলি,,, 
 ও কানাই
তুই কেনে গৌর হলি,,, 

সত্য যুগেতে নারায়ণ রুপেতে,,,, ও হো কতো,,
হায় হায় কতো লিলা প্রকাশিলি 
ও কানাই রে,,,,
সত্য যুগেতে নারায়ণ রুপেতে,, ও হো কতো,,
হায় হায় কতো লিলা প্রকাশিলি 
ও কানাই রে,,,,ও তুই ভক্ত প্রহ্লাদের তরে নরসিংহ রুপ ধরে,,, 
ভক্ত প্রহ্লাদের ত,,,রে,,,

ও তুই ভক্ত প্রহ্লাদের তরে নরসিংহ রুপ ধরে,,,
নিজের পিতারে বধ করলি,,৷ 


তুই কেনে গৌর হলি,,, তুই কেনে গৌর হলি রে কানাই,,,
তুই কেনে গৌর হলি, ,,,, 

ত্রেতা যুগেতে শ্রীরাম  রুপে,,,,তে 
ওই রাবন শ্রিংহারিলি ও কানাই রে,,,,, 
ও,,হো,,,   কানাই রে,,,,,,,  

ও তুই সঙে লয়ে বানর গন সাগর করলি বন্ধন,,
ও তুই সঙে লয়ে বানর গন সাগর করলি বন্ধন,,
নিজের সিতারে উদ্ধার করলি,,,
তুই কেনে গৌর হলি,,, 
ও  কানাই তুই কেনে গৌর হলি,,,, 

দাপর যুগেতে সেই ব্রজ পুরে,,তে,,,,,,,,,, 
হায় হায় 
নন্দ ঘোষের ঘরে ছিলি, ও কানাই রে,,,,
দাপর যুগেতে সেই ব্রজ পুরে,,তে,,,, 
নন্দ ঘোষের ঘরে ছিলি
 ও,,, কানাই রে,,,,

ও তুই জন্মিলি দৈবকির ঘরে,,, 
মা ডাকিলি যসোদারে,,,
ও হো,, কানাই রে,,,, 
ও তুই জন্মিলি দৈবকির ঘরে,,, 
মা ডাকিলি যসোদারে,,,
তুই বনে বনে ধেনু,, বনে বনে ধেনু  
ফিরালি কানাই। 

তুই কেনে গৌর হলি,,৷ তুই কেনে গৌর হলি? 

এই কলি যুগেতে সে যে মহাপ্রভু রুপেতে,, 
ও মন জগাইমাধাই উদ্দারিল ও কানাই রে,,,,
ও কানাই রে,,,,৷ 
এই কলি যুগেতে সে যে মহাপ্রভু রুপেতে,, 
দ্বারে দ্বারে নাম দিলো ও কানাই রে,,,
সে যে গেরুয়া বসন ধারন করে নাম বিলালো দ্বারেদ্বারে,,, 
 সে যে গেরুয়া বসন ধারন করে নাম বিলালো দ্বারেদ্বারে,,, 
সম্বল করলি ভিক্ষার ঝুলি,,, সম্বল করলি ভিক্ষার ঝুলি,, 
তুই কেনে গৌর হলি,, 
তুই কে,,,,নে গৌর হলি,,, 
তুই কেনে গৌর হলি,, 
তোর কালো অঙ্গ বাকা মাথায় ময়ুর পাখা,,,
তোর কালো অঙ্গ বাকা মাথায় ময়ুর পাখা,, 
চুরা বাশি কোথায় লুকালি কানাই,, 
তুই কেনে গৌর হলি  ও কানাই,, 
তুই কেনে গৌর হলি ও কানাই 
তুই কেনে গৌর হলি ও কানাই,, 
তুই কেনে গৌর হলি,,,, 

 

সহজ পথে হোঁচট লাগে

সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,,,

আপনি সহজ না হইলে ও,,,রে  ম,,,ন  মন আমার,,,,
আপনি সহজ না হইলে,, সহজে পথ মেলে না,,, 
সহজ পথে হোঁচট লাগে ওরে মন কানা,,,
আপনি সহজ না হই,,,লে  সহজে পথ মেলে না,,, 
ও,,,রে  মন কানা,,,ওরে মন কানা,,,,,
সহজ পথে হোচট লাগে 

সহজ পথে হোঁচট লাগে ওরে মন কানা,,,
সহজ পথে হোঁচট লাগে ওরে মন কানা,,,
আপনি সহজ না হই,,,লে  সহজে পথ মেলে না,,, 
ও,,,রে  মন কানা,,,ওরে মন কানা,,,,,

সহজ পথে হোঁচট লাগে ওরে মন কানা,,,

একা কানা হলি নারে মন,,  কানার দলে মিশে আছে আরো যে ছয় জন।

একা কানা হলি নারে মন,,  কানার দলে মিশে আছে আরো যে ছয় জন।
 রে মন,,,,, আরো যে ছয় জন,,,,,,
রাত কানার টানেতে পরে,,শেষে ,,,, রাত কানার টানেতে পরে  প্রান হলো কানায় কানায়,,, 

ওরে মন কানা,,,
সহজ পথে হোঁচট লাগে ওরে মন কানা,,,
সহজ পথে হোঁচট লাগে ওরে মন কানা,,,

সরল হয়ে ধরগা সাধুর পায়ে,,,, দিব্য নয়ন করে দেবে হাত বুলায়ে গায়ে,,,,
সরল হয়ে,,, ও,,,মন আমার,,,
 ধরগা সাধুর পায়ে,, ,, দিব্য নয়ন করে দেবে হাত বুলায়ে গায়ে,,,,
সরল হয়ে ধরগা সাধুর পায়ে,,,, দিব্য নয়ন করে দেবে ওরে মন  হাত বুলায়ে গায়ে,,,,
তখন অন্ধকারে চিনতে পারবি,,,  
ওরে মন,,,,, মন  মন মন মন আমার,,
অন্ধকারে চিনতে পারবি,,,,প্রান টি কর তুই  সোনা,, 

ওরে মন কানা,,, 
সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,, 
সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,, 

যদি থাকতে চাও এই সাধুর হা,,,,টে,,  
তবে কান খোরা নেমে পরো সাধুই পথে,,  
ওরে মন,,,,
যদি থাকতে চাও এই সাধুর হা,,,টে,,,
ওরে মন আমার,,,,, র,,মন, ওরে মন আমার,,, 
যদি থাকতে চাও এই সাধুর হাটে,,,,,, 
কানা খোরাইন নেমে পর সাধুই পথে,,, 

যাদবিন্দু বলে এবার আমি,, যাদবিন্দু বলে পেয়েছি ভাই 
গুরুর চরন ছাড়ব না,,, 

ওরে মন কানা,,,

সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,,  ওরে মন কানা,,, 
আপনি সহজ না হইলে,, আপনি সহজ না হইলে,,, 
আপনি সহজ না হইলে সহযে পথ মেলে না,, 
ও,,,,রে মন কানা,,, 
সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,, 
সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,, 
সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,,, 
সহজ পথে হোচট লাগে ওরে মন কানা,,,,, 


এক কোজাগরী সন্ধ্যায়...

তিথি,,,
  পরিপাটী সাঁঝে,,, 
চমৎকার চোখ ধাঁধানো শ্রী সৌন্দর্য নিয়ে উপস্থিত।
হাতে সেই আদ্দি কালের ব্যাগ মাথার চুলে বেণী , নীল শাড়ি কাচের চুড়ি ভর্তি হাত ,ঝুমুর ঝুমুর নুপূর দোলায় আলতা রাঙ্গানো পা, দুখানি যেন পদ্মের উপরেই শোভা পায়। 

আহা: কি চমৎকার! 

