বল না! আবার কবে!

বল না!  আবার কবে!
এমন এক সকাল আসবে!
 আসবে জ্যোতির  কিরনে সোনা রদ্রুরের গুড়ি,,
তুইও আসবি।  
আসবি নিয়ে গল্প কথার ঝুড়ি।
বল না!  আবার কবে!,,,,

বল না!  আবার কবে! 

এমন এক সকাল হবে। 
আমরা সবাই আবার  এক হবো 
সেই পথে,,,  
লুকিয়ে দেখবো তোর চোখের ভাষা, 
আর নিজেকে ভাসাবো তোর প্রেমে।
বল না! আবার কবে.....


বল না!  আবার কবে!

এমন এক রাত আসবে। 
সেই রাতের  তিথি কে আমি মিথ্যে করেই কবো!!!!
 বলবো আমায় ভালোবাসি আমি সত্যি করেই কবো!!!
বল না!  আবার কবে!

বল না!  আবার কবে!

এমন একটা সন্ধ্যে হবে 
তুই আমি ঝগড়াঝাটি আমায় গালি দিবি।
আমি সেই চুপটি করে বোকার  মতোই আবার হেসেই গেলাম। তুই তবুও গালি দিবি!!"

বল না!  আবার কবে!

বল না!  আবার কবে!

এমন এক বৃষ্টি হবে। 
আমি ভিজবো শুধু তোর পরশ ভেবেই,,,,,,,
তুই রাগ করবি আমার ছবি  দেখেই 
বল না!  আবার কবে!

বল না!  আবার কবে!

তুই আমি প্রেম করবো,, 
গভীর মগ্ন মনে দুজ,,,ন,,,,, 
ঠিক তখনই,, 
 কোকিলের কুহুরবে বলবো আমি রেগে 
তোর থেকেও আমার প্রিয়'র গলা ভালো,,,, 
বল না!  আবার কবে!

পাড়ি জমানো হলো না এই জীবন

একটা সময়ের পর জীবনের প্রতি চাওয়া বলতে কিছুই ছিলো না। সেদিন অনেক আনন্দ ছিলো, অফুরন্ত সেই আনন্দ গুলো কালো এক মেঘের সাথে কোথায় আজ হারিয়ে গেলো। এখন চাইলেই সেই আনন্দ, গুলোর দেখা মেলে না। এখন চাইলেই ওদের সাথে নিজেকে মিলিয়ে হাসতে পারি না। এখন চাইলেই অতো প্রানবন্ত হয়ে চলতে পারি না।
কারণ!  কারণ!  কারণ, 

আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম এই মরুভূমিতে স্বর্গোদ্যান হয়েছে।  আমি সেই উদ্যানে সমাবেশর মধ্য মনি।
আমি স্বপ্ন টাকে ভালোবাসতে শুরু করে দেই।
তারপর একটু  একটু করে আমার প্রতিটি ইচ্ছের সাথে মিশে সেই স্বপ্ন আমায় রঙিন করে তোলে।

আমি আজ এক ব্যার্থ প্রেমিক।  হ্যাঁ শুধু এই টুকুই পরিচয় আজ আমার। 

আমরা চাই জীবনে কেউ  আমাদের একটু  বুঝুক,
আর তাই জীবনের সব একদিকে রেখে 
হয়তো কখনো প্রচন্ড চেষ্টা করি যে এই মানুষটা আমাকে বুঝুক!

অথচ সেই চেষ্টাটুকু আমরা অন্যকে বোঝার ক্ষেত্রে করিনা। না একদম করি না। মাথায় তখন ওই ভুতের উৎপাতে সব ভুলে থাকি।

অন্যকে বুঝতে চাই না।

যদিও বা কালক্ষেত্রে কেউ বুঝতে চেষ্টা করে, নিজেদের দোষে তাকেও গোলমেলে গোত্রের বর্ননা দেই। তাতে ফলাফল ভালো আসে না তেমন একটা।
আর  আমরা যাকে বুঝতে চাই, সে আমাদের বুঝতে চায় না। যে আমাদের বুঝতে চায়, আমরা তাকে বুঝতে চাই না। 

সত্যিই কি অদ্ভুত জীবনের এই খেলা! 
আর শুনে এসেছি এই ভাবেই নাকি চলছে 
জগৎ সংসার।  অনেকেই  বলেছেন না আমি কিছুই পাই নি, এই জীবন থেকে শুরু করে সংসারে মধ্যে। শুধুই মায়া,, মায়ার বন্ধন ছাড়া কিছু নেই।

প্রিয়,,, 
আমি তোমায় বুঝতে চেয়েছি একজীবন,
অবুঝ তুমি, না বুঝেই হারিয়ে গেছো,
পাড়ি জমানো হলো না এই জীবন।

নিজেকে ছুঁড়ে দিয়েছি অচেনায়,,

নিজেকে ছুঁড়ে দিয়েছি
সেই অচেনায় অজানায়!
কোন হিসেবেই রাখিনি,,,,
যদি কেউ পায়! যদি রাখতেই চায়"! 
কি ক্ষতি আর তবে কি বা আসে যায়!!?

নিজেকে সস্তায় বিকিয়ে দিয়েছি
আরো যতো টুকু অবশিষ্ট আছে,
সবটাই বিকিয়ে দেবো আরো সস্তায়। 

এক সময় হয়তোবা
 নিজের বলে কিছুই থাকবে না।
নিজের কোন ইচ্ছে থাকবে না।
নিজের কোন দাবি থাকবে না।
নিজের জন্য সময় থাকবে না।
তবুও নিজেকে বিলিয়ে দেবো,,,

কি হবে! 
 যদি নিস্বাস টাই না থাকে?
তার আগে যা কিছু আছে আমার 
চলার পথে  ছড়িয়ে দিয়ে
 যদি  বর্ষার বৃষ্টির মতো  তৃপ্তি ফিরে পাই ক্ষতি কি!

নিজেকে তো সেই কবেই দেউলিয়া ঘোষণা করে ছিলাম।
না কেউ বিশ্বাস করে নি। 
আসলে ওদের মন ভরে নি। 
ওরা আরো আরো দাও বলে চিৎকার করে আমার মাথা খারাপ করে দিয়ে আমায় আজ পাগোলে পরিনত করেছে।

তাই আজ নিজেকে ছুঁড়ে দিয়েছি 
অচেনায় অজানায়, কোন হিসেব রাখিনি। 
কেউ যদি  একটু  যত্ন নেয়,  একটু ভালোবাসা দেয়! 
আমি থেকে যাবো হেথায় হিয়ায়।

বিদায় প্রিয়,,

নিজেকে নিয়ে ভাবতে বসেছিলাম। 

হ্যাঁ নিজের সাথে দেখা হয়েছে।  
আর দেখা হয়েছে হাজার বছরে বার বার জন্ম নেওয়া একটা আত্মার সাথে।  

আমি প্রতি জন্মের ও মৃত্যুর কারণ দেখেছি। 

ভুল সত্যিই আমার ছিলো।  

আমি প্রতি বার তোমায় তোমার নিরাপত্তায়  রেখে এসেছি। 
আমি এক বারও দাবি করিনি তোমার। 
শুধু আকাঙ্ক্ষায় জন্মেছি একদিন পাবোই।  

এই পাগলের প্রলাপ তুমিও বুঝবে তবে অনেক দেরি আছে।  ওই! ওই! 
আগের মতোই  হবে আমি থাকবো না। 

তুমি খুজবে,,, 

আবার  অল্পতেই নিজেকে থামাতে পারো তুমি। 
থেমেও যাবে তোমার অনুসন্ধান। 
আর আমি তো আনাড়ি,, হাল ধরা টাই শিখতে পারিনি।  
ডুবে ঠাই নিয়েছি অতলে। 

তবে!
আমি অতো ভালো মানুষ নই!  
বলতে পারো হয়তো মনুষ্যত্ব টাই নেই।
বলতেই পারো। 
তবে আমি নিজের আত্মবিশ্বাস কে  ঐ মহাশাগরের মতো বিশাল ভাবি  তাই সেখানে কোন কূল নেই,,দ্বীপও নেই। 
আগ্নেয়গিরি যা আছে ওই অতল তলেই। 

আমার আর ফেরা হবে না। 
 আমি প্রতি জন্মের ফিরে আসার কারণ টা এই জন্মে তোমায় বলতে পেরেছি। 
আমি এই ভাবে কোন জন্মেই বলতে পারিনি তোমায়।
 আমি প্রকাশ করতে পারিনি আমার মনের ভাব। 

হ্যাঁ  এ জন্মে তা পেরেছি   আসলেই কি চাই আমি। 

তারপর আর কিছু থাকে না।  
তাই নিস্বঃ হয়েছি নিজের প্রত্যয়ের কাছে। 
শুধু তুলে ধরেছি তোমায়,  হ্যাঁ প্রিয় তোমায়।


ধুলোর এই পৃথিবীতে আমি আর ফিরবো না। 
আমার আর কোন আকাঙ্খা নেই।

 আমার  আমি নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছি তোমার নামে। 
তাই আমার ওই আমি টার আর কোন দাবি নেই।  
যদি তুমি হীন আমায় থাকতেই হয়,,,,,

আমি ধুলোয় মিশেই যদি পারি গড়ে তুলবো এক উর্বর উদ্যান।  
তারপর যদি ভগবানের কৃপা ও আপনার দয়া হয়। 

হয়তো একদিন এই উদ্যানেই তুমি ফুল হয়ে ফুটবে নয়তো পাখি হয়ে গান গাইবে। 

তবুও  আমি ওই মাটি ছেড়ে আর ফিরবো না।

বিদায় !  ! !... প্রিয়। 

মেঘের কথা

ঘড়িতে সময় তখন সকাল দশটা। 
 আমি আমার মতোই প্রতিদিনকার নিত্যনৈমিত্তিক কাজে ব্যস্ততায় উপযুক্ত স্থানে রেখেছি। 
বলতে পারেন যদিও আমি এখানে প্রতিদিনই আসি। 
প্রতিদিন এখানে দিনের কিছুটা সময় অতিক্রম  করি বিভিন্ন ভাবে।
কখনো কর্মব্যস্ততায়, কিংবা চা  সিগারেটের টানে সাথে প্রকৃতির হাওয়া, অথবা  অচেনা কোন মানুষের সাথে নিজের পরিচয় দেওয়া এবং তার পরিচয় নেওয়া। 
সেখান থেকে অনেকটাই আনন্দ কূড়াই আর তাই আমি এই স্থানের নাম রেখেছি আনন্দপুর। 
 আমি এখানে অনেক আনন্দ পেয়েছি।  
পেয়েছি জীবনের কঠিন সময়ে নিজেকে কি ভাবে পরিচালনা করতে হবে সেই ভাবনার উপযুক্ত পরিবেশ।  
প্রকৃতির এই স্থান আমায় দিয়েছে জীবনের মার্গ দর্শনের বীজ মন্ত্র। 
আমি এই স্থান কে হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে কুর্নিশ জানাই। 

আজ এই আনন্দ পুরে আমি যখন পৌছাই। তারপর নিজের মতো নিজের কাজে থাকি। 
চোখ দুটো এঁদিক ওঁদিক কিছু একটা খুজছিলো। না তেমন কিছুই না। 
আবার অনেক কিছুই।  
আমি কথা কেই খুজছিলাম। 
 কই মেয়ে টা কে আজ দেখছি না তো!!!
আজ কি আসেনি? 
এর মধ্যে একটি অচেনা একটা ছেলে পাশে এসে খানিক দূরে বসেছে। 
আমায় ঘনঘন দেখছে আমি সেটা বুঝতেই বাবু একটু ইতস্তত বোধ করছেন। 

তামাটে রঙ,,গায়ের  সাদা চেক জামা নস্যি রঙের কটন জীন্স প্যান্ট হাতে ষ্টীলের বালা সামনে সামান্য কিছু চুল রঙ করা।  
স্বাস্থ্য টা ভালোই  চওড়া কাঁধ,,গোলগাল চেহারা। হালকা গোঁফ বিশিষ্ট এক জন সাধারণ কৌতুহলী মানুষ। 
দেখে মনে হচ্ছে বেশ চিন্তায় আছেন।  

প্রায়  ২০ মিনিট পর কথার আগমন হয়। 

কথা আসতেই তার পাশে গিয়ে বলতে শুরু করলো এতো দেরি কেন হলো?
আমি সেই অনেক সময় আগে এসে বসেছি।

ছেলেটির  পরিচয় আমার আর কিছুই নিতে বাকি রইলো না। 

মল্লিকা!  ইনিই কি সেই লোক টা?  
যার কথা তুমি আমায় বলেছো এই কয় দিন। 


কথা বলতে শুরু করে হ্যা উনিই সেই চা খায়িয়ে দুনিয়ায় জুড়ে বিঞ্জাপন দেওয়া মানুষ।  
আমায় পিসি পিসি করে মাথা খারাপ করে দিয়ে অতো সুন্দর একটা নাম দিয়েছে।  কথা।।।


ছেলেটি আমার সামনে এসে সোজা হাত জোড় করে কাঁদতে কাঁদতে বললো  দাদা নমস্কার আমি জয়দ্বীপ।  বাড়ি মালদা।  
আমি আপনার কথার প্রেমিক। 
 আমি গতকাল রাতে ওর সেথে গল্প করার পর আর বাড়ি ফিরিনি সোজা এখানে এসেছি একটা অনুরোধ করতে আপনাকে। 

আমি ছেলেটিকে  দুই কাঁধে হাত দিয়ে তুলে জড়িয়ে ধরতেই আবেগের আম আরো পেঁকে গেলো।  

বললাম  কি হচ্ছে এই সব? 
আর কেনই বা হচ্ছে? 
এই কথা এই সব কি হচ্ছে??? 
তুমি বলো দেখি এসব কি হচ্ছে??? 

মেঘের মতো উড়ে এসে ভিজিয়ে দিয়ে কি চাইছে? 
 আনন্দ পুরে আজ শুধুই  বৃষ্টিই আসবে??  
রৌদ্দুর উঠবেই না ঘুম থেকে?? 
সে কি ঘোমাচ্ছে আজ?
এই মেঘের এখন উদয়ের কারণ কি? 

ছেলে টি হেসে ফেললো  কি?  আমি ☁ মেঘ!! "
হ্যা আমি উড়েই এসেছি।
  এসেছি  আপনাকে দেখতে।  
কেন জানেন  প্রথমে যখন আপনারা কথা ওর মুখে শুনি মনে হয়েছিলো আর সাধারণ পাচজনের মতো মেয়ে মানুষ দেখলেই খেজুরে পিরিত শুরু করেন।  
তারপর যখন আরো শুনলাম মনে হলো খুব রসিক আপনি। 
তারপর  যখন এই ভাবে শুনতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত শুনতে শুনতে এখন আমার একদিকে ভয় হচ্ছে অন্য দিকে এই ভয় টা কে সামনে থেকে দেখার ইচ্ছে হচ্ছে। 

জানেন দাদা গত তিন দিন ও আর আমি যখন কথা বলেছি শুধু আপনাকে নিয়েই কথা হয়েছে।  
দাদা দুইদিন হলো ও আমায় আমার নাম নিয়ে সুপ্রভাত, শুভরাত্রি বলে না। 
আজ তিন দিন আমার ফোন কল রেকর্ডিং শুনেছি  ও আমায় এক বার নাম ধরে ডাকেনি। 
খুব ভয় হচ্ছে দাদা আমার জীবনের সেই কষ্টের দিন ডেকে এনেন না। 
আমার এই অনুরোধ আপনাদের দুজনের কাছেই।  আমি জীবনের সেই দিন টা সহ্য করতে পারবো না। 
আমার পৃথিবী টা সেদিন ধ্বংস হয়ে যাবে। 
আমি আপনাকে শুনেছি আর ভেবেছি কি করে বন্ধুত্বের প্রস্তাব দিতে হয় পৃথিবীর সকল মানুষকে  আপনার থেকে শিখতে হবে। 
কি দারুণ উপস্থাপনা আপনার।  চমৎকার দাদা।

দাদা আমিও আসবো এই আপনার আনন্দপুরেই আসবো ওর সাথেই আসবো আমাদেরও দেখা হবে এই আনন্দ পুরে।
  কিন্তু অনুরোধ দাদা আপনাদের এই সম্পর্ক যেন শুধু বন্ধুত্বই থাকে। 
আপনারা চাইলে অনেক কিছু করতে পারেন।
  না! আমি কিছুই চাই না।
 আমি চাই আপনাদের মাঝে আমাকেও ঠাই দিন।  আমিও বন্ধু হবো। 
ক্ষমা করবেন দাদা এই ভাবে বলার জন্য।

আমি ছেলে টার প্রতি বিন্দু মাত্র রাগ করিনি। আমি ওর ভেতরে নিজের ছবি দেখছিলাম।  নিজেকে দেখছিলাম।
  ছেলে টার মায়াবী মুখ আমায় কিছুক্ষণের জন্য গভীর ভাবনায় ফেলেছিলো। 

সত্যিই তো আমিও তাকে হারিয়ে ওর মতোই অসহায় হয়ে এখনো আছি। মুখোশের আড়ালে নিজের বুক টা কেঁপে উঠল। 

কথা  আজ কেন জানি না চুপচাপ।
  আজ কথার মুখে কোন কথা নেই। 
কোন প্রশ্ন নেই।
 আজ কথা   কথা হারিয়েছে। 
 কি জানি নিজেকে কি ভাবছে। 
ওর চোখে মুখে একটা নির্বোধ ভুলের ছবি ভেসে উঠেছে। 

দুজন কে দুই হাতে কাঁধে হাত দিয়ে বললাম 
 আচ্ছা!  ☁  মেঘ  তোমার কথা কে নিয়ে ওই খানে গিয়ে বসলে কেমন হয়? তারপর জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যাবে। চলো।। ও,,,,ই  ওই  খানে বসি সবাই মিলে। 

কি!  কি নাম বললেন  মেঘ??  আমি মেঘ!!.

