অনেক দিন পরে আইলা!
আমিও না! তোমায় ভুইলাই ছিলাম ।
তোমার কথা আমার একটুও মনে পড়ে নাই।
ওই মাইয়াডা হেইদিন জিগাতে ছিলো আমি ওর কথাডা হুইননাও হুনিনাই।
আমি! তোমারে ভুইলাই গেছি গোঁ,,,,
অখন আর তোমারে মনে ধরেনা গো।
মনে ওই আমি য্যারে প্রিয় কই! সে ই ।
আমি তারে স্বপ্নের মধ্যেও দ্যেখতে পাই।
আহাঃ,,,
লাল রাঙা সিথিতে পুজার থালা হাতে
আমায় ডাকে হ্যেয়,,,,,,, ঘর টা যেন পবিত্র এক মন্দিরে পরিনত। আমি সেই সেই মন্দিরের
ওই নীল ওঠো! অনেক বেলা হয়েছে ।
আমি লক্ষী ছেলের মতো বিছানায় বইসা ফ্যালফ্যাল কইরা চাইয়া দেখি!
এই তো! এই তো! এই তো আমার স্বপ্নের সেই রাজ নন্দিনী।
আমি তার হাত ধরতে পারলেই মিলবে আমার মুক্তি।
আমি সাধক হইয়া তপস্যা করতেও রাজি যদি একটু ভালোবাসা পাই ওর ।
এই তো! সেই মেয়ে।
কি কও? কি?
এতো উন্মাদ হইছি ক্যেন? এতো উন্মাদনা ভালো না?
হু!
তোমারে কে কয় এই সব গুরু গম্ভীর কথা কইতে?
আমি তো কই না!
তোমার এতোই যদি দরদ হেই দিন ক্যেন ওই কামডা করলা?
আগে হেই ক্যেনে এর উত্তর দেওন লাগবে।
আগে হেইডা কও।
আমি ক্যেন এতো উন্মাদ হইছি তুমি বোঝো না?
বোঝো না তুমি!
এই তুমিই আমার জীবনের সব থিকা বেশি ক্ষতি করছো,, হ্যাঁ তুমি।
আইজ আইছো ক্যেন আমি উন্মাদ হইছি জানতে?
তুমি হেদিন জানতে না?
আমার কি হইতে পারে?
ও তুমি ভরসা পাওনা। আর আমার ওই পরিস্থিতিতে তুমি আমার পিছু নিছো।
আমি কি খারাপ কইছি?
আমি তো কইছিলাম আমারে কয়েক মাস সময় দাও।
না! তোমার তর সইলো না।
আমি ভাবতেছি লাম বাগানের দিকে তাকাইয়া তোমারে কি কওন যায়।
তুমি শুধু কইলা"" যা খুশি তাই করো"" তারপর
মূহুর্তে আমার দুনিয়ায় টায় অন্ধকার দিয়া আইজ আমারে ঞ্জ্যান দেওওন লাগবো না তোমার।
আমি! আমি কি খারাপ করছি?
আমি ওর সব টা জাননের পরও আমি পিছু পা হইনাই।
আমি সব টাই মাইনা নিছি।
আমি হ্যেরে ভালোবেসেছি আর এখনো ভালোবাসি।
নাঃ ও আমারে একটুও পছন্দ করে না।
আমায় ঘৃণা করে। ঘৃণা।
আমায় সে খুব ঘৃণা করে।
আমি চারদিন আগে একটু কথা বলার বার্তা দিছি এখনো সে যোগাযোগ করে নাই।
কিন্তু আমার বিশ্বাস যোগাযোগ হবে।
হ্যাঁ আমি তারে খুব ভালোবাসি।
বাঃ
কি এমন মজার কথা কইলাম ওই রকম মুচকি হাসি হাসতে আছো?
মজা দেখো? মজা!
আহাঃ খুব মজা তাই না?
আমি জানি এই গুলা কি?
আমি জানি তুমি ক্যেন হাসতাছো।
তুমি কি ভাবো আমি বুঝি না?
