পাগল ছেলে

পাগল ছেলে,,,,,,,

জানি,তোমরা আমায় পাগল বলো, 
এমন কি আমার প্রতিবিম্ব ও আমায় পাগল বলে। এতে তোমাদের বা প্রতিবিম্বের কোনো ভুল নেই কারণ আমি মানি যে আমি পাগল। 

পাগলামির কারণ বোধহয় এগুলোই, না?-

আমি অন্ধকারে এক কোণে বসে থাকি 
আলোর ভয়ে,,,
আমি কারোর সাথে কথা বলি না 
শব্দের ভয়ে।
আমি না ঘুমিয়ে মাঝেমধ্যে সারারাত কাটাই
স্বপ্ন দেখার ভয়ে।
আমি কাউকে শরীর ছুঁতে দি না 
স্পর্শের ভয়ে।
আমি চুল দাড়ি  ঠিক  সময় মতো কাটি না
আমার অমিটাকে চেনার ভয়ে।
আমি কাউর সাথে খেলি না 
আনন্দের ভয়ে।
আমি লাল রং দেখে থেমে যাই
 অতীত মনে পড়ার ভয়ে।
আমি গুছিয়ে কথা বলি না 
গল্প তৈরি হবার ভয়ে।
আমি সব সময়ই হাসি
 নোনা জল ঠোঁটে লাগার ভয়ে।
আমি ভগবান মানি না 
প্রার্থনার ভয়ে।
আমি অসামাজিক ভাবে কাটাই 
সমাজের ভয়ে।

তাই তো তোমরা, সামাজিক জীবেরা আমায় পাগল বলো। তোমরা শুধু বলতেই পারো। একবার পেরিয়ে আসো আমার গন্ডিতে, দেখতে পাবে কত শান্তি আমার পৃথিবীতে। কিন্তু তোমরা তো সভ্য এর পোশাক পড়ে সামাজিক সম্মান পেতে চাও পাছে তোমাদের কেউ পাগল বলে …

তাকে আমি খুব ভালোবাসতাম। এমনকি নিজের থেকেও বেশি। ও যখন উড়না উড়িয়ে সূর্য ঢেকে নাচত দুহাত ছড়িয়ে, আমার মনে যেন রামধনু উঠতো। ও যখন আমায় খাইয়ে দিত নরম হাত এ, আমি যেন অমৃতের তৃপ্ততা পেতাম। ও যখন আমার উপর ঠোট ফুলিয়ে রাগ করে থাকতো, মনে হতো সব রাগ লাল রং হয়ে ওর ঠোঁটের কাছে জমেছে। যখন হওয়ার ব্যস্ততায় চুল সারাতো ঠোট থেকে তখন ইচ্ছা হতো বারবার যেন হাওয়া হাতে করে চুলের দল আবার পৌঁছে দিক ওর ঠোঁটে।

ও পাশে না থাকলেও ওর স্পর্শ দুলিয়ে দিত। ও ছিল আমার আনন্দর ঝরনা। ওর জন্য প্রার্থনা করতাম প্রতিদিন। ও বলত-‘তুই না একটা পাগল, আমার পাগল।কে পায় এমন পাগল প্রেমিক! আমি তো সৌভাগ্যবতী যে এমন পাগল ছেলেটাকে বিয়ে করবো। কোনোদিন সবার মতো মানুষ হোস না। এই পাগলামি গুলোকে আঁকড়ে ই তো বাঁচবো আমি’।

কে বা জানতো এমন দিন আসবে যে ওর পাগলটা সবার পাগল হয়ে উঠবে।

সেদিন ও একটা লাল চুড়িদার পরে এসেছিল আমার সাথে দেখা করতে।আমি বলেছিলাম-‘তোকে আজ রাতপরি লাগছে’। আমায় বাঁ হাতের ছোট আঙ্গুলটা বাড়িয়ে বললো-‘তাহলে কামড়ে দে না’। আমি কবিতা লেখা ডায়েরির ছেড়া পাতাটা বুক পকেট থেকে বের করে দিলাম ওর হাতে। কতবার যে পড়লো জানিনা। আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিলো
-‘ তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম…’। 
আমার চোখ শুধু ওর মুখের দিকে। আর ও গান থামিয়ে অনবরত বকবক বকবক… আমি ওকে না থামিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রইলাম, কিছুই শুনতে বা বুঝতে পারলাম না।

আকাশের বুক চিরে বৃষ্টি নামলো। ও রেস্টুরেন্ট থেকে সবার দৃষ্টি ভ্রূক্ষেপ করে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে এলো রাস্তায়। আমি ভিজবো না র ও ছাড়বে না। আমি একটু ধমক দিয়ে বললাম-‘তুই যাবি না হলে আমি চললাম।’ রাস্তা পেরিয়ে রেস্টুরেন্টের দিকে গেলাম এটা ভেবে যে ও রাগ ভাঙাতে পিছন পিছন আসবে। হঠাৎ শুনতে পেলাম বিকট চিৎকার আমার নাম ধরে। 

'''''''::ইইইইইইনননননদ্রদ্রদ্রদ্রদ্র,,,,,,,,,

পিছন ফিরে যখন দেখলাম, গলা ফাটিয়ে বলেছিলাম-স্মৃতি,,ই,,ই,, ই  ই…। আমার মস্তিষ্কের সমস্ত শিরা ছিঁড়ে জট পাকানো। তবুও ছুটছি, আমার হৃদপিণ্ড শ্বাস নিতে ভুলে গিয়েছিলো, কোনো শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম না… সব দৃশ্য আস্তে আস্তে হলুদ… ফ্যাকাসে…ঝাপসা। পড়লাম হুমরি খেয়ে ওর হাতের উপর। সব কালো… অন্ধকার।

যখন জ্ঞান ফিরলো তখন তোমরা সভ্য, সামাজিকতায় মোড়া মানুষের দল আমার নতুন নাম দিলে- ‘পাগল‘।

তবে আজ নিজেকে সক্ষম করতে পেরেছি,,,
তোমার  স্মৃতি নিয়েই আমার  পথ চলতে পাড়ছি 
তুমি,,,,, রবে,,,,, নিরবে,,,,,,,,,,চির দিন,,,

কেমন আছো তুমি?

বিচ্ছেদের কিছু দিন পর হঠাৎ একদিন তোমার মেসেজ এলো আমার সিম নাম্বারে। "কেমন আছো"

যখন নোটিফিকেশন টা দেখলাম আমার বুকে কেমন জানি একটা ব্যথা অনুভব করলাম। আমার পুরো পৃথিবী মুহূর্তের মধ্যে এলোমেলো হয়ে গেলো। মেসেজ টা খুব ছোট ছিলো কিন্তু আমার খারাপ লাগাটা ছিলো এক সমুদ্র সমান।

খারাপ এজন্য লাগেনি তুমি এতদিন পর মেসেজ দিয়েছো; এজন্যেও লাগেনি তোমার স্মৃতি চোখে ভেসে উঠেছে। তুমি যদি আমাকে ১০লাইনেরও একটা মেসেজ দিতে আমার হয়তো তেমন কিছু যেতো আসতো না।

কিন্তু তুমি "কেমন আছো" মেসেজ টা আমার ভেতরে একটা চাপা কষ্ট চাপিয়ে দিয়েছে; কারণ আমি বুঝে গিয়েছিলাম "তুমি ভালো নেই।"