হ্যা তোমায় ওই নামেই ডাকবো যেমন আজ এসে আনন্দ পুরের আবহাওয়া বদলে দিয়েছো। 
তাতে তোমার ওই নাম টাই শ্রেয়.....


জানেন দাদা আপনার নাম এতোবার ওর মুখে শুনেছি,,, তা আর কি বলবো???
এক সময় ভেবেছি এই মানুষ গুলো কি পাগোল!! নাকি মানসিক রুগি। কিংবা যাদুকর (ওই মানুষ কে হ্যালুসিনেশনের মধ্যে যারা রাখে)....

রাখতে পারবেন আপনার  কথা আপনি আর মল্লিকা কোন দিন কেউ কাউর ঠিকানা বা যোগাযোগ এর কোন সুত্র রাখবেন না।
  শুধু এই আনন্দ পুরে যদি দেখা হয় তবেই কথা হবে? 
দাদা কি করে এতো অবাস্তব ধারণা এলো আপনার মাথায়?
 কোথায় পান এই সব ধারণা?  
আমার তো সত্যিই  আপনাকে পাগোল মনে হচ্ছে। 
শুনলাম  প্রেমও  করেন।  
তাকে নাকি খুব ভালোবাসেন।  
খুব সুন্দর করে ডাকেন তাকেও। 

ঝিঁঝি পোকা, টুনটুনির বাসা, মোটাভাই, প্রিয়,,  ছুচো, কাকাতুয়া, কথা, সবই শুনেছি। 




হ্যা এবার আমি বলি একটু শান্ত হও ভাই। আমি তোমার ইচ্ছে মতোই আমার কথা আমার কাছেই রাখবো।  
তুমি কোন চিন্তা কোরো না ভাই। 

মেঘের মুখ কালো হয়ে গেলো,,,,
দেখলাম  কথার  চোখে মুখে অন্য এক ঝলক।

খানিকটা হেসে বললাম আমি আমার উপস্থাপনার বাক্যের বিবরণ বলছি। 
তোমার মল্লিকা সেই  কথা নয়। 
এবার ঘটলো চমৎকার  
মেঘের মুখে হাসি দেখে  মনে হচ্ছিল বেচারা  মৃত্যু কালিন মুখে জল পাওয়ার মতো  তৃষ্ণার অবশেষে ঘটলো। 

কি! মেঘ খুশি তো আমার কথায়???

আপনার কথার(মল্লিকা) জন্যই জীবন যাপন করি,, 
আর ওর সাথেই বুড়ো হয়ে এই আনন্দ পুরে আপনার সাথে একদিন,,,
  এক কাপ চা য়ে আমি এই সবাই কে চাই।।।।
তবে হ্যা বার্ধক্যের কারণে সেদিন যদি বাড়ি ফিরতে না পারি আপনার বাড়িতেই সেই রাত্রি বাস হয় যেন। 

মেঘ,,,আমি তোমায় তোমার এই ইচ্ছের একদিন বাস্তবতায় পরিনত হওয়ার তৌফিক ভগবানের কাছে প্রার্থনা করবো।

আমি যেমন বন্ধুত্ব চেয়ে জ্যাকপট  পেয়েছি।  
মানে একসাথে ডবল বন্ধু,,, 

 কথায় কথায় বলে যাই ,,, 
 আমার কথা মেঘের জন্যই রইলো ভাই.......
 তোমরা ভালো থেকো। 

গল্প করো আজ আমি চলি একটু ব্যাস্ততায় আছি। 
 আবার দেখা হবে এই আনন্দ পুরেই।
 যদি সবাই ফিরে আসি। 


তোমাদের এই গল্প টা মেঘের কথা,য় বলবো,,,

অপশন!

আচ্ছা আপনি কারোর জীবনে অপশন নয় তো?

কেন? পিসি?

আবার পিসি???
ছিঃ কি বিচ্ছিরি লোক আপনি? 
যাঃ  তাঃ  বলে ডাকেন।।।

ওই বাজলো আবার ফোন,, কে? দেখি।। 
কি? পাখির  বাসার ছবি ? 
তার আগে টুনটুনির লেখা। 
মানে? 
মানে টুনটুনির বাসা,, 
আমার এক পছন্দের বাড়ি থেকে ফোন এসেছে। 

কে যে  এতো ফোন করে? কি  সব করেন? 
 মাঝেমধ্যে তো দেখি হেডফোনে কেউ কথা বলছে আর অন্য ফোনে কি যে সব বলেন বুঝি না। 
কি করেন বলেন দেখি??

হটাৎ এমন প্রশ্ন?  কেন মনে হলো আমি কাউর জীবনে অপশন হতে পারি?

না চারিদিকে শুধু এই সবই দেখছি। ধরতে পারেন প্রায় সবাই।  

তো!  পিসি বুঝিয়ে বলবেন?  

তুমি যে ধরনের মানুষ,,,
আবার তুমি!!

সরি,,,আপনি যে ধরনের মানুষ তাতে আপনার সাথে এমন টা হলে আপনি অনেক ব্যাথা পাবেন। 

অপশন, অপশন, অপশন এই শব্দটা শুধু  একটা পরিচিত শব্দ নয়।
 সমগ্র পৃথিবীর মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি শব্দ। 

এই যে শুনছেন, 
এই দিকে তাকান আপনাকেই বলছি। খাতায় ওই সব লিখবেন পরে। আগে শুনুন। 
আচ্ছা আপনি কারোর অপশন নয়তো?
খুব বেশি অবাক হলেন মনে হয়!
 আমিও আপনার মতোই অবাক হয়েছিলাম, 
যখন জানতে পারলাম, 
আমি ছিলাম তার জীবনে শুধুই অপশন মাত্র!
আপনিও ওই ছবির মেয়ে টার শুধু অপশন নয় তো!
এখনও বুঝেননি মনে হয়! 
খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কখনো যেই মানুষটাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন।
লুকিয়ে ফোনের মধ্যে ঢুকে গিয়ে ছবি দেখেন। 
যাকে নিজের পুরো পৃথিবীটাই ভেবে বসে আছেন তার কাছে আপনি অপশন ছাড়া আর কিছুই নন!
বিশয় টা ঠিক আমার মতো নয় তো? 
অপশন বলতে কী বুঝাচ্ছি তা এখনও বুঝেননি মনে হয়! 
অগোছালো মানুষটা আপনি যখন কারো চাওয়া-পাওয়াকে মূল্য দিতে গিয়ে আপনার চারপাশটাই বদলে ফেললেন।
 যেই মানুষটার জন্য মৃদু দু'ঠোঁটের ফাঁকে কারণে অকারণে হাসি ফুটে ওঠে। 
যেই মানষটার জন্য জীবনের চারপাশ বদলে ফেললেন। 
সত্তা জুড়ে শুধু যার বসবাস। বাউণ্ডুলে স্বভাবটা পরিবর্তন করে ঘর কোণে হয়ে গেলেন। 
প্রতিটি মূহুর্ত যাকে ছাড়া ভাবনার আর কোনো বিষয়  ভালো লাগে না।
 যার জন্য জীবন জুড়ে এত এত আয়োজন। 

সেই মানুষটাই যদি একদিন সব আয়োজন থামিয়ে দিয়ে  চলে যায়,,, , 
তখন কী থাকে আর নিজের বলে? 
আর ধরেনিন আমার সাথেও তাইই হয়েছে।  
আর এই কথা বলার কারণ ওই যে বললে না,,,
আমরা বন্ধু হতে পারি? হ্যাঁ  আপনি আমার বন্ধু হতে পারেন।  অবশ্যই সেই যোগ্যতা আপনার আছে। আর সেই জন্যই বললাম। 

হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ দারুণ দারুণ বলেছেন।। 

আপনার সাথে প্রেমের লিলিয়ায় মাতিয়ে দিয়ে  পর করে দেবে আপনাকে  ভাবতে পারেন কেমন হবে পৃথিবীটা! 
আমায় ঠিক তাই করেছে কেউ,,,
আশলে,, ভার্চ্যুয়ালের এই যুগে কেউ আর  পুতুপুতু প্রেমে মেতে থাকে না।
 ভালো তো একজনকে বাসে কিন্তু অপশন হিসেবে রেখে দেয়ে কয়েক জনকে। 
এত এত মধুর ডাকে শুধু কি আপনাকেই ডাকে? খবর নিয়েই দেখুন না— 
যদিও আপনিও খুব সুন্দর সুন্দর নামে কিছু মানুষ কে ফোনে ডাকেন,,  মৌরি,, টা কে??

রাধে!!!!! রাধ!!!!!!  মৌরি একটা ফুলের নাম ওই দ্বিভাষ মালির বাগানের।  আমি ভ্রমর ওই ফুলের মধুর সন্ধানী।
 নাঃ  সেই স্বাদ পাই নি।
ফুলের পাপড়ির সৌন্দর্য আমায় মাতাল করেছিলো একসময়।  
ওওওওওওও তার মানে আরেক প্রেমিকা!!! 
কতো গুলো প্রেম করেছেন?  বলবেন।  
এই আপনি না বেশ কৌতুহলী মানুষ। 
ঠিক বিস্বাস হয় না। এদের কেউ বিশ্বাস করবে না।
এরা এই খানেই ঠকে। 
তারপর  যে কথায় ছিলাম একটু  বলি।।

হু,,,,হু,,,,

আজ একজনের সাথে সম্পর্কের ইতি ঘটলেও মনের মধ্যে তার জীবন জুড়ে এত টুকুও প্রভাব পড়ে না। 
এর এক মাত্র কারণ হলো ডানে-বামে কাউকে না কাউকে অপশন হিসেবে রেখে দিয়েছে। 
এবার ভেবেই দেখুন সেই অপশন আপনি নন তো?

তারপর!  তারপর। 

তারপর ছাড়া আর কি কিছু শেখেন নি দেখছি। শুধু তারপর!  তারপর।  

তাই বলবো কাউকে ভালো লেগে গেলেই হুটহাট করে সম্পর্কে জড়িয়ে  যাবেন না। 

কেউ একটু বিষাদী, ক্ষত মনের স্থানটাই এন্টিবায়োটিক এর মতো সস্তা পঁচা কিছু মন ভোলানো কথা বলে ক্ষণিকের জন্য ক্ষত সারিয়ে  দিলেই তাকে জীবনের টাইমলাইন ভাবতে শুরু করবেন না যেন। 

ও,,,,,,আচ্ছা!! ঠিক বলেছেন।।
 পিসি,,, 
ঠিক বলেছেন,,,, 

আবার পিসি,,
বলেছি  না ওই নামে ডাকবেন না। আমার ভালো লাগেনা। আর হ্যাঁ  সেদিন আমাদের ওই সব কথা ওই খানে তুলেছেন কেনো? 
এক কাপ চা খায়িয়ে সকল কে জানান দেওয়ার কি আছে? 
 বসুন আজ  আমি চা নিয়ে আসছি।  

পি,,,,সি,,,,,সিগারেট,,,,, ভুলো না।

আরো কিছু কথা বলি,,,
মনের আয়নায় সংগোপনে যার ছবি ভেসে ওঠে! 
সেই আয়নাটা ভেঙে গেলে চোখ দুটুতে বৃষ্টি নামে, বুকটা হয় অথৈয় পুকুর।
 বেনামী কষ্টগুলো আবার ভীড় জমায় জীবন জুড়েই।
 যার জন্য আজ আপনি কাঁদছেন, 
একটু কান্না থামিয়ে ঝাপসা চোখ মুছেই দেখুন— তার চোখে খেলা করে অন্য কোনো  সোনালী দুপুর।
 এই ঘটনা টাই আমার সাথে ঘটেছে। আর এই অবশাদ থেকে মুক্ত করতেই এই খানে মাঝেমধ্যে এসে চুপচাপ বসে থাকি। 
তবে সেই চুপ থাকা টাও আর হবে না।

তাই অপশন নয় কারোর জীবনের সঠিক ও একমাত্র মানুষটিই হয়ে উঠুন।  

প্রতারিত হয়ে জীবনকে থামিয়ে দিবেন না।
  বিশ্বাস ভেঙে গেলেই সবাইকে অবিশ্বাস করবেন না যেন।
 যেখান থেকে শেষ হলো সেখান থেকে আবার নতুন করে শুরু করুন।
 শুরু করতে গিয়ে অবশ্যই মনে রাখবেন— 
এই শহরে মুখের চাইতে মুখোশ বেশি।

তো,,পিসি,,,,

সরি,,,,,কি নাম তোমার ভুলে গেছি।
 ও,,,
সে যাইহোক,,, 
কি করে বুঝলেন এই উপকূলের দশা?
কি সুন্দর করে কথা বলেন আপনি??
অনেক কিছু মনে হচ্ছে,,,মনে হচ্ছিলো  আপনি আমার কপাল দেখে আমায় প্রেডিকশন করে বলছেন।  কি করে বুঝলেন আমিও ওই পরিস্থিতিতেই আছি।।

ভালো থাকবেন আজ চলি,,,কথা মতোই কথা হবে। 
আর হ্যা আমার ডাক  নাম,,,,,,

যদি আমি,,, কথা,,,,, বলে ডাকি?

বাঃ দারুণ তো? 
আমায় কেউ কোন দিন এতো সুন্দর নামে ডাকেনি,, 
 হ্যাঁ  হ্যাঁ  আপনি ওই নামেই ডাকবেন। 
 ডাকুন না এ,,,ক  এক বার!
 ডাকুন দেখি।

 কি বলে পিসি!!

দূর,,,, না না!! 
এই যে বললেন  এই মাত্র,,,, 
এইমাত্র কি নাম বললেন ডাকুন না আমায়
 ওই নামে,,,,,ডাকুন।। 

কথা,,,!!! 

