আইচ্ছা তুমিও কি দুপুরে খাইতে পারো না?
খাইতে বইলেই আমার কথা মনে হয়?
তারপর আর ইচ্ছা থাহে না খাওনের,,,
মা,য় মাঝেমইদ্ধে জিগায় কিরে খাইলি না কেন?
মিছা কথা কইতে হয়।
রাস্তায় খাবার খাইছি অহোন ক্ষুদা নাই।
সন্ধ্যায় কি তুমিও মোর শূন্যতা অনুভব করো?
আমিতো তোমার অস্তিত্ব তালাশ করতে করতে সেই আমাগো নদির পাড়ে গিয়া একা একা এখনো বইসা থাকি,, দেখি স্রোতে ভাসাইয়া নিয়া যায় কতো পানা কচুরির দল, ,, মাঝেমইদ্ধে দুই একটা পানাকচুরিতে ফুল থাকে।
তুমি বিশ্বাস করবা না নির্বাক হইয়া দেখি ওই ফুলের ভাইসা যাওয়া।
তুমি কতো ভালোবাসতা কচুরিপানা ফুল..
যখন অন্ধকার ঘনাইয়া আর কিছু দেখা যায়না গাঙে ফিরা আসি এক বুক হতাশা নিয়া..।
রাইতে ঘুম হয় তোমার?
রাইত দুইটা আড়াই টায় ভিষণ ভাবে কান্না পায় তোমারও?
তুমিও কি রাইত জাইগা থাকো?
তুমিও কি আমার মতো ভেতর ভেতরে শেষ হয়ে যাচ্ছো?
বলো না! প্রিয়!
কিছু বেইমান মানুষ কে আমরা ভালোবাসি।
কিন্তু মানুষটা বেইমান হতে পারে ভালোবাসাটা তো আর বেইমান নয় 💔
কত্ত কিছু ধইরা রাখার চেষ্টা করতেছি, অবিরাম চালায়ে যাচ্ছি সেই যুদ্ধ এই যেমন..
তোমার মন,....আমার রাতের ঘুম....,
আচ্ছা! তুমি চাও আমি সারাদিন রাত তোমার নামে পইড়া থাকি,।
কয়েকশো কোটিবার তোমায় স্মরণ করি।
আমি করিও, সর্বক্ষণ তোমায় মায়ায় বুদ হইয়া পাগল সাইজা ঘুইরা বেড়াই।
হিসাবনিকাশ ভুইলা অন্ধকারের সাথে পথ পাড় হই মাঝেমধ্যে।
ঘুমের কাছে ভুলের জবাবদিহিতা করতে হয়।
তুমি অনুরোধ দূরে ঠেইলা নিজেরে আকাশ সমান পাখি বানাও।
আমি ডানাভাঙা শালিক দেইখা কাতরায়ে উঠি।
আমি কি তোমারে ঘিরেই ঘুরপাক খাইতাচ্ছি...?
প্রিয়!
আমার মনের কোঠায় তেলের প্রদীপ,
সেই আলোতে কাজল আঁকি,
ছিন্ন হইবার পরেও আমি,
আইজও তোমার খবর রাখি...
কারণে আর অকারণে
অখোনো সেই নামেই ডাকি প্রিয়!!!