মাঝে মাঝে ইচ্ছে জাগে
নিরুদ্দেশ হয়ে চলে যাই কোথাও
যেখানে আমায় কেউ চিনবে না জানবে না!
আমায় কিছু জিজ্ঞেস করবে না
কোনো কিছুর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ চাইবে না!
আমি নিশ্চিন্তে থাকবো, নিজের মতো করে চলবো,
আচ্ছা আদৌও কি এমন জায়গা আছে পৃথিবীতে?
থাকলেই বা কি আমি এমনটা কেবল ভাবতে পারি কেবল! যেতে চাইলেও আমার বিবেক একটা শক্ত দেয়ালের মতো এসে দাঁড়ায় আমার সামনে আমায় বাধা দেওয়ার জন্য। আমি তো পারি না সব কিছু চাইলেই -এমন টা নয় যে আমি অক্ষম বা আমার সুযোগ নেই! সব কিছুই আছে সাহসও আছে তবে ওই যে বিবেক বলেও তো একটা বিষয় আছে
আমার বিবেকে বেঈমানী নাই, সবাই স্বার্থপর ভাবলেও আমি কেবলই নিজের কথা ভেবে চলতে পারি নাহ! যদি ভাবতাম তবে আজ কারোর সাধ্য ছিলো নাহ আমার নয়নে রক্তের অশ্রু প্রবাহিত করার,আমায় জখম দেওয়ার,দুঃখ দেওয়ার!
জখম বলতে কেবল শরীরের আঘাতকে বুঝায় না
আমি মানুষের কথার আঘাতে বেশি আহত হই
এবং সেই আঘাতে মানুষজন আরো লবণ ছিটিয়ে দিয়েই চলে! আচ্ছা ওরা কি জানে নাহ বুঝে না
আমি চাইলেই তো ওদের প্রতিটা কথার এবং কর্মের জবাব দিতে পারি, চাইলেই সব শেষ করে দিয়ে নিজ ইচ্ছে মতো চলতে পারি এবং তাদের মুখের দিকে তাকানোরও কোনো প্রয়োজন নাই আমার তবুও আমি সব সহ্য করছি -করেই চলেছি
কেনো? আসলে এই "কেনো"এর উত্তর আমার নিজেরই জানা নেই তবে এটুকু বলতে পারি আমার বিবেক আমায় বাধা দেয় -জীবনের প্রতিটা মুহুর্তে -প্রতিটা পরিস্থিতিতে বাধা দেয়।
তাতে কি? তবুও দিন শেষে আমার নাম দেওয়া হয় অপয়া-স্বার্থপর!
~নীলাক্ত