একবার এসো তিথি!

ও! ও!  🥰 একবার এসো হঠাৎ এসে খুশি দেখে যাও...
জানি আমার না! 
তবুও 
আমার না হলেও এসো,,, তুমি... 
আইসা দেখবা আমি কেমন আছি! 
আকাশ পরিমাণ আক্ষেপ আছে তোমারে একটু দেহনের..
আহাঃ কি রুপ তমার,,, খাটি সোনায় গড়া দেবীর চিন্ময়ী মূর্তি...  আহাঃ!
তোমাকে একবার ছুঁয়ে দেখবো তাই তো সাত জন্মের পর এখন আমি কাব্য!
জড়িয়ে ধরবো বুকের বাঁ পাঁজরে আর ঘনঘন শ্বাস নিয়া নিজেরে শুদ্ধতায় শিখরে নিয়া যামু...…
কেন হলো এমন? হ্যা!  

ক্যান হইলো এমন! 

হইলা  না কেন তুমি আমার মানুষ বুকের মইধ্যে আর পামু না তোমারে... আমার আবার জন্ম নেওয়া লাগবে! 

আসবে তো একবার আমার জীবনে!  বলো! না প্লিজ তিথি!  একবার বলো! 
মনের বাঁ দিকে গোলাপ জল ছিটিয়ে দিবো!  ভিজিয়ে দেবে তোমার গন্ধে!  আমার খুব প্রিয় ওই গন্ধ.. 
আমায় মাখতে দেবে!  
তুমি এতো পাষাণ ক্যান গোঁ
মন পু/ড়ার গন্ধ তোমার নাকে পৌঁছাইতে চায় না!  নাকি তুমি দেখো না!?  আমি বুঝি না!
ও! তিথি!  আসার সময় হাতে কইরা একটা গোলাপ নিয়া আইসো,,,,,,
আমি ঘুমাইয়া পরলে,,  মাথার কোণে রাইখো,
একবার বুকে নিয়ে নিও প্লিজ,
একবার এসো তিথি! 

নাম কিনেছি

কাল সারারাত নাম কিনেছি জুঁইফুলের মমতা.. 
ভালোবাসার দৌলতেই হারিয়েছিলাম সমতা...

আকাশে তখন ললাট লেখনে মধ্য গগনে চাঁদ
সে প্রেম ছিলো আগুনের মতো পুড়েছে দুই হাত...
কামিনী বালার মধুর গন্ধে সেই  ঘনঘন নিশ্বাস! 
হুউউ! হুউউ! হুউউ! শুধুই খালি মুখের  ঢোক গিলে... 
কামের গন্ধে উন্মাদ নীল!  কাব্য তখন সব ভুলে...

জুঁইফুলে এতো!  মধু আছে যায় কেন বিফলে!?
কাঞ্চন এক পাহাড় তখন  শ্বাসকষ্টের ও মোর সোনার কইন্যারে
    ও মোর গুণের কইন্যারে
আজি আশা দিয়া ভাসালু মোক
        অকূল সাগরে।অথৈ জলে,ডুবু ডুবু ,,, ডুবু....
নিজের বুকে বাঁধছিলো... এক ফুলের নাম....
পুরুষ সুন্দর একথা মানতাম না! 
যদি সে আমায় জীবনে না মিশতো,,,
আজ নিজেকে দেখতেও লজ্জা লাগছে,,, 
চোখের ভিতর কতো প্রেম জমানো তার নামের... 
মন টা বলে ওঠে  আয় নদী হয়ে বয়ে চল আমি মাঝি হয়ে সাতার দেই... তোরনদীর এপাড় থেকে ওপাড়...
পাল তুলে বৈঠা হাতে ভাটিয়ালি গান শোনাবো....

