তারপর একদিন কথায় কথায়,, বলে ফেললাম তুমি তো ঠিক মা''এর মতো,,, কোমল,,, তুই!
মরিচিকার পেছনে ছুটে বেড়াতাম পাগলের মতো।
মনে করতাম আমার স্বর্গ,, কিন্তু না আমি নির্বোধ ছিলাম। আমি স্বার্থের নরক কে অন্যের চোখে দেখে বিশ্বাস করে ছিলাম স্বর্গ,,,
সেখানে ওই চালাক মানুষ গুলো তার নাম শুনতেই ত্বেলে বেগুনে জ্বলেপুড়ে খাক হয়ে যেতে লাগলো। পরিস্থিতি যখন তাকে সেই স্বার্থের নরকের দ্বারে নিয়ে গেলো সেদিন "মা" আমার জন্য ভীষণ অপমানিত হয়েও যোগ্য জবাবে সেই স্থানে নিজের নাম টা প্রকাশ করেছিলো,,,
সেইদিন থেকে আর অন্যের উপর নয় নিজের ওপর নিজের বিশ্বাস অটুট হয়েছে,,,,, তখন থেকেই আর অন্যের ইচ্ছে,,কে নিজের করে সাজাই না,, মেনে নেওয়া অনেক দূরের কথা...
তারপর যখন বীরভূম থেকে সেই নরকের রাস্তায় যাওয়ার সময় আমার গাড়ি ডাম্পারের নিচে তখন ভেবেই নিয়েছিলাম আমি কিছুক্ষণের মধ্যে মরে যাবো,,,
প্রথমে নিজেই বিশ্বাস করতে পারিনি আমি বেচে আছি গাড়ি চাকার নিচে,, প্রচুর লোকজন চিতৎকার চেচামেচিতে ঘোর কেটেছিলো ওর হঠাৎ ইনকামিং ভিডিও কলে,,,
ও বলছিলো "দাদা মন টা কেমন করছিলো,, তুমি ভালো নেই,, খুব বিপদ তাই একটু দেখতে চাই তোমায়,, রক্তে ভেজা আমায় দেখে ওর সেই স্নেহ আমায় ওর সন্তান তূল্য মূল্য ও অধিকার দিয়েছে,,, তাই ওকে " মা" বলি।
সেই মা গতকাল রাতে প্রথম এক শক্তিশালী মাতৃ স্নেহের আশীর্বাদ দিয়েছেন,,,
বলেছেন,,, তুমি তো! আমার বুদ্ধিমান ছেলে,,
তুমি কাঁদবে না,,, কাঁদলে বুদ্ধি ক্ষয় হবে।
হ্যা খুব কাঁদছিলাম কেউ খোজ রাখেনি ও! রাত ২ টোয় ঘোমায়নি। শান্ত করেছে বুকের আগুন।
হ্যাঁ! ঠিক হাসলে যদি আয়ুকাল বৃদ্ধি পায়,,
তবে তবে কাঁদলে'ও কিছু হয়,,
নিশ্চয়ই হয়,,,
আর কি হয় তা জানতাম না,,,,
আর তোমার কথা যদিও আমি বিশ্বাস করি,,,
তাই সারাজীবন মেনেও চলবো,,,
আর শুধু মানবোই না আমি এই কথা সবাইকে বলবো,,,
জানো! আমার "মা" বলেছে,,, "
কাঁদতে নেই যদি শিশু কাল কেটে যায়"
বাল্যকালে বন্ধুদের সাথে বেড়ে ওঠে।
তারপর কৈশোরে তো উল্লাসে থাকতে হয় সেখানে থেকে জীবন যৌবনে পথে পা দেয়,,,
তখন যুক্তির সাথে হাসি মুখে চলার নাম জীবন।
নিজের খুশী অন্যের কাছে অমানত রাখার নাম ত্যাগ,,
তাই জীবন হাসি মুখে হাসির ছলে উপভোগ করবো,,,
তবে এই মা,, বলে না আমার ছেলে লক্ষী ছেলে,,
সে জানে ওর ছেলে একটা ডাকাত 😜