পোঁড়াবাসি!
চলো একদিন দেখা করি আমরা।
পাশাপাশি বসি তুমি আমি কিছুটা সময়।
চলো ভুলে যাই তুমি কার কিংবা আমার উপর এখন কার অধিকার।
ভুল বোঝাবুঝিগুলোকেও না-হয় এই সুযোগে চুকিয়ে নেই আমরা চল! যাই নদীর ঘাটে,,,,
বেরিয়ে আসি একে অন্যের দাবি-দাওয়া থেকে।
ওই তো! দুই কাপ চা শেষ হতে ঠিক যতটা সময় লাগে, সেই সময়টুকু দিলেই চলবে আমার।
এর চেয়ে বেশি সময় কিংবা তোমার সঙ্গ চাইব না আমি।
কারণ যেখানে অধিকার হারিয়ে যায়, সেখানে আর ধরে রাখার কি'বা বাকি থাকে বলো ?
তা বুঝতে নিশ্চয়ই ভুল হওয়ার কথা নয় আমার।
তাই বিদায় নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই তোমার।
আমাদের দেখে ঘাটের অন্য সবাই ভাববে ওরা যুগের পর যুগ ধরে কি প্রেম করছে,,, কে! জানে?
আমরা ওদের কথা কানেই নেবো না,,,
বল! পোঁড়াবাসি বলো,,, তুমি কি আসবে!?
আসবে!?
মন হালকা করে আবারও উঠে পড়ব দু'জনেই।
হাঁটা ধরব আলাদা দুই পথের দিকে।
তোমার ঠিকানা হতে চাওয়ার আকাঙ্খা থেকে বেরিয়ে এসে আগাবো আমি বর্তমানের বাস্তব ঠিকানার দিকে শঙ্খচিল হয়ে,,, ।
তুমিও এগিয়ে যাবে! হ্যাঁ তুমিও এগিয়ে যাবে তোমার গড়ে নেয়া নতুন ঠিকানায়।
আবারও মুখে এঁটে নেব নকল হাসি, নতুন করে ভুলে থাকার অভিনয় শুরু হবে আবার । চলবে এমনটাই চলবে,,, আবার হয়তো শতাব্দী পর তুমি আর আমি এইভাবেই মিলবো! আবার কোন নদীর চরে কিংবা কোন ধূ-ধূ মাঠের ওপাড়ে,,,,
আবার! 'দেখা হবে!
আবার এক কাপ চা!
আবার ওই টুকু সময়!
আবার একটা নূপুর এক শতাব্দীর বেচে থাকার অমৃত সুধা!
জানি এই দেখায় তৃপ্তি হবে না, তৃষ্ণা মিটবে না। জন্মজন্মান্তর,,,
বিদায় দিতে বা নিতে মন চাইবে না!
তবুও চলো দেখা করি!
২৬ শে অক্টোবর সন্ধ্যেবেলা!
.
_তবুও চলো দেখা করি...
চলো! দেখা করি!