নীল তিস্তার এক ঘাটে নৌকার মাঝি কে বলছে আমাদের একটু ঘুরাবে 200 টাকা দেবো,,, 
রামু মাঝি তাতেই রাজি বলে বাবু !
আগে টাকা টা দিবেন দুই কেজি চাউল কিন্না বাড়িতে দিয়া আমু!!

কথা টা তিথি কে আক্রান্ত করেছে । 
ও বরাবরই ওইরকম স্বভাবের মেয়ে।

সাথে সাথে নীলের মানি ব্যাগ টা নিয়ে রামু কে বললো হ্যা দেবো কিন্তু আমাদের আরেকটা কাজ করতে হবে। 

রামু  মাঝি বলে কি  কাজ ! দিদিমণি?

চার টি 500 টাকার নোট বের করে দিল রামুর হাতে 

এই নাও দোকান থেকে চাল ডাল আলু তেল নুন কিনে বাড়িতে দিয়ে এসো আর আসার সময় আমাদের তিনজনের জন্য কিছু খাবার নিয়ে এসো আর একটু তাড়াতাড়ি এসো। 
আমরা তোমার নৌকাতেই বসলাম...

রামু মাঝির সেদিনের কোন উপার্জন ছিলো না । 


দুজনে একসাথে নৌকায় হাওয়ায় দোলে দোলে দোদুল দোলে নীল ও তিথির চৈতন্য ,,,

রামু মাঝি আসে না সময় বয়ে তখন রাত 9 টা ,
ওরা দুজনে ভুলেই গেছে ওরা,,, দুজন তখন,

তিথির কোলের ওপরে নীলের মাথা তিথির চুল হাওয়ায় এলোমেলো তখন...  উড়ে উড়ে এসে নীলের মুখ ঢেকে দিচ্ছে, 
তিথি চুলে ঢাকা মুখ সরিয়ে নীলের মুখ চাদের আলোয় ঝলমল মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।

বলছে আচ্ছা নীল ! 
তুমি এমন কেন? 

একটু দেখা করতে চাও না কেন! 

সব সময় শুধু ব্যস্ত আর ব্যস্ত ধূর ভাল্লাগে না !

বিরক্ত কর তুমি...

যখন আমি থাকবো না !

তখন বুঝবি এই যন্ত্রণা কি কঠিন,,, 

তখন তোমার এই ব্যস্ততাও থাকবে না ।

কী করবি তখন?

নীল, তিথির কোলের থেকে মাথা তুলে বসেই,,

তিথি আমি পাগল হয়ে যাবো তুমি না থাকলে,, 

ও সব কথা বলবে না। 

তিথি নীলের মাথায় এক টা চাটি মেরে,,
ওরে মাথা মোটা কেউ চিরদিন থাকে না,, 
আমিও না তুমিও থাকবে না। 
তবে আমি না থাকলে তুমি নিজেকে ভালো রাখার চেষ্টা রাখবে।
 তুমি বেঁচে থাকলে আমার ভালবাসা বেঁচে থাকবে। আমি বেঁচে থাকব তোমার মধ্যে। 
এক টা সহজ মানুষ হয়ে থেকো।
দেখবে সবাই ভালবাসবে তোমায়,,, 
তুমিও ভালো থাকবে। 
লাবণ্য হয়ে থাকবে কোন ফুলের...
আমিও থাকব তোমাদের  মধ্যে,,, 
দেখবে তুমি ..
আমার থেকেও কেউ বেশী ভালবাসা নিয়ে তোমায় উজাড় করে দিতে আসবে.....
 

ক্রোধান্বিত নীল,,,  তুই রাখতো বা* কথা,, 

চল ক্ষিদে পেয়েছে সামনে কি আছে দেখি খাবো 
মাঝি টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে আর আসবে না ....

কতগুলো টাকা তুই ওকে বেকার দিলি...

তিথি,,,
নারে ! ও যদি নাও আসে তাও জানবি একটা মানুষ যিনি অসহায় বোধ দেখিয়ে ঠকিয়েছে,, ভগবান ওর ঠিক বিচার করবে,,,,।

ওরা,, উঠতেই,,  রামু,,,  
ও। মা! মা- গো আমি ঠকাই নাই মা! 
তোমার টাকায় বাবার   ওষুধ  আগে নিয়েছি ।
আজ  চারদিন ফুরিয়ে গিয়েছিল আমি জোগার করতে পারিনি!  
তারপর একটু সবজি চাল ডাল আলু তেল নুন কিনে বাড়িতে দিতেই  তোমার কাকি মা, 💗 আনন্দিত হয়ে হেঁসেলে গিয়েই রান্না বইসে দিয়ে-ল,, 
সারা দিন ও  আর আমি কিচ্ছুটি খাই নি কো,,,

অভাগী আমার জানতে চাইলে কি করে এতো কিছু এনিছি! 
ধার কইরেছি কি না জানতে চেইয়ে বেজায় চটে।
 অভাগী! 
আমায় সব সময় বলে ধার করে খাবে না ।
আমি মাঝে মাঝেই শুধোই ওরে! 
কে রেইকে ছিলো তোর নাম অভাগি!
 কি জানি?

এখন চটপট উইঠে ওই খানে জল আছে হাত ধুয়ে এসো,, 

এ দেখো আমি তোমাদের জন্য খাবার নিয়ে এসেছি ।
আমি আরো একটু তাড়াতাড়ি আসতাম,  
বউ টা আমার বলছিল ওর চোখের সামনে দুটো খাবার খেতে,, 
আসলে আমি না খেলে ও (অভাগী ) কিছু খায় না,,,, 
আজ সারাদিন কিছু জোগাড় করতে পারি নাই,, 
নদীতে আ জ আমদানি হয় নাই,,
ঘরে অল্প কিছু চাল ছিল,, ছোট্ট মেয়েটা,,আর অসুস্থ বাবাটার মুখেই তুলে দিয়েছে ও,,,  

দুই জনেই খুদার জ্বালা নিয়া সন্ধ্যা থেকে আকাশের চাঁদ দেখতে ছিলাম আর কইতে ছিলাম,, হায়রে কোজাগরী লক্ষী দেবী  কোথায় তুমি ?

এই দাদা ঘাটের ধারে অনেকক্ষণ,,, 
আমি নৌকায় বইসা ছিলাম,,  
তুমি মা এই দিকে আইতে ছিলা !
আমি তোমায় দেখে ভাবতেছিলাম মা লক্ষ্মী বুঝি এইরকমই হয়....

নীল তৎক্ষণাৎ একই কথা ভাবছে ঠিকই তো আমিও তো তাই ভাবছিলাম আজ তিথি লক্ষ্মী মেয়ে হয়ে এসেছে।

নাও দেখি বাবু এখন চটপট খেয়ে নাও আর কথা নয়। 

অনেক রাত হয়েছে এরপর তোমারা বাড়ি ফিরবে কখন? 

দেখো চুনো মাছের ঝোল আর আলু সিদ্ধ মাখা  করেছিল অভাগী,,, 

খেয়ে দেখো খুব স্বাদ! 

আমি খেয়ে এসেছি। 
না খেয়ে আসলে অবাগিটা ও না খেয়ে থাকতো। 

তাই একটু দেরি হলো আসতে। 

আমার আসতে দেরি হয় দাদাবাবু আমায় ভুল বুঝবেন না। 

রামু মাঝি,,,
 আচ্ছা আপনাদের বাড়ি কোথায় দাদা বাবু!  

মা! তোমাদের বাড়ি কোথায়! 