ও মোর সোনার কইন্যারে
    ও মোর গুণের কইন্যারে
আজি আশা দিয়া ভাসালু মোক
        অকূল সাগরে।

চিত্তে তখন দোলায় দুলিয়ে কাঁপছিল দুই ঠোঁট 
শরীর ছিলো বেজায় ক্ষত  রসের নেশায়র চোট(ব্যাথা),,,
 মধু তুলে ধরে ছিলো অপ্সরা  অন্ধ সেই মায়া!
নীল কাব্যের উপায় ছিলো না শুধুই  জ্যান্তেমরা...

আমি আর সে সুখের দোলায় জড়িয়ে ছিলাম কাল।

যেন কতো জন্মের সুখ তুই জুঁই...
 দে! না! আরো সোহাগ আমায়! আয় তবে ছুই..
আরো আদর কর,, 
আরো ছুয়ে দে! 
 ছুয়ে দে আমার শরির,,
 আমার মরু প্রান্তের ,,, নাম লিখে দে,,, এই অরন্য তোর। 
 আমায় তোর শরিরের সাথে মিশিয়ে নে,,,, 
 আমায় আদর করো...
আহাঃ রে...  আমি সোহাগ চাই তোমার সোহাগ চাই। 
আমি এই নেশায় থাকতে চাই... 
আরেকটু আদর করবে! জুঁই..

আমি! "ভাব"

সে এমন এক অভিশপ্ত মানুষ যার মৃত্যু নেই...
ভাগ্যবিধাতা যাকিছু লিখেছেন সেই বিচারক অক্ষয় কিছু লিখেছেন,,,  যার ক্ষয়ক্ষতির কোন হিসেব নেই। 
আসলে হিসেব টা রাখবে কে? 
সেই মানুষ টা তো অধরাই থেকে গেলো.... 

জীবন টা আর বইতে পারছি না!  

ক্লান্ত ভীষণ.. 

আর পারছি না! 

কেউ নেই তাকে জড়িয়ে ধরে বলবো.. 
আমায় একটু সময় দেবে!  
একটু শান্তনা দেবে একটু!  
একটু বুকের মধ্যে নিয়ে দুনিয়ার সব থেকে সুরক্ষায় ঢেকে রাখবে একটু ব্যাশ!  একটু! 

তারপর আমি আবার ঠিক চলতে পারবো জন্মজন্মান্তর।
 পরে যদি আবার একটু আদর চাই ওই! তখন দিও....
আর কিছু না.... 

হাসি,, খেলি,,, 
গান শুনি,,
গলা ছেড়ে গান গাই,,৷ 
তুমি জানো না '' জানো নারে প্রিয় তুমি মোর জীবনের কতো সাধনা!" 

  ফুল দের হাসাই কাঁদাই আবার সেই কথা লিখে রাখি,,,
 লেখা জানান দেই বিভিন্ন মাধ্যমে।
 লেখার কথা পৌঁছে যায় নীলাম্বরী, সখী, জুঁই, আঁড়ি,,ভাঁব,, গোলুমোলু, ঝিঁঝিঁ পোকা, ঝিনুক, মৌরি,,ইন্দুবালা,, দারোগা বিটি ওদের কাছে।
 ওরা সবাই জানে আমি কেমন আছি,,, 

কিন্তু সবাই লেখা পড়ে,,না ,  কেউ কেউ একদম পড়ে না! ওদের বলবো আমার থেকে দুরেই থাকতে,,,

  আমি পঁচে গেছি,, দুর্গন্ধ বের হচ্ছে,,, 
 তোমরা আমায় সবাই দূরে সরিয়ে দাও,,  
দরকার নেই তোমাদের! 

আমি একটা জঘন্য মানুষ,, 
অপরাধ শুধু একটু ভালোবাসা ভিক্ষে চাই,,, 
সবার কাছেই চাই,,
ওই!  তিথী'র অতিথি থেকে নীলাম্বরী, জুঁইফুল, মৌরি,, সখী,, ইন্দুমতী ওরা কেউ আমাকে গ্রহণ করে নি!
শুধু ভুল বোঝে আমায়....

