মায়াবী অপরাজিতা তুমি



                  মায়াবী  অপরাজিতা তুমি 


জানেন প্রিয়, আমি আজ অব্দি কোনো নাড়ীর দিকে একদৃষ্টিতে তাকা-ই-নি..
এটা মিথ্যে কথা।
 হ্যাঁ আমি বহু....  নাড়ীর চোখের ভাষায় আমার জন্য প্রেম দেখেছি। 
কিন্তু  আমি কোথাও নিজের খুশি পাইনি।  

এবার যদি বলি আমি সেই খুশি! 
 আমি আপনার চোখে দেখি।
কিন্তু,, 
সমস্যা টা কি জানেন নীলাম্বরী কাঠগোলাপ ! 

আপনি বিশ্বাস করেন না আমার এই সত্যতা। 



এমনটা নয় কোনো নাড়ীর সাথে আমার দেখা হয় নি,
কথা হয় নি।
 চলার পথে কতশত মানুষ দেখতে হয় যে তবে আমারই সাহস হয় নি এবং ইচ্ছেও জাগেনি অনির্দিষ্ট কারোর দিকে তাকিয়ে থাকার। 
মাঝে-মাঝে আফসোস অনুভব হয়।
 এটা ভেবে আমার পাশেও একজন থাকতে পারতো ব্যক্তিগত নাড়ী হিসেবে যদিও আমার এতো সামর্থ্য নাই।
 তবে মনস্থির করে রেখেছি আমার জীবনে খুব নিকটে যদি কোনো নাড়ী আসে তবে সে আমার প্রথম এবং শেষ নাড়ী হবে।
 এটাকে আমার জেদ ভাবলেও ভাবতে পারেন আপনি নীলাম্বরী ! 
এখন সে আমার জন্য উত্তম হোক কিংবা বেমানান এতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না! 
তার জীবনের প্রথম পুরুষ  হয়তো আমি নাও হতে পারি এটা আমি ভালো ভাবেই জানি। 
কিন্তু তাতেই বা কি আমার দিক হতে আমি ঠিক থাকলেই হলো। 
সে কেমন হবে?..
 কেমন ভাবে আসবে আমার জীবনে?
তার ব্যক্তিত্ব তার সম্পর্কে কিছুই জানা নেই আমার।
 -এমনকি নির্দিষ্ট কোনো নামই জানা নেই।

একটা কাল্পনিক নামে ডাকি তাকে "নীলাম্বরী" "কাঠগোলাপ" বলে।
 আর কেবল এটুকুই জানি সঠিক সময়ে কেউ একজন আমার জীবনে আসবে রূপকথার রোমাঞ্চকর গল্পের মতো না। 
তবে নিয়তির কারণেই আসবে বাস্তববাদী হয়ে যাকে স্বয়ং স্রষ্টা আমার জন্য বানিয়েছেন।
 তাকে তো আসতেই হবে হোক  ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় এবং তাকে দেখার বড্ড ইচ্ছে জাগে আমার,
তার দিকে নির্লজ্জের মতো একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার ইচ্ছে। 
সেই ইচ্ছে আমায় তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে,,,,,  
আ"!! কতো সুন্দর মায়াবী অপরাজিতা তুমি। 


নিতান্ত এক,,, সময়,,

বুঝলি খেপী বুকটা ঠান্ডা হচ্ছে না!  

সেই বিকেল থেকে চোখ দুটো শুধু তোকেই খুঁজছে চারিদিক,,, 
 তারপর চলতে থাকে পাইচারি শুধু এ মাথা আর  ওমাথা,,,  

না!

অনেকবার তোকে এক চোখ দেখার চেষ্টা করেছিলাম  না হয় নি৷ 

ইদানিং  হয়তো  তোর ভাবনা একটু বেশিই বেড়েছে তাই না! 
তোর তো আবার এসব পছন্দ না। 
কিন্তু কি করি বল?
আমিও সত্যিই আর পারছি না। 
চোখে হারাই তোকে,,,, 
হ্যাঁ  সত্যিই রে.... 
খুব ভালোবাসি। 
মাঝে মাঝে কেন  চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে  খুব ভালোবাসি প্রিয়,  খুব ভালোবাসি। 

কোথায় ছিলি?  

আচ্ছা!  
সেই থেকে এই হাপিত্যেশ এ-ই বুঝি তুই এলি! 
না!
  কেউ আসেনি। 
আমাকে কেউ মনেও করেনি,,,,, 
আমিই মিছে ভাবনার নেশায় এখন... 

আমি সত্যিই খুব বোকা.... 

