আমি কেউ না। আমি শুকনো পাতার মতো আমাকে চাইলে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়। 

আমি ধুলোর মতো। আমাকে চাইলে আবর্জনার মতো ঝেড়ে ফেলা যায়। 

আমি অপ্রয়োজনীয় কাঠপেন্সিল। যাকে কেউ রেখে দেয় অভ্যাসে কিংবা নিছক শৌখিনতায়। 

আমি কারও আকাশ হতে পারিনি, হতে পারিনি কারও প্রিয় কাঠগোলাপ। আকাশে জুড়ে ঝলমলে জ্বলতে থাকা ধ্রুব তারা হতে পারনি কারও জীবনে। হতে পারিনি ভোরের প্রথম শিশির কিংবা কারও পূর্ণিমার চাঁদ। আমি কারও ভালোলাগার বৃষ্টি হতে পারিনি। ছুঁতে না পারা মানুষটাকে বাতাস হয়ে ছু্ঁয়ে দিতে পারিনি। আমি কিচ্ছু না! 

আমি বেড়ে উঠেছি অপ্রয়োজনীয় মূল্যহীন আগাছার মতো। আমাকে যেই চেয়েছে সেই পেয়েছে, শুধু আমি যাদেরকে চেয়েছি তাদেরকে আমি পাইনি। আমি অনেকেই হারিয়েছে, আমাকে কেউ হারায়নি! হারানোর মতো মূল্যবান কেউ ছিলামও না কখনও। আমি কেউ না। কিচ্ছু না!
থ্রি ইডিয়টসের চেয়ে ছিচোড়ে মুভিটা আমার কাছে বেশি প্রিয়।কারণ, থ্রি ইডিয়টস আপনাকে বলবে, তুমিও জিতবে।বাট ছিচোড়ে  মুভিটা আপনাকে বলবে, তুমি হারবে, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকবে।

"জীবনের কাছে হেরে গেলাম" লিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ ছেলেটা মরে গেল। হয়তো তাকে কেউ কখনও বলেনি, জিতে যাওয়া মানেই জীবন না, হেরে যাওয়ার মধ্যেও থাকে বেঁচে থাকার আনন্দ।

শিব খেরা, ডেল কার্নেগি থেকে আমাদের বাবা মা, বারবার আমাদের একটা কথাই বলে, তুমিও জিতবে। শক্ত হও। উঠে দাঁড়াও। দৌড়াও। জিততে তোমাকে হবেই।
কিন্তু কেউ কখনও বলে না, তুমিও হারবে। তুমিও তো রক্ত মাংসেরই মানুষ, তোমারও ক্লান্ত লাগবে। একটু বসো। সবসময়ই উঠে দাঁড়ানোর দরকার নাই। সবসময়ই দৌড়ানোর দরকার নাই।একটু বিশ্রাম করো। অনেকক্ষণ তো শক্ত থেকেছো, এবার একটু নরম হও।কেউ বলে না।

বলে না বলেই, সোহাগের মতো ছেলেমেয়েগুলো ঝুলে পড়ে। কেউ রিলেশনশিপের জন্য, কেউ টাকার জন্য, কেউ ক্যারিয়ারের জন্য, কেউ রেজাল্ট বা সিজির জন্য, কেউ বা একটুখানি ভালোবাসার জন্য।

হেলাল হাফিজ এক বুক কষ্ট নিয়ে লিখেছিলেন,

কেউ বলেনি,
ক্লান্ত পথিক,
দুপুর রোদে গাছের নিচে একটু বসে জিরিয়ে নিও...

ওদিকে হুমায়ূন আজাদ লিখেছিলেন আরো ভয়ঙ্কর কথা।

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে মারা যাবো
খুব ছোট একটি স্বপ্নের জন্যে
খুব ছোট দুঃখের জন্যে
আমি হয়তো মারা যাবো কারো ঘুমের ভেতরে
একটি ছোট দীর্ঘশ্বাসের জন্যে
একফোঁটা সৌন্দর্যের জন্যে।

মা বাবা, শিক্ষক, গার্জিয়ান, বন্ধু, সমাজ, পৃথিবী, আপনাদের সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ,জিতে যাওয়ার মোটিভেশন দেন, সমস্যা নাই।কিন্তু হেরে যাওয়াদের কথাও একটু বলেন। পৃথিবীতে সবাই জিততে আসে নাই। সবার জেতার দরকারও নাই। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবাই বাঁচতে আসছে। 

