আমি! "ভাব"

সে এমন এক অভিশপ্ত মানুষ যার মৃত্যু নেই...
ভাগ্যবিধাতা যাকিছু লিখেছেন সেই বিচারক অক্ষয় কিছু লিখেছেন,,,  যার ক্ষয়ক্ষতির কোন হিসেব নেই। 
আসলে হিসেব টা রাখবে কে? 
সেই মানুষ টা তো অধরাই থেকে গেলো.... 

জীবন টা আর বইতে পারছি না!  

ক্লান্ত ভীষণ.. 

আর পারছি না! 

কেউ নেই তাকে জড়িয়ে ধরে বলবো.. 
আমায় একটু সময় দেবে!  
একটু শান্তনা দেবে একটু!  
একটু বুকের মধ্যে নিয়ে দুনিয়ার সব থেকে সুরক্ষায় ঢেকে রাখবে একটু ব্যাশ!  একটু! 

তারপর আমি আবার ঠিক চলতে পারবো জন্মজন্মান্তর।
 পরে যদি আবার একটু আদর চাই ওই! তখন দিও....
আর কিছু না.... 

হাসি,, খেলি,,, 
গান শুনি,,
গলা ছেড়ে গান গাই,,৷ 
তুমি জানো না '' জানো নারে প্রিয় তুমি মোর জীবনের কতো সাধনা!" 

  ফুল দের হাসাই কাঁদাই আবার সেই কথা লিখে রাখি,,,
 লেখা জানান দেই বিভিন্ন মাধ্যমে।
 লেখার কথা পৌঁছে যায় নীলাম্বরী, সখী, জুঁই, আঁড়ি,,ভাঁব,, গোলুমোলু, ঝিঁঝিঁ পোকা, ঝিনুক, মৌরি,,ইন্দুবালা,, দারোগা বিটি ওদের কাছে।
 ওরা সবাই জানে আমি কেমন আছি,,, 

কিন্তু সবাই লেখা পড়ে,,না ,  কেউ কেউ একদম পড়ে না! ওদের বলবো আমার থেকে দুরেই থাকতে,,,

  আমি পঁচে গেছি,, দুর্গন্ধ বের হচ্ছে,,, 
 তোমরা আমায় সবাই দূরে সরিয়ে দাও,,  
দরকার নেই তোমাদের! 

আমি একটা জঘন্য মানুষ,, 
অপরাধ শুধু একটু ভালোবাসা ভিক্ষে চাই,,, 
সবার কাছেই চাই,,
ওই!  তিথী'র অতিথি থেকে নীলাম্বরী, জুঁইফুল, মৌরি,, সখী,, ইন্দুমতী ওরা কেউ আমাকে গ্রহণ করে নি!
শুধু ভুল বোঝে আমায়....

আমি এতো টা পঁচে গেছি এতো পঁচে গেছি লাশকাটাঘরের থেকেও অধিক দূর্গন্ধ আজ আমার... 

আমি ভালোই আছি!  

এতো ভালো আছি কতো প্রিয় নাম এখন আর মুখে আসে না...

সেও  হয়তো ঐ নামের ডাক হয়তো অন্য কোন মুখে শোনার অভ্যাস করে ফেলেছে,,, 

তাই এখন হয়তো আমাকেও তার মনেই পড়ে না! 

কে!  আমি? 

পরিচয় হীন,,  অভিজ্ঞতা হীন,, দুর্বল,,একটা মানুষ... 

আমিও শুনি না আমায় কেউ তার মতো আধো আধো জরতায়   জড়িয়ে কাব্য বলতে!
খুব ইচ্ছে ছিলো এই একটা ডাকে কাব্যর মৃত্যুও  মুক্তি দেবে যএন তৎক্ষনাৎ  ছুটে যাই.... 

চিৎকার করে.... 

বলতে বলতে ছুটছে আঁড়ি'র দিকে.... 


 দি..দি..ম....ণ....ি......

শিব তাণ্ডব

শিব তাণ্ডব || Shiv Tandav || (শিব তাণ্ডব রচনা করেছিলেন রাবণ) জটা-টবী-গলজ্জ্বল-প্রবাহ-পাবিতস্থলে গলেবলম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গ-তুঙ্গ-মালিকাম্ । ...