আমি সবই বুঝি।
বুঝি এই গুলা তোমারে কান্দানোর শাস্তি।
আমি খুব মনে করি তারপর তোমার দেওয়া সেই অভিশাপ।
আমি তো তোমার অভিশাপে অভিশপ্ত।
আমি সবই বুঝি।
হাসো! যদি আনন্দ পাও।
আর শোনো যদি সত্যিই আনন্দ পাও তবে প্রতিদিন আইসো।
আমি তোমায় অনেক আনন্দ দিমু।
আমি যখন ওই নতুন মানুষ টার জন্য লুকায়ে চোক্কের জল মুছি।
তুমি এসো! এসো তুমি!
না না আমার চোক্কের জল মোছাইতে হইবে না।
তুমি আমার কান্না দেইখো।
দ্যেখবা তোমার আনন্দ হইবে।
মুখে এই রকম মুখচোরা হাসি হইবে।
তুমি একটু একটু কইরা সোধ নিলা?
আমি আইজ সত্যিই একদম ফুরাইয়া গেছি।
তবে কি জানো,?
এক সময় নিজের প্রতি খুব অত্যাচার করতাম। পুরা অনিয়মে চলতাম।
এখন আমি খুব নিয়ম কইরা চলি।
আমি খাওয়া, ঘুম,, কাজ, খুব মন দিয়া করি। আমি স্বপ্ন দেখি অনেক দিন বাইচা থাকার। আমার মুখের দিকে তাকাইয়া থাকবে আমার ভালোবাসার দরদী।
আমার নতুন মানুষ টা ।
তোমারে এখন সত্যিই মনে ধরে না গো।
আমি ওই নতুন মানুষ টার কাছে নিজেরে সমর্পণ করছি।
তাই এহন আর তোমারে ভাবিও না আর তুমি মনের কোত্থাও নাই।
ওই মানুষ টা আমারে শিখাইছে বাস্তবতায় যদি প্রেম হয় সেই প্রেমের কি নেশা।
সেই প্রেমেই হয় মোখ লাভ।
সেই প্রেম থেকেই আসে ভক্তি।
সেই প্রেম থেকে আসে সন্যাস।
সেই প্রেম থেকেই জীবের মুক্তি।
ভাবনার প্রেম,,
বিতৃষ্ণায় বুকফাটা চৈত্রের এক ফালি জমি।
সেখানে সবই স্বপ্ন। সেখানে শুধুই মরিচিকা।
সবই নিজের ভেতরে। সেখানে নেই ভবিষ্যতের কোন স্বপ্ন।
ঘোর কাটলেই একা। একদম একা সেখানে কেউ নেই পাশে।
নাঃ যেযাই কয় কইতে থাউক,, নতুন মানুষ টা আমারে একটা নেশা শিখাইছে জানো!
আমারে শিখাইছে জীবন্ত প্রেমিকার প্রেমের স্পর্শ কত্তো সুন্দর হয়।
আমি তো মনে করি এই নতুন মানুষটাই আমায় কল্পনার জগত থেইকে তুইল্লা বাস্তবতায় বাইচা থাকার নেশায় আমায় উন্মাদ করছে।
হ্যা আমি তাই উন্মাদ। পাগোল। আমি পাগোল।
আমি এও মনে করি
আমি আজ যা কিছু,, এই সব তোমার দুর্বুদ্ধির ফল। তুমিই এই সব কিছুর জন্য দায়ী!
হ্যা তুমি।
তুমি সেই নিজের কইরাই রাখলা আমায়!
আমি অন্য কাউর হইতেই পারলাম না।
আমিও সেই একাই থাইকা গ্যালাম,,,,
কিন্তু তিথি!!
এই ভাবে আর কতো দিন?
তিথি!
হ্যা,,,,
ওমা! তুমি ফুড়ুৎ।
আবার কবে আসবা কইয়াও গ্যালানা !
নতুন মানুষ টা তাও কইছে তারে ভাবতে না।
সে আর ফিরবে না ।
তুমি তো কিছুই কইলা না!