ভালোবাসার দৌলতেই হারিয়েছিলাম সমতা...
আকাশে তখন ললাট লেখনে মধ্য গগনে চাঁদ
সে প্রেম ছিলো আগুনের মতো পুড়েছে দুই হাত...
কামিনী বালার মধুর গন্ধে সেই ঘনঘন নিশ্বাস!
হুউউ! হুউউ! হুউউ! শুধুই খালি মুখের ঢোক গিলে...
কামের গন্ধে উন্মাদ নীল! কাব্য তখন সব ভুলে...
জুঁইফুলে এতো! মধু আছে যায় কেন বিফলে!?
কাঞ্চন এক পাহাড় তখন শ্বাসকষ্টের ও মোর সোনার কইন্যারে
ও মোর গুণের কইন্যারে
আজি আশা দিয়া ভাসালু মোক
অকূল সাগরে।অথৈ জলে,ডুবু ডুবু ,,, ডুবু....
নিজের বুকে বাঁধছিলো... এক ফুলের নাম....
পুরুষ সুন্দর একথা মানতাম না!
যদি সে আমায় জীবনে না মিশতো,,,
আজ নিজেকে দেখতেও লজ্জা লাগছে,,,
চোখের ভিতর কতো প্রেম জমানো তার নামের...
মন টা বলে ওঠে আয় নদী হয়ে বয়ে চল আমি মাঝি হয়ে সাতার দেই... তোরনদীর এপাড় থেকে ওপাড়...
পাল তুলে বৈঠা হাতে ভাটিয়ালি গান শোনাবো....
ও মোর সোনার কইন্যারে
ও মোর গুণের কইন্যারে
আজি আশা দিয়া ভাসালু মোক
অকূল সাগরে।
ও মোর গুণের কইন্যারে
আজি আশা দিয়া ভাসালু মোক
অকূল সাগরে।
চিত্তে তখন দোলায় দুলিয়ে কাঁপছিল দুই ঠোঁট
শরীর ছিলো বেজায় ক্ষত রসের নেশায়র চোট(ব্যাথা),,,
মধু তুলে ধরে ছিলো অপ্সরা অন্ধ সেই মায়া!
নীল কাব্যের উপায় ছিলো না শুধুই জ্যান্তেমরা...
আমি আর সে সুখের দোলায় জড়িয়ে ছিলাম কাল।
যেন কতো জন্মের সুখ তুই জুঁই...
দে! না! আরো সোহাগ আমায়! আয় তবে ছুই..
আরো আদর কর,,
আরো ছুয়ে দে!
ছুয়ে দে আমার শরির,,
আমার মরু প্রান্তের ,,, নাম লিখে দে,,, এই অরন্য তোর।
আমায় তোর শরিরের সাথে মিশিয়ে নে,,,,
আমায় আদর করো...
আহাঃ রে... আমি সোহাগ চাই তোমার সোহাগ চাই।
আমি এই নেশায় থাকতে চাই...
আরেকটু আদর করবে! জুঁই..