আবার দেখা হবে প্রিয়!!

হারিয়েছি  তো তোমার কাছেই!! 

তোমার থেকে হারানোর ভয় পাই না। 

আমি বিশ্বাস করি,,,

তুমিও আমায় ভালোবাসো,,,

তাতে যতো ঘৃণাই করো না কেন,, 

নীল,,, তোমার  ঘৃনীতঃ ভালোবাসা,,  

আর ভালোবাসা মানুষ ভুলতে পারে না।

 কি করে ভুলবে আমায়?? পারবে??

পারেবে না!!"

ভয় পাই শুধু তোমাকে হারানোর ,,, 

নাঃ  আমি পারবো না! 

আমিঃ হ্যাঁ আমি পারবো না,,
 তোমাকে হারাতে! 

তাতে যাইহোক,,,
 হ্যা তাতে যাইহোক  প্রিয়!!  

আমি তোমাকে হারাতে পারবো!! না!!

জীবন টা তো তোমার পায়ে কবেই জলাঞ্জলি দিয়েছি! 
সেকি!  বোঝো না? 

না কি তেমন ভাবতেই পারো না?

কি আছে আজ নিজের বলে??
নাঃ কিচ্ছুটি নেই।

হ্যাঁ  কিচ্ছুই নেই আজ আমার।
 আমি আমার মনে বিন্দুমাত্র নিজের জন্য কিছুই রাখিনি।

সব টা দিয়ে আমি ভালোবেসেছিলাম তোমায়!
হ্যাঁ  বিশ্বাস করো,,,তোমায়,,, 

আজ আমি নিঃস্ব,,,,কিছুই নেই নিজের বলে!!

 যা,,কিছু তুমি নিয়ে ছিলে আস্বাস দিয়ে রাখবে। 

 নিজের কাছে নিজের মতোই রাখবে।
 
আর আমি উন্মাদ হয়ে তোমায় উজাড় করে ভালোবেসে ফেলেছি পাগোলের মতো। 

আমার এই ভাবনা টাই হয়তো সব থেকে বড়ো ভুল ছিলো। 

ভুল ছিলো আমার স্বপ্ন দেখার। 

 ভুল ছিলো নিজের অন্তরআত্মায় তোমাকে ঠাই দেওয়া। 

ভুল ছিলো তোমাকে নিজের সব থেকে আপন মানুষ ভেবে,, সেই মানুষ টার কাছে নিজেকে দেউলিয়া  করা,,, 
এতোটা সস্তা করে নিজেকে তোমার কাছে তুলে ধরা যে আমি মূল্যহীন,,  
আসলেই এই গুলো ভুল ছিলো আমার। 

 তাই  এই ভাবে ভূলের পর ভুল করে প্রথমে ঘাবড়ে যাই নিজেকে দেখে। 
তারপর সিদ্ধান্ত নেই হ্যা তোমার কাছেই থাকবো।

 তাই জীবনের সব থেকে বড় বিষয় থেকে নিজেকে তুলে এনেও ফেলেছি তোমার পায়ে। 

কেঁদেছি এই বলে প্রিয় আমায়  বিস্বাসের আসনে বসিয়ে একটু ভালোবাসা দাও। 
আমি আর কিচ্ছু চাই না। 

আমি এই বিস্বস্ত ভালোবাসার কাঙাল। 

তাতে তোমার কিচ্ছুই না।
 তাতে তোমার কিচ্ছু যায় আসে নাঃ,,,

কেন?  হবে!  


সত্যিই তো!!

আর সেই জন্যই আজ আমি নিজেকে সপে দিয়ে।  উন্মাদ হয়ে তোমার অপেক্ষায়। 

থাকবো! প্রিয়!!! 

 আমি অপেক্ষায় থাকবো সেই দিন পর্যন্ত যতোক্ষণ চলে এই শরির টায় তোমার নামের নিশ্বাস।।। 

হ্যাঁ তোমার নামের নিশ্বাস!!! 

থাকবো! প্রিয়!!  

আমি অপেক্ষায় থাকবো,,,,

তুমি শুধু আমার ভুল গুলোই দেখলে!!? 

দেখলে না!  আমার ভালোবাসা!!? 

নাঃ তার মূল্য নেই তাঁ তো নয়!