জীবনে এমন একটা মানুষ চাই,,

"জীবনে আর কিছু থাকুক কিংবা না থাকুক, এমন একজন থাকুক যার কাছে মানসিক শান্তি খুঁজে পাওয়া যায়... যার পাশে বসলে সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায় !!
.
এমনই একজন থাকুক যার চোখের দিকে তাকালে ভরসা করা যায়... যার হাসিতে আস্থা খুঁজে পাওয়া যায়... মানুষটা আর যাই হোক অন্তত অন্য সবার মতো ভুল বুঝবে না... অন্য কারো সাথে তুলনা করে কথার আঘাত দিবে না !!
.
প্রিয় মানুষ হোক কিংবা বন্ধু হোক এমন একজন থাকুক যে কখনো মানসিক আঘাত দিবে না... যার কাছে নিজের কোনো কিছু লুকাতে হবে না... নির্ধিদায় মানুষটাকে বলে দেয়া যাবে সব... মানুষটা হবে জীবনের একটা অন্যতম অংশ !!
.
এমনই একজন থাকুক যে মানুষটাকে বিশ্বাস করে কখনো ঠকতে হবে না... বরং নিজেকে বিশ্বাস করতে না পারলেও ঐ মানুষটাকে ঠিকই বিশ্বাস করা যাবে... চারপাশে প্রতারকদের ভীরে শুধুমাত্র একজন বিশ্বাসী মানুষ জীবনে থাকুক !!
.
আমাদের সবার জীবনেই কেউ না কেউ ঠিকই আছে, তবে সবাই কিন্তু ঐ মানুষটাকে নিয়ে মানসিক শান্তিতে নেই... কারো রুপ কিংবা অধিক টাকা থাকলেও মানসিক শান্তি আসে না... মানসিক শান্তি আসে মানুষের ব্যবহারে, মানুষের আচার আচরণে কিংবা কাজে !!
.
জীবনে শত বন্ধু থাকুক তবে মানসিক শান্তি খুঁজে পাওয়া যাবে এমন বন্ধু যদি একজনও না থাকে, তাহলে শত বন্ধু থেকেও না থাকার সমান... অপর দিকে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় এমন একজন বন্ধু থাকলেও আরো কোনো বন্ধুর প্রয়োজন নেই !!
.
জীবনে এমন একজন মানুষ আসুক যার সাথে পূর্বের অন্য কারোর মিল থাকবে না... মানুষটা থাকবে একদমই আলাদা... মানসিক শান্তি হয়ে এমন কেউ আসুক, যে শুধু আসবেই কিন্তু কখনো ছেড়ে যাবে না... পাশে থাকবে আজীবন !!"

একচিলতে আলো নিয়ে এসো

রাত্রি যায়,দিন যায় তোমার অপেক্ষায়।। 
অন্ধকারের মাঝে একা রয়ে যাই আমি, 
বাহিরে কোলাহল, ভেতরে নিস্তব্ধ আমি ।। 

ঘুচিয়ে গেছে কান্না হাসি মিশ্রিত মুখাবয়ব।। 
কতদিন হলো তোমায় দেখিনা,
কতো সময় পার হলো তোমায় ছাড়া ।। 
দুঃখেরা ভর করেছে, আয় হায় আমার 
মাঝে দুঃখেরা ভর করেছে !! 

পায়ে পা মিলিয়ে চলা হয়না বহুদিন।। 
কেউ আর মাথায় হাত রেখে আশ্বাস দেয়না 
ভয় পেয়ো না আছি আমি!! 

ঘুমে ছেয়ে গেছে নয়ন,তবুও তোমায় 
দেখার তৃষ্ণায় রয়েছে এই নয়ন।। 
তোমায় দেখার জন্য মাথার মধ্যে মনে 
হয়, কেউ একজন ছুরি চালাচ্ছে !! 

দম বন্ধ হয়ে আসছে,তবুও যেন 
বেঁচে আছি,কারো বুকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগের 
আসায় ~ অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করতে 
করতে প্রতিদিন মরছি আমি !! 

এসো এসো সন্ধ্যা তারা ফুলের মতো 
এসো তুমি, একবার হলেও আমার বাগানের 
ফুল হয়ে ফুটো  আমি অপেক্ষায় রবো তোমায় ছুয়ে দেওয়ার !!  

শান্তি ~সুপ্তি~শ্রান্তকায়ে ভরা বাগানে এসো আমার, 
তুমিও এসো আমি সুখের তরী নিয়ে যাব তোমার 
জীবনে!! 

~তুমিও এসো, আমি চাই তুমি এসো আমার শহরে এসো এক চিলতে আলো নিয়ে এসো। 

ভুলে যেতেই পারো,,,

আমায় ভুলে যেতেই পারিস,
অন্য রোদের বিছানায় কোলাজ সুখ নিতেই পারিস।

অন্য বুকে মাথা রেখে-ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতেই পারিস,
অতীতটাও মুছে ফেলতেই পারিস অনায়সে!

ভুলে যাবি?তো ভুলে যা...
পিছুটান রাখিস কেনঃখামাখা?

সূর্য উদয়ে ভুলে যায় চাঁদকে,
আবার চাঁদ ভুলে তার রাতকে।
আমায় ভুলতে দোষের কিছু নেই তো,
পাশে যাকে পাবি,আপনই সেই তো!

চলে যাবি?তো চলে যা না,
যেতে তো কেউ করেনি মানা।

পায়ে শিকল পরিয়ে কাউকে-কে,ধরে রাখতে পেরেছে কবে?
যত্ন করে হিয়ার মাঝে রাখতে পেরেছে কি সবে?

অন্য ঠোঁটে চুমু খাবি?তো খা না..

যেই ঠোঁটে লেপ্টে ছিলি প্রথম চুম্বন,
যে বুকে মিশে ছিলি প্রথম আলিঙ্গন। 
সব ভুলে যাবি?আরেহ–যা না,
কে করেছে মানা?

শরীর ছুঁবে অন্য কেউ? তো ছুঁক না..
মন ছুঁয়ে দেখেছিলাম,শরীর ছুঁতে পারছি কই?
শরীরটা তো অন্য কারো,মনটা থাকুক আমার জন্যই মানানসই!

সত্যিই চলে যাবি?তো যা না,
যেতেই পারিস;ঠিক সময় যেমন যায়,
ভালোবাসার মতো বাসলেই কি-সবাই তারে পায়?

হতেই পারে প্রেম ছিল পরিণয়ের ভুল,
যেমন করে অকালে ঝরে যায় শত-শত ফুল!

আমি এক অমনোযোগী প্রেমিক,বড্ড নিরুপায়-
যার কাছে ভালো থাকা, প্রেমিকা তার সাথেই যায়!

চলে যাবি?তো যা না,
কেন মিছে সান্ত্বনা দিস,করিস কেন তাল-বাহানা?

একটু মায়া হয়ে থাকতে দিবি!!!

দিবি একটু মায়া হয়ে থাকতে?
অনাদরে কতশত রাত যে নিভৃতে কেটে গেলো তার টের টুকু পাইনি। উত্তপ্ত মরুভূমির খরা রোদ্রের তৃষ্ণার্ত কূল হারা মানবীর মতো ছুটছি। এই আধমরা রুহের ব্যাকুল আহাজারি কি তোর হৃদয়ে পৌঁছোয় না?