আচ্ছা!
 আমার মতো বিশ্রী মানুষকে কখনোই ভালোবাসা যায় না?  
তাই কি? 
আমি খুব খারাপ একটা অপদার্থ। 
সত্যিই তো!
 সে আকাশের চাঁদ আর আমি কোথায় ছোট্ট পিদিমের মিটিমিটি ক্ষীণ আলোক শিখার প্রকাশ মাত্র,,,,

তোমার কাছে আমি নিতান্তই........ 



মায়াবী তুমি....

কাঠগোলাপ!!  !""

কি অদ্ভুত তাইনা..?  
মাঝে মাঝে জীবন নামক চলতি পথে আমাদের সাথে এমন একজনের দেখা হয়ে যায় যাকে আমরা আমাদের সেই জীবনের একটা অংশ বানিয়ে ফেলি। 
তারপর ""
আমরা হয়তো কখনো ভাবিনি কেউ এতোটা আপন হয়ে যাবে আমাদের হৃদয়ের। 
কারো মায়ায় এতোটা জড়িয়ে পড়বো আমরা.. 
বিশেষ করে আমি,,,,  
কেউই কখনোই ভাবিনি....

ভালোবাসা,, অনেক কঠিন একটা শব্দ। 
আর মায়া তার চেয়েও কঠিন এবং ভয়ংকর একটা শব্দ। 
মায়া! 
ভালোবাসা কি আমার জানা ছিলো না। 
তবে এখন ভালোবাসা বলতে বুঝছি  তোমার  সেই স্নিগ্ধ চোখ, অমায়িক হাসি,  সেই জড়ানো কন্ঠ । 
এই সবাই ছিলো আমার জন্য...... 


মায়ায় পড়েছি আমিও,,, 
নীলাম্বরীর নীলাম্বরের মাঝে খুঁজে পেয়েছিলাম প্রথম ভালোবাসার অনুভূতি।
 এক  নারীর ভালোবাসা যে বড্ড ভয়ংকর....... 


স্বপ্ন বেঁধেছি আমি,,,
 কাঠগোলাপের সংসার ,, 

পরিবার, নিজের ভবিষ্যৎ এবং নিজের সাফল্যের মাঝে সব সময় সেই মানুষটাকে পাশে পাওয়ার ! 

তাকে নিয়ে অপূর্ণ স্মৃতি চাইনা আমি। 
সেই  মানুষটাকে ছাড়া ছন্নছাড়া আমার পুরো শহর। 
তাকে নিয়ে লিখতে বসলে ক্লান্ত হবেনা আমার মস্তিষ্ক।
 দেখেছ!  কতটা মায়াবী আমার আবছা নীল...নীলাক্ত আকাশ.... . 

পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে কখনো হারাতে চাইনা আমি তোমায়  !

কি ছিলো সেদিন?!

এ শহরের ধূলিকণা, রাস্তার প্রতিটি অলিগলি জানে কতটা অপেক্ষায় আছি আমি তোমার। 
বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা জানে কতটা চাই আমি তোমায়,, 

রাতের অন্ধকার আকাশ জানে, কতটা স্মৃতি জমা তোমার নামে,,

প্রতিটি ভোরের আলো জানে, 
পুড়েছি কতটা বিরহে এ মনে...

জ্বলে ওঠা সন্ধ্যাতারা নিয়ে কেউ করে প্রেমালাপ, 
আমি করি স্বপ্ন ভাঙার গল্প। 

পুরনো ব্যথা ঘাঁ হয়ে ফিরে আসে
ব্যথাতুর হয়ে জাগে ফিরে মনে।। 

সেই কবে শুনেছিলাম কারো মুখে -"ভালোবাসি কথাটুকু.. 
আজ বহুদিন হলো কেউ ভালোবাসি বলেনা... 

সে বলেছিল আমাদের আবার দেখা হবে,, আজ ও সে ফিরে আসেনি তবে... 

*তবে কি সে শুধুই!!!  নাকি ছিলো খানিকটা ভালোবাসা ! 

দুগ্গাশিবা

রাত প্রায় মধ্য গাগনে,, আজ আবার  কি একটা মুন নাইট আছে,,৷ আজ সব থেকে বড় চাঁদ উঠবে আকাশে,,   কি জানি কখন।  

আমার চাঁদ থাকলেও কেন জানি না পূর্নিমার ঝলক দেখি না।  কি জানি কি কারণ ভাবছে 
 "শিবা,৷ 
দুগ্গার দুই কানের পাশে হাত বাড়িয়ে৷ গাল দুখানি শিবার শক্ত হাতের মাঝে,,, 


এই দুগ্গা এই চোখ খোল,,,  খোল বলছি,,, 

একটা উষ্ণ আর্দ্র বাতাস নির্গত হচ্ছে দুগ্গার মুখ থেকে,,, 

এই দুগ্গা এবার কিন্তু  থাপ্পড় দেবো,,, চোখ খোল বলছি,,, 

এই,,  এদিকে তাকা,,,  দুগ্গা্ 

আমায় ছেড়ে যাবি না তো!  
ওই,, বল!  বল না!! 
আমায় ছেড়ে যাবি না তো! 