এই পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ ছোট্ট একটা স্বপ্ন ডিজার্ভ করে, একটুখানি সিমপ্যাথি ডিজার্ভ করে, এক ফোঁটা রোদ্র ডিজার্ভ করে, ছোট্ট একটা ঘাসফুল ডিজার্ভ করে।
এই পৃথিবীর আলো বাতাস, জল বা জোছনায় সবার সমান অধিকার আছে। জিতে যাওয়া মানুষটার যেমন দোয়েলের শিষ শোনার অধিকার আছে, হেরে যাওয়া মানুষটারও তেমন এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি পাওয়ার অধিকার আছে।

জয়ের মালা বিজয়ীরই থাকুক, ওটার ভাগ কেউ চায় নাই। তাই বলে হেরে যাওয়া মানুষের উপর থেকে এক টুকরো মেঘের ছায়া কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নাই।
কারো না।

From the group of Positive Thinkers.
সংগৃহিত..

নীলাক্ত নীল

যে কিশোরী বয়সে শরীরের আকর্ষণে মোহ হয়ে অনেক মেয়ে চার দেয়ালে প্রেমিকের আকুল দীর্ঘশ্বাসের অপেক্ষা করে, ওই বয়সেই নীলা আমাকে শিখিয়েছে জীবন মানে অনেক বিশাল, চার দেয়ালে কিছুই নেই। রেললাইনে দেখিয়ে বলতো -  রেল লাইনের দুটি পথ সবসময় আলাদা থাকলে ও সবসময় পাশাপাশি  থাকে, আমাদের ও এভাবে থাকতে হবে ; আলাদা তবে একসাথে। নীলা ঝড়ের রাতে আমাকে ফেলে চলে যাওয়ার ভান ধরতো, ও আমাকে শিখাতে চাইতো ধকল নেওয়া। 
প্রাপ্ত বয়সে যখন সংসার দেখার স্বপ্ন দেখে সবাই! নীলা আমার শার্টের কলার চেপে ধরে বলেছিলো " ভালো মানুষ হও"। আমি একবার নীলার হাত ধরে অবাক হয়ে বললাম "তোমার হাতের রেখা নেই কেন?" এক গাল হেসে জবাবে বলে দিলো " আমার জন্ম তো তোমাকে কাছে পাওয়ার জন্যে হয়নি, রেখা দেখে গণক যদি বুঝে যায়!"

 সত্যি! যে   নীলার এমন ভালোবাসা আমাকে বিমোহিত করে, অবাক করে।

আজ কেন জানি না মনে হচ্ছে আজ নীলার সেই সব স্মৃতি আমায় ভুলিয়ে দেবে একটা কাঠ গোলাপের সুগন্ধিতে। 
আমি কাউরে জোর করবার পারি না,কাউরে অধিকারের দোহাই দিয়া মনের খাঁচায় বন্দী করবার পারি না। যার যহন মন চায়,তহনই আমারে ভাইঙ্গা চুইরা  দিয়া গেলেও আমি কইবার পারি না;"এমন কইরা ক্যান দুঃখ দেও?আমি যে সইবার পারি না!"

জীবনে মেলা দুঃখ পাইছি!তয় কেউ সুখ নিয়া আইসা কয় নাই;"অনেক অইছে,অহন আহো,আমি তোমারে সুখ দিমু।"

আমার যা মেলা পাইতে ইচ্ছা করছে,আমি তা চাইতে পারি নাই।কাঁইন্দা বুক ভাসাইছি,তাও মুখ ফুইটা কইতে পারি নাই;"ঐডা আমার লাগবো!"

মাইনষের সুখ দেইখ্যা হাস ফাঁস করছি,তয় নিজে কোনদিন সুখে থাকবার পারি নাই!থাকবার পারমু ক্যামনে?যারে সুখ ভাবছি,ঐডাই আমার দুঃখের কারণ অইছে!

জীবনে অনেককিছুই হারাইছি,তয় এমন কিছু পাই নাই,যা নিয়া আমি একটু ভালা থাকুম!

