বিদায় প্রিয়,,

নিজেকে নিয়ে ভাবতে বসেছিলাম। 

হ্যাঁ নিজের সাথে দেখা হয়েছে।  
আর দেখা হয়েছে হাজার বছরে বার বার জন্ম নেওয়া একটা আত্মার সাথে।  

আমি প্রতি জন্মের ও মৃত্যুর কারণ দেখেছি। 

ভুল সত্যিই আমার ছিলো।  

আমি প্রতি বার তোমায় তোমার নিরাপত্তায়  রেখে এসেছি। 
আমি এক বারও দাবি করিনি তোমার। 
শুধু আকাঙ্ক্ষায় জন্মেছি একদিন পাবোই।  

এই পাগলের প্রলাপ তুমিও বুঝবে তবে অনেক দেরি আছে।  ওই! ওই! 
আগের মতোই  হবে আমি থাকবো না। 

তুমি খুজবে,,, 

আবার  অল্পতেই নিজেকে থামাতে পারো তুমি। 
থেমেও যাবে তোমার অনুসন্ধান। 
আর আমি তো আনাড়ি,, হাল ধরা টাই শিখতে পারিনি।  
ডুবে ঠাই নিয়েছি অতলে। 

তবে!
আমি অতো ভালো মানুষ নই!  
বলতে পারো হয়তো মনুষ্যত্ব টাই নেই।
বলতেই পারো। 
তবে আমি নিজের আত্মবিশ্বাস কে  ঐ মহাশাগরের মতো বিশাল ভাবি  তাই সেখানে কোন কূল নেই,,দ্বীপও নেই। 
আগ্নেয়গিরি যা আছে ওই অতল তলেই। 

আমার আর ফেরা হবে না। 
 আমি প্রতি জন্মের ফিরে আসার কারণ টা এই জন্মে তোমায় বলতে পেরেছি। 
আমি এই ভাবে কোন জন্মেই বলতে পারিনি তোমায়।
 আমি প্রকাশ করতে পারিনি আমার মনের ভাব। 

হ্যাঁ  এ জন্মে তা পেরেছি   আসলেই কি চাই আমি। 

তারপর আর কিছু থাকে না।  
তাই নিস্বঃ হয়েছি নিজের প্রত্যয়ের কাছে। 
শুধু তুলে ধরেছি তোমায়,  হ্যাঁ প্রিয় তোমায়।


ধুলোর এই পৃথিবীতে আমি আর ফিরবো না। 
আমার আর কোন আকাঙ্খা নেই।

 আমার  আমি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছি তোমার নামে। 
তাই আমার ওই আমি টার আর কোন দাবি নেই।  
যদি তুমি হীন আমায় থাকতেই হয়,,,,,

আমি ধুলোয় মিশেই যদি পারি গড়ে তুলবো এক উর্বর উদ্যান।  
তারপর যদি ভগবানের কৃপা ও আপনার দয়া হয়। 

হয়তো একদিন এই উদ্যানেই তুমি ফুল হয়ে ফুটবে নয়তো পাখি হয়ে গান গাইবে। 

তবুও  আমি ওই মাটি ছেড়ে আর ফিরবো না।

বিদায় !  ! !... প্রিয়। 

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দ্বায়

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, রাধার শ্যামরায়।। তুমি গোঠের রাখাল রাজা, যশোদার কানাই, বিষ্ণুপ্রিয়ার প্রাণসখা, নদীয়ার নি...