অঞ্জলি,,

এমন একটা মানুষ চেয়েছিলাম,,, 

আমার সব দুঃখ আমি তারে  শিশুর মতো বলতে পারি,,, 
সারাজীবন শুধু এই কল্পনাই করেছি,,,

 নিজেকে সপে দেবো তার হাতে,,, 

তাই তো যেদিন থেকে মনের ইচ্ছে বুঝেছি ভগবান কে একটাই কথা বলতাম,, 
ভগবান আমি জেন নিজেকে শুদ্ধতায় রাখতে পারি,,,

 আমি যেই মানুষ টার হবো সে ছাড়া আর অন্য কেউ আমায় ছোয়ার অধিকার টাও পাবে না,,

এই দুই হাতের মধ্যে একদিন ওই দেবীর মূখটা থাকবে  আর আমি তার চোখের তারায় নিজেকে দেখবো এ আমার আজন্মের স্বাধ,,, 


না! 

আজ পর্যন্ত আমি কাউকে ছুয়েও দিখিনি,,  
আর এই হাত কোন নারীকে স্পর্শ করবেও না,,কোনদিন,,,  

বউঠান একবার পেছন থেকে কাঁধে হাত রেখেছিলেন সেই সকালেই চর খেয়েছিলেন,,৷ 
রাগ সামলাতে পারিনি,,,  
বউঠান আজও বলে আমি তার ব্রহ্মচারী ভাই..
সেও তার মর্যাদা রেখেছেন। 
আমি স্পর্শ করে কথা বলা টা ঘৃণা করি,,, 

সেই মানুষ টা! 

যখন নীলা কে  চিনতে লাগলো একটু একটু করে তখনই বুঝেছি জীবন টা তোমার স্পর্শেই খাটি সোনা হবে,,, 
একদম খাটি সোনা।

বুকের মধ্যে অনেক আশা ছিলো,,,   
তাই তো নিজে সাধক হয়ে তোমায় দেবীর মতো শ্রদ্ধা করি।
তুমিই তো আমার মুক্তির পথ। 

নীলা! তুমি হয়তো বা অন্য কোথাও অন্য কাউকে বেছে নেবে,, 
তা তোমার অধিকার। 
আমি সেই অধিকারকেও শুভেচ্ছা জানাই,,জীবনে সুখী হও,, 

 কিন্তু কি জানো!  
আমি তোমায় ভুলতে পারবো না। 
তুমি আমার প্রথম চাওয়া ছিলে,,,

তোমাকে চেয়েছিলাম সারাজীবনের সঙ্গী করতে,,  
যেমন করে চলে শুক পাখী শারি কে  সঙ্গী করে। 
 চেয়েছিলাম আমার সব আনন্দের অনুভূতি গুলো প্রথম প্রকাশ করবো তোমার কাছে তা আর হলো কই! 

সময়ে হয়তো বা সব ঠিক হয়ে যাবে। 
তুমিও নতুন জীবনে অনেক নতুন আনন্দে সময়ের সাথে কথা বলার জন্যও সময় পাবে না।  
একদিন দেখবে তুমিও একা হয়ে যাবে প্রিয়!
  না!  না!  এ আমার অভিশাপ নয়!
সেদিন  সময় তোমাকে একা করে দেবে! 
একদম একা,,
 সেদিন তোমার আমায় মনে পরবে,, 
সেদিন আমি তোমার থেকে অনেক দূরে......
অনেক দূরে,,, 
পথ ভোলা পথিক,,,  

কিন্তু কেন জানিনা মনে হয় কোন এক দিন মাটিতেই ছিলো সব ইচ্ছে গুলো। আজ অতৃপ্তির ঢেকুর তুলে সবাই চুপচাপ। কিন্তু কেউ হাসে না,,, 
সবাই গভীর এক সত্যকে মেনে নিতে অপেক্ষায়,,,, 

আমার সেই অধিকার নেই তবুও নীলা! তোমার চোখে আকাশ দেখার স্বপ্ন আমার এ জন্মে হয়তো বা ধুলোয় মিশে আছে কিন্তু আমিও এমন তপস্যা করবো একদিন আমাদেরও সংসার হবে... গাছের ডালে কিংবা নদীর জলে অথবা সৃষ্টির  উন্নত জীব মানুষ হয়ে....

আমি ফিরে আসবো! 

নীলা সেদিন আমি ডাকাতের মতো তোমায় ছিনিয়ে নেবো। 
আজকের মতো এতো ভালো মানুষ হয়ে ভিক্ষে চাইবো না।  
ভালো মানুষ জীবনে কিচ্ছু পায় না। 
তাদের সব টাই যেন অন্যের আমানত।
 তাই সব টাই তাদের কাছে হাতের মধ্যে এসেও আবার দূরে চলে যায়....