কেউ আমার রাইতের ঘুম কাইড়া নিলেও,আমি কারো সুখের ঘরে আগুন লাগাই নাই।কত মাইনষে ভালাবাসে কইয়া আমার কাছে আইছে,তয় কেউ মন থাইকা ভালাবাসে নাই!

ভালাবাসবো ক্যামনে?আমার মতোন নিঃস্ব মাইনষেরে কি আর ভালাবাসন যায়? যার কেউ নাই-কিচ্ছু নাই!দিনশেষে আমারে কেউ ভালাবাসে নাই,তাতে দুঃখ নাই।তয় দুঃখ অইলো,যারা ভালা না বাইসাও কইছে "ভালাবাসে",তাগোর কি এমন ক্ষতি আমি করছিলাম?

"ক"

"ক" ব্যবহার করে এতো দীর্ঘ লেখা আমি প্রথম পড়লাম। লেখক বা লেখিকার নাম উল্লেখ ছাড়াই লেখাটা পেলাম। অসাধারণ দক্ষতা।  🙏🏻

পুরোটা পরে দেখুন খুব ভালো লাগবে আপনাদের। 

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল, "কাকা, কড়ি কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা কৃচ্ছতা করিলেও কলকাতার কিশোরী কন্যাদের কাছে কুষ্টিয়ার কুচকুচে কালো কাতান কাপড়ের কদর কল্পনাতীত। 
কীর্তিমান কতিপয় কলাকুশলী কিংবা কিশোর কবিরাও কালি-কলমের কল্যাণে- কদরের কিছু কার্যকর কথা কৌশলে, কখনো কবিতার কিতাবে, কখনো 'কালের কন্ঠ' কাগজের কলামে কহিয়াছেন।
কিন্তু কাকা, কষ্মীনকালে কেউ কী কখনো কহিয়াছেন? কী কারণে, কিসের কারসাজিতে, কেমন করিয়া কোথাকার কোন কাশ্মিরী কম্বল কিংবা কর্ণাটকের কমলা কাতানের কাছে কালক্রমে কুলীন কূলের কায়িক কৃষাণীদের কাঙ্খিত কালজয়ী কারুকার্যময় কাতান কাপড়ের কদর কমিল"?

কাজে-কর্মে কুশীলব কিন্তু কেবলই কৌতুহলী কপিলা কর্মকারের কঠিন কথায় কিঞ্চিত কর্ণপাত করিয়া ক্লান্ত কাকা কুষ্টিয়ার কিংবদন্তি কালো কাতানের ক্রমেই কদর কমার কয়েকটি কারণ কোমল কন্ঠে কপিলার কানে কানে কহিলেন। 

কৃষ্ণকায় কাকাকে কাপড়ের কষ্টের কিচ্ছা কাহিনী কহিয়া কপিলা কর্দমাক্ত কলস কাঙ্খে করিয়া কালোকেশী কাকিকে কহিল, _"কাবেরী কোলের কেয়া-কুঞ্জে কোয়েলের কলকাকলি কিংবা কেতকী কদম কুসুম কাননে কোকিলের কন্ঠে কুহু কুহু কুজনের কতই কারিশমা! কিন্তু কাকী, কদর্য কাক কী কারণে কর্কশ কন্ঠে কানের কাছে কেবল কা-কা করে"?_

কাঁচের কংকন করিয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ় কাকী কিলানো কাঁঠালের কদলি কচলাইতে কচলাইতে কহিলেন, _"কুৎসিত কেতাদুরস্ত কাকের কাজই কা-কা কলরবে কোলাহল করিয়া কেরামতির কৃতিত্ব কুড়ানো"।_

সংগৃহীত
বাস্তববাদী
২৪/২৫ বছরের এক যুবক উপহারের দোকানে মাঝবয়সী দোকানদারের উদ্দেশ্যে বলছেন 
"আচ্ছা বিধবার জন্মদিনে কী উপহার দেয়া যায় বলুন তো ?"

দোকানদার 
" ভদ্রমহিলার বয়স কী রকম হতে পারে?"

 যুবক

"ধরুন ২১/২২"

 দোকানদার 
"আচ্ছা উনি আপনার নিকট আত্মীয় মানে বোন, মামাতো বোন ,এইরকম কেউ নন তো ?"

যুবক 
"না সেরকম কিছু নয় "

দোকানদার
 "আচ্ছা আপনি কি বিবাহিত না অবিবাহিত?"