আমি এতো টা পঁচে গেছি এতো পঁচে গেছি লাশকাটাঘরের থেকেও অধিক দূর্গন্ধ আজ আমার... 

আমি ভালোই আছি!  

এতো ভালো আছি কতো প্রিয় নাম এখন আর মুখে আসে না...

সেও  হয়তো ঐ নামের ডাক হয়তো অন্য কোন মুখে শোনার অভ্যাস করে ফেলেছে,,, 

তাই এখন হয়তো আমাকেও তার মনেই পড়ে না! 

কে!  আমি? 

পরিচয় হীন,,  অভিজ্ঞতা হীন,, দুর্বল,,একটা মানুষ... 

আমিও শুনি না আমায় কেউ তার মতো আধো আধো জরতায়   জড়িয়ে কাব্য বলতে!
খুব ইচ্ছে ছিলো এই একটা ডাকে কাব্যর মৃত্যুও  মুক্তি দেবে যএন তৎক্ষনাৎ  ছুটে যাই.... 

চিৎকার করে.... 

বলতে বলতে ছুটছে আঁড়ি'র দিকে.... 


 দি..দি..ম....ণ....ি......

কি ভাবছো!

কি ভাবছো-? 
তোমায় ছাড়া ভালো নেই!?
এইতো, বেশ আছি-
সকালে ঘুম থেকে উঠেই হাহাকার! সারাদিনের কর্মব্যস্ততায়,
রাতের একাকিত্ব আর হতাশাদের নিয়ে খুব একটা মন্দ নেই!
ভালোই আছি প্রিয়!  

কাজে অমনোযোগী, উদাসীন হয়ে সারাদিন বসে থাকা আর যন্ত্রণা দেয় না।

এ শহর একদিন তোমার আর আমার ছিলো। 
এই শহরের এ সে গলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আজও তোমার-আমার গল্প ভেসে আছে, উদ্বাস্তু হয়ে।
 এ শহর আজ কেবল আমার।
 একান্তই আমার! তোমার দায় ছাড়িয়ে এ শহর তুমি আমার করে দিয়ে গেছো, যার কোথাও তুমি নেই।
 এ আর এমন কি...! 
যে যন্ত্রণা আমি রোজ পুষে বেড়াই, যে জীবন হতাশার, সামান্য নির্জনতা আর কতটুকুই বা আহত করতে পারে?

কি ভাবছো?
 ভালো নেই আমি?
আরে, ভালোবাসাহীন জীবনে ভালো থাকাটা জরুরী নয় তো,
বেঁচে আছি; সেই তো পরম সৌভাগ্য।

অবহেলা- অবজ্ঞায় বেড়ে ওঠা, জীবন সংগ্রামে পরাজিত সৈনিক, ব্যর্থতার আক্ষেপ নিয়ে বেঁচে আছি, এর চাইতে বেশি আর কি আশা করবো!? 
বলো তো...!

তোমায় ছাড়া জীবন স্বাদহীন- তুমি থাকলে ঠিকই, কিন্তু আমার হয়ে থাকলে না! 
“ভালোবাসি” বলেও যে মন থেকে ভালোবাসলে না। একাকিত্ব, হতাশায় মুখ থুবড়ে পড়ে রইলাম! 
-কই? 

তুমি তো দেখলে না¡

না পেরেছি তোমায় সুখ দিতে!
আর না পারলাম নিজে সুখী হতে! 
এমন ব্যর্থ মানুষকে কেবল করুনা করা যায় ওই ঠিক  তবে বিশ্বাস করো  ভালোবাসা যায় না! এমন একটা ডাষ্টবিন কে... 
কেউ ভালোবাসে না।  ভালোবাসা তো অনেক দূরের কথা সামনে আসতেও ঘৃণা হয় মানুষের,,, 
আর তুমি!  
তুমি  কি করলে! 