হ্যা ,,, কথা,,,  যাও ফিরে যাও আবার  দেখা হবে। 

চুপ কথা

হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গিয়েছিলো সেদিন। 
তখন রাত প্রায় ৩ টে। 
বুঝতেই পারলাম বাইরে ঝড়ো বাতাস হচ্ছে।
যে বাসভবনে ছিলাম সেই দিন সেটা ২য় তলায় দক্ষিণ মুখি ঘর। 
বিছানা থেকে আস্তে করে উঠে সব কটা জানালা খুলে পর্দার কাপড় গুলো সরিয়ে দিলাম একে একে।

ঘরের বাতি গুলোয় আলো  নেই।
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। 
বোধহয় ঝড়ো বাতাসের জন্যেই হবে।

তবে রাস্তার ল্যাম্পপোষ্টের সরকারি আলো কিন্তু জ্বলছে।
আচ্ছাঃ
ওগুলো কিভাবে জ্বলছে?
যেভাবে জ্বলে জলুক তো!
এগুলো ভেবে সময় নষ্ট করবার মতো সময় কি আমার আছে?
আমি লিখতে বসেছিলাম  তিথির অতিথি... 
সেই সময় খেয়াল করে দেখি,,
তিথি  ঘুমাচ্ছে। 
ওমনি মাথায় ভুত চাপলো ওকে লুকিয়ে দেখার কি মজা,,,
চুপিচুপি জেগে জেগে ওকে লুকিয়ে দেখতে আমার বেশ লাগে।
জীবনের যতগুলো রাত সে আমায় দিয়েছে প্রতি রাতেই তাকে চুরি করে লুকিয়ে দেখার আনন্দ আমি পেয়েছি।
আমি চুপচাপ বসে আছি ওর পাশেই। 
একদম চুপচাপ!  
নিস্তব্ধতা আমায় গ্রাস করেছে নিরবতায় তার  নিষ্পাপ, মায়াবী! মুখের মায়ায় 
আহাঃ!

কথায় কি আর ওই রূপের বর্ণনা দেওয়া যায়?

ওমন কোনো ব্যাখ্যা কি কেউ করতে পেরেছে আজও ?

তা দিয়ে আমার কি?
আমি কেন এ সব ভেবে সময় নষ্ট করছি??

আমি শুধু চুপিচুপি ওকে দেখতাম,,,,

ওর কপাল আর চুলে হাত বুলিয়ে দিতেই ,,,,

নিষ্পলক ওকে দেখে ওর মাঝে হারিয়ে যেতাম !
বারবার, প্রতিবার,,,,

বৃষ্টি শুরু হয়েছে এরমধ্যেই।
 মেঘের গর্জন টাও বেশ জোরালো। 
বৃষ্টির ছাঁট আসছে বাতাসে। 
ঘর টার পরিবেশ মূহুর্তের মধ্যে বদলে গেল। 
এখন আর ওর পছন্দের স্ট্রবেরির গন্ধ নেই।

ভাবছিলাম  তিথি কে কি ডাকবো?
যদি ও জানে আমি জেগে ছিলাম বৃষ্টির সময়,
আর ওকে ডাকিনি! 
তবে আমার নাজেহাল অবস্থা করবে নিশ্চিত।

 কিন্তু  তবে যে আমরা  ওকে লুকিয়ে দেখার ইচ্ছে বিসর্জন দিতে হবে! 
কি যে করি ভেবেই পাচ্ছিলাম না!  
ইতি মধ্যে খেয়াল হলো তিথির  চোখের দিকে।  ঘুমের মধ্যে চোখের মনি চলছে এপাশ থেকে ওপাশ। 
মুচকি হাসি ফুটে উঠেছে ওর ঠোঁটে।
বুঝলাম  স্বপ্ন দেখছে তিথি,,,,

কি!  জানি কি স্বপ্নে বিভোর তিনি? 
যে স্বপ্নেই থাকুন আপনি আপনার এই হাসি আমায় মুগ্ধতা দিয়েছে। 

আমি  তোমার এতটা মায়াভরা হাসির কোথাও?  আদৌ আমি আছি?
নাকি অন্যকেউ?
নাঃ এসব ভাবতে নেই। 
সে তার সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে আমায়। 

প্রশ্ন আসে,,,
ওই! যদি ছুঁয়ে দিই তোর ঠোঁট?
চোখ ভাঙা ঘুমে ভালোবাসবি? 
প্রচন্ড?
তিথি   ,,,, ওই!!! 
ওঠ! দেখ, 
বৃষ্টি হচ্ছে!
ভিজবি?

সব ইচ্ছে পূর্নতা পায় না


আজ আকাশ টা বড্ড একঘেয়ে লাগছে।
সেখানে  না আছে ঝড় না আছে বাতাস।
চারিদিক শুধু চেনা খুব চেনা একটা হাহাকার। 
মনে হচ্ছে  এই বিতৃষ্ণায় এই পৃথিবী টা যুগের পর যুগ কাটিয়ে মরুভূমিতে পরিনত আজ।

আজ,, আমার যে  এক আকাশ সমান ইচ্ছে গুলো ছিলো! 
  আছে সব ইচ্ছেই এখনো আছে জীবন্ত। 
নেই শুধু ইচ্ছে প্রকাশের সেই প্রত্যয়।
সব ইচ্ছে গুলো অপুর্নতায় ঘেরা।

একদিন,, 
ইচ্ছে ছিলো দু-জনের চাওয়া গুলো  পূরণ হোক, 

অথচ পূর্নতা  পেয়েছে একজনের ইচ্ছে, 
আর অপূর্ণ রয়েছে একজন।
কেউ খোজ রাখেনি তার।


তাই!!

অপূর্ণই  রয়ে গেলাম আমি,
পূর্ণতা পেলে তুমি!  বাঃ চমৎকার!
ভালো থেকো জীবনের পূর্ণতায়।


আমি না হয়  মেনেই  নিলাম,, 
কিছু কিছু ইচ্ছে অপূর্ণই থেকে যায়,
সবার সব ইচ্ছে পূর্ণতা পায় না।


শুধু সময়ের অপেক্ষা....

সময় কি সুন্দর করে বদলায়!

আজকে যার লেট করে মেসেজ সীন করার ব্যাপার টা  মন খারাপ করিয়ে দেয়,
একটা সময় আসবে যখন মাসেও তার কথা একবারো মনে পড়বে না!

যেই প্রিয় মানুষ  টার 'চেঞ্জ' হয়ে যাওয়াটা মেনে নিতে না পেরে কান্না চলে আসে,
এক সময় সেই মানুষ  টআর জন্য আর কোন ফিলিংস ই কাজ করবে না! 
কেউ 'ঠকালে' নিজের কাছে খারাপ লাগে।
খুব খারাপ লাগে। প্রকাশ করার উপায় থাকে না! 
মুখ বজে  সব মেনে নিতে হয়।
অভিনয় করে চলতে হয়।
কারণ  মানুষ টাকে ভালোবেসে ঠকে গিয়েছি।

এমন একটা সময় হবে  কেউ ঠকালে আর কোন 'ফিলিংস' ই কাজ করবেনা!

বদলে যাওয়া সময় টা নিজের বোকামির জন্য নিজেই হাসি আর বল 'কি বোকামি টাই না করেছিলাম হাহা!'

কারো জন্য থাকা,,, 
তুমুল,, আবেগ,টান,মায়া,অভিমান,অভিযোগ সব কিছুই এক সময় চেঞ্জ হবে! 
আবেগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে! 
আসবেই! 
শুধু সময়ের অপেক্ষা!!!....

শুধুই আমার ছিলো ইচ্ছে গুলো,,

 জীবনে আমার ব্যক্তিগত কিছু চাওয়া ছিলো,, নাঃ এখনো আছে বইকি। আছে । 
আমি আমার ইচ্ছা বা চাওয়া গুলো কারো সামনে কোন দিন  খোলাসা করিনি। এমন কি প্রিয় মানুষ টার কাছেও না। এই ভয়ে যদি কথা গুলো মজার ছলে নিয়ে উড়িয়ে দেয় খোলা আকাশে।  তবে! আমি আর ধরতে পারবো না ।
 পূরণ হলে ভালো, না হলে বুঝে নেবো একদিন ওই চাওয়া গুলো  আমার জন্য অনুচিৎ ছিল। 
সত্যিই ওই চাওয়া গুলো আমার জন্য একদম অনুচিৎ ছিলো। 

আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছার মধ্যে একজন মানুষও ছিলো। খুব শখ ছিলো জীবনে  তার সাথে এই  জীবন পার করার। 
আসলেই ইচ্ছা টা আমার ব্যক্তিগত ছিল।
শুধুই আমার ছিলো ইচ্ছে গুলো।
 তার আর আমাদের  দুজনের ইচ্ছা হলে হয়ত পূরণ হলেও হয়ে যেত। 
আসলে এই ব্যপার গুলো ব্যাখ্যা আমি করতে পারি না। 
কেউ ব্যাখ্যা করলে আমি বুঝিও না। 
কীভাবে মিথ্যার জাল দিয়ে বোনা স্বপ্ন গুলো এতো মজবুদ হয়, 
সেই জাল ছিড়ে স্বপ্ন গুলোকে মুক্ত করতে অনেক মূল্য দিতে হয়। 

এখন আমার , আমার ডায়েরী, আমার কাব্য  সব কিছুই শুধু আমার। 
তার জীবনে যেমন আমি অস্তিত্বহীন, 
 আমার ব্যক্তিগত সব চাওয়া থেকে স্বপ্ন বিসর্জনের মূল্যে তাকে মুক্তিতো  একদিন দিতেই হবে। 
তবে সত্যিই কোনদিন মন থেকে মুছে ফেলতে পারবো না।
যেমন টা সে করতে পেরেছে। 

পাষাণ মানুষ

অভিযোগ গুলা ক্যেরেই বা  কমু !!
আইজ আমার সত্যিই কি পরিস্থিতি। 
কোথায় আইসা থামলাম।! 
অচেনা!  
অচেনা পুরো পৃথিবী টাই আমার কাছে। 
বিবেকের কাছে দুই চাইরটা প্রশ্ন ওঠে,,, 

আমারে কেন চাইলা না?

আমারে তোমার জীবনে চাইলে কি,
খুব বেশি ক্ষতি হইতো?

আমারে লইয়া আশা দেখলা না কেন?

আমার জীবনে তুমি আশার আলো,
হইয়া আইলে কি তোমার খুব ক্ষতি হইতো?

তুমি এমন কইরা পর হইয়া গেলা কেন?

একটুখানি আপন থাকতে পারলা না?
 একটুখানি আপন! 

আমি ওই নিয়াই   থাকতাম।  
আমি তো কবেই কইছিলাম আমার নাম টা না হয় দ্বিতীয়তেই থাকবে। 
আমার তাতেও অভিযোগ থাকবে না।

শুধু তুমি আমার কাছে থাকবে। 
 এই তো এইটুকু চাওয়া ছিলো আমার!! 

মন কয় তোমার কাছেই যাই,
তোমারে একটা বার ছুঁইয়া দেখি।

তোমায় দেখতে দেখতে হারাইয়া  যাই
তোমার গভীরতায়। 
কেউ ডাকবে না। আমি খুব শান্তি পাইতাম তবে।
স্বার্থক হইতো স্বপ্ন গুলো,,,

কিন্তু,, আজ  বিবেক কইয়া ওঠে ,,,,, 
 

পাষাণের কাছে যাইতে নাই,

দূরেই ভালো আছি হয়তো... 

পাষাণ মানুষ দূর থাইকাই সুন্দর। 

শুনেছি!!

শুনেছি! 

ভালোবাসলে মানুষ খুঁজতে শুরু করে ভালো থাকার উপায়ন্তর। স্বপ্নের দেশ সাজায় কল্পনা দিয়ে।
তোমাকে ভালোবেসেছি,
ভালো থাকার জন্য হলেও আমার তোমাকেই চাই প্রিয়।।
তুমি কী জানো? প্রিয়!! 
মোহ অনেকটা ফুলের মতো হয়,
সুগন্ধ ভরিয়ে এক বেলায় আসে; 
পরের বেলায় নিঃশেষ হয়ে যায়
 অনাদরে আর অবহেলায়।

আর আমার সাথেও তুমি তাই করেছো,,,

মোহে নয়, তুমি মিশে আছো আমার নিয়মে।
মিশে আছো আমার শুন্যতায়। 
তুমিই আমার প্রত্যয়।।

যাকে বাঁচিয়ে রাখতে পারি সমস্ত জল্পনা-কল্পনা দিয়ে। 

রাজা রামমোহন রায়🙏🙏

250 birth anniversary .. রাজা রামমোহন রায় , কলকাতা থেকে আটহাজার কিলোমিটার অপেক্ষা বেশি দূরে ব্রিস্টলে আরনস-ভ্যালে কবরে শায়িত এই বাঙালিকে আমরা কে না চিনি , সতীদাহ প্রথা রদ করেছেন ! ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা !! এগুলো সবাই জানে !! 
চলো অন্য কিছু বলি , মানুষ টা শুধু বাংলার গর্ব নয় , ভারতবর্ষের গর্ব ! ভারতের নবজাগরণের জনক !! ভারতের প্রথম সাংবাদিক ও তাকেই বলা যায় ! যে পত্রিকাটিকে আমরা হিকির গেজেট নামে ইতিহাসে পড়েছি , সেই গেজেট পত্রিকা বলো কিম্বা বাংলায় লেখা "সংবাদ কৌমুদি" , কিম্বা পার্সি ভাষায় "মিরাতুল আকবর"  সবই তার হাত ধরে !!
প্রেসিডেন্সি কলেজ ( আগে হিন্দু কলেজ ) , বেদান্ত কলেজ ( এখন স্কটিশ চার্চ কলেজ ) কিম্বা এংলো-হিন্দু স্কুল সবে তেই তার নাম জড়িয়ে... 

যদি মানুষ টা এখনো বেঁচে থাকতেন ,তবে তাকে জীবন্ত "U Dictionary " বললে ভুল হতোনা ... 
সংস্কৃত , ল্যাটিন , হিব্রু ,পার্সিয়ান , আরাবিক , গ্রিক  সব ভাষা জানতেন ! ওই সময় 22 বছর বয়সে ইংরেজি শিখেছিলেন !  

এক ঈশ্বরে বিশ্বাসী ! বেদ ,উপনিষদ বাংলা হিন্দিতে Translate করেছিলেন !  ধর্মের জটিলতাকে সহজ করতে চেয়েছিলেন ! 

1830 এ সতীদাহ রদের দাবি নিয়ে ইংল্যান্ড গেলেন , 1833 এ মেনিনজাইটিস এ আক্রান্ত হয়ে স্টেপল্টনে চির বিদায় নিলেন !! 

1997 এ , ব্রিস্টলে তাকে উৎসর্গ করে একটি মূর্তি বানানো হয় , ওখানে দাঁড়িয়ে দূর থেকে ভারতবর্ষ দেখেন রাজা .... 

মানুষ টির 250 তম জন্ম বার্ষিকী  ! জন্মতিথির প্রনাম রাজা  🙏
.
.

সংগৃহীত 

আসলেই তুমি তাই!

ওরে আপন চিনলি না!
চিনলি না! তোর মায়া!
চিনলি না তোর ভালোবাসা।। 
চিনলি না তোর তোকেই!

এবার ভাব তুই কেমন! 
হ্যাঁ সত্যিই তুই এমন।। 
ঠিক আমায় দেখছিস যেমন!
আমি ছিলাম না তো এমন।।
আসলেই তু...ই.... ....এ......ম....ন....।

আমি তো ছিলাম ডানা মেলা চিল,,,
আমিতো ছিলাম খুল্লাম খুল দিল।।
আমি তো ছিলাম মুক্ত ধরায়
মুক্ত একটা ম....নে.....র 
সামান্য এক পথিক। 

তারে কেমন করে জানাও তবে ধিক!!

আসলেই তুমিই.... তাই,,,,,


চিনবি কেমনে আসলেই তো এই কপাল পোড়ার কপালটাই বিধাতা কোন খেয়ালে লিখেছেন কেউই জানে না।  
শুধু ও নিজেই জানে নিজেকে।  তবে সব থেকে বড়ো সমস্যা ও নিজেকে যেটা দেখায় আসলেই ও তা নয়। ফলে কি হয়? অধিকাংশ মানুষ ভুল বোঝে আর বাঁধে গন্ডগোল। 

আমার থেকে বড় আপন তোমার কেউ থাকতেই পারে না।থাকবেই বা কেন? আমি তো কবেই নিজেকে সপে দিয়ে প্রভুত্ব নিয়েছি তোমার। 

তবে আমি তো নেই। হ্যাঁ আমি তো নেই। 

এটাই তো তুমি!  এটাই তোমার মায়া,,
এই যে দিন ভর বলে গেলাম তুমি কতো পাষাণ প্রিয়।। 
, নিজের প্রতিবিম্ব দেখে ভয় পেয়ে মুখ লুকিয়ে আছো। কেন!  কেন? 