অবশ্যই আছে।

তোমার কাছেও আছে আর আমি তা বিশ্বাস করি! এখনো,,,,, 

আর সেই জন্যই শুধু এখনই নয় ভবিষ্যতেও থাকবো। অপেক্ষায়!!! তোমার।।। 

হ্যাঁ তোমার অবহেলা নিয়েই থাকবো,,,,
তোমার অপেক্ষায়!! 

শুধু সেই অধিকার টা নিয়ে বাচতে দিও,,,,প্রিয়। 

আমি স্বপ্ন গুলো একদিন ফুলের মতো উপহার দিয়ে যাবো তোমায়। 

তারপর যদি মানুষ হয়ে ফিরি!!

 হয়তো দেখা আবার হবে!!!

আর সেই কথাই দিয়ে যাবো........ 

তোমার অভাব,,,

তোমার অভাব বোধহচ্ছে খুব খুব। সেই সকাল থেকে শুরু এ-ই অভাব।  কি করবো বলো?
সেই থেকেই মেঘলা আকাশ, প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে আমার আকাশ জুড়ে। 
থেমে থেমে নেমে আসছে পশলা পশলা বৃষ্টি বিদ্যুৎ সহ,,,,। 
আমি আজ ভাবনার উর্ধে গিয়ে কিছুই খুঁজে পাই না তোমায় ছাড়া,,,,,, 

এমন  এক সময় আমার খুব মন খারাপ হয়, জানো প্রিয়???

ইচ্ছে হয়, দূরে কোথাও চলে যাই।
আর ফিরে আসবো না কোনদিন। 

নিজেকে প্রচন্ড ব্যর্থ মনে হচ্ছে আজ, প্রচন্ড!!

'আপনি','তুমি'কিম্বা কোনো এক 'তুই' অভাব বোধ হচ্ছে প্রিয়!!! 

যদি তোমায় পেতাম আজ,,,বলতাম! ""
চলো, হেটে যাই,  একটু পথ,,,,যেখানে সেই বকুল ফুলের গাছের শারি,,,,হাওয়ায় ঝড়ে পড়া ফুল কূড়িয়ে তুলে দেবো তোমার হাতে,,,, 
তার পর রাস্তা পার হবে এই হাত  ধরে,,, 

আর সেই সময় বৃষ্টি নামবে,,, 
দিগন্ত থেকে দিগন্তে তুমি আর আমি  হাঁটতে।।
 তুমি,, আমার হাত ধরে,,,রাস্তা পার হবো প্রচন্ড বৃষ্টির মাঝেও।।
প্রিয়!! "

নাকি ফিরিয়ে দিতে? বিরক্তিভরা চোখে। বলতে যাও এখন।  ভালো লাগে না ওই সব।

ফিরিয়ে দাও, বিরক্ত হও;
'উফফফ' জ্বালাময়ী কন্ঠে যাই বলো,,,আমি কিন্তু 
সেই কথাই বলবো।
প্রিয়!  আমায় ভুল বুঝো না!!"


আমি তো শুধু দুজনে একাকী ভিজতে চেয়েছিলাম। ভেজাতে চেয়ে ছিলাম তোমার মন। তোমার প্রাণ।  তোমার তুমি কে। আমি তোমার সাথেই থাকতাম!!! 


ঝড়-ঝঞ্ঝার বৃষ্টিতেও ওই বকুল গাছের তলায় বসে গল্প জুড়ে দিতে চেয়েছিলাম।
 তোমার ভালোবসার,, তোমার গল্পই থাকতো,,,,

দুজনে কাকভেজা হয়ে কাঁপতে চেয়েছিলাম।
কোন এক বৃষ্টিতে,, অচেনা এক রাস্তায়। 

প্রকৃতিতে মিলতে চেয়েছিলাম, তোমায় নিয়ে।
তোমায় প্রকৃতি করে পুজা করতে চেয়েছিলাম। 

তারপর!!. 

জ্বর হলে বোধহয় ঘোরের মাঝে তোমায়ই খুঁজতাম,,,প্রিয়,,,  প্রিয়??? 


তুমি কি করতে, জানা হয়নি।
জানতেও চাই না। আর চাইবোও না।


বাস্তবে না ই বা থাকো,

শুধু কল্পনায় থেকো, স্বপ্নে থেকো।

ভাবনায় থেকো প্রিয়,,, 
আমার  কবিতার ছন্দে থেকো,,
আমার কলমের প্রতি শব্দে থেকো,,,
যৌনসুখে চাইনি তোমায়, প্রিয়!!! 