হাতটা একটু শক্ত করে ধরবি শেষ প্রহর অব্দি?
শেষ কয়েকটা সেকেন্ড?
শুধু ভরসা দেওয়ার জন্য!
এখন যদি তুই আগুন হবি বলিস,
আমি সে আগুনে পুড়তে রাজি
তুই যদি রাত্রি হবি বলিস,
আমি নিশাচর ও হতে রাজি।

শেষবার আমার মায়া হয়ে থাকা বারণ নয় রে। আমি শুধুই তোর মায়া হয়ে থাকতে চাই, রাখবি তো একটু তোর নিজস্ব মায়া করে?

তোর আমার সে মায়া জড়ানো ছোট্ট নীড়।
যেখানে জমেছে অসংখ্য মান অভিমানের ভীড়। 

বিচরণ

এই তো কাল অব্দিও অধিকার বোধের
আঙিনায় অবাধ বিচরণ ছিল
এখন অদেখা দেয়াল উঠে গেছে যেন!
ভাবনায় আগে অন্যের ছায়া ছিল না
আর এখন!
সেই ভাবনাটাই আগে আসে।
অইদিন ছোট্ট করে বলেছিলে,
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও আর কারো নয়
ভেবেছো এই অতি সাধারণ আমাকে
স্তব্ধ বিস্ময় নিয়ে চুপ ছিলাম শুধু!
অইদিন ও একটা দ্বিধা ছিল।
অন্যরকম,ভালবাসার দ্বিধা। 
এত ভালবাসতে পারে কেউ অই ভেবে দ্বিধা!
আর আজ!?
অন্য রকম অস্বস্তি যেন!
জীবন যাপনের আটপৌরে বদল তোমার!
নেই আর সেখানে আমার
অবাধ বিচরণ!! 

তাকেই আগলে রাখুন

কখনও যদি কেউ আপনাকে খুব ভালবাসে আর তা যদি আপনি বুঝতে পারেন তাহলে তাকে আগলে রাখুন! বিশ্বাস করুন তার মতো করে অন্য কেউ হয়তো আপনাকে কখনও ভালবাসতে পারবে না। 

আপনি হয়তো তার থেকে বেটার কাউকে পেয়ে যাবেন, সে হয়তো দেখতে অনেক সুন্দর হবে, যাকে দেখলে এক নজরে ভাল লেগে যাবে। 

কিন্তু আপনার প্রিয় মানুষটির মতো সে কখনও হতে পারবে না, কারণ মানুষটি আপনার সাথে রাত জেগে হয়তো কথা বলে চোখের নিচে কালি করে ফেলেছে! আপনার জন্য রোদে পুড়ে দেখা করতে গিয়েছে, আপনার খারাপ সময়ে সে পাশে থাকার চেষ্টা করেছে। 

সে চেয়েছে বাকি জীবন একসাথে থাকতে আপনার সাথে! তাহলে বলুন তো এমন প্রিয় মানুষকে হারালে তো সারা জীবন অপ্রাপ্তি নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে তাই যাকে ভালবাসেন তাকে আগলে রাখুন এতে আপনিও ভালো থাকবেন বাকি সময়। 

তুমি আর ডেকো না

তুমি আর ফিরে এসোনা 
কোনভাবেই আর ডেকোনা,
বার-বার এসে ওগো তুমি 
আমার মনটা আর ভেঙোনা।
অনেকতো দিলে আঘাত আমায় 
এখনো কি কিছু বাকী আছে?
আমার মন যে একটাই প্রিয় 
অনেক আগেই এক ক্ষত আছে ।
কত করবে আর আঘাত আমায় 
কত দেবে আর শাস্তি,
তোমাকে ভালবাসার জন্য 
এই উপহারই আমার প্রাপ্তি ।
 রাতের পর রাত জেগে 
অনেক অপেক্ষা করতাম,
একটা বার্তার অপেক্ষায়
বার-বার ফোন দেখতাম।
করতে-করতে অপেক্ষায়
চোখ যে জলে ভরতো,
হাসি মুখে থাকলেও আমার 
কষ্টে বুক যে ফাটতো।
তাইতো আজকে বলছি তোমায় 
আর দয়াকরে  তুমি এসোনা,
নতুন করে ওইসব বলে
আর মনটা ভেঙোনা।

আমাদের আবার দেখা হোক

আমাদের আবার দেখা হোক,কভু কথা না হোক,
চোখে চোখ না ফিরুক অনুভুতিরা শুন্য হোক,
অতঃপর দাওয়াইখানার ছাড়পত্র পেয়ে যাবো
ছেড়ে যাবো ভূপৃষ্ঠ,আমি অগোচরেই শুন্যতার শুকতারা।
আবারো দেখা হোক,কোনো এক রাস্তার মিলনমেলায়
হুট তোলা রিক্সায় চড়ে বেড়াবো দুজন
জমবে আলাপণ, সুখ-দুঃখ সন্ধিক্ষণ
যদি বলতে দ্বীধা হয় তবে নিরবে বুঝে নেবো চোখের ভাষা 
তবুও আমি চাই,
এ আমার মনের কোণের এক অতৃপ্ত বাসনা,
আবারো দেখা হোক,
আমি উজাড় করে বিলাতে চাই একরাত্রি জোসনা।
তোমাকে মেখে জোসনা বিলাবো বলে
আমার চোখের কোনে জেগে থাকা রাত,
তোমাকে ভাবায়।
তুমি আমার বহুদূরের উপত্যকার সুখ
মরিচা ধরা জানালার গ্রিলের দুঃখের মত যাতনা।
দুঃখ নিয়ে ভেসে চলেছি সুখের অববাহিকায়
এসো এ নবধারায়,এলো কেশে,
বধু বেশে আমার কল্পনায়
মন চায় হাত ধরি,আচলে লেপ্টে থাকি
হয়ে তোমার শাড়ি, হে মায়াবী নারী!
কবে আসবে এ নীড়ে?
আমি ডুবু ডুবু অপেক্ষায়,
দিব্য অবেলায় ঘোরে কাটে ঘড়ির কাটা
নির্ঘুম রজনী,শূন্যতার চাহনী,
ডুব দেই ভালোবাসার তালে। 
আমি চাই আবারো দেখা হোক আমাদের,
আমি নিদ্রায় যেতে চাই তোমার মায়াজলে।।

আত্মহংকার আর আত্ম-সম্মানের পার্থক্য

ইগো এবং সেলফ রেসপেক্টের মাঝে পার্থক্য আছে। দুটি আলাদা বিষয়। আমরা দুটিকে এক মনে করি।

আমারা নিজের পারসোনালিটি দেখাতে গিয়ে কাছের মানুষটার সাথে ইগো দেখিয়ে বসে থাকি। তখন আমরা ভাবি আমরা খুব ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। 

আরে ভাই তোমার পারসোনালিটি থাকুক পুরো পৃথিবীর কাছে। অন্তত ঐ একটা মানুষের কাছে তার মতো হও। খুব সাধারণ ভাবে তার সাথে মেশো। 

খুব কাছের মানুষ হয়েও তোমার সাথে কথা বলতে গেলে যদি তার ম্যাচিউরিটি দেখানো লাগে, যদি তার খুব ভেবে চিন্তে কথা বলতে হয় তাহলে আর তুমি তার কাছের মানুষ হতে পারলে কই! এগুলো তো আমরা দূরের মানুষের সাথে করি। যারা আমাদের অচেনা। তুমি তাহলে ঐ দূরের মানুষ হয়েই রয়ে গেলে। তুমি আর কাছের মানুষ হতে পারলে না। 