 এই ভাবে তো সে আসেনি তোমার কাছে। 
সে তো এসেছিল ডানা মেলা একটা চিল। 
উড়ে বেড়াত আকাশে বুক চিড়ে,,,মেঘের দেশে। 
স্বপ্নের দেশে সে স্বপ্ন দেখতো না।

তারপর যখন উড়ে এসে জুড়ে বসলো তোমার কোলে,,,
তাকে দিলে ঠাই দিলে। দিলে ভালোবাসার স্বাদ। শেখালে প্রেম।  ধরালে নেশা। নেশায় যখন উন্মাদ ঠিক তখনই বাধলো গন্ডগোল।। 

 এখন  সে স্বপ্ন দেখে,,,সে। স্বপ্ন দেখে আর আকাশে নয়!মাটিতেই থাকবে। 
থাকবে ওই যেখানে উড়ে এসে জুড়ে বসে ছিলো।  আর এই টাই সে আজ স্বপ্ন দেখে। 

ভুলে গেছে  ডানা মেলার কৌশল।  
ভুলে গেছে বাতাসের বুক চিড়ে ভেসে যাওয়ার দক্ষতা।  
একটু নয় বড্ডো কূড়েমিতে ধরেছে। 
 ছাড়তেই চায় না তোর সঙ্গ। 
তোর সাথে থাকতে থাকতে হয়ে উঠেছে ঠিক তোর মতোই। 
 যেমনটা তুই তৈরি করেছিস।
 হ্যাঁ এমন টা তুই তৈরি করেছিস।  হ্যাঁ  তুই।।

কি হতো যদি একটু  ভালোবাসা দিয়ে গড়তি!!??

কি হতো যদি আরো আদর করে যত্ন দিতি।।?

আমিও তো তবে অবহেলার অভিযোগ করতাম না।
আমিও তবে নিজেকে এ-তো টা এলোমেলো করে ছিটিয়ে দিতাম না।। 
সব টাই তো দিয়েছিলাম।  সব টাই! 
 কেন তবে কিছুটা নিয়ে আমায় দিতে হলো অন্য কাউকে।
 হ্যাঁ তোর অবহেলার অভিযোগ গুলো তারকাছে গুছিয়ে রাখতেই তাকে আমি অনুরোধ জানিয়েছি।

 আর সে কথা দিয়েছে খুব যত্নে   রাখবে।  

কেন হলো এমন?  কেন?
 সবটাই তোকে দেওয়ার পরেও কেন এমন হলো? 

 কার দোষ?  
ওর তো আজ প্রত্যয় তুই,,,,তবে কে দোষী?  

হ্যাঁ  তুই।

অভিমান নয় এ,, আসলেই সব মিছে।
ভালোবাসো জানি,, হ্যাঁ জানি,,,
আমি কোথাযাই তব পিছে?।। 

উপেক্ষা

উপহাস তারাই করে,যারা নিজে কিছু করতে পারে না এবং অন্যকেও কিছু করতে দিতে চায় না।

যেটা নিজে পারছে না সেটা অন্য কেউ করলে তাদের মনের ভেতর একপ্রকার হিংসের সৃষ্টি হয়।যা ধীরে ধীরে এলার্জির মতো রূপ ধারণ করে ফেলে।তখন তাকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য অন্য কোনো পন্থা খুঁজে না পেয়ে তাকে অথবা তার কাজকে নিয়ে উপহাস করা শুরু করে দেয়।

যাতে করে মানুষটা উপহাসিত হয়ে পেছনের দিকে পিছিয়ে যেতে থাকে। অর্থাৎ মানুষটা যাতে তাকে টপকিয়ে উপরে উঠতে না পারে।

যারা বোকা তারা এই ধরণের লোকদের কাছে উপহাসিত হয়ে পেছনের দিকেই ধাবিত হতে থাকে,আর যারা চালাক তারা শত উপহাস উপেক্ষা করে ঠিকই নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যায়।

এ যুগে ও সব ভাবলে চলবে না।  লোকে কি বলবে? না ওটাই ওদের কাজ।  
আপনারা কাজ যত্নের সাথে এগিয়ে চলা মনোযোগ দিয়ে শ্রদ্ধাশীল চিত্তে নিজের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। 

মানুষ যদি আপনার কাজ দেখে হাসে,তবে বুঝে নেবেন আপনি সঠিক পথেই এগোচ্ছেন। সুতরাং হাসি দেখে লজ্জিত হয়ে সেই কাজ বাদ দিয়ে কখনোই চুপ করে বসে থাকবেন না।

কারো কথায় কান না দিয়ে নিজের মতো করে করে চলুন, সফলতা আপনাকে নিজেই এসে ধরা দিয়ে যাবে।


উপহাস কে উপেক্ষা করে চলার পথই দেখাবে জীবনের  সাফল্য, জীবনের মার্গ। 

তবুও তোমরা ভালো থেকো

ভালো থেকো...
তোমাদের এই শহরে আমি হয়তো আর ফিরে আসবো না,

তোমাদের এই রঙিন দেয়ালে আমার নোংরা হাতে 
ভালোবাসি বলে আর কখনো ভালোবাসি লিখবো না ।
 ভালো থেকো,,,,খুব  ভালো থেকো। 

তোমরা ভালো থেকো...
আমায় নিয়ে অকারণে তোমাদের আর ভাবতে হবে না, কেনই বা ভাববে এই মূল্যহীন মানুষ টার স্বপ্ন নিয়ে। না কোন লাভ নেই তাতে। একদম ঠিক।

তোমাদের মন খারাপে সান্ত্বনা দেয়ার জন্যও আমাকে আর পাবে না-
আমাকে আর পাবে না তোমাদের হাসির ভিড়ে।
আমি থাকতে চেয়েছিলাম  দেখতে পেলাম আমি শুধু উপহাস, উপেক্ষা, অবহেলা ছাড়া কিছুই পাইনি। 

আমি হারিয়ে যাবো দূরে বহুদূরে
আর কখনো ফিরবো না তোমাদের মাঝে। 
যে স্বপ্ন গুলো  বুনেছিলাম  সব একটা  পুটলি করে ছুড়ে ফেলবো  খরস্রোতা নদিতে।  তারপর!  
তারপর  আবার  নিজেকে নিয়েই থাকবো।

ভালো থেকো...
আমি চলে যাচ্ছি একবুক অভিমান নিয়ে
চলে যাচ্ছি সেখানে,যেখানে আপন কেউ।। 
নেই অভিমান করার কেউ! 
নেই কষ্ট দেবার কেউ নেই।

আমি হারিয়ে যাই, মরণে মিশে যাই
দু'চোখের জলে ভেসে যাই!  
কখনো বলবো না! 
কখনোই  আমি বলবো না তোমাদের কেউ ছিলাম,
তোমরা আমার কেউ ছিলে। ভুলে যাবো।
  ভুলে যেতেই হবে। 

তবুও.... তোমরা ভালো থেকো। 

সঙ্গী

 সঙ্গী ...


তোমার থেকে আমিও একদিন হারিয়ে যাবো
ওইযে সেই সব পেয়েছির দেশে।
আগের যাত্রি সবাই  থাকবে এগিয়ে
আমি নয় থাকবো সবার শেষেই!
তুমি!  সেই দূর থেকে, কি  আমায় দেখতে পারবে? 
নাঃ দেখতে পাবে না।

তবে আমি তোমার গন্ধ পাবো,,
সহস্র জনস্রোতের  ভিড়েও।
একটু কান পাতলেই  শুনতে পাবে,
আমার শেষ নিশ্বাসের আর্তনাদ। 
প্রিয়,,, 
তবুও একটি বার দেখতে চাইবো তোমায়, যদি সুযোগ পাই তবে ওই সেই দিনের মতোই ছুটে আসবো মৃত্যু কে জয় করে। 
শুধু তোমার প্রতি মায়ায়, ভালোবাসার টানে।
ভালোবাসার টানে যদি কোলাহল হয় স্তব্ধ।

মৃত্যুর মধ্যেও , চির অন্ধকারে,
আমি শুয়ে একা, শেষ ঘুম আমার সঙ্গী।
কতো  মানুষের দেখা,, তুমিও দেখো বিভোর হয়ে,
এই মুঃখ খানি চির তরের শেষ দেখা।

যদি কখনো মনে পড়ে যায়
সস্তায় বিলানো এই অভিশপ্ত অতীত,
চলে এসো আমার কল্পনার দুনিয়ায় ,,,

কথা কব দুজনে, অন্তরের ভাষায়,
চোখে থাকুক জল, 
অন্তর জেগে  থাকুক সেই আসায়।

আমি তোমার হতে চাই।।

আচ্ছা!!
আছে নাকি! 
ভালোবাসায় কোন বিরাম!
আমার তো মনে হয়,,,
ভালোবাসায় কোনো বিরামচিহ্ন নেই।
নেই,,কোন  থেমে যাওয়া,,, নেই কোন স্তব্ধতার  অবকাশ , থাকতে নেই দ্বিধা। 
 থাকলে  মন ছোট হয়ে আসবে।
 তখন কেউ আর প্রেমিক বলবে না।

তার কোলে  একটু মাথা রাখার  ঠাঁই হবে ?
এমন প্রশ্নে  সংকোচন চাইবে না কোন পুরুষ ।

হুটহাট তোমার হাত ধরার অধিকার আমার আছে,
এক কাপ চায়ে তুমিই  আধটা খেয়ে ফেলে দিও না,
আমিও যে তার অংশীদার। 

তোমার ভেজা চোখে  যদি আমার চোখ না যায়,
তবে তোমার প্রেমিক  আমি না।

তোমার অস্থিরতা, চোখের চিন্তা,   আমি সবকিছুই  দেখি,,,

আমি তোমার বসন্ত হতে চাই, 
 নিজেকে আবীরের   মতো  ছড়িয়ে ছিটিয়ে উবিয়ে দিতেই।
আমি তোমার শরৎতের বিকেল হতে চাই,  
কাক ভেজা বর্ষার সন্ধ্যা হতে চাই।  এই যে একটু সময় দিয়েই শুধু বলো বাড়ি যাবো,,বাড়ি যাবো,,আমি চাই  তোমার বাড়ি ফেরার তাড়া থাকবে না, একদিন।  

আমি ইমশোন চাই না,আমি বাস্তবতা চাই।

তোমার ভেজা চোখ দেখতে চাই, আর সেই চোখ নিজের হাতে মুছিয়ে দিয়ে বুকে টেনে বলতে চাই এই পাগলী কাঁদবি না। 
তুমি আড়াল করে কেনো কাঁদবে,?
আমি তোমার আকাশ হতে চাই।
এই বিরামচিহ্ন শহরে,আমি কখনো থমকে যেতে চাই না, কোনো প্রশ্ন চাই না প্রিয়। 
আমি চাই তোমার বিশ্বস্ত ভালোবাসা,, 
আমার হৃদয়ে রাখা আছে তোমার সম্মান,, এই তুমিই আমার অহংকার।  
আমি তাই নিয়েই
আমি তোমার হতে চাই।

শেষ বিকেলের মেঘে ঢাকা নীল আকাশ

 আমাদের আবার দেখা হবে কি না! 

জানি না!! 

যদি ফেরে নতুন কোন অধ্যায়ে! 

যদি সত্যিই ফেরে সেই দিন!!

 আবার হারাবো তোমার একটা হাসিতেই।

 আমি তো ওই হাসি তেই নিজেকে কাঙ্গাল করেছি।

 হয়তো সেদিনও আত্মহারা হয়ে তোমাতেই  হারাবো আমি।  

তবে! যদি সত্যিই আমি হারিয়ে যাই।


থাকবে না  কোন আমার পিছুটান। 

 থাকবেনা কোন মায়াজাল,,, 

তবুও মনে পড়বে তোমার,, এই পাগোল টার কথা।

 হ্যা মনে পড়বে আজকের দিনটিকে,, ম নে পড়ে যাবে!  আমাকে দেখার প্রথম দিনটিকে

কতই না  সুন্দর করে  চেয়ে থেকেছি তোমার প্রানে,,,,

 শুধু একটু ভালোবাসা পাওয়ার লোভে।


এই,,,
সবকিছু ফেলে দিয়ে
আজ আমি অনেক দূর,,,,


কখনও ভাবিনি যে তোমাকে আমি পাবোনা। 

নাঃ আমি ভাবিনি তোমাকে আমি পাবো না। 

আমিতো! আমি   উল্টো ভাবতাম,,, 

 ভাবতাম এই জন্যই হয়তো এতোটা অপেক্ষা করেছি। এতটা পথ একা চলেছি।

 ঠিক সাধকের মতো। 

 হ্যাঁ সত্যিই সাধকের মতো।  

প্রিয়,,  তোমাকে গ্রহণ করা মানে নিজের কাছেই নিজে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। আর সেই জন্যই বলেছি আমি জীবন বাজি রেখে তোমার কাছে এসেছি। নাঃ ফেরার পথ নেই। 


ভাবতে গেলে শুধু হয়তো আমার কষ্টটাই বাড়ে।


এখনও আমি তোমাকে নিয়ে বাচাঁর স্বপ্ন দেখি,,,
সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত মধ্যোখানে কেটে গেলো
যে সামান্য গোটা কয়েক দিন! তোমাকে ভুলিনি এক মিনিটের জন্যও,,,  আর ভুলতেও পারবোনা।।


তোমাকে যে ভালোবেসেছি!! প্রিয়!!  তোমাকে নিজের স্বপ্নের কাণ্ডারী করে ভাসতে চেয়েছি জীবনের বাকিটা পথ। 

এতো যত্ন করে তোমায় ভালোবেসে উপেক্ষা, অবহেলা, অপমান, আর নিজেকে শুধু ছোট করে দেখিয়েছি আমার পুরো দুনিয়ায় জুড়ে। 

বলতে পারবে!

 একদিন!

 তুমি আমায় উপেক্ষা করোনি এমন একদিন?  

না পারবে না,,,,,,


হৃদয়ের মাঝখান রেখেছিলাম তোমায় প্রিয়,, 

আর সেখান  থেকে যখন মন  চাইতো   তোমার
সাথে  দেখা হতো,,

এই রকম কল্পনায় তোমায় হৃদপিণ্ডের মধ্যে গ্রহণ করে ছিলাম।   শুধু পাগোল বলেই হয়তো সম্ভব হয়েছে।  সাধারণ মানুষ পারবে না। কারণ নিজের জন্য কিচ্ছু রাখিনি।  জীবনের সম্পুর্নতায় শুধু তোমায় রেখেছি। পাগলের মতো ভালোবেসেছি।

শেষ সম্বলের মতো আঁকড়ে ধরতেই তুমি  নিজেকে সরিয়ে নিয়েছো,,আমি আরো এগিয়েছি তোমায় ধরা দিতে।  আর আজ আর ফেরার পথ নেই। 

সেই তুমি টাই যদি হারিয়ে যাও! 

আমি কি নিয়ে আর থাকবো? 



বেচেঁ থাকলে তোমার সাথে
আবার  দেখা হবে প্রিয়,,,,

ওই,,,শেষ বিকেলের মেঘে ঢাকা নীল আকাশে 

ছুটে  চলা সাদা কৈতরের হাহাকারে,,,,  

ফিরে যেতেই হবে ঘরে! 

এই বাসনায় এখনো ভাবি 

প্রিয় আবার দেখা হবে।।

আবার দেখা হবে প্রিয়!!

হারিয়েছি  তো তোমার কাছেই!! 

তোমার থেকে হারানোর ভয় পাই না। 

আমি বিশ্বাস করি,,,

তুমিও আমায় ভালোবাসো,,,

তাতে যতো ঘৃণাই করো না কেন,, 

নীল,,, তোমার  ঘৃনীতঃ ভালোবাসা,,  

আর ভালোবাসা মানুষ ভুলতে পারে না।

 কি করে ভুলবে আমায়?? পারবে??

পারেবে না!!"

ভয় পাই শুধু তোমাকে হারানোর ,,, 

নাঃ  আমি পারবো না! 

আমিঃ হ্যাঁ আমি পারবো না,,
 তোমাকে হারাতে! 

তাতে যাইহোক,,,
 হ্যা তাতে যাইহোক  প্রিয়!!  

আমি তোমাকে হারাতে পারবো!! না!!

জীবন টা তো তোমার পায়ে কবেই জলাঞ্জলি দিয়েছি! 
সেকি!  বোঝো না? 

না কি তেমন ভাবতেই পারো না?

