যা আমার না! তা! আমার না..
আমার জন্য উত্তম না!
তা আমার পছন্দের- প্রিয় হলেও আমার না!
আমার না!
সেটা আমার হাতের নাগালে -সন্নিকটে অবস্থানরত থাকলেও আমার না!
আমি হাজার বার চাইলেও সেটা আমার না এবং আমার হবে না কখনো! কোনদিইইইইইন না,,,,,,
আর যা আমার হবেই না সেটার জন্য আমি নিজেকে নিঃস্ব করে দিবো!
এ সব কি অদ্ভুত বেচে থাকা!
যেন প্রাণ আছে অথচ ভিতরে পঁচে গেছে বিকট গন্ধে কেউ সামনে যায় না!
এই ভাবে! তিলে তিলে ধ্বংস করতে থাকবো নিজেকে!
এও কি সম্ভব!
আমার যেটা পাবো না সেটার জন্য দুর্বল হয়ে অসুখে আক্রান্ত থাকবো! এমন টা হলে কি সার্থক হবে!
না! না! নাহ!
নাহ! বরং মহা ময়া নীলাম্বরীর পরিকল্পনা অনুসারে নিজেকে আরো মজবুত করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকবো।
যতক্ষণ না তিনি চাইবেন নিজেকে চলমান গতিতে চলিয়া যেতে হবে... যেতেই হবে!
আমরা যখনই ঈশ্বরের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হই -আসক্ত হই! ঠিক তখনই তিনি আমাদের বুঝিয়ে দেন উনার উর্ধ্বে যাওয়ার পরিণতি বরাবর আমাদের জীবনে অসুখ বয়ে আনে!
নিশ্চয়ই তিনি আমাদের জন্য সব পরিকল্পিত রূপে রেখেছেন।
তাহলে আমরা উনার পরিকল্পনাকে পরিবর্তন করি কিভাবে? নাহ!
সুতরাং অপেক্ষা করতে হবে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অপেক্ষা, তিনি আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করে রেখেছেন সেটা পাওয়ার অপেক্ষা!
অপেক্ষা শেষে যদি তিনি আমাদের জীবনে সুখ শান্তি প্রদান করেন তাহলে কৃতজ্ঞতা জানাবো আজীবন, আর যদি এতো ধৈর্য্য এবং অপেক্ষার পরেও ভগবান আমাদের জীবনের অসুখ অশান্তি মিটিয়ে না দেন তবে বুঝে নিবো আমরা পৃথিবীর জীবনে পরকালের জন্য খাজানা-গুপ্তধন জমিয়ে রাখছি এবং স্রষ্টা নিশ্চয়ই সেই জমানো খাজানা -গুপ্তধন আমাদেরকে আরো উত্তম উপায়ে ফিরিয়ে দিবেন যা আমাদের পরিকল্পনা এবং প্রত্যাশার চাইতেও হাজার গুণ উর্ধ্বে।
সেদিন নীলাম্বরী বিষাক্ত নীল এই নীলাক্তে'র....
সেদিন! নীলাম্বরীর 👰 নীল...