কাছের মানুষের সাথে এতো বেশি ইগো বা পারসোনালিটি দেখানোর প্রয়োজন নেই। তুমি তার সাথে একেবারেই সাধারণ একজন হয়ে মেশো। তাকে বাচ্চাদের মতো ট্রিট করো। তার হুটহাট পাগলামো আর আবদার গুলো হাসি মুখে পূরণ করতে চেষ্টা করো। তুমি বরং তাকে তার মতো আগলে রাখো। এতে তোমার ব্যক্তিত্ব একটুও কমবে না। তুমি বরং সেই মানুষটার কাছে সারাজীবন সবচেয়ে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষটা হয়েই থাকবে।

ভালোবাসা সহজ নয়

মুখে মুখে ভালোবাসি বললেই ভালোবাসা হয় না! ভালোবাসাটা মন থেকে আসতে হয়,মন থেকে ভালোবাসার মানুষটাকে স্বীকৃতি  দিতে হয়। ভেতর থেকে আবেগ,অনুভূতি তার জন্য আসতে হয়। 

কেউ তোমাকে প্রান , প্রিয় , লাভ ইউ বলে উল্টে ফেললো। এর মানে এই না সে তোমাকে খুব ভালোবাসে। চামড়ার মুখ দিয়ে অনেক কিছু বলা যায়। দিন শেষে কেউ তোমাকে সত্যিই যদি ভালোবাসে তোমার প্রতি তার আচরণ,আবেগ,অনুভূতিই সেটা বুঝিয়ে দিবে। 

কেউ তোমার সাথে এডজাস্ট করতে পারছে না! তোমার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, তোমার আবেগ,ইমোশনকে মূল্যয়ণ করতে পারছে না!
তার মানে সে তোমাকে ভালোবাসি বললেও আজও তোমাকে ভালোবাসতে পারেনি। 

যে তোমাকে সত্যিই ভালোবাসবে তার তোমার সাথে কথা বলার জন্য ব্যকুলতা থাকবে। সে তোমাকে প্রতিটা মুহূর্ত মিস করবে। তোমার সাথে কথা বলা, সময় কাটানোর জন্য অস্থির হয়ে যাবে। তোমার মেসেজের উত্তরে দেরি হলে কষ্ট পাবে, অভিযোগ করবে, অভিমান করবে। 

নড়বড়ে ইমোশন নিয়ে ভালোবাসতে যাবেন না! ভালোবাসলে জেদি হতে হবে, একরোখা হতে হবে। নয়তো আপনার দূর্বল ভালোবাসা পরিবার, সমাজ,বাস্তবতার চাপে হারিয়ে যাবে।
দিনশেষে যারা জেদি হয়, তারাই সবকিছুকে তুচ্ছ করে পাত্তা না দিয়ে ভালোবাসাকে পূর্ণতা দিতে পারে। আর নড়বড়ে প্রেমিক প্রেমিকাদেরি বিচ্ছেদ হয়, মন মালিন্য হয়। অবশেষে ডিপ্রেশনে ভোগে। 

এখনো ভালোবাসি

একদিন ভালোবেসেছিলাম বলে যেভাবে এখনো ভালোবেসে যাচ্ছি ঠিক তেমনি সে একদিন বেইমানী করেছিলো তাই তারে আমি তার অপরাধের জন্য মাফও করবোনা। যে মানুষটা অন্যের জন্য আমাকে ছেড়ে গেছে, যে মানুষটা অন্য কাউকে পেয়ে আমার মত মানুষকে একা ফেলে চলে গেছে তাও আমার সবচেয়ে খারাপ সময়ে, যে আমার বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে, যে মানুষটা এতগুলো দিন আমি কিভাবে আছি- কেমন আছি নুন্যতম খবর নেইনি, যে মানুষটা নিজের স্বার্থের জন্য আমাকে রাতের পর রাত কাঁদিয়েছে আর যা হোক তারে অন্তত মাফ করা যায় না। তারে আমি কখনোই মাফ করতে পারবোনা।

ভালো এখনো বাসি না তা কিন্তু না; এখনো ভালোবাসি। এখনো সময়ে অসময়ে তারে মনে করি, এখনো আগের মেসেইজ, তার দেয়া রেকর্ডিং চুপচাপ একা একা শুনি কারণ এখনো তারে আমি এখনো ভালোবাসি; এখনো আমার জীবনের অনেকটা অংশ জুড়েই তার অস্তিত্ব। তবুও তারে আমি কোনদিন মাফ করবোনা; বেইমানদের দিনের পর দিন ভালোবেসে যাওয়া যায়; মাফ করা যায় না; তাদের দেয়া কষ্ট, তাদের স্বার্থপরতা মন থেকে বাদ দেয়া যায় না। আর যায় হোক তাদের আমি কখনোই মাফ করবো না; অন্তত তাদের মাফ করে দেয়ার মত বড় মনের কিংবা অত বড় ভালো মানুষও আমি না 

পরিস্থিতিই মানুষ কে বদলায়

পৃথিবীতে প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র মানুষ নামক প্রাণীগুলোই ক্ষণে ক্ষণে বদলায়,বদলাতে হয়!

প্রচন্ড নিঃসঙ্গতায় ভোগা মানুষটাও একটা সময় না একটা সময় ঠিকই ভালো থাকতে শিখে যায়,একা থাকতে শিখে যায়!

কারণে-অকারণে হুটহাট অভিমান করা কিংবা জেদ করা মানুষটাও একটা সময় অভিমান করা ভুলে যায়,অভিযোগ করা ছেড়ে দেয়,কারো কাছে প্রত্যাশার মাত্রা কমিয়ে দেয়!

সে বুঝতে শিখে যায়;বারবার মানুষের কাছে প্রতারিত হওয়ার চেয়ে,বারবার কেউ থাকার পরও একা হয়ে যাওয়ার চেয়ে,কারো অপেক্ষা কিংবা অবহেলায় পড়ে থেকে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ার চেয়ে,স্বইচ্ছায় একা থাকা ঢের ভালো।

বিশ্বাস আর ভালোবাসা হারিয়েই একটা সময় ভালোবাসতে ভুলে যায়,নতুন করে কাউকে বিশ্বাস করতে ভুলে যায়।

সামান্য একটু মানসিক শান্তির লোভে কিংবা শুধুমাত্র কাউকে পাশে পাওয়ার লোভে যে মানুষটা দিনের পর দিন অবহেলা সহ্য করতো,সম্পর্কে একতরফা স্যাক্রিফাইজ করে যেত–সেই মানুষটাও একদিন নিজের ভালো বুঝতে শিখে যায়,নিজের কাঁধ নিজেই চাপটে নিজেকে সান্ত্বনা দিতে শিখে যায়।

প্রতিনিয়ত সবার কাছ থেকে আঘাত পেতে পেতে;একটা সময় সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়,আড়াল করে নেয়-তীব্র শোকে কিংবা প্রচন্ড ঘৃণায়!