ওরা দুজনেই দুজনার ঠিকানা জানানোর পর ,,
রামু বলছে,, 
তো আজ রাতে তোমরা থাকবে কোথায়? 

নীল,,, তৎক্ষণাৎ বলে উঠলো কেন তোমার নৌকায় !

তিথি, ,,,ও রামু কাকা হ্যাঁ ও ঠিক বলেছে... 

আজ রাতটা আমরা এখানেই কাটাই...

রামুর ক্ষমতা হলো না ওদের মুখের উপর না করবে,, 

রাজি হয়ে গেলো তিথির প্রস্তাবে....

আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে তাই হবে বেশ,,

ও মা ! এখন খাবার টা দাদা বাবুকে দাও দেখি তোমরা খাও মা ,,,  

আমি একটু দেখি মা লক্ষ্মী মেয়ে আমার দাদা বাবুকে কি ভাবে খাবার খেতে দেয়... 

আমার অভাগীর আমায় যেই ভাবে দেয় ! 

নাকি তার থেকেও অনেক বেশি মায়া মমতা ভালবাসা ভরিয়ে তারপর....

একটা সত্যি কথা বলি মা,,,

 আমি এখানে এসেছি আরো অনেকক্ষণ আগে।

 তুমি দাদাবাবুর মাথায় হাত বুলিয়ে হাওয়ায় উড়ে আসা তোমার মাথার চুল দাদা বাবুর মুখের উপর থেকে সরিয়ে কি দেখছিলে তুমি জানিনা !

আমিও তোমাদের দেখছিলাম,,, 

আর শুনছিলাম তোমার কথাগুলো,,,

ঠিকই বলেছ তুমি দাদাবাবু কে,,,  

একটা ভালো মানুষ হয়ে, একটা সহজ মানুষ হয়ে সকলের ভালোবাসা নিয়ে সকলের মধ্যে সব সময় আনন্দে থাকতে ।

আচ্ছা তোমাদেরকে একটা কথা বলি,, 
ওই যে হ্যারিকেনের আলো দেখতেছো? 
আমি সারারাত ওখানে থাকবো,, 
তোমরা নৌকায় থাইকো,, 
ভিতরে চাদর আছে যদি দরকার পড়ে বের করে নিও...


ভোরের পাখি জেগে উঠবার আগেই নিত্যদিনের অভ্যাসের রামু ও জেগে ওঠে  ,,, 

ঘুম ভাঙতেই সে সজাগ হয়ে নৌকোর পাটায় ওদের দেখতে এসে দেখছে,,,  
সম্পূর্ণ শরীর চাদর আবৃত নীল ঘুমায়ে আছে তিথির কোলে ,,  

নৌকোয় বাঁধা বাঁশের খুঁটিতে হেলান দিয়ে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছে তিথি....

একা চাদ ওদের পাহাড়ায়। 

লোক জন ঘাটে আসার আগেই আবার রামু,, 
ওদের দেখতে এসেছে ,,,
জাগিয়ে দিয়েছে কারণ ওদের ওভাবে দেখলে সমাজের আর সকলে কেউ মেনে নেবে না। 
 
ঘুম ভাঙতেই নীল,, 

 এই এক্ষুনি যদি বাড়ির দিকে গন্তব্য নেই তবে সঠিক সময় ট্রেনটা ধরতে পারবো,, 

এসো তিথি আবার কোন দিন দেখা হবে,, 

আমি তোমার কথা মতোই চলবো,, 

একটা সহজ মানুষ হয়ে চলবো...










গুরু তুমি পথ দেখাও

গুরু তুমি পথ দেখাও , আমারে
     আমি কোন পথে যে যাই,,,,,,

সেদিনের সেই তরে (সময়ে)
 একি- ই দেখি , ও গো গুরু একি দেখি
সেই "স্বরুপশক্তি" ঘরে,
দেখি এক বেটায় নিজেরে নিজেই 
মহান শুধু বলিয়া ভাবতেছে....

ও গো,,,,
গুরু,,,, তুমি পথ দেখাও ,আমায়,,
     আমি কোন পথে যে যাই,,,,,,
ছিলো,,,
সে এক মহামায়া তত্ত্ব সন্ধানী 
কি নাম তার রাই কিশোরী...
তারে অহং দেখায় 
ভাবে ,
পাগলের কথা তার পৈতৃক সূত্রের দাবি,,,

ও,,,
গুরু,,,গো,,,,, ও, ও, ও গুরু গো,
, তুমি পথ দেখাও ,
     আমি কোন পথে যে যাই,,,,,,

স্বরুপ-কক্ষে মুচকি হাসে ,, সাধন ,,,
ও গো গোঁসাই আমার,,
   ও গোঁসাই,,,  ক্ষমা করো,,সইবো আর কতক্ষন?
স্বরুপ-কক্ষে মুচকি হাসে ,, সাধন ,,,
ও গো গোঁসাই আমার,,
এসব দেখে শুনে ভাবে কাব্য ,,,,,
খালি কলসির কতো না! ওজন?

ও গো,,,,গুরু,,,, 
তুমি পথ দেখাও , আমায়,,,
     আমি কোন পথে যে যাই,,,,,,
ও গো,,,,
গুরু,,,, তুমি পথ দেখাও ,
     আমি কোন পথে যে যাই,,,,,,
আমি কোন পথে যে যাই,,,

শিকল বেরি দিলেই কি আর ...

শিকল বেরি দিলেই  কি আর-বাংলা লিরিক্স: 




শিকল বেরি দিলেই  কি আর,,,,কাউরে বাইন্ধা রাখা যায়......
শিকল বেরি দিলেই  কি আর,,,কাউরে বাইন্ধা রাখা যায়... 

যদি  থাকিতে না চায়..,,,কি লাভ হইলো শিকল বেরি 
দিয়া পাখির পায়..

আমার মন ভোলা পাখি টা...
 এখন উড়িয়া বেড়ায়.

কি লাভ হইলো শিকল বেরি 
দিয়া পাখির পায়...
কি লাভ হইলো শিকল বেরি 
দিয়া পাখির পায়...

জংলার পাখি মন বুঝে না,,,, থাকিয়াও  পিঞ্জিরায়,,,,
আমি ছাড়াও পাখিটারে    কে ! জন পোষ মানায়...

জংলার পাখি মন বুঝে না ,,,,থাকিয়াও  পিঞ্জিরায়
আমি ছাড়াও পাখিটারে. ....কে !জন পোষ মানায়...

পাখি কথা রাখে নাই রে......কথা রাখে নাই.....

কি লাভ হইলো শিকল বেরি..দিয়া পাখির পায়...
কি লাভ হইলো শিকল বেরি..দিয়া পাখির পায়...

কুমার যেমন পোড়ায়  মা টি,,,আমার তেমন হাল..
কে জানিতো তোর পিরিতে......পুড়িবে কপাল..
কুমার যেমন পোড়ায় মা...আমার তেমন হাল.....
কে জানিতো তোর পিরিতে....পুড়িবে কপাল..

মল্লিক কান্দে সর্বদায়
পাখি আয়রে ফিরে আয়..

লাভ কি হইলো শিকল বেরি.. দিয়া পাখির পায়...
কি লাভ হইলো শিকল বেরি ...দিয়া পাখির পায়...

শিকল বেরি দিলেই  কি আর
কাউরে বাইন্ধা রাখা যায়... 

যদি  থাকিতে না চায়..কি লাভ হইলো শিকল বেরি 
দিয়া পাখির পায়..

আমার মন ভোলা পাখি টা...এখন উড়িয়া বেড়ায়.