আমি আর  ভালো আর থাকতেও পারবো না।
 ভালো থাকার মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারি না,৷  
কি করে ভালো থাকি!  
পঁচে যাচ্ছে ভেতরে...  
একদিন হয়তো এই অসুখেই পঁচে যাবে প্রিয় জুঁইফুল এর প্রত্যাশা,,৷ 
তবুও খুব যত্ন করে পুষে রাখবো এই অসুখ জীবন ভর। যেমন করে উপভোগ করছি এই ভীষণ জ্বর, গোটা শরির জুড়ে একটা উষ্ণতার আগুনে যেন সেঁকা পাঁউরুটি ,,,মুখের লালায় বিষ তেতো,,,। 
তবুও যেন কিছু ভালো লাগা লুকিয়ে আছে,, 
এই জ্বর যেন নীলাম্বরীর আলিঙ্গন,,  
আমি তাকে উপেক্ষা নয়!৷  উপভোগ করছি,৷  

আমার সব অসুখের ওষুধ তুমি নীলা!

ভগবান কে ও সেদিন বলে ছিলাম আর তোমার মুখ দেখবো না। তোমার নাম নেবো না। তোমার প্রতি ভরসা করব না।  তুমিও ঠকিয়েছ,, আজ,, 

তিনি বললেন আমি মূর্খ,,, 
জানতে চাইলাম কি করবো? 
বললো তোমার মনের মাধুরি দিয়ে সব টুকু মায়া দিয়ে তোমার নীলাম্বরী' র একটা অবয়ব তৈরি করো বুকের মধ্যে।  তারপর তার যপ, করো,, দেখবে  পঁচন ধরা নীলাদ্রিতেও ভালোবাসার ফুল ফুটবে,৷  

হ্যাঁ ঠিক! 

তাই করবো,,, 
ভগবান কেও তো শ্রদ্ধা করি কিন্তু কোন দিন সামনে দেখিনি,,,  
আর নীলাম্বরী তো! 
আমার সাক্ষাৎ উমা!  
হ্যাঁ ঠিক,,,  
তাই হবে,,৷ 
নিজের সব টুকু মায়া দিয়ে যেমন ছেঁড়া পাতায় লিখেছিলাম প্রাণবন্ত  ইন্দুবালা,৷  
এবার তবে আর লেখা নয়!
নিজের সব টুকু মায়,মমত্ব, ভালবাসা দিয়ে নিজের ভেতরেই দিদিমণি কে সাজিয়ে রাখবো,,৷
 আর জ্বালাতন করব না সময়ে অসময়ে,,,, 
নীলাম্বরী দেবী,, পুজা করব তারে,, 
যেন কোন এক জন্মে এই দেবী আমার মোক্ষ অর্জনের আশীর্বাদ করেন, ,,  
আমিও সেই তপস্যি যার কাছে দেবী কে আসতেই হবে এ-ই জন্মে নয় অন্য কোন জন্মে,,,
তবে আমি তোমার প্রেমিক হয়ে আসবো অন্য কোন সম্পর্ক হয়ে নয়।  শিউলি পাতায় প্রজাপতি হয়ে কিংবা বেগুন গাছের টুনটুনি হয়ে, আমি আসবো তোমার প্রেমিক হয়ে,,, 
কারণ প্রেম জীবের মুক্তি দেয়,,, মোক্ষ দান করে আর সেই আত্মা অমরত্ব নিয়ে স্বর্গে যায় আর ফিরে আসেনা মায়ার এই ধূলোময়লা দুনিয়ায়,,, 
আমি সেই প্রেম নিয়ে আসবো,,, 
অতৃপ্তি নিয়ে আসবো,, 
আসবোই নীলা! ফিরে আসবো তোমার জীবনে,,  
জীবন টা আর অন্য কেউ পাবে না,,  ভালোবাসা সব পুজার ফুল হয়ে নীলাম্বরীর পায়ে দেবো...
হে দেবী!  আমার অর্পণ করা ভালোবাসা তুমি অঞ্জলি নিও ঘৃণা করে অবঞ্জ্যা করে নয়...
আমি তোমার সাধক দেবী,৷  আমার মন মন্দিরের কক্ষে তুমি থেকে যাও দেবী।
আমি আমার সব ভালোবাসা দিয়ে তোমায় পূজা করবো,,,  

এক জ্বহূরি এক টুকরো পাথরের নিরিক্ষায় জীবন টা কাটিয়ে দিয়েছিলো,,৷ সেই পাথরের পরিক্ষা বর্ণনা করতে করতে। অবশেষে সবাই একদিন পাগল বলেছিল।  আমার সেই নীলাম্বরী নীলা ছিলে গোঁ তুমি। 
আমি আর কিছু নয় আমি তোমার জীবনে ফিরে আসবোই,,,,  আসবোই,,,,  ফিরে আসবোই! 

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দ্বায়

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, রাধার শ্যামরায়।। তুমি গোঠের রাখাল রাজা, যশোদার কানাই, বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণসখা, নদীয়ার নি...