আবেগ ও বাস্তবতা

আবেগঃ আমি ই সত্য।

বাস্তবতাঃ না,তুমি ছলনাময়ি,তুমি মিথ্যা।

আবেগঃ আমি স্বপ্ন দেখাই।

বাস্তবতাঃ আমার কাছে এসে,সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়।

আবেগঃ আমি মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলি।

বাস্তবতাঃ সেই হাসি ক্ষনস্থায়ি

আবেগঃ আমি দুটি মনের মিলন করে দেই

বাস্তবতাঃ আমার কাছে এসে দুটি মন টিকতে পারেনা

আবেগঃ আমি সুখের সাগরে ভাসিয়ে দেই

বাস্তবতাঃ গভীর রাতে,নিরবে,একাকী সেই সুখটাই কান্না বিজড়িত কন্ঠে আমার পায়ে লুটিয়ে পরে।মাথা নত করে ক্ষমা চায়।বুকফাটা আর্তনাদে অসহায়ের মত আমাকে বরন করে নেয়।তখন তুমি হয়ে যাও মিথ্যা,আমি হই সত্য,আমি ই বাস্তব।

ভালোবাসা



তুমি আমার ভোরের  নতুন আলো , 
তপ্ত দুপুরের শীতল হাওয়া , 
নিশী রাত্রির একগুচ্ছ কবিতা আর মধ্য রাত্রির নিবিড়  আলিঙ্গন।
আরাধ্য, অধরা তুমি আমার। 
সুনীল আকাশে একফালি শুভ্র মেঘের মত জুড়ে থাকো অন্তঃপুরের গহিন অতলে। 
তোমাকে খুঁজে নেই অমোঘ হৃদয়ের আকুলতায়।
বৈধব্যের নিষ্ঠুরতায় যখন জীবনের পথে শুষ্কতা ছড়ায়,
তখনই তুমি সিক্ত করে দিলে শ্রাবণের অঝোরধারায়।।
পাতার শরীর যেমন শিশিরে ভেজে, শিলা পাথর যেমন ভিজে ঝরনায়,
তেমনি সিক্ততায় তুমি আমায় ভিজিয়ে রাখো, প্রণতি জলহরিণ। 
মাধুকরী, মধুকর তোমার প্রিয় নাম।
তোমার মধুকুঞ্জে আমি প্রবেশ করি নিবিড় প্রেমাসক্ততায়।
আর তোমার ভেজা ঠোঁটে জমে নিবিষ্টতার নীরদ ছোঁয়া। 
তুমি হয়ে উঠো পৌরণিক কামুক্ততার দেবী।
অঙ্গে তোলো অশান্ত ঝড়, আমাকে ডুবিয়ে তোমার অতলের অতলে।
বুকের ভাজরেখা যখন এলোমেলো হয়ে যায় আমার পরশে, তোমার অঙ্গসৌষ্ঠব হয়ে উঠে বিমুর্ত।
তোমার গলার তিল ছুঁয়ে, আমি তোমার বুকের স্পন্দন শুনি। 
এলোকেশ বিছিয়ে রাখো তোমার আরঙ্গম পৃষ্ঠোপরি ক্রি-বিণে।
স্নান শেষে তোমার চুলের ডগায় যে জলকণা ঝরে, আমি সেই স্ফটিকে তোমার পবিত্রতা দেখি।
নিমগ্ন হয়ে রই অধীর অজান্তে রাতজাগা পাখির মত,
তুমি আবেগে আমার ঠোঁট স্পর্শ করে দাও।
তোমাকে ভেবে ভেবে যখন স্বপ্নঘোর তৈরি করি, আমার কন্ঠ  শুনে তুমি ব্যাকুল হয়ে উঠো, অশান্ত ঢেউয়ের মত। 
প্রোথিত করে নাও তোমাতে, আমার জীবন্ত অপ্সরী।
রিমঝিম শব্দ তরঙ্গ তুলে গমের দানার মত উদোম তুমি, জোৎস্নার আলোতে তোমার শরীর হতে পোষাক ঝরছে,
গাঢ় রাত্রির-তারা-ছাওয়া বিছানায় ভেজা ভেজা কথায়
আমাতে আকন্ঠ ডুবে থাকো।
প্রণয়ী, বিধাতা তোমার নাভিতে দিয়েছে স্বর্গ-মত্যের নির্যাস। 
আমি জীবন সুরা পান করি তোমাতে নিঃস্ব হয়ে অনাবিল সুখে। 
তোমার পায়েলের মত, তোমার বক্ষবেষ্টনির মত, বাধিত আমি।
সুড়ঙ্গ পথের অসমীয়া বিচরণ, উন্মাতাল তৃষিত কলতান।
অনুভব যখন অনুভূতি হয়ে যায়, দিঘল সঙ্গমের রাত্রির জাগরণ।
স্রোতস্বিনী নদীর জল অবগাহন। 
তোমার তালুতে জমা করি জলভারানত উষ্ণতা আর আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুঁয়ে পুর্ণিমা রাতের বিনাশী মিথুন। 
জোৎস্নাকুমারী, কুঞ্চিত নিতম্বে আঁকা রূপোর উল্কা ফাল্গুনী হাওয়াতে। 
রিনিক ঝিনিক কাঁকন বাজে, আঙ্গুল ছোঁয়ায় আঁকা উরুতে। 
বৃষ্টি কাঁপন, বৃষ্টি স্বপন, ভূবন জুড়ে 
ভিজবো দু’জন দুজনার হাত ধরে।
মনেরই ছায়াতে মন থাকে নিরালায়, গান থাকে উর্বশী সব রাতে।
এমনই বাঁধন, অনাদী আপণ। 
উত্থিত গ্রীবায়, প্রেমাতাল বিচ্ছুরণ।

আজ খুব একা,,,

আজ আমি খুব একা

যান্ত্রিক যন্ত্রের সমাজে
আজ আমি একা,
বড়ই একা।
ছলনাময়ী ললনার চল-চাতুরীর চাহনি,
আজ আমাকে করেছে ; ডুবন্ত জলযান।

ছলনাময়ীর ছলনার চক্রজালে,
আমি পা বাড়িয়েছি ;
বলো হে অন্তর্যামী এখন কি করি।

ফুটন্ত গোলাপ মনে করে,
যাকে হৃদয়ে দিয়েছিলাম ঠাঁই ;
সে দেখি ফিরে যাওয়ার পথ চেয়ে আছে।

আজ আমি একা
বড়ই একা,
আকাশের পূনির্মার চাঁদ কেউ মনে হয় ;
বিষাক্ত গোলা।
 
শুধুমাত্র নিষ্টুর নির্দয় অনামিকার জন্য।

"ভালোবাসাকে একবার অবহেলা করলে সে আর কখনো ভালোবাসা পায় না।"

"ভালোবাসাকে একবার অবহেলা করলে সে আর কখনো ভালোবাসা পায় না।"

যে মানুষটা আজ আপনাকে পাগলের মত ভালবাসে, সকাল সন্ধ্যা আপনার খোঁজ নেয়, মেসেজ এর মেসেজ দিয়ে ইনবক্সে জমিয়ে রাখে। 

দুপুরে খেয়েছো কিনা প্যারাসিটামল কয়টা বাকি আছে? মন খারাপ কেন?