কি লাভ হইলো শিকল বেরি ...দিয়া পাখির পায়...
কি লাভ হইলো শিকল বেরি ...দিয়া পাখির পায়...
কি লাভ হইলো শিকল বেরি ...দিয়া পাখির পায়...


গীতিকার,,, রাসেল মল্লিক 
সুর,,,, শিমুল হাসান

"কোন এক কালবৈশাখীর সন্ধ্যায় "

“কোনো এক কালবৈশাখীর সন্ধ্যায়”

— আজ এত জলদি? ছাতার অভাবে বোধহয়! 
— তাড়াতাড়ি এসেছি, কোনো সমস্যা? 

— সমস্যার তো আদিঅন্ত নেই, সেসব কথা নাইবা বললাম।
— বলতে চাইলে বলতে পারো, আটকাবার কেউ নেই। 

— গামছা দেব? 
— নাহ, সামান্য জল লেগেছে। 

— সামান্য জল থেকে শরীর খারাপ হলে সেবা কে করবে? 
— সেবা নেবার জন্য ভিজে এসেছি বলছো?

— আজকাল অতিরিক্ত বুঝে যাও সব। 
— মুখে চাবি দিয়ে রাখো তাই অগত্যা...

— চা খাবে?
— হ্যাঁ, তবে একা একা পোষাবে না। 

— আমি তো চা খাওয়া ছাড়িনি। 
— ওটা রেখে দিয়েছো নিজের সাথে এটা দেখে ভালো লাগে। 

— ছাড়ব ভাবছি, চেষ্টা চালাচ্ছি।
— বেশ, শেষটুকুই বা বয়ে বেড়ানোর কি দরকার। 

— খোঁচা না দিয়ে কিছু বলতে পারো না?
— নাহ, অশিক্ষিত মানুষ হলে যা হয়। 

— শেখার ইচ্ছেটুকুও দেখিনি কখনো।
— আর দেখে লাভ কি? দিন তো ফুরিয়েই এল। 

— ওহ, উকিলের সাথে কথা বলে এলে?
— হ্যাঁ। আর দিন কয়েক তারপর স্বাধীনতা পাবে।

— আমি কোনোকালে পরাধীন ছিলাম না। 
— শোষনে ছিলে না? 

— নাহ। 
— ওহ, তবে? 

— থাক না, চা ঠান্ডা হচ্ছে। 
— শরীরও ঠান্ডা হবে একদিন, তার আগে জেনে যাই। 

— জানার আদৌ সময় আছে তোমার? 
— সময়টাই তো দিয়ে উঠতে পারিনি, আজ আছে!

— ওহ, এতদিন হয়নি তাহলে?
— জানি না। 

— শেষ কবে এরম সন্ধ্যায় ঘরে এসেছ?
— মনে পড়ে না। 

— ইচ্ছে হয়নি না? একবারের জন্যও...
— জানি না। 

— চা খাওয়া হলে বেসিনে নামিয়ে দিও।
— চলে যাচ্ছো? 

— যাবার জন্যই তো এতকিছু। 
— হুম। 

এরপর চায়ের কাপ ধরে একভাবেই বসে থাকে সুজিত‌। সীমন্তনির সাথে হয়তো এবারই শেষ চা খাওয়া একসাথে। এরপর আর কখনো ওরা একসাথে বসে চা খাবে না। সুজিত একঘন্টা বাদে ফ্রেশ হয়ে বিছানায় এসে একধারে হেলান দিয়ে বসে। বাড়িতে একটাই বিছানা। তবে বিছানার দুই মানুষের মাঝে যথেষ্ট ব্যবধান। বাইরে হাওয়ার বেগ টা কমে বৃষ্টি নেমেছে ঝড়ঝড়িয়ে। রুমের জানালার কাঁচে বৃষ্টির জলের ঝাপটা এসে লাগছে। সুজিত বই পড়ছে। কিন্তু বইয়ের পাতার মাঝে থাকা কোনো লাইনই তার মস্তিষ্কে পৌঁছায় না। একদৃষ্টে ঐ পাতার লেখাগুলোর মাঝে চেয়ে রয়েছে আর ভাবছে সীমন্তনির চলে যাবার দিনের কথা। ঐদিন কিভাবে বিদায় জানাবে তাকে সুজিত? আদৌ বিদায় জানাতে পারবে তো?... আচ্ছা, সীমন্তনি সত্যিই চলে যাবে ওকে ছেড়ে! সীমন্তনি পারবে? ওর কষ্ট হবে না? 
না না, ওর কেন কষ্ট হবে? সীমন্তনি স্বাধীনভাবে ভালোভাবে বাঁচতে পারবে এরপর। ওর কষ্ট পাবার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বাইরে বৃষ্টির বেগ বেড়েছে। কিছুক্ষন বাদে বাদে বজ্রধ্বনিও  শোনা যাচ্ছে। এভাবে খানিকক্ষণ চলার পর লাইট চলে যায়। সুজিত আর সীমন্তনি এক বিছানায়। সমস্ত ঘর অন্ধকারে ভরে গেছে। চোখ পাতলে কালো ছাড়া আর কিছু বোঝা দায়, সুজিত চুপ করে ঐভাবেই বসে বসে ভাবছিল কথাগুলো‌। আর মাঝে মাঝে বাইরে বিদ্যুতের ঝলকানিতে ঘরটা একটু করে আলোয় উদ্ভাসিত হচ্ছিল। সুজিতের হঠাৎ খেয়াল হয় যে সীমন্তনি বাজের শব্দে প্রচন্ড ভয় পেত, আজ এতগুলো বাজেরশব্দ শোনার পর ও কীভাবে চুপ করে শুয়ে আছে? ও কি ঘুমিয়ে পরেছে? 
সুজিত ধীরভাবে সীমন্তনির দিকে ঘাড় ঘোরায়, বিদ্যুতের আলোয় দেখে সীমন্তনির শরীরটা জোরে জোরে ওঠানামা করছে আর বাজ পড়ার পরমুহুর্তে কেঁপে উঠছে। সেই সাথে একটা ক্ষীন চাপা শ্বাসের ফসফসানি শোনা যাচ্ছে। সুজিত বুঝতে পারে না, ঠিক কতখানি কোনঠাসা হলে মানুষ তার ভয় কে এতটা চেপে রেখে নিজের ভেতরে ধামাচাপা দিতে প্রানপনে চেষ্টা করে; সুজিত এসব ভাবছিল আচমকা আরেকটা বাজ পড়ে, এটা একটু বেশিই জোরে ছিল ফলে সীমন্তনি অস্বাভাবিক রকম কেঁপে উঠে চোখ বন্ধ করে নেয়। সুজিত ধীরে ধীরে তার ডানহাত টা দিয়ে ওপাশ ফিরে থাকা সীমন্তনির কম্পমান কাঁধে রাখে। সীমন্তনি দীর্ঘ পাঁচ বছরের শুস্ক ঝড়ঝড়ে দাম্পত্যের পর এই আজকে তার বহু পুরোনো আর পরিচিত সেই হাতের স্পর্শ পেল। এই স্পর্শ একটা সময়তে সীমন্তনির সমস্ত শরীরকে তড়িৎবেগে স্থির করে দিতে পারতো‌। একটা সময় এই হাতের স্পর্শ সীমন্তনির সমগ্ৰ দেহে এক অনাবিল আনন্দ আর তৃপ্তির অনুভূতিতে ভরিয়ে দিতে পারতো‌। আজ বহুদিন বাদে এই চেনা হাতের ছোঁয়া পেয়ে সীমন্তনি হাতটাকে আঁকড়ে ধরে কোনোকিছু না ভেবেই, সুজিত এরপর ডানহাত দিয়ে আলতো চাপ দেয় সীমন্তনির কাঁধে। সীমন্তনির চোখ বেয়ে এরইমধ্যে জলের ধারা নামতে শুরু করেছে। এরপর সে ফুঁপিয়ে ওঠে‌। সুজিত তার ডানহাতের চাপ দিয়ে সীমন্তনি কে এপাশে ফেরায়, ফিরিয়ে দেখে বিদ্যুতের আলোয় সীমন্তনি চোখ বুজে রয়েছে যতটা সম্ভব আর ফোঁপাচ্ছে। তার চোখের পাশ বেয়ে সমানে জল গড়িয়ে যাচ্ছে দুপাশে‌। সুজিত এবার সীমন্তনির চোখদুটো হাত দিয়ে মুছিয়ে দিতে যায় কিন্তু চোখ স্পর্শ করার আগেই সীমন্তনি আরেকটা হাতদিয়ে সুজিতের হাত চেপে ধরে। সুজিত বুঝতে পারে, এই একটা শেষ সুযোগ দিচ্ছে সীমন্তনি। নিজেকে সুজিতের কাছে ছেড়ে দিতে চাইছে সীমন্তনি। সুজিত একটু ঝুঁকে সীমন্তনির কপালে ঠোঁট ছোঁয়ায়। এতে সীমন্তনির চোখ বেয়ে জলের ধারা নামতে থাকে আরো দ্রুত। সুজিত দুহাতে ধরে সীমন্তনি কে উঠিয়ে বসায় বিছানাতে। চোখ মুছিয়ে মুখটা ওপরে তুলে ধরে সুজিত। আরেকবার চুমু খায় সীমন্তনির কপালে, 