শুধু মৌন সুখেউ  থেকো!

একই সাথে নাইবা ভিজলে!

নাইবা হলো তোমায়  ছোঁয়া,  তোমার  হাত ছোঁয়া!

গল্প বলা , হারিয়ে যাওয়া; দিক থেকে দিগন্তে!

শুধু কোনো এক মন খারাপের রাতে,
আকাশ দেখে আমায় ভেবে,
একটু হেসে দিও।


প্রিয় ভালোবাসা নিও,,,,

মল্লিকা

দাদা,!! 
এই সিগারেট টা একটু ওই দিকে গিয়ে টানুন। 

এটা পাবলিক প্লেস অর্থাৎ ব্যক্তিগতভাবে আপনার জমিদারি নয়। 
এখানে সিগারেট টান বেন না।

যতো সব। বাজে লোক,,,,,

হাঃ  হাঃ হাঃ,,,কি বললে? 
আমি বাজে লোক? 

একি! এই পাশে আসছো কেন? 
ওই পাশে যাও,,,আমি এই খানে আমার এই চা য়ের ভাড় আর চাবি,, মোবাইল,, আর ব্যাগ টা রাখবো,,রোজ রাখি,, রাখবো,,,
যাও ওই দিকে।।
যাও,,,,

না  না  গাছের থেকে জল পড়ছে,,এই দেখো জামা টা ভিজে গিয়েছে,,, 

ওটা জল না,,,ওটা হনু মানের হিসি,,,

 তো! পিসির নাকে গন্ধ যাচ্ছে না?

কি?
পিসি? 
তো আর কি বলবো? 
একদম পিসি পিসি লাগে দেখতে তোমায়।

না না,, ওই পিসি না,,,

সবার বাড়িতে যেই পিসি থাকে,,,
আমি সেই বিশুদ্ধ পিসির কথা বলেছি।

পিসি,,তাও আবার বিশুদ্ধ!  

হ্যা কেন হবে না,,রাজ্য জুড়ে যদি কোন ডাক নাম নোংরা হয়,,তবে এই দিদি আর পিসি ডাক নাম টাইতো আমরা বদনাম করে ফেলেছি। 

বাঃ আপনি তো চমৎকার কথা বলেন দেখছি...

এই তো বললে আমি বাজে লোক,,
আবার আমার কথা চমৎকার হয়ে গেলো? 
কি আজব চিন্তা ভাবনা তোমার?  

আচ্ছা মাঝে ৩ দিন আর গতকাল আসেন নি কেন?

ওরে বাবা! আর?? 

আর,,আপনি কিব সব লেখেন বলেন দেখি খাতায়?  
হাতের লেখাও তো খুব ভালো না।
অতো দুই তিন রঙের পেন দিয়ে কি লেখেন খাতায়? 

আর??

আর তোমার নাম? কি নাম? 
ও!!! আর? 

ইডিয়েট,,, 

হু,,,,আর?

দুর!!! খালি,,আর,,আর,,,আর,,,

ঝাটামার কপালে।।।

আহাঃ,,রেগে যাচ্ছো কেন? 
আমি কি বলেছি উত্তর দেবো না।

আমি প্রশ্নের শেষ জানতে চেয়েছি,,,

তবে শোনো,,তোমার এই সব প্রশ্ন যদি আমার উনি কখনো জানে? 
আমার তবে খবর আছে। 
আমায় উঠতে বসতে কথা শোনাবে,,
যাও,, তোমার জন্য,,......
এই কি নাম তোমার?  
মল্লিকা,,,  
তোমার জন্য,, গঙ্গা ঘাটে মল্লিকা বসে আছে,,,,
যাও,, দেখা করে এসো,,,

ও,,তারমানে  প্রেম করো???

আপনে থেকে তুমি!!!

আপনি প্রেম করেন? 

হু,,,করি তো,,আমার ও একটা মনের মানুষ আছে,,
আমার প্রিয়,,, 
আর আমি তাকে পাগোলের মতো ভালোবাসি।

ও সব মিথ্যে বলছেন!!  