বাজারে কি করতে গিয়েছিলে, বাবার ডিপ্রেশন, মায়ের বার্ধ্যক্যের খবর নেয় 

সেই মানুষ টাও একদিন বদলে যাবে।

মানুষ প্রতিনিয়ত বদলে যায়, মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী, মানুষ সব সহ্য করতে পারে, কিন্ত অবহেলা সহ্য করতে পারে না। 

মরীচিকার মত অবহেলা ভালোবাসার পুরুত্ব ক্ষয় করে ফেলে।

পৃথিবীর সবকিছুর একটা সময় না একটা সময় অর্জন করা যায় কিন্তু ভালোবাসা পাওয়া যায় না, আজ আপনার সম্পদ নেই 

পরিশ্রম করলে একটা সময় সম্পদ অর্জন করতে পারবেন। 

আজ আপনি রোগা, নিয়মিত ব্যায়াম করলে একদিন আপনিও সু স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারবেন। কিন্তু আজ আপনি যে ভালোবাসা পেয়েছেন তা পরবর্তীতে আর কখনোই পাবেন না।

কারণ "ভালোবাসাকে একবার অবহেলা করলে সে আর কখনো ভালোবাসা পায় না।"

কিছু অপেক্ষার যন্ত্রণা

ভালোবাসা নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করবো আজ হয়তো আপনার জীবনের সাথে মিলে যাবে,,,,
নিজের ভালোবাসার গুরুত্ব টা সবার আগে দিন।তাহলেই দিন শেষে ভালো থাকবেন,,,,
সম্পন্নটা পড়ার অনুরুধ রইলো,,,,,,, 

অন্য কারো মেসেজের রিপ্লাই দিতে দিতে এমন হয় যে নিজের মানুষের মেসেজ seen করতে এতো Late করো,,,,,ভুলেই যাও তোমার মেসেজের অপেক্ষায় একজন বসে আছে,,,,, 
তুমি তো অন্য কারো সাথে ব্যস্ত হয়ে পড়েছো,,,,কিন্তুু ঐ অপেক্ষা করা মানুষটা তোমার মেসেজের রিপ্লাই এর জন্য অপেক্ষা করতে করতে online থেকেই বের হয়ে গেছে,,,,কিন্তুু তার পরেও তোমার phone এর জন্য wait করে, তুমি কখন phone দিয়ে বলবে online এ আসো,,,,কিন্তু তুমি দাও না,,,,,
তুমি কি জানো এটা কতোটা কষ্টদায়ক তার কাছে,,,তুমি বুঝবে না এ কষ্টের পরিমান,,,এটাযে কতোটা মানুষিক যন্ত্রণা দেয় তুমি বুঝবে না,,,

তাই আপনাদের বলছি,,, নিজের মানুষটার গুরুত্বটা সবার আগে দিন,,,,হারিয়ে যাওয়ার আগেই আকরে ধরুন,,,,

আর আমরা যারা অপেক্ষা করে থাকি ঐ মানুষটার মেসেজের জন্য তাদের বলছি,,,,যদি জীবনের প্রয়োজনে নিজেকে বদলে ফেলতে হয়,,, 
তবে তাই করো,,,,
হয়তো কিছুটা কষ্ট পেতে হবে তোমায়,,,,,
তবুও যে তোমার মূল্য বুঝে-না,,,,
যে তোমার কদর করতে জানে না,,,,
তার অপেক্ষায় থেকো না,,,,

আমি তো চেয়েছিলাম তোমার অস্তিত্বে তুমিময় হতে,,

আজ বহুদিন হতে চলেছে তুমি নেই 
কোথাও নেই,তবে ছিলে কিন্তু এখন আর নেই, 
যে শহরে তুমি নেই সে শহরের প্রতিটি সন্ধ্যায়,প্রতিটি দেয়ালে তোমার স্মৃতিরা রয়েছে, প্রতিটি অলিতে গলিতে চোখ মেললেই তোমার স্মৃতিগুলো আমায় ছুয়ে যায়। কাল তুমি যেখানে আমার অস্তিত্ব ছিলে 
আজ সেখানে তুমি স্মৃতি হয়ে আছো। 
আমি তো তোমায় স্মৃতি রুপে চাইনি 
আমি তো চেয়েছিলাম তোমার আমার একটি ছোট নীড় সাজাতে । 

এখন আর তোমার শহরে ভালোবাসার প্রতিধ্বনি শোনা যায়না। তৈরি হয়না কোনো রুদ্রপুঞ্জের গল্প। আমি আর তোমার শহরে চিৎকার করে তোমায় ভালোবাসি বলতে পারিনা!! 

কালকের তুমির সাথে আজকের তুমির কোনো মিল আমি পাচ্ছি না। চেনা হয়েও যেন আজ তুমি বড্ড অচেনা। আচ্ছা,আমি কি খুব বেশি কিছু চেয়েছিলাম..?  

আমি তো চেয়েছিলাম তোমার চোখে চোখ রেখে ভালোবাসি কথাটি বলতে। তোমার অভিযোগের কারণ হতে কারণে অকারণে তোমার অভিযোগ গুলো তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে শুনতে। 

আজ সেই শহরে শতশত প্রেমিক-প্রেমিকা হারিয়ে যাচ্ছে ভালোবাসার অবহেলায়। ভালোবাসা অভাবে অভাবি তারা। না না সে শহরে আমরা আমাদের বসতি করবো না, একদম না --

আমাদের বসতি হবে এক সুন্দর শান্তির নীড়ে,কিন্তু তুমি যে সেই শহরেই হারিয়ে গেলে। একা তো থাকতে চাইনি আমি,তবে কেনো তুমি হারিয়ে গেলে সেই অভাবি শহরে- ভালোবাসার অভাবি শহরে..? 

আমি তো চেয়েছিলাম তোমার অস্তিত্বে তুমিময় হতে
কিন্তু তুমি হারিয়ে গিয়ে বুঝিয়ে দিলে তুমি আমার নও। 

চির শান্তির আশায় মৃত্যু হোক এই পৃথিবীর

আমি চাঁদ কেও দেখেছি!
ঘোর অমাবস্যায় চাঁদের অস্তিত্ব বিলীন
হতে  --

আমি নীড় হারা পাখি কেও দেখেছি! অজানা গন্তব্যে উড়ে যেতে --

আমি স্বচ্ছ নীল আকাশ কেও দেখেছি! কালো মেঘের আবরণে জর্জরিত হতে --

আমি বৃষ্টি কেও দেখেছি!
প্রখড় রোদেও তার জলকণা ছড়াতে -- 

আমি পাহাড়ি ঝর্ণা কেও দেখেছি!
ক্ষুদ্র নদীতে মিশে বৃহত্তর সমুদ্রে রূপ নিতে --

অবশেষে প্রকৃতির থেকে নিপুণ ভাবে শিখেছি তার রঙ বৈচিত্র্য বহুরূপী নানান লীলাখেলা -- 

হে পৃথিবী তোমার মৃত্যু হোক 
সুনামি নামুক তোমার কুসুম কাননে
তপ্ত গলিত লাভা বেরিয়ে আসুক তোমার বুক ছিড়ে ক্ষতবিক্ষত হোক। তোমার সাধের মৃত্যু হোক
 চির শান্তির আশায় -- 