কি আছে আজ নিজের বলে??
নাঃ কিচ্ছুটি নেই।

হ্যাঁ  কিচ্ছুই নেই আজ আমার।
 আমি আমার মনে বিন্দুমাত্র নিজের জন্য কিছুই রাখিনি।

সব টা দিয়ে আমি ভালোবেসেছিলাম তোমায়!
হ্যাঁ  বিশ্বাস করো,,,তোমায়,,, 

আজ আমি নিঃস্ব,,,,কিছুই নেই নিজের বলে!!

 যা,,কিছু তুমি নিয়ে ছিলে আস্বাস দিয়ে রাখবে। 

 নিজের কাছে নিজের মতোই রাখবে।
 
আর আমি উন্মাদ হয়ে তোমায় উজাড় করে ভালোবেসে ফেলেছি পাগোলের মতো। 

আমার এই ভাবনা টাই হয়তো সব থেকে বড়ো ভুল ছিলো। 

ভুল ছিলো আমার স্বপ্ন দেখার। 

 ভুল ছিলো নিজের অন্তরআত্মায় তোমাকে ঠাই দেওয়া। 

ভুল ছিলো তোমাকে নিজের সব থেকে আপন মানুষ ভেবে,, সেই মানুষ টার কাছে নিজেকে দেউলিয়া  করা,,, 
এতোটা সস্তা করে নিজেকে তোমার কাছে তুলে ধরা যে আমি মূল্যহীন,,  
আসলেই এই গুলো ভুল ছিলো আমার। 

 তাই  এই ভাবে ভূলের পর ভুল করে প্রথমে ঘাবড়ে যাই নিজেকে দেখে। 
তারপর সিদ্ধান্ত নেই হ্যা তোমার কাছেই থাকবো।

 তাই জীবনের সব থেকে বড় বিষয় থেকে নিজেকে তুলে এনেও ফেলেছি তোমার পায়ে। 

কেঁদেছি এই বলে প্রিয় আমায়  বিস্বাসের আসনে বসিয়ে একটু ভালোবাসা দাও। 
আমি আর কিচ্ছু চাই না। 

আমি এই বিস্বস্ত ভালোবাসার কাঙাল। 

তাতে তোমার কিচ্ছুই না।
 তাতে তোমার কিচ্ছু যায় আসে নাঃ,,,

কেন?  হবে!  


সত্যিই তো!!

আর সেই জন্যই আজ আমি নিজেকে সপে দিয়ে।  উন্মাদ হয়ে তোমার অপেক্ষায়। 

থাকবো! প্রিয়!!! 

 আমি অপেক্ষায় থাকবো সেই দিন পর্যন্ত যতোক্ষণ চলে এই শরির টায় তোমার নামের নিশ্বাস।।। 

হ্যাঁ তোমার নামের নিশ্বাস!!! 

থাকবো! প্রিয়!!  

আমি অপেক্ষায় থাকবো,,,,

তুমি শুধু আমার ভুল গুলোই দেখলে!!? 

দেখলে না!  আমার ভালোবাসা!!? 

নাঃ তার মূল্য নেই তাঁ তো নয়!

অবশ্যই আছে।

তোমার কাছেও আছে আর আমি তা বিশ্বাস করি! এখনো,,,,, 

আর সেই জন্যই শুধু এখনই নয় ভবিষ্যতেও থাকবো। অপেক্ষায়!!! তোমার।।। 

হ্যাঁ তোমার অবহেলা নিয়েই থাকবো,,,,
তোমার অপেক্ষায়!! 

শুধু সেই অধিকার টা নিয়ে বাচতে দিও,,,,প্রিয়। 

আমি স্বপ্ন গুলো একদিন ফুলের মতো উপহার দিয়ে যাবো তোমায়। 

তারপর যদি মানুষ হয়ে ফিরি!!

 হয়তো দেখা আবার হবে!!!

আর সেই কথাই দিয়ে যাবো........ 

তোমার অভাব,,,

তোমার অভাব বোধহচ্ছে খুব খুব। সেই সকাল থেকে শুরু এ-ই অভাব।  কি করবো বলো?
সেই থেকেই মেঘলা আকাশ, প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে আমার আকাশ জুড়ে। 
থেমে থেমে নেমে আসছে পশলা পশলা বৃষ্টি বিদ্যুৎ সহ,,,,। 
আমি আজ ভাবনার উর্ধে গিয়ে কিছুই খুঁজে পাই না তোমায় ছাড়া,,,,,, 

এমন  এক সময় আমার খুব মন খারাপ হয়, জানো প্রিয়???

ইচ্ছে হয়, দূরে কোথাও চলে যাই।
আর ফিরে আসবো না কোনদিন। 

নিজেকে প্রচন্ড ব্যর্থ মনে হচ্ছে আজ, প্রচন্ড!!

'আপনি','তুমি'কিম্বা কোনো এক 'তুই' অভাব বোধ হচ্ছে প্রিয়!!! 

যদি তোমায় পেতাম আজ,,,বলতাম! ""
চলো, হেটে যাই,  একটু পথ,,,,যেখানে সেই বকুল ফুলের গাছের শারি,,,,হাওয়ায় ঝড়ে পড়া ফুল কূড়িয়ে তুলে দেবো তোমার হাতে,,,, 
তার পর রাস্তা পার হবে এই হাত  ধরে,,, 

আর সেই সময় বৃষ্টি নামবে,,, 
দিগন্ত থেকে দিগন্তে তুমি আর আমি  হাঁটতে।।
 তুমি,, আমার হাত ধরে,,,রাস্তা পার হবো প্রচন্ড বৃষ্টির মাঝেও।।
প্রিয়!! "

নাকি ফিরিয়ে দিতে? বিরক্তিভরা চোখে। বলতে যাও এখন।  ভালো লাগে না ওই সব।

ফিরিয়ে দাও, বিরক্ত হও;
'উফফফ' জ্বালাময়ী কন্ঠে যাই বলো,,,আমি কিন্তু 
সেই কথাই বলবো।
প্রিয়!  আমায় ভুল বুঝো না!!"


আমি তো শুধু দুজনে একাকী ভিজতে চেয়েছিলাম। ভেজাতে চেয়ে ছিলাম তোমার মন। তোমার প্রাণ।  তোমার তুমি কে। আমি তোমার সাথেই থাকতাম!!! 


ঝড়-ঝঞ্ঝার বৃষ্টিতেও ওই বকুল গাছের তলায় বসে গল্প জুড়ে দিতে চেয়েছিলাম।
 তোমার ভালোবসার,, তোমার গল্পই থাকতো,,,,

দুজনে কাকভেজা হয়ে কাঁপতে চেয়েছিলাম।
কোন এক বৃষ্টিতে,, অচেনা এক রাস্তায়। 

প্রকৃতিতে মিলতে চেয়েছিলাম, তোমায় নিয়ে।
তোমায় প্রকৃতি করে পুজা করতে চেয়েছিলাম। 

তারপর!!. 

জ্বর হলে বোধহয় ঘোরের মাঝে তোমায়ই খুঁজতাম,,,প্রিয়,,,  প্রিয়??? 


তুমি কি করতে, জানা হয়নি।
জানতেও চাই না। আর চাইবোও না।


বাস্তবে না ই বা থাকো,

শুধু কল্পনায় থেকো, স্বপ্নে থেকো।

ভাবনায় থেকো প্রিয়,,, 
আমার  কবিতার ছন্দে থেকো,,
আমার কলমের প্রতি শব্দে থেকো,,,
যৌনসুখে চাইনি তোমায়, প্রিয়!!! 

শুধু মৌন সুখেউ  থেকো!

একই সাথে নাইবা ভিজলে!

নাইবা হলো তোমায়  ছোঁয়া,  তোমার  হাত ছোঁয়া!

গল্প বলা , হারিয়ে যাওয়া; দিক থেকে দিগন্তে!

শুধু কোনো এক মন খারাপের রাতে,
আকাশ দেখে আমায় ভেবে,
একটু হেসে দিও।


প্রিয় ভালোবাসা নিও,,,,

মল্লিকা

দাদা,!! 
এই সিগারেট টা একটু ওই দিকে গিয়ে টানুন। 

এটা পাবলিক প্লেস অর্থাৎ ব্যক্তিগতভাবে আপনার জমিদারি নয়। 
এখানে সিগারেট টান বেন না।

যতো সব। বাজে লোক,,,,,

হাঃ  হাঃ হাঃ,,,কি বললে? 
আমি বাজে লোক? 

একি! এই পাশে আসছো কেন? 
ওই পাশে যাও,,,আমি এই খানে আমার এই চা য়ের ভাড় আর চাবি,, মোবাইল,, আর ব্যাগ টা রাখবো,,রোজ রাখি,, রাখবো,,,
যাও ওই দিকে।।
যাও,,,,

না  না  গাছের থেকে জল পড়ছে,,এই দেখো জামা টা ভিজে গিয়েছে,,, 

ওটা জল না,,,ওটা হনু মানের হিসি,,,

 তো! পিসির নাকে গন্ধ যাচ্ছে না?

কি?
পিসি? 
তো আর কি বলবো? 
একদম পিসি পিসি লাগে দেখতে তোমায়।

না না,, ওই পিসি না,,,

সবার বাড়িতে যেই পিসি থাকে,,,
আমি সেই বিশুদ্ধ পিসির কথা বলেছি।

পিসি,,তাও আবার বিশুদ্ধ!  

হ্যা কেন হবে না,,রাজ্য জুড়ে যদি কোন ডাক নাম নোংরা হয়,,তবে এই দিদি আর পিসি ডাক নাম টাইতো আমরা বদনাম করে ফেলেছি। 

বাঃ আপনি তো চমৎকার কথা বলেন দেখছি...

এই তো বললে আমি বাজে লোক,,
আবার আমার কথা চমৎকার হয়ে গেলো? 
কি আজব চিন্তা ভাবনা তোমার?  

আচ্ছা মাঝে ৩ দিন আর গতকাল আসেন নি কেন?

ওরে বাবা! আর?? 

আর,,আপনি কিব সব লেখেন বলেন দেখি খাতায়?  
হাতের লেখাও তো খুব ভালো না।
অতো দুই তিন রঙের পেন দিয়ে কি লেখেন খাতায়? 

আর??

আর তোমার নাম? কি নাম? 
ও!!! আর? 

ইডিয়েট,,, 

হু,,,,আর?

দুর!!! খালি,,আর,,আর,,,আর,,,

ঝাটামার কপালে।।।

আহাঃ,,রেগে যাচ্ছো কেন? 
আমি কি বলেছি উত্তর দেবো না।

আমি প্রশ্নের শেষ জানতে চেয়েছি,,,

তবে শোনো,,তোমার এই সব প্রশ্ন যদি আমার উনি কখনো জানে? 
আমার তবে খবর আছে। 
আমায় উঠতে বসতে কথা শোনাবে,,
যাও,, তোমার জন্য,,......
এই কি নাম তোমার?  
মল্লিকা,,,  
তোমার জন্য,, গঙ্গা ঘাটে মল্লিকা বসে আছে,,,,
যাও,, দেখা করে এসো,,,

ও,,তারমানে  প্রেম করো???

আপনে থেকে তুমি!!!

আপনি প্রেম করেন? 

হু,,,করি তো,,আমার ও একটা মনের মানুষ আছে,,
আমার প্রিয়,,, 
আর আমি তাকে পাগোলের মতো ভালোবাসি।

ও সব মিথ্যে বলছেন!!  

আমার তাতে বয়েই গেলো,,,তুমি কি বললে। 

হ্যা দেখি তো,,পাগোলের মতো ঘাটে এসে খাতা খুলে কি সব লেখো,, কে দেখলো কি বললো কোন হূস থাকে না তোমার!!! "

আহাঃ,,আবার  তুমি????

আমার প্রিয়,,,   সত্যিই এই সব সহ্য করবে না। 
আমার নাম নীল,,,  

আমি এই ঘাটে প্রতিদিন এই সময় আসি,,বসি,,চা,, সিগারেট,, খাই,,,তারপর.... 

আমি বলি,,,খাতা কলম  দিয়ে খাতায় আলপনা দিয়ে খৈনি ডলে মুখে দিয়ে,,, এর মধ্যে যদি কেউ ফোন করে ফোন গুলো কেটে দাও,,,তাদের ফোন করে কি সব বলো,,, কখনো,, বউদি,,,কাকি মা,,মাসি মা,,মোটাভাই,,, আচ্ছা ঝিঁঝিঁ পোকা টা কে? 

আমায় বলতে দাও বলছি,,
তোমার তো প্রশ্নের শেষ নেই দেখছি,, 
আমি স্ট্যান্ডার্ড ভিখারি,, 
দুয়ারে বিজয় প্রকল্পের কাজ করি,,,
কে কি দিলো,,,দিলো না,,,
কবে দেবে 
সেই তথ্য খাতায়  তুলে রাখি,,
আর এই আমার পেশা। 

আর ঝিঁঝিঁ পোকা,, 
ও আমার  সব থেকে প্রিয় বোন,,,
আমার ৫টা বোন,,, এই বোন টাই প্রতি বছর খুব নিয়ম করে  নিষ্ঠার সাথে রাখি পড়ায়। এক বার আমি রাখির সময় উত্তর প্রদেশে ছিলাম,, তিন দিন না খেয়েই ছিলো,,আমি ভুলে গিয়েছিলাম দিন টা,,আমি এসেছি তারপর রাখি পড়িয়েই ঞ্জ্যান হারা  হয়ে যায়। 
 ঝিঁঝিঁ পোকা টা আমার বোন।

 চা খাবে?? 

 আমি তো চা খাই না। 
আপনি দেখেছেন আমায় চা খেতে? 
রোজ তো আপনি খান!!! 
তবে আজ না বলবো না।। 
হোক একটু  চা,,,

সিগারেট?? 

কি সব বলেন?? 

বসো আমি নিয়ে আসি,,আর এই সব রইলো দেখো,,খেয়াল রেখো,,  আমি চা নিয়ে আসি,,


চা,,সিগারেট,, এবার খৈনি,,,আচ্ছা আর কি কি চলে?

দেখো,,,লোহা খাই না শক্তে আর গু খাই না গন্ধে,, আর সব খাই,,,,

চুমু?? চুমু খেয়েছেন?? 
আচ্ছা দু দিন ধরে দেখছি ফোনের মধ্যে কিছু একটা  দেখেন,, আর চা সিগারেট টানেন,,
কি দেখেন,, দেখাবেন? 
 কি উত্তর দিচ্ছেন না যে,,,,

হ্যা,, চুমুও খেয়েছি,, অনেক,,, 
সেখানে বলাই ছিলো লক্ষেরও বেশি চুমু খেতে দিতে হবে। 
আর ফোনে কি দেখি,, 
দেখি আমার  প্রিয় মানুষ টা কে। 
মন জুড়িয়ে যায় যখন দেখি। 

কই দেখি দেখি,,,আপনার চুমু খাওয়া মানুষ টা,,, 

চুমু খাওয়া মানুষ টা আলাদা তার কোন ছবি নেই,,
ছিলো সব মুছে ফেলেছি,,, 
আর ফোনের ছবির মানুষ টা আলাদা আর তা আমি দেখাবো না। 

খুব সুন্দরী!!!  
 
হু,,,আমার তো তাই মনে হয়। 

এই,,, শোন,,,,এবার তুই বল,,,,

কি??  তুই!!! 
হু তুই,,,তুই আমার চোখের দিকে তাকা,,তাকা বলছি,,,,কি নাম তোর??? 
ও!!! মল্লিকা। 
চোখ বন্ধ কর,,,
কেন আসিস এখানে  কিছু দিন ধরে? 

মাঝেমধ্যে তো ওই খানে বসে ওড়নার ভেতরে মুখ লুকিয়ে কাঁদিস দেখি,,,

কি হয়েছে রে??
ব্রেকাপ?? 

বল কেন আসিস,,,
দেখিস,,বাবা,,,আবার ঝাঁপ দিয়ে মড়তে যাস না!
ফুলের মতো জীবন টা নষ্ট করিস না। 
চোখ খোল,,,,বল কি হয়েছে?? 

আজ নয়,,,অন্য দিন বলবো,,, অনেক বেলা হয়েছে রুমে ফিরে  যাই। আপনার বাড়ি কোথায়? আমি  ওই গার্লস হোষ্টেলে থাকি,,, বাড়ি কুচবিহার।  চেনেন?  কুচবিহার  গেছেন?  