কিরে কাদছিস কেন? 

উত্তর  দে?  

না,  তোকে ছেড়ে যাবো না।  

সত্যিই !!!!   যাবি না তো!! 

কোথায় যাবো তোকে ছেড়ে?  

আর,,  আমার পাগলামি গুলোয় রাগ করবি না তো!

না,, রে বাবা না,,  রাগ করব না।  
তবে বাঁদরামি করলে ঘরে আটকে তোর মায়ের মতো ঠ্যাঙাবো বলে দিলাম,,,  

ঘোমাবি না!  চল.... আয়...

আজ সারাদিন


জানিস লকু,,, 
তোকে আজ সারাদিন অনেক কথা বলার ছিলো। 
কিন্তু কি করবো বল,,! 

আমার তো কপালে নেই,,,  

তোকে আমার মনের খবর পৌঁছে দেবার,,৷ 
যাইহোক,,,  
তাও সব মিলিয়ে আজ সারাদিনের গল্প তোকে বলি,,,,, 

আনন্দ দিয়ে শুরু করি,,,,  

শ্রীতমা'র মা ফোন করেছিলো,,,,  
ঐ যে মৌরি,,,,, (শুধুই বন্ধু  অন্য কিছু না🤬)

মৌরিফুলের  মৌ,,,,  

আমি মৌ বলেই ডাকবো বলেছি,,,,

সাত সকালে তিনি ফোন করেছেন (মৌরি) বলছে ও বেয়াই,,  এরপরে কিন্তু  আমার জামাইয়ের বয়স অনেক ছোট হয়ে যাবে,,, আপনি যা করার তাড়াতাড়ি করুন কিছু একটা। 

আমি উত্তরে  বললাম মৌ কি করছে,,,  
ঘুমিয়ে ছিল রাজকন্যা বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে আছে আমার দিকে,,,,  

কি দারুন লাগছিল আমি তোকে ভাষায় বোঝাতে পারবো না বলে কাঠগোলাপ,,,,  

মৌরী মুহূর্তের মধ্যে  ফোনটা কেটে দিয়ে আবার ফোন করে বলছে,,  নীল,,,   তোমার কাঠগোলাপ  কেমন আছে? 

আমি বলেছি,,  তুই  ভালো নেই,,, 

তারপর,,,,  একটাই কথা,,  তোমার বান্ধবী ললিতাকে তারাতাড়ি বিয়ে টা করো,,,,



দুপুরে ফোন করলো,, জ্যোতি,,,  ওরা দিঘায় আছে,, 
সেও বলছে দাদা এবার এলে না আগামী বছর  আমরা চার জন এই দিঘায় থাকবো,,, 

তুমি  তোমার নীলাম্বরী কে বলো সিদ্ধান্ত টা একটু তারাতাড়ি নিতে,,,,..


তারপর  প্রিয়া এসেছিলো,,,  ও আমায় যখন থেকে দাদা (যেহেতু ওর দাদা/ ভাই নেই) ডাকে তখন ও মাত্র  প্রেমে পরে,,, (সে আরেক গল্প অন্য দিন বলবো (...



সন্ধ্যেবেলা....... 

তারপর তোর ফোন.... 
তারপর  তোর সাথে কথা... 


তারপর আমি মাতাল.... 
তারপর  তোর সেই  পাগল করে দেওয়া তাকানো,,,,
তারপর আমি উন্মাদ.... 


প্রিয়,,,  রান্না টা যাই করো,,,, 
আমার জন্য রান্না করতে পারবে?  
আমি যেমন টা বলবো ঠিক তেমন "!!  
একদিনে না হলে অবশ্যই চেষ্টায় একদিন হবেই,,৷ 
কি তাই তো! প্রিয়,,, 
সেদিন হয়তো সব কিছু থাকতেও  এই আজকের মতো ঘৃণার খাবার খেয়ে ঘোমাতে হবে না,,,  


তবে হ্যাঁ আমি আগেও বলেছি,,, আর এটাই চাই,,, 

আমাদের সংসার শুধু তোমার আর আমার হবে,, সেখানে বাকি সব আমাদের মতো চলবে,,,  

প্রিয়,,,  পারবে সব ছেড়ে শুধু আমার হতে !  

শিব তাণ্ডব

শিব তাণ্ডব || Shiv Tandav || (শিব তাণ্ডব রচনা করেছিলেন রাবণ) জটা-টবী-গলজ্জ্বল-প্রবাহ-পাবিতস্থলে গলেবলম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গ-তুঙ্গ-মালিকাম্ । ...