যুবক 
"এ তো পুলিশের মত জেরা"

 দোকানদার
" সেরা উপহার এর জন্য জেরার দরকার আছে।"

যুবক 
"আমি অবিবাহিত "

দোকানদার 
"এ তো সোনায় সোহাগা ,আচ্ছা একটা খুব কম দামের ভালো উপহার ,যেমন ধরুন 
৬ টাকা চলবে ?"

যুবক 
"আপনি কি লটারির  টিকিটের কথা বলছেন ?"

 দোকানদার 
 "না স্যার তার চেয়েও অনেক দামি জিনিস সম্ভবত দুজনেই জিতবেন।"

যুবক
"যেমন ?"

দোকানদার
"৬ টাকা দিয়ে একপাতা সিঁদুর নিয়ে যান না ,দু একজন কে সাক্ষী রেখে  সিঁথিতে সুন্দর করে লাগিয়ে দেবেন ।"

যুবক
"আপনি দোকানদার নন, আপনি তো দার্শনিক, দিন ৬ টাকার সিদূর দেখা যাক জীবনের সেরা ছক্কাটা  ৬ টাকাতেই মারা যায় কিনা !"

কি শুনতে চাও বলো? 
আমার দীর্ঘশ্বাসের রাত্রি গুলোয় তুমি ছিলে না, বিষন্নতায় মোড়ানো চাপা হতাশায় একই কি ভাবে কাটিয়েছি   এসব"
না'কি শূন্য পকেটে রাস্তার মোড়ে বসে যখন এক গ্লাস জলের জন্য ছটফট করেও তোমার কন্ঠ মাখিয়ে তৃপ্ত করনি,সে অবমাননার কথা!!


নীলাম্বরী

শুনছেন নীলাম্বরী, 
জানি শুনছেন না, তবুও অনুভূতির অদৃশ্য দেয়াল ভেদে লিখছি কিছু সিক্ত কথামালা। লিখছি বিষাদের বিষাদ নীলে অশ্রুসিদ্ধ কিছু সময়ের কথা। আপনি তো আবছা নীলে নীলাক্ত আর আমি? আমি আপনার সেই নীলে আসক্ত আপনার বিষে বিষাক্ত। নীলের আদ্রতা হতে পারিনি আমি তবে সেই বিষে সপে দিয়েছি নিজেকে। বুকের মাঝে মনক্ষুণ হওয়ার বিশাল একটা দেয়াল গড়ে উঠেছে। অভিমান নামক রুদ্ধ দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। নীলের অবহেলার পাহাড় এক দম্ভেয় মতো আঘাতে চূর্ণ করেছে হৃদয়কে। মনের অন্তঃকোণ হয়ে আছে আবছা নীলে নীলাভ। আমিও দিব্যি গিলে খাচ্ছি সেই নীলে নীলাভের বিষ। বুকের মাঝে হাহাকারের হুইসেল বাঁচছে, 
হুম হয়তো বেঁচে আছি আমি আবার হয়তো না । 
কখনো কি শুনবেন নীলাম্বরী এই হৃদয়ের ডাক, কখনো কি বুঝবেন এই মনের আত্নহুতি। আমার দুনিয়া আপনি অস্তিত্ব আপনি, আবছা নীলে নীলাক্ত আমি!!   আপনি  নীলাম্বরী?? !! 

তোমার শুন্যতা

একটা অদ্ভুত ব্যপার কি জানো, আমাদের আর ভুল করেও দেখা হবেনা। ভুল করেও আর চোখে চোখ রাখা হবেনা। ভুল করেও আমাদের আর হাতে হাত রাখা হবেনা। ভুল করেও ভুলেও তোমার গন্তব্য আমার বাড়ির  রাস্তায় আর আসবে না। 

চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে আছে বড্ড, চিৎকার করে কাঁদতে চাইছি কিন্তু পারছি না। অনবরত অশ্রু বর্ষন হচ্ছে। মনে আছে আমাদের প্রিয় সেই বকুল গাছের কথা?  কতশত স্মৃতি জড়িয়ে আছে সেখানে তোমার আমার। সেই চেনা পথ, চেনা রাস্তা যেখানে মিশে আছে আমাদের সহস্র অনুভূতি।। 