কোথাও ভালোবাসা পাই না আর। 
সম্মান, গুরুত্ব সে তো নাগালের বাইরে। 
সবাই কেমন বাঁকা চোখে দেখে আমায়! 
বলে আমি নাকি হাভাতে,,,  আমার ভীষণ লোভ,,
মানুষের ঘৃণার পাত্র হয়ে বেঁচে থাকাটা আজ খুবই আনন্দের- 
তবুও আর কেউ আমার দাবি না করুক। 
শুধু তুমি নিরবে যখন যখন আমায় ডাকবে দেখো 
কাব্য ঠিক তোমার ডাকে সাড়া দেবে....
একবার ডেকে দেখো আঁড়ি,, 
আমি মৃত্যুর মুখের থেকেও তোমার কাছে ছুটে আসবো!

যেদিকে তাকাই সেদিকে শুধু নিজেকে একা বিস্তার করি– ভীষণ একা! 
তাও ভালো আছি,,, 


কি ভাবছো!? 
ভালো নেই আমি-?
না গো! 
-এইতো, বেশ আছি। 
নিজেকে সবার থেকে, সবকিছুর থেকে গুটিয়ে নিয়ে কে না ভালো থাকে!? 
বলো...!!

এখন পৃথিবীর জাগতিক দুঃখ আর স্পর্শ করে না আমায়। 
এখন হতাশা, একাকিত্বে ভেঙ্গে পড়লে নিজের কাঁধে নিজে হাত রেখে বলতে পারি, 

“নাহ, তোর কেউ নেই, কেউ ছিল না কখনো!”

ভাবে'র ভাগ্যে আড়িঁ'র সুখ নেই তবে ওরা সারাজীবন ভালোবাসায় এক থাকবে,,,

এই কথা তুমি গল্পের পাতায় মিলিয়ে নিও জুঁই 🥰

এই বেশ ভালো আছি..

🤣কার লেখা জানিনা ; তবে বউ না থাকা কোন মহাপুরুষেরই হবে মনে হয় 😁
$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
বউ না থাকলে,
একটা ছোট্ট হারপিক অন্তত দশ বছর চলতে পারে...

বউ না থাকলে,
একটা রুম ফ্রেশনারে সারা জীবন চলে যায়...

বউ না থাকলে,
একটা ঘর মোছা ন্যাতা অন্তত পাঁচ বছর টেকে...

বউ না থাকলে,
একটা পাতি দাঁতের ব্রাস দু বছর অব্দি চলে...

বউ না থাকলে,
ডিওর কোনো প্রয়োজনই নেই..

বউ না থাকলে,
তোয়ালে কেনার প্রশ্নই নেই। একটা গামছাই যথেষ্ট। পা মোছা গামছা, হাত মোছা তোয়ালে, মুখ মোছা টিস্যু, পিঠ মোছা টাওয়াল ইত্যাদি সমস্ত বিভাজন একটা সুতির গামছাই মেটাতে পারে।

বউ না থাকলে,
জল আর উইল্কিনশন ব্লেডেই দিয়েই দাঁড়ি কামানো যায়। ফোম লোশন ইত্যাদি নিশ্চিন্তে ভুলে যেতে পারেন...

বউ না থাকলে,
এরিয়াল, সার্ফ এক্সেল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ টাকার রিনের গুড়ো তিন মাস চলবে...

বউ না থাকলে,
হিম্যান ওম্যান শিম্যান ইত্যাদি বিভাজনের প্রশ্ন ওঠে না। জুই ফুল গন্ধ শ্যাম্পুও অবলিলায় গায়ে মাথায় মাখা যায়... লাল লাইফবয় সাবানও খুশিতে মাখা যায়... গায়ে বা মাথায়।

বউ না থাকলে,
কোলগেটের গুঁড়োতেই কাজ চলে। নুন দেওয়া, চারকোল ঠোসা, লবঙ্গ পেষা, ফ্লোরাইড, ভিজিবল হোয়াইট ইত্যাদি পেষ্টের দরকার হয় না...