চলি,,,আজ আর কথা নয়,,
আমার প্রশ্নের উত্তর পাইনি,,,
চায়ের পয়সা ফিরিয়ে দিন। 

বললাম তো,, 
আগামীকাল কথা হবে। 
আপনি আসবেন আমিও আসবো
 এই খানেই কথা হবে। 

তো!! ঠিক আছে,,,ভালো থাকবেন 🙏🙏🙏।



খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,

খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,, 
 
খুব,,,,,, খুব!!!!!

 হ্যা  জানি তো ! 
সেই কপাল আমার না।
তবু্ও!!!! 
খুব ভালোবাসি,,,
আরো অনেক ভালোবাসবো। 
প্রতিদিন একটু একটু সেই ভালোবাসা বাড়াবো,,,
একদিন সেই ভালোবাসা আমার পাশেই দাঁড়াবে।।।। দাঁড়াবে।।।



কেন হবে সেই কপাল?  
সেই কপাল সবার হলেও আমার হতে নেই,,,, হতে পারে না।
আর কোন দিন হবেও না।

আমি এতো বড়ো অপরাধী!!! 

কিন্তু হ্যাঁ,,, প্রিয়,,, 
বিশ্বাস করো,,,,তোমায় ভালোবেসে ফেললাম এবং তোমায় আপন করে ফেললাম তোমার চাওয়া  না চাওয়ার মধ্যে দিয়েই।  
কখন যে এত পাগলের মত ভালবেসে ফেলেছি। নিজেই জানিনা। 


নাটকের ভাষায় যদি বারবার বলতে হয়!  
যদি বলতে হয় পৃথিবীর সব ভাষায়!  
আমি সেই চেষ্টাও করব। 
বারবার আমি সেই কথা
 বারবার আমি সেই কথা 
বারবার আমি সেই কথা 
নতুন করে বলবো 
নতুন করে বলবো 
নতুন করে বলবো,,, 



খুব ভালোবাসি প্রিয়। 

ভালোবাসি প্রিয় খুব,,,,,





ও!!!!! প্রিয়!!!! 



আমি আবার এসেছি!!! 

দূর তুমি রাখো তো!
 তোমার ব্যাস্ততা,,,, 

আগে আমার কথা শোনো!!! 
আগে!  আমার কথা!!! 
শোনো প্রিয়!!!! 


হ্যাঁ সেই একই কথা... 
ঠিক বলেছ!!!! 
আমি সেই একই কথা আবার বলতে এসেছি!!!! 
আমি তো বলেছি,,,, 
আমি সেই কথা বারবার বলব। 
আমি সেই কথা বারবার বলব। 

খুব ভালোবাসি প্রিয়!!!! খুব ভালোবাসি!!!



ও প্রিয়,,,, প্রিয়,,, 


এই সুনছো,,,
ও সুন্দরী আমার!! 
আমার কথা শোনো। 
এই!!!  শোনো বলছি,,,ও প্রিয়,, ওই,,,

একি  রেগে যাচ্ছ কেন?
  না!  গালদিও না। 
জানি ও গুলো এমনি বলো। দেখো প্রিয় ওসব কথা ভালো না বলতে নেই। 

যাক!!  
 যে কথায় ছিলাম শোনো বলি,,,, 

বিশ্বাস করো,, এতো আনন্দ আমি আগে পাইনি?!! 
আগে আমি এত আনন্দ কখনই পাইনি!!! 

সেই জন্যই তো বলি!!! 
খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,,, খু,,,,,,ব।


আরো অনেক ভালোবাসবো!!! 
ওই আকাশের মতো,,,,



ও প্রিয়!!!  প্রিয়,,,, 

বা!!! 
এইতো কত সুন্দর!!! কত সুন্দর করে তুমি সাড়া দিলে  আমার ডাকে। 
 আমি তো এই চাই।।।।
আমি এই চাই। 
বিশ্বাস করো আমি ঠিক এই চাই! 
 আমি ঠিক  এই চাই।।।

আমি চাই! "
আমার প্রতি ডাকে তুমি সাড়া দাও,,,
আর সেই কণ্ঠস্বর!!! পৌঁছে যাবে আমার কর্ণ হইতে মস্তিষ্ক ভেদ করিয়া হৃদপিন্ডের প্রবেশদ্বারে.... 

প্রিয় অনেক কিছু চাই,,, 
আর সেই জন্যই তো!!! 
এতো উৎসুক আমি! 
তুমি বোঝনা? বোঝনা তুমি? 
নাকি সব বুঝেও অবুজ  হওয়ার ভান করো 
ও!!!
তুমি তো আবার নিজেকে বলো অবুঝ বালিকা!!!!   হু,,,,,,,বালিকা  
,,,, আমার,,, ইয়ে😄😄😄।
 হ্যা,,,,রে,,, 
তুই আমারে,, ইয়ে,,,।।


তুই আমার ভালোবাসা,,, 
তুই আমার আকাংখা,,, 
তুই আমার সব,,,,,, সব,,, সব,,,

এইজন্যই তো তোর থেকে জীবনের সব চাওয়া গুলো পেতে চাই,,,, 

এই যেমন এখন বললে না আমি বাড়ির সামনে চলে এসেছি   ফোনটা রাখছি।।।। 

ওসব না বলে এমনটাও তো বলতে পারতে!!!!

এই পাগলা,,, 
রাতে তারাতারি বাড়ি ফিরবি।
 দুপুরে কিন্তু ভাত খাওনি।।।
বাড়ি ফিরে তাড়াতাড়ি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়বে। বেশি রাত জাগা দরকার নাই সকালে কথা হবে। 

বিশ্বাস করো খুব খুশি হতাম আরো খুশি হতাম,,,, আজ,,,,,
আমি এইসব কিছুই চাই তোমার কাছ থেকে!!!!! 
আমি এইসব কিছুই চাই।।।। 

আর সেই জন্যই তো তোমায় বারবার বলি,,, 
হে প্রিয়,,, তোমায় আমি বারবার বলি,,, 
খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,, খুব।।।


ও প্রিয়,,,, 

প্রিয়,,,, 

আজ তোমার চোখ দুটো,,,

হ্যাঁ ঐ ছবির চোখ দুটো তোমার।
  আমার হৃদপিন্ডের  ধুকপুকানির যন্ত্র,,
বলতে পারো,,,, 
সেই তোমার চোখ দুটো পৃথিবীর এতো  মানুষ দেখবে,,,
তোমায় জীবন্ত ওতো মানুষ স্বচোখে দেখবে না।।।

কতো প্রেমিক দেখে আমার মতোই  আনন্দে একা হাসবে,,,আর চোখ ভিজে যাবে।

কতো বীর প্রেমিক তৌসিফ দেবে।। 
বলবে এই পাগলের ভাগ্যে যেন সত্যিই শুধু তুমিই থাকো। এটা ওদের অভিশাপ।।।। 

তুমি ওদের অভিশাপের কারণ হবে। 
আর আমিও তাই চাই!!! 
আমি শুধু  তোমায় চাই।

পৃথিবীর  কতো পুরুষ দেখবে ,,,, 
দেখবে আর বুকে হাত দিয়ে বলবে আমাও যদি এমন একটা প্রিয়,, থাকতো!  

আমার উপর হিংসা করতো ওরা সবাই,,,

কিন্তু আমি শালা এক ফোটাও রাগ করবো না।
কেন করবো,,, 
ওদের হিংসার কারণ তো তুমি,,, 

আমি অহংকার করবো,,,,,

সেই তুমি টা আমার,,, শুধু  
আমার,,, 


সেই জন্য তোমার অনুমতি নেইনি তাই রাগ করো না প্রিয়,,, 

খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,, তোমায় খুব ভালোবাসি।


এর পরেও,,,তুমি চুপ থাকতে পারলে??
 প্রিয়!!! 
বাঃ!!!!
ও প্রিয়!! 
প্রিয়,,,, 
কি করে পারলে বলবে!!!

 এতো চুপচাপ থাকতে!!! 

আমি না এই সব পারি না।।

আমায় শেখাবে!!  
শেখাবে? 

আমিও শিখবো! 
কি করে তোমার মতো এতো  হ্রদয়ের  গভিরে বন্দি করে কাউকে ভালোবাসা যায়। 

সত্যিই অবাক লাগে!! 
অবাক হই!!! 

ভালো লাগে এই গুলো খুব ভালো লাগে!!!

সেই জন্যই তো,,,
বারবার বলি,,, বারবার বলি,,

খুব ভালোবাসি প্রিয়,, 
খুব ভালোবাসি,,,, তোকে সত্যিই খুব ভালোবাসি।


সত্যি ভালোবাসা

 আচ্ছা সত্যিকারের ভালোবাস কাকে বলে? 

জানেন কেউ? 
আমার তো মনে হয় যেখানে উদ্দেশ্য হীন ভাবনা থাকবে।
যেখানে কোনো স্বার্থ ছাড়াই  আপনাকে ভালোবাসবে।
না সেখানে বিন্দু মাত্র সংশয় থাকবে না।

কোনো কারন ছারাই যখন  হিয়ায় হারাবে কেউ ।
 অসুস্থতায় সেই মানুষ টা   পাশে ছায়ার মত থাকবে। 
একটু দূরে গেলে অস্থির হয়ে যাবে।

সময় অসময়ে একজনকে অন্য জন পাগলের মত খুজবে। 
 খারাপ সময়ে ঠিক  বুঝবে কিছু না বললেও।
কারণ!! 
সত্যি কারের ভালোবাসতে কোনো কারন লাগেনা।
লাগে একটা পরিস্কার মন। আর সেই মনের মাঝে বিশাল এক আকাশ। আর একটু  ইচ্ছা শক্তি , একটা মানুষ কে ভালোবাসার।  

আর যারা মন থেকে ভালোবাসে তারা কখনো কারণ খোকলজেনা।
যাদের এরকম একজন আছে সে খুব ভাগ্যবান।
খেয়াল রাখবেন  মানুষ টাকে,,,
তাকে কখনো হারাতে দিও না।

আবার তবে একাদশীতে এ-----সো! তিথি!!!

 ওই!!"   

  শুনছো!!!

এই চান্দের রাইতে মাঝে মইধ্যেই 
তোমার কথা আমার খুব মনে পড়ে গোঁ,,,খুব মনে পড়ে,,,,,,

জানো,!!!

ওই চান্দের রাইতেই,,
তোমার লগে  আমার প্রথম দেখা হই ছিলো,,,
 মনে আচ্ছে?

জানো! 
আমি নিরালায় বইয়া বইয়া আইজোও,
তোমার কথা যত্ন কইরা  ভাবি। 

কি অসম্ভব অসহায় কইরা আমায় ফালাইয়া থুইয়া নিজে চইলা গেছো না ফেরার দেশে,,,

জ্যোৎস্না রাইতে, 
তোমার  কল্পনায় জাগ্রত থাহি  যহোন!  
মনে পড়ে
তুমি আমার হইবা কইয়া, 
আজীবনের জন্য পালাইয়া গেলা!!! "
কি করলা!!!

আমি সেই দিন থিকা  একাই ছিলাম!
 চল তে  চল তে আমি নিজেরে লইয়া বড্ডো কেলান্ত হইয়া শ্যাষে একটা  ঠিকানা  পাইছি। 

জানো  আইজ তোমারে এক খান কথা কই,, 
তুমিও শুনলে খুশিই হইবা। 
তুমিও হেই কথাই  কইতা, 

মুই রাইগ্যা তোমারে খুব বকতাম।

 হু-নো কতা-ডা কই!!

আমি না নতুন কইরা নিজেরে আবার নিঃস্ব করছি! জানো!!
 এক্কারে কিছুই রাহি নাই!    
 হ  তুমার  নামের ভালোবাসাও আমি হ্যেরে কইছি,,,,
কইছি তোমার বেবাক গল্প গুলান।
কইছি তোমার চান্দের নাহান মুক- খানের গল্প। 
 হেই দিন ডাও এই চান্দেরই রাইত ছেলো। 

তুমি আমার ধরাছোঁয়ার মাঝেও রইলা না,!!
ক্যেন যে ওই রকম ঘটলো আইজো চোখ্যে টলটল করে। 
হেই কথা মনে হইলে আগেতো কাইন্দাই ফালাইতাম।
 কতো রাইত ঘুমাই নাই,   জানো!!!, 
নিজেও হেই হিসাব রাহি-নাই।

 কোন দূর  আকাশে একেবারে পালাইয়া গেলা।
 স্বার্থপরের মত আমারে একলা ফালাইয়া,,,, 
কি হইতো যদি লগে কইরা নিজের ধারেই রাখতা ?

জানো!  

আমি তারপর তোমারে যখন খুইজ্জা খুইজ্জা আধ পাগোলের মতো ঘুইরা বারাইছি !! 
তখন  মাঝে মইধ্যে গঞ্জিকা খাইয়া ভোলা বাবার নামেই  পইরা থাকচি অনেক দিন।

  তারপর তোমারে ঘুছাইয়া রাখছিলাম তোমার নামের পাতায়। 
আমার তারপর আর তোমারে হারানোর কো-নো দুঃখ ছেলোনা। 
মনে হইলেই পাতা খুইল্লা পড়তে থাকতাম। 
 পড়তে পড়তে কহোন ঘুমাইয়া পড়তাম হুস  হইতো না। 

তোমার চোখ দুই খানের  সাতশো পাতায় ছিলো বর্ননায়। 
আমি তো ওই গুলাই বেশি পরতাম।  

আরে তিথি! ?? 

 তুমি এই রহোম রাইগা যাইতাছো ক্যেন তোমার চোখ দুই খান কেমন জানি লাগে? 

কি হইছে কইবা? 

কও তিথি  হুনি কি হইছে? 

চোক্কো দুইটা  ওই ছলছল করে ক্যেন?

  আইজো বুঝি কইবা আমার এই সব প্যাচাল পারা কথা তোমার হোনতে ভালো লাগে না?

 তিথি!  আইজ তোমারে আমি সত্যিই তোমার একটা অনেক ব্যাথা দেওয়া কথা কমু,,

,তুমি বিশ্বাস করো আমার কিছুই করার ছেলো না।
 আমিও বেইমানের মতোই নিজেরে ভালো রাখার লোভে ওই কাম করছি। 

কি কাম?  সোনবা?  

যাইহোক আইজ কিন্তু বেবাক কথাডা সুইনা তারপর যা-ওন লাগবো।
 হুট কইরা চইলা যাইয়ো না। 

কইতাছিতো,,,ওই রহোম চোক্কের  কি আছে? 

হেইডা ছেলো একটা আমাব্যইস্যা রাইত,,,

 আমি তোমার নামের  পাতা খান ছিড়া ফালাইছি। 

নাই!  

আইজ এক খান পাতাও নাই।  

সব ছিড়া,,, আমি সত্যিই  নিজেরে  স্বপ্নের  ফেরিওয়ালা বানাইয়া  সেই  স্বপ্ন বেইচা দিছি  অন্ধকারের থিকা এক বিন্দু আলোর শিখা দেইখা যেই পথে  কিছুটা পৌছাইতেই দেখি তোমার মতোই এক দ্বিপ শিখা। 
আমি নিজের সব স্বপ্ন গুলা তার কাছে বেইচা দিছি।
 শুধু  তার ওই আলোয় নিজের বাকি জীবন টা কাটানোর ইচ্ছায়। 

 জানো তিথি!!! 
 নতুন মানুষ টার রাগ  টা একটু বেশিই। 
 অভিমান আরো বেশি। 
খুব শক্ত মানুষ ।  
আবার কিছু ভুল টুল করলে রাইগ্যা যায়। 
আমি ক্ষমা চাইলে ক্ষমাও কইরা দেয়।
 নতুন মানুষ টা ও খুব ভালো। 
আর আমি তারে অহোন খুব ভালোবাসি। 
আমি তারে কইছি আমার মরণডা যেন তোর কোলেই মাথা রাইখা হয়। 
 তুই আমারে দূর কইরা তাড়াইস না। 
আমার আর কিছুই নাই তোরে দেওনের মতো।  পেরানডা চাইলে নেতে পারিস.. 
কি  করমু ওডা আর কোন কামেই লাগবে না। ওডায় বাবলা গাছের কষ লাগচে।
 তোর পিরিতের  রস ছাড়া ওইডা আর বাচবে না। 

জানো তিথি কথা গুলা কইতে গেলে মাঝে মইধ্যে এহোনো কাইন্দা দেই,,, ওরে দেখতে দেই না সেই সব।

ও-য় শুইনা হাসে তেমন কিছুই কয় না।
 তবে জানো ক্যেন জানি খুব বিশ্বাস হয় নতুন মানুষ টারে।
 হ গো আমিও মনে করি হ্যেয় আমারে ভালোবাসে। 
তিথি!?  
তুমি কানতাছো ক্যেন?

