এই শহরের বৈধতায় শুধু তুমি প্রিয়

সম্পর্কের বাঁধন গুলো যে বিনি সুতায় বাঁধা হয় সেখানে সত্যি মুক্তি বলতে কিছুই নেই। সময়ের ব্যবধানে স্তব্ধতার সাথে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশীর মতো থাকতে থাকতে আলাদা একটা অভ্যাস গড়ে ওঠে। তারপর থেকে আর ওই ধুলো জমা খন্ডচিত্র যখন অপরিচ্ছন্ন থাকতে থাকতে একটা সময় মনে হয় মেঠো পথের ধারের পদাঘাতে বেড়ে ওঠা ঘাস ফুলের মতো। অপলকেই থেকে যায়। খুব সাধারণ মানুষ তার ওপর যেমন দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে না। সম্পর্কের বিচ্ছিন্নতায় একটা সময় ভুলে থাকতে হবেই ভেবে যে অভ্যাসের স্বভাব তৈরি হয় তাতেও শুধুই ওপর থেকে ধুলোয় চাপা দেওয়া মুখোশ নিয়েই চলতে হয়। ভেতরে হৃদপিণ্ডের কোন এক কোনে জীর্ন সুপ্ততায় থেকে যায় সেই বিনি সুতোয় গাঁথা সম্পর্কের বাঁধন। 

ধুলোর এই পৃথিবীতে কিছু মানুষের জন্য অপেক্ষা করে শুধুই ধুলো। তাদের কখনো কোন ইচ্ছে থাকতে নেই। আঁকঙ্ক্ষা থাকতে নেই। তাদের থাকতে নেই উজাড় করে ভালোবাসার মতো ক্ষমতা। তাদের জন্য বরাদ্দ শুধুই এই পৃথিবীর এক মুঠো ধুলো। দীর্ঘ নিশ্বাস ফুঁকে, শোক প্রকাশ ওদের মানায় না। মেনে নিতে হয় এসেছি তো এই ধুলো থেকেই যেতেও হবে ওই ধুলোয়। এ ছাড়া সেই মানুষ গুলোর আর কিছুই থাকে না।

বিধাতা নাকি সকলের ভাগ্য খুব ভালো লেখেন! মানুষ তাদের কর্মফলের দোষে বা গুনে জীবনের প্রাপ্তি উপলব্ধি করে। তবে কিছু মানুষ আছে যাদের মধ্যে কর্মফল বলতে সবটাই অভিশপ্ত। কিছুই না করেও এমন কিছু ঘটিয়ে ফেলে সেটাই জীবনের কাল হয়ে ওঠে। এদের মধ্যেই কতো কাঙ্গাল আছে   জীবনে একটা শান্তির নিঃশ্বাস নিতে স্বপ্ন দেখে ভালোবাসার। স্বপ্ন দেখে মানুষের মধ্যে মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার। সময়ের স্রোতে বয়ে যাওয়া অভ্যাসটা এতটাই অপ্রত্যাশিত ভাবে প্রতিনিয়ত তাদের এমন একটা পরিস্থিতিতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের কেউ বিশ্বাসের সাথে মেনে নিতে পারে না। কি অভিশপ্ত কপাল নিয়ে তাদের জন্ম! হে! বিধাতা  কেন এমন মানুষ গুলোর জীবন এতো দীর্ঘ হয়? কেন এই মানুষ গুলোর মৃত্যু লেখা হয় না জন্মের সাথে সাথেই? এই দাবি টাও তাদের অন্যায়।  সেই মানুষ গুলো কে কি নামের পরিচয় দিয়ে সম্মধনে সঠিক হবে অজানাই নিজের। 

জীবনের  অনেক টা সময় অতিক্রম করে যে দ্বীপ শিখার আলোয় নিজেকে দেখতে চেয়েছি তার সাথেই  অবুঝের মতো অন্যায় করেছি প্রতিনিয়ত। নিজের থেকেও বেশি মুল্য দিয়ে যার জন্য বাঁচতে চাওয়ার  আর্তনাদ শুনিয়ে  তার সাথে থাকার অভ্যাস করতে হবে বলে চেষ্টায় ছিলাম তার সাথেই  ঘটেছে বিবাদ।  স্বপ্ন গুলো মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ থেকে হৃদপিণ্ডে এসে বাসা বেঁধেছে ঠিক তক্ষুনি আঁকড়ে থাকা সত্ত্বেও তার থেকে দূরে সরে থাকতে হয়েছে।  ভালোবাসার নাম শুনে ছিলাম  উপলব্ধি টা পেয়েছি প্রিয় মানুষ টার থেকেই। আর সেই শিখার আলোয় হঠাৎ করেই কালো মেঘের আচ্ছনতায় আমায় আবার সেই অন্ধকারেই রেখেছে। 

ক্ষমার অযোগ্য মনে হয় নিজেকে। না!  সে তো ভুল করেনি। প্রতি পদেই ভুল শুধু আমার।  আমি জানি না কেন এই ভুল গুলো আমার থেকেই হয়। হয়তো স্বভাবতই আমার পরিচয় বড্ডো এলোমেলো।  তবুও প্রিয় মানুষ টাকেই চেয়ে থাকবো সেই দিন পর্যন্ত। তার দেওয়া প্রতিটি মুহূর্ত তুলে রাখবো হৃদপিণ্ডের এতো গোপনে যদি আমি আবার ধুলোয় মিশে যাই সেই মূহুর্ত গুলো যেন আমারই থাকে। সেই ধুলোর প্রত্যেক কণায় থাকবে প্রিয় মানুষ টার দেওয়া অনুভূতি।  
ভালো থেকো প্রিয়,, এই পৃথিবীতে আমার মতো কপাল পোড়া শহর জুড়ে তোমার স্বপ্নের বিঞ্জাপন ছাড়া অন্য কিছুর বৈধতা থাকলো না।

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দ্বায়

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, রাধার শ্যামরায়।। তুমি গোঠের রাখাল রাজা, যশোদার কানাই, বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণসখা, নদীয়ার নি...