আমার তাতে বয়েই গেলো,,,তুমি কি বললে। 

হ্যা দেখি তো,,পাগোলের মতো ঘাটে এসে খাতা খুলে কি সব লেখো,, কে দেখলো কি বললো কোন হূস থাকে না তোমার!!! "

আহাঃ,,আবার  তুমি????

আমার প্রিয়,,,   সত্যিই এই সব সহ্য করবে না। 
আমার নাম নীল,,,  

আমি এই ঘাটে প্রতিদিন এই সময় আসি,,বসি,,চা,, সিগারেট,, খাই,,,তারপর.... 

আমি বলি,,,খাতা কলম  দিয়ে খাতায় আলপনা দিয়ে খৈনি ডলে মুখে দিয়ে,,, এর মধ্যে যদি কেউ ফোন করে ফোন গুলো কেটে দাও,,,তাদের ফোন করে কি সব বলো,,, কখনো,, বউদি,,,কাকি মা,,মাসি মা,,মোটাভাই,,, আচ্ছা ঝিঁঝিঁ পোকা টা কে? 

আমায় বলতে দাও বলছি,,
তোমার তো প্রশ্নের শেষ নেই দেখছি,, 
আমি স্ট্যান্ডার্ড ভিখারি,, 
দুয়ারে বিজয় প্রকল্পের কাজ করি,,,
কে কি দিলো,,,দিলো না,,,
কবে দেবে 
সেই তথ্য খাতায়  তুলে রাখি,,
আর এই আমার পেশা। 

আর ঝিঁঝিঁ পোকা,, 
ও আমার  সব থেকে প্রিয় বোন,,,
আমার ৫টা বোন,,, এই বোন টাই প্রতি বছর খুব নিয়ম করে  নিষ্ঠার সাথে রাখি পড়ায়। এক বার আমি রাখির সময় উত্তর প্রদেশে ছিলাম,, তিন দিন না খেয়েই ছিলো,,আমি ভুলে গিয়েছিলাম দিন টা,,আমি এসেছি তারপর রাখি পড়িয়েই ঞ্জ্যান হারা  হয়ে যায়। 
 ঝিঁঝিঁ পোকা টা আমার বোন।

 চা খাবে?? 

 আমি তো চা খাই না। 
আপনি দেখেছেন আমায় চা খেতে? 
রোজ তো আপনি খান!!! 
তবে আজ না বলবো না।। 
হোক একটু  চা,,,

সিগারেট?? 

কি সব বলেন?? 

বসো আমি নিয়ে আসি,,আর এই সব রইলো দেখো,,খেয়াল রেখো,,  আমি চা নিয়ে আসি,,


চা,,সিগারেট,, এবার খৈনি,,,আচ্ছা আর কি কি চলে?

দেখো,,,লোহা খাই না শক্তে আর গু খাই না গন্ধে,, আর সব খাই,,,,

চুমু?? চুমু খেয়েছেন?? 
আচ্ছা দু দিন ধরে দেখছি ফোনের মধ্যে কিছু একটা  দেখেন,, আর চা সিগারেট টানেন,,
কি দেখেন,, দেখাবেন? 
 কি উত্তর দিচ্ছেন না যে,,,,

হ্যা,, চুমুও খেয়েছি,, অনেক,,, 
সেখানে বলাই ছিলো লক্ষেরও বেশি চুমু খেতে দিতে হবে। 
আর ফোনে কি দেখি,, 
দেখি আমার  প্রিয় মানুষ টা কে। 
মন জুড়িয়ে যায় যখন দেখি। 

কই দেখি দেখি,,,আপনার চুমু খাওয়া মানুষ টা,,, 

চুমু খাওয়া মানুষ টা আলাদা তার কোন ছবি নেই,,
ছিলো সব মুছে ফেলেছি,,, 
আর ফোনের ছবির মানুষ টা আলাদা আর তা আমি দেখাবো না। 

খুব সুন্দরী!!!  
 
হু,,,আমার তো তাই মনে হয়। 

এই,,, শোন,,,,এবার তুই বল,,,,

কি??  তুই!!! 
হু তুই,,,তুই আমার চোখের দিকে তাকা,,তাকা বলছি,,,,কি নাম তোর??? 
ও!!! মল্লিকা। 
চোখ বন্ধ কর,,,
কেন আসিস এখানে  কিছু দিন ধরে? 