— ভয় পাও এখনো?
— হ্যাঁ। (কান্না জড়ানো গলায় ফুঁপিয়ে বলে সীমন্তনি) 

— আমাকে বলোনি কেন?
— কেন বলব?

— বলবে না?
— না।

— কি করা উচিত তাইলে আমার?
— জানি না। 

— আমি তোমাকে স্পর্শ করলাম, প্রতিবাদ করবে না?
— না।

— কেন?
— জানি না। 

— এই, আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলো জানো না।
— আমি আর পারছি না, আমি হাঁপিয়ে গেছি। তুমি জানো না কিচ্ছু। 

— আচ্ছা, আমাকে জানাবে আজকে?
— এখন কেন জানাবো? কে তুমি?

— আমি কে? তা তো জানা নেই। 
— তাহলে বলব কেন? 

— না বললে আমি যে শেষ হয়ে যাব। 
— কেন?

— তুমি চলে যাবে যে, তাই...
— আমাকে অবহেলা করার সময় মনে ছিল না? 

— ভুল করেছি। 
— আমি সময় চাইলে টাকার পেছনে ছুটতে, তখন ভাবোনি এসব?

— নাহ। এখন বুঝতে পারছি। 
— কি বুঝছো? 

— অন্যায় হয়ে গেছে। 
— হ্যাঁ, আর তোমাকে এর জন্য শাস্তি পেতে হবে। 

— আমি তো পাচ্ছিই এখনও। আরো দিতে চাও?
— হ্যাঁ। (এই সময় আরেকবার বাজ পড়ল) 

— এভাবে দেবে? (সীমন্তনি সুজিত কে জাপটে ধরেছে বাজ পড়ার ভয়ে)
— (নিশ্চুপ) 

— কি হল? বলো?
— না। আমি জানি না কিছু...

— ছেড়ে দেব?
— না। কেন? খুব সমস্যা হচ্ছে? 

— নাহ তেমন কিছু না, ভালোবাসবো? 
— বিয়ে করোনি নাকি এর আগে? 

— আমাকে শেষবার সুযোগ দেবে?
— হুম... 

সুজিত সীমন্তনি কে আরো জড়িয়ে ধরে। সীমন্তনির মুখ তুলে কপালে গালে চুমু খেতে থাকে। সীমন্তনি এতদিন পর নিজের জমে থাকা প্রাপ্যগুলো পেয়ে আনন্দে কেঁদে ওঠে আবার। সুজিত দুহাতে সীমন্তনির মুখ ধরে তার ঠোঁটজোড়া নিজের সাথে মিশিয়ে নেয়। সীমন্তনি সুজিতে স্পর্শে নিজেকে ধরে রাখতে পারে না, সুজিতের সাথে সাড়া দিয়ে ওঠে‌। বৃষ্টির বেগ ক্রমশ বেড়ে চলেছে রাত বাড়ার সাথে সাথে। অন্ধকারে কিছুটা থাকার পর চোখ অভ্যস্ত হয়ে যায় এর সাথে, এই অন্ধকারেই সুজিত সীমন্তনির সর্বাঙ্গ স্পষ্টভাবে দেখতে পায়। সুজিত সীমন্তনির কাছাকাছি আসার পর বুঝতে পারে, ঠিক কতটা সময় পেরিয়ে গেছে সুজিত তার প্রিয় ভাঁজ গুলো কে মনযোগ দিয়ে দেখেনি সীমন্তনির শরীরে। এতটা সময় পেরিয়েছে যে সীমন্তনির দেহের যে পরিবর্তন ঘটেছে তা সে লক্ষ্যই করে উঠতে পারেনি। সুজিত ধীরে ধীরে দুহাতে সীমন্তনির পিঠ কোমড় আঁকড়ে ধরে, বলিষ্ঠ হাতের দৃঢ়তার সাথে সীমন্তনির শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের বোতাম কটি টেনে খুলে ফেলে। সীমন্তনি তখনও জলভরা চোখে সুজিতের দিকে চেয়ে রয়েছে, সীমন্তনি চেয়ে দেখছে এই সুজিত কে যাকে সে দেখছিল বিয়ের মাস দুয়েক পর। দাম্পত্য এগোবার সাথে সাথে দেড়বছরের মাথায় এই সুজিত কেমন যেন উধাও হয়ে গেছিল সীমন্তনির কাছ থেকে। আজ এতগুলো দিন পেরিয়ে আবারও সুজিতের মাঝে তার পুনোরো সত্বা আর প্রেমাকাঙ্খী কে খুঁজে পেয়ে সীমন্তনি নিজেকে সঁপে দেয় তার কাছে‌। সুজিত সীমন্তনির ব্লাউজ ফেলে দিয়ে গলার দুপাশে ঠোঁট দিয়ে উষ্ণ স্পর্শ করে, সীমন্তনির ঘাড় গলা বেয়ে বুকে মধ্যস্থলে দীর্ঘ একটা চুম্বন দেয়। সীমন্তনি উত্তেজনার ফলে সুজিতের গেঞ্জির ওপর দিয়ে পিঠ আর চুল খাঁমচে ধরে। এরপর ক্রমশ রাতের গভীরতায় সীমন্তনি নিজেকে মিলিয়ে দেয় সুজিতের মাঝে। তারা একেওপরের মাঝে বিছানার যে ব্যবধান গড়ে উঠেছিল তা ভেঙে ফেলে একসাথে। সুজিত ও সীমন্তনি মিলনে লিপ্ত হয় কালবৈশাখীর রাতের গভীরতায়... 

— দাস
ছবি সংগৃহিত

একটু মনে কইরেন...

আপনে কি আমারে এক্কেবারে ভুইল্যা গেছেন?
কি হইরা পারলেন এমন! 

আমার নামড্যা কি চিরতরে আপনের মন থেইক্যা মুইছ্যা ফেলছেন?
এহন হেই নাম বাজে আপনার বুকের মইধ্যে! 

