রাত্রি

একাকি মাঝেমধ্যে বসে থাকাটা প্রায় অভ্যস্ত করে ফেলেছি। 
এখন একাকী বসতে, অনেকটা সময় একাকী থাকতে ভীষণ অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি।
এখন একাকী বসে থাকলে কিছুই আর মনে পড়ে না। 

এখনতো একাকী ইচ্ছে করেই বসে থাকি। ইচ্ছে করেই মাঝেমধ্যে কাউকে কিছু না জানিয়ে একা শহরের কোন এক সুন্দর কোনায় নিজেকে নিয়ে উপস্থিত হই। 

এই নিজেকে নিয়ে উপস্থিত হই মানেই আমি আমার আমিকে এখন নিজের কাছে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি।

আজকের সন্ধ্যে টাও ঠিক এইরকমই একটা সন্ধ্যে নিজেকে নিয়ে এসেছি সেই সুন্দর এক মনোরম পরিবেশে। 

এক কাপ চায়ের অর্ডার দিয়ে এসে বসেছিলাম একটা মাছের ভেড়ির এককোনে ।  সেখানে থেকে অনেক দুরের খোলা আকাশ দেখা যায় খুব সহজেই।  
আর আকাশের ওই রঙ পালটানোর খেলা আমায় যাদুর মতো আকৃষ্ট করে।  আমিও হারিয়ে গেলাম সেই ভালো লাগায়। 

আকাশ টা আজ অনেক কিছু শিখিয়ে গেলো। 
শিখিয়ে গেলো ঝলমলে মেঘের খেলা কি ভাবে রক্ত বর্নের আলপনা হয়ে ফুটে ওঠে।  আবার সেই রক্তে রাঙানো আকাশ টা গোধুলী নামে ঢলে পড়ে মুখ গুজে দেয় রাত্রি নামের বন্ধুর বুকে। 

রাত্রি আশ্বাস দেয় গোধুলীকে তুমি এখন আর নিজের পরিচয়ে নেই।  তুমি এখন আমাতে মিশে আমার নামেই তোমার পরিচয় হয়েছে।  তুমি এখন আমার অস্তিত্ব।  তুমিই আমার সেই ঘন অন্ধকার। 
আমি তোমাতে একটু একটু করে নিজেকে বিলিয়ে আমিও ফুরিয়ে যাবো। তখন তুমি প্রভাতী আলোর সেই আলোকে রশ্মি আর আমি প্রভাত। 

তারপর আবার সেই তুমি উজালা আর আমি দিন। 

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দ্বায়

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, রাধার শ্যামরায়।। তুমি গোঠের রাখাল রাজা, যশোদার কানাই, বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণসখা, নদীয়ার নি...