তন্দ্রা!!!!"
মনে আছে সেদিন ঐ
স্নিগ্ধ ভোর
তোমার মাতাল কেশ, আধভেজা বা পুরো,
ঘাঁড়ের দিকে চকচক করছিলো ফোটা ফোটা জল,,,,,, আর আমার পাগলামির উন্মাদনা।
মনে পড়ে কিছু? তন্দ্রা!!!!
পড়নে পিংক সেই নাইটি ছিলো তোমার-
ওটার পিঠের দিকটা ভিজে গিয়েছিলো তোমার পিঠে !
বুঝলাম,,, , সবে স্নান সেরে এসেছো।
আমি অবাক হয়ে দুচোখ ভরে সেদিন শুধু তোমার ভরা যৌবন দেখেছিলাম।
কি! নির্লজ্জ আমি তাই না!
সংজ্ঞা পেয়েছিলাম সেদিন
যৌবনের জোয়ার কাকে বলে?
আমি সেই জোয়ারে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে আজও দিশেহারা,,,, তন্দ্রা!
সেদিন পেছন থেকে জড়িয়ে ধরার ইচ্ছেটা দমিয়ে রাখতে বেশ কষ্টই হয়েছিলো, ,,
সে কষ্ট কেউ বুঝবে না।
বলিনি কাউকেই।
কি হবে লাভ নেই।
তাই!!
তোমার ভেজা চুলে নাক গুঁজে সুগন্ধ নেয়ার লোভটাও ধামাচাপা দিয়েছিলাম, তন্দ্রা!!!!
তোমার জলে ভেজা ঐ পিঠে ঠোঁট আর জিভের স্পর্শ না দিতে পেরে ওইদিন আমার মৃত্যু হয়ে ছিলো একবার।
আর কি বলবো!
সোনো তবে,,,,,,,
ঠোঁটদুটো তোমার বরাবরই সুন্দর ,
আমার খুব পছন্দের,,,,
ওই দিন সেই মিষ্টির স্বাদ পাওয়ার লোভ সামলে উঠতে হিমশিম খেয়েছিলাম খুব রকম!
ওই ঠোঁটে ঠোঁট রাখতে পারিনি বলে বোধহয়-
আজও আমার ঠোঁটদুটো শুষ্কতায় ফেঁটে যায়।
চৈত্রের জমির মতোই,,,,
ওড়নার আড়ালে তোমার উন্নত বক্ষযুগল সে কি চমৎকার!!!
আহাঃ ,,,, চোখ এড়ায়নি আমার,,,
ওড়না সেদিন অক্ষমতা প্রকাশ করেছিলো বেশ!
আমি নিজে হাতে কিছুই করিনি।
আমিও উৎসাহ পেয়েছি।
তোমায় লুকিয়ে দেখতে,,,,,,
ছুঁয়ে দেখার দুঃসাহস করতে পারিনি তোমায়,,,
তন্দ্রা!!
নীরবে দেখেছিলাম সব,,,,
দেখেছিলাম ভরা যৌবনের জোয়ার,,,,,,
দেখেছিলাম কিশোর প্রেমের যৌবনের নেশা।
দেখেছিলাম ওই পথেই তোমার সাথে এই জীবন।।
নাঃ,,,,,,,
কিছু বলার ক্ষমতা সেদিন ছিলো না,
নীরবে দেখেছিলাম সব,,,,
দুচোখ ভরে দেখেছিলাম তোমায়।
কি অপুর্ব তুমি।।
বাড়ি ফিরে বার্তা লিখেছিলাম -সব,,,
বলে দিয়েছিলাম মন খুলে সব !
প্রতিউত্তরে তুমি রাগ করো নি,,,,
আমি একটু ভয়েই ছিলাম,,,
পরে অবশ্য,,,
অবাক হয়েছিলে আমি তোমায় দেখেছিলাম বলে!
আবার বার্তা লিখেছিলাম আমি,
চেয়েছিলাম তোমার ঠোঁটের মিষ্টি ছোয়া,,,
প্রতিউত্তরে তুমি অবাক হও নি !
বলেছিলে অন্য কোনদিন যদি তোমায় ওভাবে পাই-
তবে যেন জোর করে অধিকারটা আদায় করে যাই! আঃ আঃ কি সুখ আমার।
তারপর?
তারপর!
তোমায় ওভাবে আর পাইনি কোন দিন,,,
সব এলোমেলো হয়ে গেলো,,,
একদিন তুমি হারিয়ে গেলে,,,,
আমিও তোমাকে না পেয়ে
পাগোলের মতো ঘুরে বেড়িয়েছি,,
আমিও হারিয়ে গেলাম আমার স্বপ্নের থেকে,
পরে শতশত নারী দেখেছি, কয়েক জন কে ছুঁয়েছি! সেখানেও হারিয়েছি,,,
হ্যাঁ
হারিয়েছি !
তবে তুমি বিশ্বাস করবে না জানি,
হ্যা তন্দ্রা!!!!
ওই স্নিগ্ধ ভোরের অনুভূতি কোনদিন আমি পাইনি।
হয়তো আবার পেয়েছি তোমায় !
এই তুমি, আজ সন্ধ্যার সেই তুমি-,,,
সারাদিন যেন বড্ড অমিলময় ! আজ।
মুঠোফোনে যখন রাতে কথা হতো,, সারাদিন।
গভীর রাতে যৌবনভার সে স্মৃতি সাড়া দেয়,
তখনই প্রতিবার জানিয়েছি বিদায়,
বলেছি-
"গভীর রাতে বড্ড ভুলভাল বকি,
নিদ্রাদেবীর পরশ লেগে যায়।"
তন্দ্রা!!
তুমি যাকে অধিকার বলেছিলে !
আজ যদি সেই অনধিকার চর্চার
এক চুমুক শুধা আজ চাই?
চাই তোমার ওই ঠোটের উষ্ণ পরশ?
দেবে আমায়?
তন্দ্রা!!!!!
মাতাল হবো তোমা-য়, যদি পাই!!!
এই ভেবে ভেবে প্রতিরাতে
আমার আবার মৃত্যু হয় তন্দ্রা,,,,,