আমগো কাটানো স্মৃতি গুল্যা কি আপনের মনে পড়ে না?
কও! 
কও!
আইজকা রাইতেই এতো অন্ধকার ক্যান?  মনে হয় সময় ফুরাইয়া যাইতাছে,,, আমি আর থাকুম না...
 আমি আর.... 

আপনের বুকের বামপাশে কি আমার লাইগ্যা চিনচিন ব্যথা অয় নাহ?
হু!

ও! 🥰
কও!.

রাইত অইলে ক্যামনে ঘুমান আপনে,আপনের কি সুন্দর মতো ঘুম আহে?

হুটহাট কইরা কি এহনো মধ্যি রাইতে আপনের ঘুম ভাইঙ্গ্যা যায়?
এহনো কি ঘুম ভাইঙ্গ্যা গেলো জানালা'র গ্রিল ধইরা নিঝুম রাইতের আসমান দেহেন?
আমি দেহি...
এহন কি আগের মতো শুকতারা খুঁজতে থাহেন? 
তাই নাকি"
তারা গুনেন একট্যা একট্যা কইরা—
চাঁদ দেখার মাঝে গুনগুন কইরা গান করেন?
ফোনের অপর পাশ থেইক্যা এহন আপনের গলা শুইন্যা কে মুগ্ধ হয়?
জানেন এই পরানটা নিয়া আকাশের চান হইতে নাভি শঙ্খ পচা শামুক,,ওরা সবাই আমায়  প্রত্যাখ্যান করছে!
তারপর আপনে!  
আমার জানতে ইচ্ছ্যা হয়—
সত্যি কি আপনে আমারে ভুইল্যা গেছেন?
একবার কইবেন!
ওই!
নাকি ভালো থাকবার লাইগ্যা ভুইল্যা যাইতাছেন?
আমি ভালো থাকতাম কইয়্যা আপনে আমারে বিদায়কালীন বেলায় যে অভিশাপটা দিয়্যা গেছেন,হেই থেইক্যা আইজ অব্দি আমি ভালো নেই!

ভালো থাকা আমারে ছাইড়্যা চইল্যা গেছে,পর কইরা গেছে আপনের মতোন কইরা!

তয়;আমি তো আপনেরে ভুলি নাই,আপনে আমারে কেমনে ভুইল্যা গেছেন?
কেমনে!  কইবেন! 
আমারে ভুইল্যা কেমনে থাহেন আপনে?
আইজ একট্যা অনুরোধ করি আপনেরে,, 
আপনে আমারে ছাইড়্যা গেছেন এইট্যা আমার চরম দূভাগ্য! কইতে পারেন... 
কিন্তু,আমারে ভুইল্যা যাইয়েন না। 
আমি যেমন কইরা আপনেরে মনে রাখছি,,,
জানেন আইজ দোতারা খান কান্দে লইয়া আপনের নাম লইয়া ডাইকা ফালাইছি!! 
সে কি শান্তি!  আমার,,  আমি তাই  করমু,,ওই নাম টা দোতারার গায়ে একদিন সোনা দিয়া বান্ধাইয়া সাজামু,,,

আপনেও আমারে একটু মনে রাইখেন। 
আমার মতো কইরা মনে না রাখতে পারলেও হইবে,,,
শৈশবকালের স্মৃতি গুল্যার মতো মাঝে মইধ্যে আমারে একটু মনে কইরেন!

একবার এসো তিথি!

ও! ও!  🥰 একবার এসো হঠাৎ এসে খুশি দেখে যাও...
জানি আমার না! 
তবুও 
আমার না হলেও এসো,,, তুমি... 
আইসা দেখবা আমি কেমন আছি! 
আকাশ পরিমাণ আক্ষেপ আছে তোমারে একটু দেহনের..
আহাঃ কি রুপ তমার,,, খাটি সোনায় গড়া দেবীর চিন্ময়ী মূর্তি...  আহাঃ!
তোমাকে একবার ছুঁয়ে দেখবো তাই তো সাত জন্মের পর এখন আমি কাব্য!
জড়িয়ে ধরবো বুকের বাঁ পাঁজরে আর ঘনঘন শ্বাস নিয়া নিজেরে শুদ্ধতায় শিখরে নিয়া যামু...…
কেন হলো এমন? হ্যা!  

ক্যান হইলো এমন! 

হইলা  না কেন তুমি আমার মানুষ বুকের মইধ্যে আর পামু না তোমারে... আমার আবার জন্ম নেওয়া লাগবে! 

আসবে তো একবার আমার জীবনে!  বলো! না প্লিজ তিথি!  একবার বলো! 
মনের বাঁ দিকে গোলাপ জল ছিটিয়ে দিবো!  ভিজিয়ে দেবে তোমার গন্ধে!  আমার খুব প্রিয় ওই গন্ধ.. 
আমায় মাখতে দেবে!  
তুমি এতো পাষাণ ক্যান গোঁ
মন পু/ড়ার গন্ধ তোমার নাকে পৌঁছাইতে চায় না!  নাকি তুমি দেখো না!?  আমি বুঝি না!
ও! তিথি!  আসার সময় হাতে কইরা একটা গোলাপ নিয়া আইসো,,,,,,
আমি ঘুমাইয়া পরলে,,  মাথার কোণে রাইখো,
একবার বুকে নিয়ে নিও প্লিজ,
একবার এসো তিথি! 

নাম কিনেছি

কাল সারারাত নাম কিনেছি জুঁইফুলের মমতা.. 
ভালোবাসার দৌলতেই হারিয়েছিলাম সমতা...

আকাশে তখন ললাট লেখনে মধ্য গগনে চাঁদ
সে প্রেম ছিলো আগুনের মতো পুড়েছে দুই হাত...
কামিনী বালার মধুর গন্ধে সেই  ঘনঘন নিশ্বাস! 
হুউউ! হুউউ! হুউউ! শুধুই খালি মুখের  ঢোক গিলে... 
কামের গন্ধে উন্মাদ নীল!  কাব্য তখন সব ভুলে...

জুঁইফুলে এতো!  মধু আছে যায় কেন বিফলে!?
কাঞ্চন এক পাহাড় তখন  শ্বাসকষ্টের ও মোর সোনার কইন্যারে
    ও মোর গুণের কইন্যারে
আজি আশা দিয়া ভাসালু মোক
        অকূল সাগরে।অথৈ জলে,ডুবু ডুবু ,,, ডুবু....
নিজের বুকে বাঁধছিলো... এক ফুলের নাম....
পুরুষ সুন্দর একথা মানতাম না! 
যদি সে আমায় জীবনে না মিশতো,,,
আজ নিজেকে দেখতেও লজ্জা লাগছে,,, 
চোখের ভিতর কতো প্রেম জমানো তার নামের... 
মন টা বলে ওঠে  আয় নদী হয়ে বয়ে চল আমি মাঝি হয়ে সাতার দেই... তোরনদীর এপাড় থেকে ওপাড়...
পাল তুলে বৈঠা হাতে ভাটিয়ালি গান শোনাবো....

ও মোর সোনার কইন্যারে
    ও মোর গুণের কইন্যারে
আজি আশা দিয়া ভাসালু মোক
        অকূল সাগরে।

চিত্তে তখন দোলায় দুলিয়ে কাঁপছিল দুই ঠোঁট 
শরীর ছিলো বেজায় ক্ষত  রসের নেশায়র চোট(ব্যাথা),,,
 মধু তুলে ধরে ছিলো অপ্সরা  অন্ধ সেই মায়া!
নীল কাব্যের উপায় ছিলো না শুধুই  জ্যান্তেমরা...