 তুমিই তো কইতা,,, যহোন তোমার  মাথায় হাত বুলাইয়া দিতাম।  
এট্টু আদর করতে গ্যেলেই তুমি এই কথা টাই কইতা বারবার।  
আর আমি রাইগ্যা গিয়া মাঝ মাঝে গাইলাইতাম তোমারে।
 আইজ কানতাছো ক্যেন? 
আমার বুঝি ইচ্ছা হয় না! 
 আমিও  সংসারের দিকে যাই। 
আমিও সব বন্ধু গো মতো  খুশিতে থাকি।
 আনন্দে থাকি?  
ক্যেন?  ক্যেন?  
আমি ওই সব ভাবতে পারি না। 
আমিতো তোমারে নিয়াও এই সব স্বপ্নই দেখতাম। 

 তুমি ওই ভাবে ক্যেন জেদ কইরা আমার উপরে রাগ দেহাইয়া হন হন কইরা পিছনে চইলা গ্যেলা? 

 আমি তো তোমার পাশেই ছিলাম আমারে কইয়াও যাও নাই। 
পিছনে  ওই বিকট আওয়াজে তাকাইয়া দেখি আমার সব শ্যাষ।

হ্যা তুমি নিজেরে স্থাপন করছিলা আমার সব অধিকারের ছায়ায়। 
আমি হেই সব কথাও কইছি নতুন মানুষ টারে।

আমি!  আমি!  তার কাছে কিছহু লুকাই নাই।

 আমার সব ভালো লাগা।
আমার সব  খারাপ লাগা অনুভূতি গুলা।
আমার কি   পছন্দ.. আমার কি  পছন্দ  না... আমার সব টুকুই তারে আমি নিজের     মানুষ ভাই-বা গুণ গুণ  কইরা সব কইছি।

জানো  তিথি!!! 

আইজ নিজেরে একটু  ভালো রাখার লোভে পইরা আমার সব স্বপ্ন  আমার ইচ্ছে আমার বেবাক পরিস্থিতিতে আমি নতুন মানুষ টারেই চাই। 

নতুন মানুষ টা কিন্তু খুব হিংসুইট্টা ও কিন্তু  আগেই কইছে,,
যেদিন  হিসাব নেবে পাই পাই হিসাব না মিললেই খবর আছে আমার। 

ওই চান্দের রাইতে, 
তোমারে লইয়া আমি  যেমন  স্বপ্ন সাজাইতাম!!
তোমার মাঝে আমি আমারে সঁপে দিছিলাম যেমন!
ঠিক সেই একই স্বপ্ন নতুন মানুষ টারে নিয়া পেত্তেক দিন সাজাই।
 
জানো,, 
তখন  তুমি একটু  কথা কওয়ার  জন্য তখন কতো দিনের পর দিন অপেক্ষা করতা। 
আর যেই অভিযোগ তুইলা কইতা এক দিন আমি বুঝমু কি জ্বালা হয়।
 হু বুঝি গো,,,
আমার বুকের পাঁজর কয়টা তার হিসাব ভালোই পায়। 

একটু  দেখার জন্য কত আকুতি করতা। 
আমি ধমকাইয়া চুপ করাইতাম কাজের তাগিদে।
 কইতা  একদিন আমার সব ব্যস্ততা হারাইয়া যাবে।
 সেই দিন তুমি থাকবে না।
 তিথি!! 
আজ সত্যিই সেই ব্যস্ততা আমার কিছুই নাই।
 আমিও  ওই একই জ্বালায় জ্বলি। 

মাঝে মধ্যে মনে হয় তোমার তোলা অভিযোগ গুলা আমার জীবনে অভিশাপে বদলা নিতাছে। 
আর তুমি দূর থিকা দেইখা হয়তো আনন্দই পাও।

 না মানুষ টারে কইতে পারি না। 
প্রিয়  আমার খুব দ্যেখতে ইচ্ছা করে তোমায়।
 তখন তো এতো সব আজকের মতো উন্নত ব্যাবস্থাও ছিলো না। 
আইজ সব আছে। 
সত্যিই সব আছে গো।
 শুধু ইচ্ছে প্রকাশের সাহস নাই।

 আমি ভয়েও নতুন মানুষ টারে কইতে পারি না। 

 প্রিয়,, তোমারে আমার খুব দেখতে ইচ্ছে করে।

কারণ  সে আমারে বিস্বাস করে না।

 থাকেও  আমার থেকে অনেক টাই দূরে রোজ দেখাও হয় না। 

ও-তিথি!!! -- 
তোমারে তো কই-ই নাই,,  

আমি তোমারে যেমন খুশি হইয়া তিথি  কইয়া ডাকতাম ।, ,, প্রিয়  আমার ওই নতুন মানুষ টার নাম। 
আমি ওরে ওই নামেই ডাকি।  
বিশ্বাস করো ওয় যহোন হু কইরা  আমার ডাকে সাড়া দেয়। 
আমাই কইলজা টা আনন্দে ভইরা যায়।  

মনে হয় আমি এই জন্যই বাইচা আছি। 
আমি অর পিছু পিছু  নিজেরে শেষ দিন পর্যন্ত ওর সাথেই   থাখমু। 
 আমি এই খান থিকা কোত্থাও নিজের নিমুও না যামুও না।

তিথি " 
তোমারে আমি যত্ন কইরা এই হৃদয়ের মনিকোঠায় রাখছি, এইখান থাইকা তুমি কোথাও পালাইতে পারবা না। 
জীবনে তুমি মনে পড়বা না তা ঠিক না।

 মনে পড়লেও আমি সেই অবস্থার কথা কোন দিনই নতুন মানুষ টারে দেখতে দিমু না।  

আর আমার হৃদপিণ্ড টা আমি নতুন মানুষ টার নামে লেইখা দিছি। 
 সেই দিন টাও ছিলো এই রকমের এক চান্দের রাইত।


তিথি,,!
 তুমি খুশি হইছো?
 আমার এই নতুন মানুষ টার গল্প শুইন্যা!!!
 নাই গো হ্যের কোন ছবিও আমার ধারে নাই। থাকলে দেখাইতাম তোমারে। 

তুমি কথা কও না ক্যেন তিথি? 

 ও হো,, আইজতো পঞ্চমী। 
তুমি তো একাদশীতে কথা কও। 
আইজ তায়লে আইছো ক্যেন?  

কানতাছো ক্যেন তুমি?

 আমি তো তোমার কথা রাখতেই   গেছিলাম।  রাস্তায় আমি সাবধানেই চলি। 
যদি বালিতে গাড়িটা  পিছল  খাইয়া গাড়ি টা পইরা যায় হ্যেলে আমি কি করুম? 
কি হইছে পইরা গেছি।
 একটু তো রক্তই গ্যেছে আমি মইরাতো যাই নাই।
 আমি জ্বল জ্যান্তই আছি।
 যদি    আমি মরি তয়লে ওই নতুন মানুষ টার কাছেই মরমু। 
আর হ্যা আমি তখন তার সাথেই দেখা করতে যাইতে ছিলাম  অতো দূর থিকা। 
না ভয় আমি পাই নাই। 
ভয় পাইছি
  বুইন ডা দেখতে চাইলে কি কমু? 

আর এই কথাই ভাবতে ভাবতে রাস্তার ধারে এক বাড়িতে জল দিয়া রক্তের দাগ গুলা ধুইতে ছিলাম এর মধ্যেই ফোনের শব্দ দেখি জ্যোতি। 
 ভয়ে ভয়ে যেই কইছি।
 কয় আমার মনে এই জন্যই কু ডাক দিতে ছিলো দাদা।
 কই যাইবা? 
কই লাম প্রিয়  ফোন কইরা যাইতে কইছে তাই দেখা করতে। 
কইছে তোমার প্রচুর এনার্জি শক্তি।
 আমি কইছি বুইন রে মানুষ টা তো আমার প্রিয়  মানুষ।
 ক্যেন থাকবো না? 
সাবধানে যাও। 
পৌছাইয়া খবর দিবা।

হু আমার মঙ্গলের দশা টা বাড়ছে  তাই রক্তপাত হইছে। 
আমি মইরা তো যাই নাই। 
কিন্তু  তিথি !! 
তুমি  এমন  কানতাছো ক্যেন? 
আমি কিছুই বুঝতে পারতাছি না!

আচ্ছা আমি তোমারে ভুইলা গ্যেছি?

 নাঃ আমি একটুও বদলাই নাই।
 তোমারে কখনোই ভুলবো না তিথি!!!! 


তিথি!!!! তি -থি!!! তি---থি,,, 

আবার তবে একাদশিতে এ-----সো!!!!!

প্রিয় "র ছবি পাইলে দেখাবো!!!!! 

             

“সব স্বপ্নের রঙ বেদনার মত নীল নয়” প্রিয়

“সব স্বপ্নের রঙ বেদনার মত নীল নয়”


প্রিয়  জানো তো তুমি? 
আমি এক অভিশপ্ত পাতালঘরের অধিবাসী ।
জলের অতল তলে ডুবে যাওয়া অসাড় অজাতক।
কেন আমাকে টেনে তুলে  অবারিত স্বপ্নধারায় আনতে চাও।
আমি দেখিনি  স্বপ্ন বিহীন মানুষ কি করে বাঁচে? তুমিতো স্বপ্ন পথের পথিক। আর আমি!  আমি তোমার রাত ঘুমহীন নিশাচর । স্বপ্ন দেখতে গিয়ে  ভুলতে বসেছি সব  অথচ তোমার নামের  নীল  খামের শুদ্ধতার মতো স্বপ্ন ফেরি করবার কথা ছিল আমার ! নিজেকে অনাবিষ্কৃত রেখেছি  বহুদিন, আমার পুরোনো আমিটাকে অতল গহবর থেকে স্বপ্নধারায় আনতেই হয়েছে আমাদের পরিচয়,, আলাপ,, সেখান থেকেই আমার স্বপ্নের শুরু।  
নিজেকে চিনতে শিখিছি তোমার জন্যই। 

জানি না আমি  তোমার মনের ছবিতে নিজেকে কবে দেখতে পাবো! হয়তো বা  না কখনই না! 
অযুত, নিযুত, কোটিবার চাইলেও আমি পারবো  না তোমার হতে। কারণ আমার স্বভাব বড্ডো এলোমেলো। 
তোমার ছবিতে যখন আমার চোখ পড়ে, 
আমার চোখের পাতায় অনুভব করি তোমার স্পর্শ, তোমার ছোঁয়া।সেই স্পর্শ, সেই হাসি মুখের আদল, সেই হাতে হাত রেখে সন্ধ্যার আঁধারে তোমার শহর চিনিয়ে দেয়া। এই টুকুই আমার অনেক বেশি পাওনা। এর থেকে বেশি কিছুই চাই না।
প্রিয়  চোখের পাপড়ি বেয়ে শিশির বিন্দু টপ করে ঝরে পড়ার দৃশ্যটা কখনো অবলোকন করেছিলে? 
কী অনিন্দ মুগ্ধতার আবেশ তাতে! হৃদয়ের  সমস্ত দুঃখ, মান-অভিমান, রাগ কিভাবে উবে যায়! 
এই চোখে শীতলতা সবাই এনে দিতে পারে না প্রিয় । যে শীতলতা আমি তোমায় দেখলে অনুভব করি।
যে মানুষটা দিতে জানে বিধাতা তাকে শুধু দৃষ্টিতে ছোঁয়ার সৌভাগ্য দেন।
পাশাপাশি পথ চলার মতো মানুষগুলো মনের মতো হবে তা বোধহয় অমাবস্যার চাঁদের মতো। 
“হ্যাঁ সব স্বপ্নের রঙ বেদনার মতো নীল রঙা হয় না।"

 হ্যাঁ সেই প্রিয় কন্ঠ, সেই নির্ঝর শব্দ তরঙ্গ, 
সেই আনন্দঘন উচ্ছাস… আজ সবই যেন স্বর্গ।
স্বর্গ হতে উড়ে যায় হাজারো স্বর্গ,আমার আর্তনাদ যুগান্তর হতে যুগান্তর, পথ পেরিয়ে পথে পথে, লোকালয়ে, জনস্রোতে তোমাকেই খুঁজেছে অনাদি অনন্ত অধীর।
যেখানে পথের শেষ সেখানে নতুন গন্তব্যের জন্য যাত্রা শুরু হয়। নোনাবালির চর ধরে হেঁটে হেঁটে সমুদ্রের গর্জন শুনে সূর্যাস্ত দেখবার মাঝে যে স্বর্গ সুখ তা কেবল বুকে যত্ন করে পুষতে হয়। সমুদ্রের শেষ ঠিকানা খুঁজতে যাওয়ার পথ অনন্ত, অধীর। সমুদ্র কে ভালোবাসে তাকে সাথে করে বাড়ি ফেরা যায় না কেবল বুকে পুষতে হয়!
প্রিয়  শুধু তুমি বোঝোনি, বুঝলেও বলোনি।
এখনও তোমাতে বিভোর হয়ে তোমাকে খুঁজি।
শুধু বদলে যায় ঋতু, বদলে যায় ভাবনার পরিধি। 
সে তুমি বোঝো কিংবা না বোঝো চাওয়া- পাওয়ার হিসেব এক দিন নিলামে উঠবে । সে দিন শুধু সস্তায় আমার স্বপ্ন গুলো আকাশের দিকে ছুড়ে দিও না! চড়া দামে ধরে রেখো নিজের করে। তোমার যত্নে আমার স্বপ্ন গুলো আরো প্রানবন্ত হবে। তোমার স্পর্শ পেলে দিনে দিনে আমার স্বপ্ন দেখা তোমার নামে শহর জুড়ে  বৃষ্টি হবে প্রতিদিন । শুধু তুমি  মাথা উঁচু করে একবার দেখো নীল আকাশ তোমার নামে ই!! 
প্রকৃতির মতো প্রেয়সী খুঁজেছে! 
 সেখানে ঋতু বদলায় তোমার নামেই। 
প্রকৃতিকেই নাহয় তোমার প্রেয়সী রূপে নিত্যদিনের সাধনা। 
প্রিয়,,,এই এখন যেমন ছন্ন ছাড়া জীবন আমার, 
একলা আমি উছলে পড়া জলজোছনায়,
আদ্যোপান্ত নিজেই ভিজি প্রতিদিন,, রূপ কথার গল্প লিখি,,, চুপ থাকতে পারি  না।
সেই অনুভব সেই কথাতেও শুধু তুমি,,,,
স্বপ্ন দেখি  রূপকথারা ঘুম কাঁথা জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ুক। বাস্তবতার মেলুক ডানা। 
প্রিয়,,, 
"জীবন সেতো লেপ্টে আছে বাস্তবতায় ষোল আনা। 
নিজেই জানি এই জীবনে সুখ পেয়েছি কয় আনা।"

মনের মধ্যে  কেবল স্বপ্ন গড়ি তুমি-আমি আমি তুমি, হয়তো এই ভাবনায়  স্বপ্ন দেখেন  সব মানুষ। 
বাস্তবতার কালো স্পর্শে চাওয়া গুলো কেবল ফানুস।
তবুও যেন সব মানুষের জীবন জুড়ে  গল্পে গল্পে স্বপ্ন থাকুক,,,,।

আমার আকাশ

কেন এমন হয় বলো তো? 
তোমার মুখ টা    প্রতিচ্ছবি হয়ে,,,
আমার ঘুমের ঘরে দোলা দেয়?
মনে হয় কতো আপণ আমরা  উভয়ের । 
কতো যুগের অবসানে এই মুখ আবার সামনে এসেছে। 

আগে  কখনোই তোমায় নিয়ে এমন করে ভাবিনি,

 যতো বার আমি তোমার অযোগ্য ভেবে নিজেকে অনেক দূরে নিয়ে মরুভূমির প্রখর বিদ্রূপাত্মক উপত্যকায় নিজেকে নিয়ে উপস্থাপন করেছি।

 ততই আরো নিজেকে ফুরিয়ে যেতে দেখেছি তোমার বিরহের মায়ায়। 
আজ আমার সকল ভাবনায় শুধু তুমিই প্রিয়।। 

কেন এমন হয় বলো তো? 
তোমার থেকে দূরে থাকার নামে একটু আড়াল হই।
  আমি যখনই পড়ার   টেবিলে যাই- তখন আমার সব বই খাতায়   পাতায় তোমার নামটি ভেসে উঠে, প্রিয়,   
আর  মাঝে, মাঝে আমার কানে ধ্বনিত হয়
তুমি আমাকে বলছো- আমি তোমাকে ভালোবাসি, ভালোবাসি। 
সে এক অদ্ভুত অনুভব। 

আমার সকল চিন্তা চেতনার মাঝে যে আকাশটা দেখি।
আমার সেই আকাশটায় তোমার নামের সুর্য ওঠে প্রতিদিন।  কতো তীব্র তার ত্বেজ।   
আমি সেই আলোতেই শরির পোড়াই,, 

তোমার ছবি ভেসে উঠে ওই আকাশে  ঠিক গোধুলীর পরে যখন অন্ধকার নেমে আসে গোটা আকাশ জুড়ে। 
আমি নিজেকে খুজে পাই অচেনা নদির মোহনায় অবাক চোখে তোমায় দেখি।

তবে কী আমি তোমাকে  খুব বেসিই- ভালো বেসে ফেলেছি প্রিয় ?