বউ না থাকলে,
জামা প্যান্ট ইস্ত্রি করানোর খরচ শূন্য. তাছাড়া ইস্ত্রি লাগে এমন জামাকাপড় কেনারও প্রয়োজন নেই। পাতি টেরিকটের শার্টেও "ও লাভলি" বলার লোক প্রচুর আছে, সবাই যদিও স্বীকার করে না শিকার হবার ভয়ে...

বউ না থাকলে,
আত্মীয় অনাত্মীয় আপ্যায়নের খরচ খুব কম...একটা ঝাল চানাচুরের প্যাকেটেই দশটা আপ্যায়নের কাজ চলে, মিষ্টি চানাচুর অনেকেই ভালো খান। সেইজন্যই ঝাল ভাবলাম...

বউ না থাকলে,
কেবল কানেকশন লাগে না। ইউটিউব আর টোরেন্ট লিঙ্ক যথেষ্ট.. আর মাঝে সাঝে বড়দের সিনেমা...

বউ না থাকলে,
হিট মর্টিন গুডনাইট অল আউট লাগে না। ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ারও ভয় নেই। জানলাই খুলবো না তো মশা আসবে কোত্থেকে... তাছাড়া মশার পছন্দসই ইন্ডোর আগাছাও বাড়িতে থাকে না, বউ না থাকলে...

বউ না থাকলে,
ধুপকাঠি, নকুলদানা, বাতাসা, গুজিয়া, আমিষ নিরামিষ বাসন ইত্যাদি বাবদ জিরো এক্সপেন্স...

বউ না থাকলে,
ইকোপার্ক নিকোপার্ক নলবন নানা ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি যেতে লাগে না। বুড়ো আমগাছ তলায়, আরো জনা দুই বউছাড়া বন্ধুর সাথে বসে বিশ্বভ্রমনের সুখ পাওয়া যায়! টেকনিকটা জানতে হবে শুধু...

বউ না থাকলে,
একবার মশারি টাঙালে অন্তত একমাস খোলার দরকার নেই। ধার গুটিয়ে গুটিয়ে ঠিক চালিয়ে নেওয়া যায়.. বছরে দুবার বিছানার চাদর আর বালিশের ওয়ার পাল্টানো যথেষ্ট...

বউ না থাকলে,
বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডালসেদ্ধ ঘি দিয়ে আর কাটা কাতলা পেটি ভাজা খেয়ে একশো বছর সুস্থ ভাবে বাঁচা যায়। দশ রকম শাক, নানা কিসেমর ভাজা, বড়ি সুক্ত সব্জি কাসন আচার যত্তসব.. 

এবং আরো আরো আরো... প্রচুর আছে এই তালিকার লিষ্ট। বহুজাতিক থেকে আঞ্চলিক ব্যবসা যত, সবই টিকে আছে শুধু নারীদের ভিত্তি করেই। এবং টিকে আছি আমরাও। আমাদের গায়ে গন্ধ নেই, শার্টে রিঙ্কেল নেই, মুখে ব্রন নেই..., এও তো কোনো না কোনো নারীর খ্যাকানির ভয়েই। আমাদের রুপ, শিষ্টাচার, বা আরও যা কিছু পুরুষালি কাজকর্ম সবই তো কোনো না কোনো নারীর জন্যই। কথাতেই আছে না..

বন্যরা বনে সুন্দর
পুরুষেরা নারীর ভয়ে..

ভয়ে? নাকি ভালোবাসায়? নাকি ভক্তিতে? নাকি সবগুলো মিলে মিশেই..?

বড় জটিল এর উত্তর.. 
বোঝার ক্ষমতা নেই আমাদের.. বুঝে কাজও নেই..

এই বেশ টিকে আছি..🤣😜
 (সংগৃহীত)

শিব তাণ্ডব

শিব তাণ্ডব || Shiv Tandav || (শিব তাণ্ডব রচনা করেছিলেন রাবণ) জটা-টবী-গলজ্জ্বল-প্রবাহ-পাবিতস্থলে গলেবলম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গ-তুঙ্গ-মালিকাম্ । ...