আমি আর সে সুখের দোলায় জড়িয়ে ছিলাম কাল।

যেন কতো জন্মের সুখ তুই জুঁই...
 দে! না! আরো সোহাগ আমায়! আয় তবে ছুই..
আরো আদর কর,, 
আরো ছুয়ে দে! 
 ছুয়ে দে আমার শরির,,
 আমার মরু প্রান্তের ,,, নাম লিখে দে,,, এই অরন্য তোর। 
 আমায় তোর শরিরের সাথে মিশিয়ে নে,,,, 
 আমায় আদর করো...
আহাঃ রে...  আমি সোহাগ চাই তোমার সোহাগ চাই। 
আমি এই নেশায় থাকতে চাই... 
আরেকটু আদর করবে! জুঁই..

আমি! "ভাব"

সে এমন এক অভিশপ্ত মানুষ যার মৃত্যু নেই...
ভাগ্যবিধাতা যাকিছু লিখেছেন সেই বিচারক অক্ষয় কিছু লিখেছেন,,,  যার ক্ষয়ক্ষতির কোন হিসেব নেই। 
আসলে হিসেব টা রাখবে কে? 
সেই মানুষ টা তো অধরাই থেকে গেলো.... 

জীবন টা আর বইতে পারছি না!  

ক্লান্ত ভীষণ.. 

আর পারছি না! 

কেউ নেই তাকে জড়িয়ে ধরে বলবো.. 
আমায় একটু সময় দেবে!  
একটু শান্তনা দেবে একটু!  
একটু বুকের মধ্যে নিয়ে দুনিয়ার সব থেকে সুরক্ষায় ঢেকে রাখবে একটু ব্যাশ!  একটু! 

তারপর আমি আবার ঠিক চলতে পারবো জন্মজন্মান্তর।
 পরে যদি আবার একটু আদর চাই ওই! তখন দিও....
আর কিছু না.... 

হাসি,, খেলি,,, 
গান শুনি,,
গলা ছেড়ে গান গাই,,৷ 
তুমি জানো না '' জানো নারে প্রিয় তুমি মোর জীবনের কতো সাধনা!" 

  ফুল দের হাসাই কাঁদাই আবার সেই কথা লিখে রাখি,,,
 লেখা জানান দেই বিভিন্ন মাধ্যমে।
 লেখার কথা পৌঁছে যায় নীলাম্বরী, সখী, জুঁই, আঁড়ি,,ভাঁব,, গোলুমোলু, ঝিঁঝিঁ পোকা, ঝিনুক, মৌরি,,ইন্দুবালা,, দারোগা বিটি ওদের কাছে।
 ওরা সবাই জানে আমি কেমন আছি,,, 

কিন্তু সবাই লেখা পড়ে,,না ,  কেউ কেউ একদম পড়ে না! ওদের বলবো আমার থেকে দুরেই থাকতে,,,

  আমি পঁচে গেছি,, দুর্গন্ধ বের হচ্ছে,,, 
 তোমরা আমায় সবাই দূরে সরিয়ে দাও,,  
দরকার নেই তোমাদের! 

আমি একটা জঘন্য মানুষ,, 
অপরাধ শুধু একটু ভালোবাসা ভিক্ষে চাই,,, 
সবার কাছেই চাই,,
ওই!  তিথী'র অতিথি থেকে নীলাম্বরী, জুঁইফুল, মৌরি,, সখী,, ইন্দুমতী ওরা কেউ আমাকে গ্রহণ করে নি!
শুধু ভুল বোঝে আমায়....

আমি এতো টা পঁচে গেছি এতো পঁচে গেছি লাশকাটাঘরের থেকেও অধিক দূর্গন্ধ আজ আমার... 

আমি ভালোই আছি!  

এতো ভালো আছি কতো প্রিয় নাম এখন আর মুখে আসে না...

সেও  হয়তো ঐ নামের ডাক হয়তো অন্য কোন মুখে শোনার অভ্যাস করে ফেলেছে,,, 

তাই এখন হয়তো আমাকেও তার মনেই পড়ে না! 

কে!  আমি? 

পরিচয় হীন,,  অভিজ্ঞতা হীন,, দুর্বল,,একটা মানুষ... 

আমিও শুনি না আমায় কেউ তার মতো আধো আধো জরতায়   জড়িয়ে কাব্য বলতে!
খুব ইচ্ছে ছিলো এই একটা ডাকে কাব্যর মৃত্যুও  মুক্তি দেবে যএন তৎক্ষনাৎ  ছুটে যাই.... 

চিৎকার করে.... 

বলতে বলতে ছুটছে আঁড়ি'র দিকে.... 


 দি..দি..ম....ণ....ি......

কি ভাবছো!

কি ভাবছো-? 
তোমায় ছাড়া ভালো নেই!?
এইতো, বেশ আছি-
সকালে ঘুম থেকে উঠেই হাহাকার! সারাদিনের কর্মব্যস্ততায়,
রাতের একাকিত্ব আর হতাশাদের নিয়ে খুব একটা মন্দ নেই!
ভালোই আছি প্রিয়!  

কাজে অমনোযোগী, উদাসীন হয়ে সারাদিন বসে থাকা আর যন্ত্রণা দেয় না।

এ শহর একদিন তোমার আর আমার ছিলো। 
এই শহরের এ সে গলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আজও তোমার-আমার গল্প ভেসে আছে, উদ্বাস্তু হয়ে।
 এ শহর আজ কেবল আমার।
 একান্তই আমার! তোমার দায় ছাড়িয়ে এ শহর তুমি আমার করে দিয়ে গেছো, যার কোথাও তুমি নেই।
 এ আর এমন কি...! 
যে যন্ত্রণা আমি রোজ পুষে বেড়াই, যে জীবন হতাশার, সামান্য নির্জনতা আর কতটুকুই বা আহত করতে পারে?

কি ভাবছো?
 ভালো নেই আমি?
আরে, ভালোবাসাহীন জীবনে ভালো থাকাটা জরুরী নয় তো,
বেঁচে আছি; সেই তো পরম সৌভাগ্য।

অবহেলা- অবজ্ঞায় বেড়ে ওঠা, জীবন সংগ্রামে পরাজিত সৈনিক, ব্যর্থতার আক্ষেপ নিয়ে বেঁচে আছি, এর চাইতে বেশি আর কি আশা করবো!? 
বলো তো...!

তোমায় ছাড়া জীবন স্বাদহীন- তুমি থাকলে ঠিকই, কিন্তু আমার হয়ে থাকলে না! 
“ভালোবাসি” বলেও যে মন থেকে ভালোবাসলে না। একাকিত্ব, হতাশায় মুখ থুবড়ে পড়ে রইলাম! 
-কই? 

তুমি তো দেখলে না¡

না পেরেছি তোমায় সুখ দিতে!
আর না পারলাম নিজে সুখী হতে! 
এমন ব্যর্থ মানুষকে কেবল করুনা করা যায় ওই ঠিক  তবে বিশ্বাস করো  ভালোবাসা যায় না! এমন একটা ডাষ্টবিন কে... 
কেউ ভালোবাসে না।  ভালোবাসা তো অনেক দূরের কথা সামনে আসতেও ঘৃণা হয় মানুষের,,, 
আর তুমি!  
তুমি  কি করলে! 

কোথাও ভালোবাসা পাই না আর। 
সম্মান, গুরুত্ব সে তো নাগালের বাইরে। 
সবাই কেমন বাঁকা চোখে দেখে আমায়! 
বলে আমি নাকি হাভাতে,,,  আমার ভীষণ লোভ,,
মানুষের ঘৃণার পাত্র হয়ে বেঁচে থাকাটা আজ খুবই আনন্দের- 
তবুও আর কেউ আমার দাবি না করুক। 
শুধু তুমি নিরবে যখন যখন আমায় ডাকবে দেখো 
কাব্য ঠিক তোমার ডাকে সাড়া দেবে....
একবার ডেকে দেখো আঁড়ি,, 
আমি মৃত্যুর মুখের থেকেও তোমার কাছে ছুটে আসবো!

