এতশত মানুষের ভীড়েও নিজেকে নিঃস্ব মনে হয়, যখন-তখন না চাইতেও চোখ ছলছল হয়ে ওঠে।
আমাদের দুটি হৃদয় হয়তো খুব কাছাকাছি এসে মেলেনি এখন বুকের সেই পিপাসা মিটাই বিরহের সাথে।তবে বিরহ আমাকে তোমার মতই আগলে রাখতে পারে না!
তোমাকে ভাবলে বুকের ভেতর শান্তি পেতাম,তবে বিরহের বুকের সাথে বুক মিলিয়ে বুক ফাটা কান্না আসে, অন্তরের সৌন্দর্য গুলোয় আগুন লাগে অসম্ভব যন্ত্রণা দিয়ে যায়!
তুমি তো বেশ ভালাই আছো শুনতে তো তাই পেলাম। তবে আমায় কেন হতাশার সাগরে ভাসাতে গেলা? আগেই বলতে পারতে আমার আমিকে তোমার পছন্দ নয় কিংবা আমি তোমার যোগ্যই নই। হয়তো তবে আমিও এতো আবেগে নিজেকে তোমার সাথে মিশিয়ে আজ শুন্যতায় থাকতাম না। আমাকেও তো একটুখানি ভালো রাখতেই পারতে,বুকের মধ্যে যত্ন করে রাখতে পারতে না আমায়!
তুমি আমার হলে কি খুব বেশি ক্ষতি হয়ে যেতো?
তোমাকে আকাশের চাঁদ এনে দিতে পারতাম না ঠিকই, তবে জোৎস্না রাতে তোমাকে দূর থেকে চাঁদ দেখাতে পারতাম! আর তাতেই আমার স্বর্গের সুখের অনুভব পেতাম।
তোমাকে সাত সমুদ্র পার হয়ে একশো টা গোলাপ এনে দিতে পারতাম না ঠিকই,তবে তোমার জন্য বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দশ টাকা দিয়ে একটা গোলাপ ফুল এনে দিতে পারতাম! যদিও বা সেটাও প্রতিদিন হতো না।
তোমার অভিমান ভাঙতে আমি দামী দামী উপহার দিতে পারতাম না ঠিকই,তবে নিজের মতো করে চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখতাম না।
তোমাকে আহামরি সুখে রাখতে পারতাম না ঠিকই, তবে দুঃখের কালো ছায়াও তোমাকে স্পর্শ করতে দিতাম না।
তোমাকে পাওয়ার জন্য হয়তো আবার জন্ম নেবো আসতেই হবে পৃথিবীতে।এ জনমের কপাল দিয়া তোমাকে আর পাওয়া হলো না,কোনোদিনও হবে না! তবে আরেকবার জন্মাবার সুযোগ পেলে ওই সৃষ্ট কর্তাকে বলবো
“তুমি যেন শুধু আমার কপালেই থাকো;অন্য কারো কপালে থাকলে আর আমার জন্মাবার দরকারই নেই!”