এই শহরের বৈধতায় শুধু তুমি প্রিয়

সম্পর্কের বাঁধন গুলো যে বিনি সুতায় বাঁধা হয় সেখানে সত্যি মুক্তি বলতে কিছুই নেই। সময়ের ব্যবধানে স্তব্ধতার সাথে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশীর মতো থাকতে থাকতে আলাদা একটা অভ্যাস গড়ে ওঠে। তারপর থেকে আর ওই ধুলো জমা খন্ডচিত্র যখন অপরিচ্ছন্ন থাকতে থাকতে একটা সময় মনে হয় মেঠো পথের ধারের পদাঘাতে বেড়ে ওঠা ঘাস ফুলের মতো। অপলকেই থেকে যায়। খুব সাধারণ মানুষ তার ওপর যেমন দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে না। সম্পর্কের বিচ্ছিন্নতায় একটা সময় ভুলে থাকতে হবেই ভেবে যে অভ্যাসের স্বভাব তৈরি হয় তাতেও শুধুই ওপর থেকে ধুলোয় চাপা দেওয়া মুখোশ নিয়েই চলতে হয়। ভেতরে হৃদপিণ্ডের কোন এক কোনে জীর্ন সুপ্ততায় থেকে যায় সেই বিনি সুতোয় গাঁথা সম্পর্কের বাঁধন। 

ধুলোর এই পৃথিবীতে কিছু মানুষের জন্য অপেক্ষা করে শুধুই ধুলো। তাদের কখনো কোন ইচ্ছে থাকতে নেই। আঁকঙ্ক্ষা থাকতে নেই। তাদের থাকতে নেই উজাড় করে ভালোবাসার মতো ক্ষমতা। তাদের জন্য বরাদ্দ শুধুই এই পৃথিবীর এক মুঠো ধুলো। দীর্ঘ নিশ্বাস ফুঁকে, শোক প্রকাশ ওদের মানায় না। মেনে নিতে হয় এসেছি তো এই ধুলো থেকেই যেতেও হবে ওই ধুলোয়। এ ছাড়া সেই মানুষ গুলোর আর কিছুই থাকে না।

বিধাতা নাকি সকলের ভাগ্য খুব ভালো লেখেন! মানুষ তাদের কর্মফলের দোষে বা গুনে জীবনের প্রাপ্তি উপলব্ধি করে। তবে কিছু মানুষ আছে যাদের মধ্যে কর্মফল বলতে সবটাই অভিশপ্ত। কিছুই না করেও এমন কিছু ঘটিয়ে ফেলে সেটাই জীবনের কাল হয়ে ওঠে। এদের মধ্যেই কতো কাঙ্গাল আছে   জীবনে একটা শান্তির নিঃশ্বাস নিতে স্বপ্ন দেখে ভালোবাসার। স্বপ্ন দেখে মানুষের মধ্যে মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার। সময়ের স্রোতে বয়ে যাওয়া অভ্যাসটা এতটাই অপ্রত্যাশিত ভাবে প্রতিনিয়ত তাদের এমন একটা পরিস্থিতিতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের কেউ বিশ্বাসের সাথে মেনে নিতে পারে না। কি অভিশপ্ত কপাল নিয়ে তাদের জন্ম! হে! বিধাতা  কেন এমন মানুষ গুলোর জীবন এতো দীর্ঘ হয়? কেন এই মানুষ গুলোর মৃত্যু লেখা হয় না জন্মের সাথে সাথেই? এই দাবি টাও তাদের অন্যায়।  সেই মানুষ গুলো কে কি নামের পরিচয় দিয়ে সম্মধনে সঠিক হবে অজানাই নিজের। 

জীবনের  অনেক টা সময় অতিক্রম করে যে দ্বীপ শিখার আলোয় নিজেকে দেখতে চেয়েছি তার সাথেই  অবুঝের মতো অন্যায় করেছি প্রতিনিয়ত। নিজের থেকেও বেশি মুল্য দিয়ে যার জন্য বাঁচতে চাওয়ার  আর্তনাদ শুনিয়ে  তার সাথে থাকার অভ্যাস করতে হবে বলে চেষ্টায় ছিলাম তার সাথেই  ঘটেছে বিবাদ।  স্বপ্ন গুলো মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ থেকে হৃদপিণ্ডে এসে বাসা বেঁধেছে ঠিক তক্ষুনি আঁকড়ে থাকা সত্ত্বেও তার থেকে দূরে সরে থাকতে হয়েছে।  ভালোবাসার নাম শুনে ছিলাম  উপলব্ধি টা পেয়েছি প্রিয় মানুষ টার থেকেই। আর সেই শিখার আলোয় হঠাৎ করেই কালো মেঘের আচ্ছনতায় আমায় আবার সেই অন্ধকারেই রেখেছে। 

ক্ষমার অযোগ্য মনে হয় নিজেকে। না!  সে তো ভুল করেনি। প্রতি পদেই ভুল শুধু আমার।  আমি জানি না কেন এই ভুল গুলো আমার থেকেই হয়। হয়তো স্বভাবতই আমার পরিচয় বড্ডো এলোমেলো।  তবুও প্রিয় মানুষ টাকেই চেয়ে থাকবো সেই দিন পর্যন্ত। তার দেওয়া প্রতিটি মুহূর্ত তুলে রাখবো হৃদপিণ্ডের এতো গোপনে যদি আমি আবার ধুলোয় মিশে যাই সেই মূহুর্ত গুলো যেন আমারই থাকে। সেই ধুলোর প্রত্যেক কণায় থাকবে প্রিয় মানুষ টার দেওয়া অনুভূতি।  
ভালো থেকো প্রিয়,, এই পৃথিবীতে আমার মতো কপাল পোড়া শহর জুড়ে তোমার স্বপ্নের বিঞ্জাপন ছাড়া অন্য কিছুর বৈধতা থাকলো না।

আলিঙ্গন,,

এই জড়িয়ে ধরার ব্যাপারটা বড়ই অদ্ভুত। বুকের মধ্যে হাজার খানিক ক'ষ্ট  নিয়েও যদি প্রিয় মানুষটাকে জড়িয়ে  ধরতে  পারেন। তবে  আপনার  আর কোনো  ক'ষ্টই থাকবে  না! আপনার  মন  সকল অস্থিরতা ভুলে একেবারে ফ্রিজের জলের মতো ঠান্ডা হয়ে যাবে,একদম  ফুরফুরে  হয়ে যাবে। এই জড়িয়ে ধরার ব্যাপারটার মাঝে  এক প্রকার মানসিক শান্তি আছে। 

প্রিয় মানুষটাকে শক্ত করে বুকের সাথে  জড়িয়ে  নেওয়ার মতো  শান্তি বোধহয় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। প্রিয় মানুষটাকে জড়িয়ে  ধরার পর আপনার  বুক শীতল  হয়ে যাবে। বুকের মধ্যে কোনো প্রকার জ্বা'লা য'ন্ত্র'ণা থাকবে না। আপনি  খানিকটা সময় পৃথিবীর সকল কিছু ভুলে স্ব'র্গে'র সুখ অনুভব করবেন। 

রোবটিক্স হৃদয়  নিয়ে  কাউকে  জড়িয়ে ধরবেন না। যাকে অনুভব করেন, যে আপনাকে  অনুভব করে। যে একটা  আলিঙ্গনের জন্য  অসহায় পথশিশুর মতো  আপনার  দিকে  চেয়ে থাকে। তাকে জড়িয়ে  ধরার  মতো  মানসিক শান্তি বোধহয় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। 

কাউকে  একবার  জড়িয়ে ধরে  ছেড়ে চলে যাবেন না!  যাকে জড়িয়ে ধরবেন  সে যেনো আপনার  হৃদপিণ্ডে বাসা বেঁধে নেয়।তার বুকের আবহাওয়া যেনো আপনার  সুখে থাকার কারণ হয়। পৃথিবীর অন্য  সকল বুক যেনো আপনার  জন্য  বি'ষা'ক্ত  হয়। 

এই জড়িয়ে ধরার ব্যাপারটা সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত। আমাদের  ডিপ্রেশন,ক'ষ্ট, হতাশা দূর করার জন্যই হয়তো  সৃষ্টিকর্তা  আমাদের  প্রিয় মানুষদের বুক এতো শীতল করে দিয়েছেন। ডিপ্রেশন, কষ্ট, হতাশার দিনগুলোতে পাশে  থেকে,বুকে আগলে রেখে সাপোর্ট  দেওয়ার জন্যই হয়তো  সৃষ্টিকর্তা জোড়ায় জোড়ায় আমাদের   সৃষ্টি  করেছেন। 

*বউ না থাকলে কি কি হয়।*

*বউ না থাকলে কি কি হয়।*

বউ না থাকলে,
একটা ছোট্ট হারপিক অন্তত দশ বছর চলতে পারে।

বউ না থাকলে,
একটা রুম ফ্রেশনারে সারা জীবন চলে যায়।

বউ না থাকলে,
একটা ঘর মোছা বারুন অন্তত পাঁচ বছর টেকে।

বউ না থাকলে,
একটা পাতি দাঁতের ব্রাস দু বছর অব্দি চলে।

বউ না থাকলে,
ডিওর কোনো প্রয়োজনই নেই।

বউ না থাকলে,
তোয়ালে কেনার প্রশ্নই নেই। একটা গামছাই যথেষ্ট। পা মোছা গামছা, হাত মোছা তোয়ালে, মুখ মোছা টিস্যু, পিঠ মোছা টাওয়াল ইত্যাদি সমস্ত বিভাজন একটা সুতির গামছাই মেটাতে পারে।

বউ না থাকলে,
জল আর উইল্কিনশন ব্লেডেই দিয়েই দাঁড়ি কামানো যায়। ফোম লোশন ইত্যাদি নিশ্চিন্তে ভুলে যেতে পারেন।

বউ না থাকলে,
এরিয়াল, সার্ফ এক্সেল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ টাকার রিনের গুড়ো তিন মাস চলবে।

বউ না থাকলে,
হিম্যান ওম্যান শিম্যান ইত্যাদি বিভাজনের প্রশ্ন ওঠে না। জুই ফুল গন্ধ শ্যাম্পুও অবলিলায় গায়ে মাথায় মাখা যায় - লাল লাইফবয় সাবানও খুশিতে মাখা যায় - গায়ে বা মাথায়।

বউ না থাকলে,
কোলগেটের গুঁড়োতেই কাজ চলে। নুন দেওয়া, চারকোল ঠোসা, লবঙ্গ পেষা, ফ্লোরাইড, ভিজিবল হোয়াইট ইত্যাদি পেষ্টের দরকার হয় না।

বউ না থাকলে,
জামা প্যান্ট ইস্ত্রি করানোর খরচ শূন্য. তাছাড়া ইস্ত্রি লাগে এমন জামাকাপড় কেনারও প্রয়োজন নেই। পাতি টেরিকটের শার্টেও "ও লাভলি" বলার লোক প্রচুর আছে, সবাই যদিও স্বীকার করে না শিকার হবার ভয়ে।

বউ না থাকলে,
আত্মীয় অনাত্মীয় আপ্যায়নের খরচ খুব কম - একটা ঝাল চানাচুরের প্যাকেটেই দশটা আপ্যায়নের কাজ চলে, মিষ্টি চানাচুর অনেকেই ভালো খান - সেইজন্যই ঝাল ভাবলাম।

বউ না থাকলে,
কেবল কানেকশন লাগে না। ইউটিউব আর টোরেন্ট লিঙ্ক যথেষ্ট - আর মাঝে সাঝে বড়দের সিনেমা।

বউ না থাকলে,
হিট মর্টিন গুডনাইট অল আউট লাগে না। ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ারও ভয় নেই। জানলাই খুলবো না তো মশা আসবে কোত্থেকে। তাছাড়া মশার পছন্দসই ইন্ডোর আগাছাও বাড়িতে থাকে না, বউ না থাকলে।

বউ না থাকলে,
ধুপকাঠি, নকুলদানা, বাতাসা, গুজিয়া, আমিষ নিরামিষ বাসন ইত্যাদি বাবদ জিরো এক্সপেন্স।

বউ না থাকলে,
ইকোপার্ক নিকোপার্ক নলবন নানা ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি যেতে লাগে না। বুড়ো আমগাছ তলায়, আরো জনা দুই বউছাড়া বন্ধুর সাথে বসে বিশ্বভ্রমনের সুখ পাওয়া যায়! টেকনিকটা জানতে হবে শুধু।

বউ না থাকলে,
একবার মশারি টাঙালে অন্তত একমাস খোলার দরকার নেই। ধার গুটিয়ে গুটিয়ে ঠিক চালিয়ে নেওয়া যায় - বছরে দুবার বিছানার চাদর আর বালিশের ওয়ার পাল্টানো যথেষ্ট।

বউ না থাকলে,
বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডালসেদ্ধ ঘি দিয়ে আর কাটা কাতলা পেটি ভাজা খেয়ে একশো বছর সুস্থ ভাবে বাঁচা যায়। দশ রকম শাক, নানা কিসিমের ভাজা, বড়ি সুক্ত সব্জি কাসন আচার যত্তসব।

এবং আরো আরো আরো - প্রচুর আছে এই তালিকার লিষ্ট। আপনার যদি কিছু মনে হয় তা জুড়ে দেবেন। বহুজাতিক থেকে আঞ্চলিক ব্যবসা যত, সবই টিকে আছে শুধু নারীদের ভিত্তি করেই - এবং টিকে আছি আমরাও। আমাদের গায়ে গন্ধ নেই, শার্টে রিঙ্কেল নেই, মুখে ব্রন নেই, এও তো কোনো না কোনো নারীর খ্যাকানির ভয়েই। আমাদের রুপ, শিষ্টাচার, বা আরও যা কিছু পুরুষালি কাজকর্ম সবই তো কোনো না কোনো নারীর জন্যই। কথাতেই আছে না -

*বন্যরা বনে সুন্দর*
*পুরুষেরা নারীর ভয়ে*

ভয়ে? নাকি ভালোবাসায়? নাকি ভক্তিতে? নাকি সবগুলো মিলে মিশেই?

বড় জটিল এর উত্তর - 
বোঝার ক্ষমতা নেই আমার - বুঝে কাজও নেই।

সংগৃহীত

শিব তাণ্ডব

শিব তাণ্ডব || Shiv Tandav || (শিব তাণ্ডব রচনা করেছিলেন রাবণ) জটা-টবী-গলজ্জ্বল-প্রবাহ-পাবিতস্থলে গলেবলম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গ-তুঙ্গ-মালিকাম্ । ...