ভালো থেকো প্রিয়,,

প্রিয়,,,
একদিন আমাদের প্রেম ছিলো দুর্নিবার, 
এক বুক আশা ছিলো, এক আকাশ  স্বপ্ন ছিলো
ছিলো একরাশ উষ্ণতা।
হয়ত আজ বৈরি বাতাস, বাস্তবতার চরম নির্মমতায় খসে পড়ছি ভালোবাসার আকাশ থেকে, ওখানে কেবলই নিকষ কালো বিভীষিকা।
কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে সুখস্বপ্ন, বিষাক্ত পোকামাকড়ের মত কামড়ে খাচ্ছে অসহ্য এক শূন্যতা। 
খরতাপে পুড়ে ছাই হওয়া হৃদয়ের চারপাশে দাগে দাগে কি এক ধোঁয়াটে বিবর্ণতা!
 জীবন চলার পথ হয়ত বদলে গেছে, বদলে গেছে গন্তব্য, 
তবু বার বার ঘুরোফিরো হাজার ভাবনার ভীড়ে, 
ভীষণ ব্যস্ততায় কিংবা অবসরে,
মন খারাপের বিকেল, যখন একলা লাগে কিংবা
এলোমেলো বিলাপ উঠে প্রচণ্ড জ্বরে
সব বদলে গেলেও, মস্তিষ্ক জুড়ে তোমার উঁকি দেয়ার অভ্যাস বদলায়নি।
ভালো থেকো প্রিয়,,,
অসীম দুরত্বের সীমানার ওপারে। 

আমার ভালো থাকার জন্যই তুমি

তোমাকেই খুজি,,তোমাকেই  বুঝি আমার  ভালো থাকার মানে,,হ্যা তুমি। শুধুই তুমি। আর সেখানে অন্য কেউ না। আমি হাজার চেষ্টায় আজ অন্য কিছু বুঝি না। তাই তোমাকেই বুঝি প্রিয়।  তুমিই আমার ভালো থাকার কারণ।  তো  সেই কারণ ছাড়া আমিতো নিজেকে শূন্যতায় অনুভব করি। মূল্য বুঝি না নিজের।  
তোমাতেই স্বপ্নেরা ব্যাকুল- তোমাকে ঘিরেই চলে মনের ভেতর অলিখিত কিছু কাল্পনিক ইচ্ছের।  মূহুর্তে কিঞ্চিৎ শুখ অনুভব হয়। মনে হয় এইতো আমরা একসাথে কোন অচেনা পথের ধারে। মনে হয় এই পথ চলা আমাদের যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। 
ভালো থাকার চেয়ে অধিক ভালো থাকি যখন  তুমি থাকো আমার স্বপ্নের দুনিয়ায়। আমি সেদিন 
যখন স্পর্শে তোমার আঙুল ছুয়েছিলাম সেদিন নিজেকে শুদ্ধতায় পরিপূর্ণ মনে হয়েছিল। সেই মূহুর্তে ঠিক কি অনুভব করেছি আমি বলে বোঝানোর ভাষা আজও প্রকাশ করতে পারিনি প্রিয়। 

একাই ভালো থাকতে শিখছি

জীবনে এমন একটা সময় আসবে, তখন তোমার আর কাউকেই ভালো লাগবে  না।কোন ইচ্ছেই থাকবে না ভালো লাগার।
 
এই তো, কিছুদিন আগেও যার জন্যে নিজে অনেক পাগল ছিলেম  যার কথা ভাবলেই আমার হার্টবিট বেড়ে যেতো, তাকেও আর ভালো লাগে  না! যে আমায় পাত্তা দিতো না, সে সেধে এসে আমার সাথে কথা বললেও ভালো লাগে না! 

মোট কথা, এখন  কাউকেই ভালো লাগে না, কিছুই  না, কারো সাথেই কথা বলতে ইচ্ছে হয় না!! তখন বুঝে নিয়েছি , 'আমি পৃথিবীর মানুষগুলোকে চিনে গেছি,, একা ভালো থাকতে শিখে গেছি' 

তুমি যে আমার শূন্যতার মাঝে পূর্ণতা

তোমায় ছাড়া সুখ গুলো আমার কাছে
সুখ মনে হয়না, বিষাদ চেপে বসে আমার হৃদয়ে 
এক বুক শিরোনামহীন দুঃখ চেপে বসে আমার মগজে !! 

আমি এগিয়ে যেতে যেতে আরও দুইপা পিছিয়ে যাই
তুমি আসবে বলে - এক অদৃশ্য ছায়ায় হাত বারাই তুমি এসে ধরবে বলে। 

দেবাশীনি হয়ে আলতা পায়ে ঘুরে বেরাচ্ছি তুমি এসে যত্নে সেই পায়ে তোমার ছোয়া দেবে বলে -
মগজে চেপে বসেছো তুমি,চেপে বসেছে তোমার স্পর্শ । 

তুমি নেই হয়েও শূন্যতায় আজও তোমায় অনুভব করি!! 
ভালো লাগে আমার তোমায় অনুভব করতে করতে, শান্তি খুঁজে পাই আমি তোমার মাঝে । 

~তুমি যে আমার শূন্যতার মাঝে পূর্ণতা~

তোমাকে দেখার শেষ হয় না

কখনো'ই মেটেনি আমার
একবার তোমায় দেখার সাধ,,,,
যতবার দেখেছি আরো দেখতে চেয়েছি
এ দেখার যেনো হয় না অবসাদ! 

কি আছে জানি না। একদম জানি না।  যতোবার তোমায় দেখি নতুন লাগে তত তোমায়। প্রতি বার খুজি সেই পুরনো তুমি টা কেই। যাকে আমি ভালোবাসি। 


ভীন্ন ভীন্ন ভালোবাসার রুপ

ব্যাক্তি,বয়স ও সময় ভেদে ভালোবাসার রূপটা ভিন্ন হয়।একেক বয়সের প্রেম-ভালোবাসা একেক রকম।
.
.
যখন স্কুল,কলেজে ছিলাম তখন ভালোবাসা মানে ছিলো একটা গার্লফ্রেন্ড থাকা। বন্ধু মহলে শো অফ করার মতো  সুন্দরী একটা গার্লফ্রেন্ড। স্কুল,কোচিং পালিয়ে রাস্তা দিয়ে হাটব,বাবার পকেট চুরি করে,প্রাইভেট,কোচিংয়ের টাকা মেরে দিয়ে গার্লফ্রেন্ডকে ফুচকা খাওয়াব। সবাই জানবে আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে।ব্যাস।

ভার্সিটিতে আসার বয়সটায় প্রচন্ড আবেগ আসে। এই আবেগের ধাক্কা সামলাতে পারেনা অনেকেই। ভালোবাসা হয়ে যায় তখন শারীরিক,মানসিক, কাব্যিক,ভাববাদী ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রেমিকা ৫ মিনিট ফোন রিসিভ না করলে মনে হয় আমারে এভয়েড  করতেছে। কোনো ছেলের সাথে কথা বললেই মনে হয় এই বুঝি ছেড়ে গেল। রাত জেগে কথা না বললে মনে হয় প্রেমটা জমছে না। মাঝে মাঝে প্রেমটাই আসে শরীর থেকে, যখন চাহিদা মিটে যায় প্রেমও নিভে যায় টাইপ।
 কারো প্রেম প্রচন্ড আবেগের। একটু পান থেকে চুন খসলেই মারামারি কাটাকাটি। কেউ কেউ ভুল সময় ভুল মানুষের প্রেমে পরে যায়। কারো কারো প্রেমে কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে না,প্রেম করছি যা হবার হবে।কেউ আবার বোঝেও না কি করছে কেনো করছে। এ বয়সে প্রেম মানে নিজেকে বিসর্জন দিয়ে আর একজনকে সুখী করার প্রচেষ্টা। 
বয়সটাই উত্তেজনার বহু জনের বহু ধরনের  প্রেম।