তোমার প্রিয় কাঠগোলাপ গাছে এখন বেশ নিয়ম করে ফুল ফোঁটে।  বেলীফুলের  ফুলে  ভরে গেছে বাগান । রাতের বেলা পুরো বারান্দায় বেলীফুলের সুভাস ছড়িয়ে যায়।আমার রুমের উত্তর দিকের জানালা দিয়ে এখনো ভোরের আলো প্রবেশ করে।।
তোমার জন্য মনের  কোণে বানানো কুঠিরে এখনো নিয়ম করে পরিষ্কার করা হয়। তবে এখন আর সেখানে বসে আমার আনন্দ হয়না জানো!! 

সব কিছু আগের মতোই আছে সব কিছু। তবুও যেন কিছু একটার শূন্যতা রয়েই যায়।   কাঠগোলাপ তোমার অপেক্ষায় আছে,  ফোঁটা বেলীফুল গুলো তোমার অপেক্ষায় আছে,
একলা ঘরের কোণে দোলনায় বসে থাকা কেউ একজন তোমার অপেক্ষায় আছে। তবে তুমি নেই, তুমি এইসবের কিছুই দেখতে পাচ্ছো না।। 

প্রতিটি চোখের জল তোমার শূন্যতা জানান দিচ্ছে, খুব কঠিন ভাবে হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছে।। 
প্রেম, ভালোবাসা জিনিসটা আসলে কি? যখন প্রেমে পড়বেন নিজেকে নিজের এত ভালো লাগবে! আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে বার বার দেখতেও বিরক্ত লাগবেনা! প্রেমের সবচেয়ে সুন্দর মুহুর্ত কি জানেন? প্রেম হবে হবে; কিন্তু হচ্ছেনা! এরপর প্রেম চলাকালীন সময়ে মনে হবে এই প্রেম কোথায় ছিলো এতদিন? মনে হবে এর চেয়ে চমৎকার জিনিস বোধহয় এই নশ্বর পৃথিবীতে আর কিছুই নেই! আর একবার যদি ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়? হাজার মানুষের ভীড়েও একা লাগার মত যন্ত্রণা কিংবা সারারাত অকারণে জেগে থাকার অভ্যেস তোমাকে একদম শেষ করে দিবে!

আমি এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন

সবাই বলে আমি দুর্বল প্রকৃতির মানুষ!
আমি প্রচন্ড আবেগি,সাধারণ কিছু নিয়েই দুশ্চিন্তায় ভোগী,কারোর সামান্য কটু কথায় কেঁদে দেই! আসলেই আমি দুর্বল প্রকৃতির মানুষ.. 
অথচ আমি সেই ব্যক্তি যে প্রচন্ড কষ্ট পেয়ে, শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতেও নিজের চোখের অশ্রু নিজে মুছে নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে হাসি এবং সকলের মাঝে স্বাভাবিক ভাবে জীবন অতিবাহিত করি কেউ বুঝতেই পারে নাহ আমার সাথে কি ঘটছে! তাহলে আমি দুর্বল কিভাবে? আদৌও কি আমি দুর্বল প্রকৃতির মানুষ? 

বেহায়া সময়

মাঝরাতে অথবা ভর দুপুরে; বৃষ্টি হওয়া মানেই তোমাকে মনে পড়তে হবে তা কিন্তু না! আমার মনে হয় এই এমন একটা জিনিস কখনোই নিয়ম হতে পারেনা! তবুও তুমি বৃষ্টি হলে নিয়ম করে মনের মাঝে ভয়ংকর ভাবে হানা দাও! আমার ইচ্ছে হয় প্রথম দিনের মত মনে প্রচন্ড আবেগ আর তীব্র ভয় নিয়ে তোমাকে ছুয়ে দেখি! প্রথমবার ছুয়ে দেখার মত একটা আবেগ ঠিক কি পরিমাণ পবিত্র হতে পারে আমার জানা নেই! 

কতগুলো দিন আমরা একসাথে ছিলাম; একই পথে হাতে হাত রেখে হেটেঁছি; প্রতিটি দিনের কথা আমার এখনো মনে আছে দিন তারিখসহ; কড়া রোদে কুলফি কিংবা বৃষ্টিতে দুধ-চিনি বাড়িয়ে মালটোভা দেয়া চায়ের কাপ; কি সুন্দর দিন ছিল না বল?