যেদিকে তাকাই সেদিকে শুধু নিজেকে একা বিস্তার করি– ভীষণ একা! 
তাও ভালো আছি,,, 


কি ভাবছো!? 
ভালো নেই আমি-?
না গো! 
-এইতো, বেশ আছি। 
নিজেকে সবার থেকে, সবকিছুর থেকে গুটিয়ে নিয়ে কে না ভালো থাকে!? 
বলো...!!

এখন পৃথিবীর জাগতিক দুঃখ আর স্পর্শ করে না আমায়। 
এখন হতাশা, একাকিত্বে ভেঙ্গে পড়লে নিজের কাঁধে নিজে হাত রেখে বলতে পারি, 

“নাহ, তোর কেউ নেই, কেউ ছিল না কখনো!”

ভাবে'র ভাগ্যে আড়িঁ'র সুখ নেই তবে ওরা সারাজীবন ভালোবাসায় এক থাকবে,,,

এই কথা তুমি গল্পের পাতায় মিলিয়ে নিও জুঁই 🥰

এই বেশ ভালো আছি..

🤣কার লেখা জানিনা ; তবে বউ না থাকা কোন মহাপুরুষেরই হবে মনে হয় 😁
$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
বউ না থাকলে,
একটা ছোট্ট হারপিক অন্তত দশ বছর চলতে পারে...

বউ না থাকলে,
একটা রুম ফ্রেশনারে সারা জীবন চলে যায়...

বউ না থাকলে,
একটা ঘর মোছা ন্যাতা অন্তত পাঁচ বছর টেকে...

বউ না থাকলে,
একটা পাতি দাঁতের ব্রাস দু বছর অব্দি চলে...

বউ না থাকলে,
ডিওর কোনো প্রয়োজনই নেই..

বউ না থাকলে,
তোয়ালে কেনার প্রশ্নই নেই। একটা গামছাই যথেষ্ট। পা মোছা গামছা, হাত মোছা তোয়ালে, মুখ মোছা টিস্যু, পিঠ মোছা টাওয়াল ইত্যাদি সমস্ত বিভাজন একটা সুতির গামছাই মেটাতে পারে।

বউ না থাকলে,
জল আর উইল্কিনশন ব্লেডেই দিয়েই দাঁড়ি কামানো যায়। ফোম লোশন ইত্যাদি নিশ্চিন্তে ভুলে যেতে পারেন...

বউ না থাকলে,
এরিয়াল, সার্ফ এক্সেল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ টাকার রিনের গুড়ো তিন মাস চলবে...

বউ না থাকলে,
হিম্যান ওম্যান শিম্যান ইত্যাদি বিভাজনের প্রশ্ন ওঠে না। জুই ফুল গন্ধ শ্যাম্পুও অবলিলায় গায়ে মাথায় মাখা যায়... লাল লাইফবয় সাবানও খুশিতে মাখা যায়... গায়ে বা মাথায়।

বউ না থাকলে,
কোলগেটের গুঁড়োতেই কাজ চলে। নুন দেওয়া, চারকোল ঠোসা, লবঙ্গ পেষা, ফ্লোরাইড, ভিজিবল হোয়াইট ইত্যাদি পেষ্টের দরকার হয় না...

বউ না থাকলে,
জামা প্যান্ট ইস্ত্রি করানোর খরচ শূন্য. তাছাড়া ইস্ত্রি লাগে এমন জামাকাপড় কেনারও প্রয়োজন নেই। পাতি টেরিকটের শার্টেও "ও লাভলি" বলার লোক প্রচুর আছে, সবাই যদিও স্বীকার করে না শিকার হবার ভয়ে...

বউ না থাকলে,
আত্মীয় অনাত্মীয় আপ্যায়নের খরচ খুব কম...একটা ঝাল চানাচুরের প্যাকেটেই দশটা আপ্যায়নের কাজ চলে, মিষ্টি চানাচুর অনেকেই ভালো খান। সেইজন্যই ঝাল ভাবলাম...

বউ না থাকলে,
কেবল কানেকশন লাগে না। ইউটিউব আর টোরেন্ট লিঙ্ক যথেষ্ট.. আর মাঝে সাঝে বড়দের সিনেমা...

বউ না থাকলে,
হিট মর্টিন গুডনাইট অল আউট লাগে না। ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ারও ভয় নেই। জানলাই খুলবো না তো মশা আসবে কোত্থেকে... তাছাড়া মশার পছন্দসই ইন্ডোর আগাছাও বাড়িতে থাকে না, বউ না থাকলে...

বউ না থাকলে,
ধুপকাঠি, নকুলদানা, বাতাসা, গুজিয়া, আমিষ নিরামিষ বাসন ইত্যাদি বাবদ জিরো এক্সপেন্স...

বউ না থাকলে,
ইকোপার্ক নিকোপার্ক নলবন নানা ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি যেতে লাগে না। বুড়ো আমগাছ তলায়, আরো জনা দুই বউছাড়া বন্ধুর সাথে বসে বিশ্বভ্রমনের সুখ পাওয়া যায়! টেকনিকটা জানতে হবে শুধু...

বউ না থাকলে,
একবার মশারি টাঙালে অন্তত একমাস খোলার দরকার নেই। ধার গুটিয়ে গুটিয়ে ঠিক চালিয়ে নেওয়া যায়.. বছরে দুবার বিছানার চাদর আর বালিশের ওয়ার পাল্টানো যথেষ্ট...

বউ না থাকলে,
বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডালসেদ্ধ ঘি দিয়ে আর কাটা কাতলা পেটি ভাজা খেয়ে একশো বছর সুস্থ ভাবে বাঁচা যায়। দশ রকম শাক, নানা কিসেমর ভাজা, বড়ি সুক্ত সব্জি কাসন আচার যত্তসব.. 

এবং আরো আরো আরো... প্রচুর আছে এই তালিকার লিষ্ট। বহুজাতিক থেকে আঞ্চলিক ব্যবসা যত, সবই টিকে আছে শুধু নারীদের ভিত্তি করেই। এবং টিকে আছি আমরাও। আমাদের গায়ে গন্ধ নেই, শার্টে রিঙ্কেল নেই, মুখে ব্রন নেই..., এও তো কোনো না কোনো নারীর খ্যাকানির ভয়েই। আমাদের রুপ, শিষ্টাচার, বা আরও যা কিছু পুরুষালি কাজকর্ম সবই তো কোনো না কোনো নারীর জন্যই। কথাতেই আছে না..

বন্যরা বনে সুন্দর
পুরুষেরা নারীর ভয়ে..

ভয়ে? নাকি ভালোবাসায়? নাকি ভক্তিতে? নাকি সবগুলো মিলে মিশেই..?

বড় জটিল এর উত্তর.. 
বোঝার ক্ষমতা নেই আমাদের.. বুঝে কাজও নেই..

এই বেশ টিকে আছি..🤣😜
 (সংগৃহীত)

ও শ্যামা ও শ্যামা

 শ্যামা, ও শ্যামা কি করি বলনা... সংসার কারাগারে মুক্তি মেলেনা।। কামনা-বাসনা কিছুতে ছাড়েনা; বৃথা কাল গেল চলে হলো না সাধনা।।  ও শ্যামা ও শ্যাম...