আমাদের বয়সে এসে প্রেম নিয়ে কথা বললে একটা শব্দই উঠে আসে "মেন্টাল এটাচমেন্ট"।

এই বয়সে প্রেম মানে মানসিক প্রেম,তাঁর চিন্তার সাথে আমার চেতনার প্রেম। তাঁর ভালো লাগার সাথে আমার ভালো থাকার প্রেম। তাঁর চাওয়ার সীমাবদ্ধতার সাথে আমার দেয়ার অসীমতার প্রেম।
এই বয়সে রাত দিন ফোনে কথা বলার চেয়ে দিন শেষে ৫ মিনিটের সারাংশই অকৃতিম আনন্দ দেয়। এই বয়সে বুঝতে পারাটাই  সবচেয়ে বড় আবেগের জায়গা। এই বয়সে নিজে কষ্ট পেলেও তাঁর ঐ হাসিমুখের উপরে মেঘের আবছায়া দেখতে ইচ্ছা হয় না। এই বয়সে প্রেম মানে নিজেকে বিসর্জন দিয়ে আরেকজনকে সুখী না করে  দুজনে পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া। 

আস্তে আস্তে করে আবেগের নদীটা শুকিয়ে যায়। সেখানে জন্ম নেয় বিশালাকৃতির সবুজ শ্যামল বটবৃক্ষ। যার শেকড়ে শেকড়ে ছুঁয়ে থাকে ভালোবাসা, যা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে পাশের মানুষটাকে। ছায়ার মত,আকাশের মতো।

কাউকে ভালো লাগে বলতে পারা,,,

কাউকে ভালো লাগলে তাকে সেটা বলতে পারাটাও এক ধরনের সফলতা।

পৃথিবীতে প্রায় সবার কাউকে না কাউকে ভালো লাগে। কিন্তু খুব কম মানুষই তার ভালা লাগার মানুষকে  "ভালো লাগার" কথা বলতে পারে।

কারণ, কাউকে "ভালো লাগে" এই কথাটি জানানোর অধিকাংশ মানুষ চরম অবহেলা আর অবজ্ঞার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সেই ভয় থেকেই অনেকে ভালো লাগার কথা বুকে চাপা রেখে ভিতরে কষ্ট অনুভব করে, বাহ্যিকভাবে প্রকাশ করে তার সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলছে। তারপরও যেন ভালো লাগার মানুষগুলো ভালো থাকে...🌼🖤

মানুষ যখন

মানুষ যখন তার কাঙ্খিত কিছু পেয়ে যায় ! 
তখন সেই বাস্তবতাকে মেনে নিতে গিয়ে সে নিজেই চমকে যায় !
সব কিছুই কেমন যেন স্বপ্ন স্বপ্ন লাগে,,,,

ভালোবাসা

এক জোড়া চোখ আমাকে খুব করে খোঁজে 
যে চোখের নিজের কাজল দেওয়া
পাপড়ি তে যেন মুগ্ধতা 
প্রতি পলকে পলকে যেন ভালোবাসা।

সেই হাসির কি মুগ্ধতা 
সেই তাকিয়ের থাকার কি মুগ্ধতা 
যখন সে আমাকে দেখে
বুকের ভিতরে কেমন যেন 
ঘূর্ণিঝড় বয়ে চলে।

সামনে দিয়ে গেলে 
সমস্ত শরীর জানান  দিয়ে যায়।
একটা মিষ্টি ছোঁয়া 
শত মাইল দূর থেকে অনূভব হয়।

আসলে ভালোবাসলে।
মানুষটার উপর একটা অনূভুতি 
মনের ভিতরে সারাক্ষন উকিঁ মেরে যায়।

একটা মানুষ একটা সম্পর্ক
তার প্রতি মুগ্ধতা 
তার জন্য অপেক্ষা 
সব মিলিয়ে তার জন্য এক 
সমুদ্র ভালোবাসা।

কেউ শুনেনি

আমার অভিযোগ কেউ শুনেনি,,,
আমার অভিমান কেউ বুঝেনি,,, 
কথা দিয়েও,কেউ কথা রাখেনি,,,,

স্বপ্নের দেশে তুমি

তাকে কি এখনও খুব miss করো 😔 যার সাথে অনেক অপূর্ণ স্বপ্ন দেখছিলা 😢 যা কখনো পূর্ণতা পাবে না🥲তাকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন যা সে ভুলে গিয়েছে
কিন্তু তুমি ভুলোনি😔..............~☘️ব্যস্ত শহরটা ব্যস্ত থেকে যাবে..!🥀

🥀শুধু বদলে যাবে কিছু গল্পের মোড়!!😊💔🌼༆ বাস্তবে না হওয়া মানুষ গুলাকে  🤲࿐
     ࿐🖤 স্বপ্নে দেখতে যেও না 🤗😌 

       🌸༆  তুমি তাকে নিয়া যতবারই স্বপ্ন দেখবা""
 ࿐💔  ༆ "ঘুম ভাঙ্গলে ততবারই হারাইবা ࿐😇

জীবন তবেই সুন্দর

- লাইফে  অলওয়েজ  Don’t  care mood  নিয়ে  থাকতে হবে।  কে  আসলো  আর  কে  চলে  গেলো  সেইটা  নিয়ে মন খারাপ করে বসে  থাকলে চলবে না। 

-  আপনার  জীবনে  অনেকেই আসবে  আবার  তারা চলেও যাবে , আপনাকে  শুধু  ঐ  বিশাল  আকাশের মতো  থাকতে হবে স্থির । তবেই  না  জীবন  হবে সুন্দর!!! 

#mood Of

এখন আর বিরক্ত করি না,,,


রাগ তার উপরে করা উচিত যার উপরে বিশ্বাস আছে,যে সে রাগ ভাঙ্গাবে।
যে তোমার অনুভুতি বোঝে না,তার উপর অভিযোগ করাটা বেকার।কষ্ট তো তখনি হয়,যখন অনেকটা কাছে এসে আবার দুরে চলে যায়।

একটু সুযোগ দিও!

একটু সুযোগ দিও!!
তোমার রাগ ভাঙ্গাবো।
আমার বোকা বোকা কথাগুলোতে
তোমায় মৃদু হাসাবো।
আমি তোমার ভাবনায় মিশে 
সুখের ঝুম বৃষ্টিতে ভেজাব।
শত পূর্ণিমায় তোমার সঙ্গি হয়ে
জোসনা স্নানে  বেরোবো     ।।।।।
নিশি প্রহরী জোনাক হয়ে তোমার 
মন কুঠিরের পরশী হবো।।
অল্প শাসনে তোমার বেখেয়াল 
ভাবনা গুলোতে দখল নেব।।
তুমি সায় দিলে বন্ধুত্ব থেকে 
আর একটু সামনে পা বারাবো,,,,,,
বুঝলে ***🥰🥰পাথর**🥰🥰????
একটু অধিকার দাও তোমার 
রাগ ভাঙ্গাবো!!!!!!

শিব তাণ্ডব

শিব তাণ্ডব || Shiv Tandav || (শিব তাণ্ডব রচনা করেছিলেন রাবণ) জটা-টবী-গলজ্জ্বল-প্রবাহ-পাবিতস্থলে গলেবলম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গ-তুঙ্গ-মালিকাম্ । ...