একদিন হুট করে কোন কিছু বুঝে উঠার আগে এত এত ভালোবাসা ছেড়ে বোকাদের দলে নাম লিখিয়ে তুমি চলে গেলে; তোমাকে রেখে চলে আসার সময় কি কি সব যে মনে হচ্ছিল ভেবে হাসি পায় আজকাল; বিশ্বাস কর হাটঁতে পারছিলাম না ঠিকমত; মনে হচ্ছিল রাস্তার সাথে পা আটঁকে যাচ্ছে; বাসে একদম পিছনের সিটে জানালার পাশে গিয়ে বসতেই চোখ দিয়ে টুপ টুপ করে জল বেয়ে পড়ল; বাসের সবাই যে কিভাবে তাকাচ্ছিল ভাবলেই আজকাল লজ্জা লাগে; আমি তোমার মত ফর্সা হলে লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যেত!

আমাকে ছাড়া এক মুহুর্ত থাকতে না পারা মানুষটা কিভাবে আমাকে ছাড়া আছে আমি এখনো বুঝিনা; আমিও বা কম কিসে বল; তোমাকে ছাড়া কতগুলো দিন বেহায়ার মত হাসতে হাসতে কাটিঁয়ে দিচ্ছি; সময় জিনিসটা কেমন যেন না? নিরব ঘাতক; সব কেড়ে নিয়ে আবার সব ক্ষত নিজেই মুছে দেই! হা হা হা!
এ-জীবন থমকে আছে তুমি আসবে বলে,
তুমি আসবে বলে -তোমার অপেক্ষায় প্রকৃতপক্ষে আমিই থমকে আছি "জীবন থমকে আছে" এই অজুহাত দেখিয়ে! 
চাইনা তুমি যাও কভু  দূরে,
তোমায় ছাড়া আমার এ জীবন তলিয়ে যাবে অচেনা ছন্দহীণ সুরে!
ইতি আপনার পিচ্চি,,
❝আমার বিকল্পের মানুষটি'র প্রাপ্তিতে কি এমন ছিলো?
সে কি নক্ষত্র চিনতো, শেষ প্রহর বুঝতো?
নাকি সে দেবতা ছিলো!
যার দর্শনে খুঁজে পেয়েছিলে তোমার শ্যামকে।❞

❝তোমাতে আবদ্ধ হওয়ার তাড়নায় প্রেম নাযিল হয়েছে এই মনে -
হয়েছি প্রেমিক তোমার একনিষ্ঠ'তায়।❞


অসাহিত্অশান্তির অনলে পুড়ে ছাই হলেও 
শান্তি মিলেনি কোথাও।। 
চাওয়া পাওয়ার এই ছোট জীবনে সব কিছু থাকে আর যা থাকে না তা হলো শান্তি। সবাই কোনো না কোনো ভাবে মানসিক অশান্তির মাঝে জীবন পার করছে এবং দিন শেষে "ভালো আছি" বলে নিজেই নিজেক
তোমার জন্য হটাৎ করে চোখের কোণে জল,
মনে পড়ে ওইসব সুন্দর আকারে থাকা অজস্র ভালোবাসার দল!
ইতি আপনার পিচ্চি কবি
বাহিরে কি পিনপতন নীরবতা, অথচ ভেতরে ভেতরে সবাই ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে! 

আমরা সেই না বলা কথা গুলো

অশান্তির অনলে পুড়ে ছাই হলেও 
শান্তি মিলেনি কোথাও।। 
চাওয়া পাওয়ার এই ছোট জীবনে সব কিছু থাকে আর যা থাকে না তা হলো শান্তি। সবাই কোনো না কোনো ভাবে মানসিক অশান্তির মাঝে জীবন পার করছে এবং দিন শেষে "ভালো আছি" বলে নিজেই নিজেকে শান্তনা দিচ্ছে! 

শিব তাণ্ডব

শিব তাণ্ডব || Shiv Tandav || (শিব তাণ্ডব রচনা করেছিলেন রাবণ) জটা-টবী-গলজ্জ্বল-প্রবাহ-পাবিতস্থলে গলেবলম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গ-তুঙ্গ-মালিকাম্ । ...