মৃত্যুর মতো ভালোবাসা

এই যে তোমায় মৃত্যুর মতো ভালোবেসেছিলাম একজীবন!
তুমি কি আজও বেঁচে আছো;
প্রচন্ড রকম জানতে চাওয়ার ইচ্ছে আমার। 

তোমায় আমি দেখিনা বহুদিন যাবত। 
 কিন্তু মনে হয় গোটা জীবন  ধরে তুমি বিলীন আমার শহর।

আমি কি! তো অভিমানে দূরত্ব টেনেছিলাম,
আর তুমি? 
 হাতের ঘড়িখানা খুলে অপেক্ষা দেখিয়ে দিলে।

শেষ বেলায় আমার হাতে ছিলো সতেরোটা নীল পদ্ম।
তুমি তিনখান ফিরিয়ে নিয়ে বললে,বিদায় বেলায় আমায় কিছু স্মৃতি দাও,যা তে তোমায় মনে পড়লে আমি ভেসে যেতে পারি স্মৃতির জলে।

কেমন হিংসুটে আবদার করলে,আমি আজ হিসাব শিখে নিলাম।
তোমাকে দেখার ইচ্ছে মিটিয়ে নিলাম,তবুও ভুলে গেলাম না,তুমি নেই। 

সতেজ পদ্ম আজ শুকিয়ে গেলো,অপেক্ষায় চোখের চাওনি বদলে, ডায়েরির ভাজ বদলালো।

আজকাল শরীর জুড়ে নিকোটিনের গন্ধ,
পুরাতন শরীরে নতুন পোষাক  জুড়লেও,মানুষ পুরাতনই থাকে।
কিছু সম্পর্ক পুরাতনই ভালো,নতুন যেনো গোলাপের কাটার ন্যায়। 
শুধু হাত ফুটে রক্তে ভেসে যায়।

তুমি তো অভিযোগ জানতে,বলে ফেলতে পারতে,
আমায় চোখে তোমার তিক্ত বসবাস,অন্যের চোখে তুমি সুগন্ধি রজনী খুঁজো। 
আমার বেলা যে ফুরিয়ে গেলো,তোমার উঠানে আমার নামে ঘাসফুল ছেঁয়ে গেলো।

সে তো দূরত্বের রঙ,দূবা ঘাসে লাল পায়ের ছাপ।
তুমি চলে গেলে,কতো বছর  পেরিয়ে গেলো।
আমার চুলের তেলতেলে ভাব কেটে শুষ্কতা জুড়ে গেলো।
কিন্তু তোমার অভিমানে জল মিশলো না,বরং আমার চোখের জলে তোমার মৃত্যুর গল্পটা   ভিজে গেলো।

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দ্বায়

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, রাধার শ্যামরায়।। তুমি গোঠের রাখাল রাজা, যশোদার কানাই, বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণসখা, নদীয়ার নি...