মাঝেমধ্যে তো ওই খানে বসে ওড়নার ভেতরে মুখ লুকিয়ে কাঁদিস দেখি,,,

কি হয়েছে রে??
ব্রেকাপ?? 

বল কেন আসিস,,,
দেখিস,,বাবা,,,আবার ঝাঁপ দিয়ে মড়তে যাস না!
ফুলের মতো জীবন টা নষ্ট করিস না। 
চোখ খোল,,,,বল কি হয়েছে?? 

আজ নয়,,,অন্য দিন বলবো,,, অনেক বেলা হয়েছে রুমে ফিরে  যাই। আপনার বাড়ি কোথায়? আমি  ওই গার্লস হোষ্টেলে থাকি,,, বাড়ি কুচবিহার।  চেনেন?  কুচবিহার  গেছেন?  

চলি,,,আজ আর কথা নয়,,
আমার প্রশ্নের উত্তর পাইনি,,,
চায়ের পয়সা ফিরিয়ে দিন। 

বললাম তো,, 
আগামীকাল কথা হবে। 
আপনি আসবেন আমিও আসবো
 এই খানেই কথা হবে। 

তো!! ঠিক আছে,,,ভালো থাকবেন 🙏🙏🙏।



খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,

খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,, 
 
খুব,,,,,, খুব!!!!!

 হ্যা  জানি তো ! 
সেই কপাল আমার না।
তবু্ও!!!! 
খুব ভালোবাসি,,,
আরো অনেক ভালোবাসবো। 
প্রতিদিন একটু একটু সেই ভালোবাসা বাড়াবো,,,
একদিন সেই ভালোবাসা আমার পাশেই দাঁড়াবে।।।। দাঁড়াবে।।।



কেন হবে সেই কপাল?  
সেই কপাল সবার হলেও আমার হতে নেই,,,, হতে পারে না।
আর কোন দিন হবেও না।

আমি এতো বড়ো অপরাধী!!! 

কিন্তু হ্যাঁ,,, প্রিয়,,, 
বিশ্বাস করো,,,,তোমায় ভালোবেসে ফেললাম এবং তোমায় আপন করে ফেললাম তোমার চাওয়া  না চাওয়ার মধ্যে দিয়েই।  
কখন যে এত পাগলের মত ভালবেসে ফেলেছি। নিজেই জানিনা। 


নাটকের ভাষায় যদি বারবার বলতে হয়!  
যদি বলতে হয় পৃথিবীর সব ভাষায়!  
আমি সেই চেষ্টাও করব। 
বারবার আমি সেই কথা
 বারবার আমি সেই কথা 
বারবার আমি সেই কথা 
নতুন করে বলবো 
নতুন করে বলবো 
নতুন করে বলবো,,, 



খুব ভালোবাসি প্রিয়। 

ভালোবাসি প্রিয় খুব,,,,,





ও!!!!! প্রিয়!!!! 



আমি আবার এসেছি!!! 

দূর তুমি রাখো তো!
 তোমার ব্যাস্ততা,,,, 

আগে আমার কথা শোনো!!! 
আগে!  আমার কথা!!! 
শোনো প্রিয়!!!! 


হ্যাঁ সেই একই কথা... 
ঠিক বলেছ!!!! 
আমি সেই একই কথা আবার বলতে এসেছি!!!! 
আমি তো বলেছি,,,, 
আমি সেই কথা বারবার বলব। 
আমি সেই কথা বারবার বলব। 

খুব ভালোবাসি প্রিয়!!!! খুব ভালোবাসি!!!



ও প্রিয়,,,, প্রিয়,,, 


এই সুনছো,,,
ও সুন্দরী আমার!! 
আমার কথা শোনো। 
এই!!!  শোনো বলছি,,,ও প্রিয়,, ওই,,,

একি  রেগে যাচ্ছ কেন?
  না!  গালদিও না। 
জানি ও গুলো এমনি বলো। দেখো প্রিয় ওসব কথা ভালো না বলতে নেই। 

যাক!!  
 যে কথায় ছিলাম শোনো বলি,,,, 

বিশ্বাস করো,, এতো আনন্দ আমি আগে পাইনি?!! 
আগে আমি এত আনন্দ কখনই পাইনি!!! 

সেই জন্যই তো বলি!!! 
খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,,, খু,,,,,,ব।


আরো অনেক ভালোবাসবো!!! 
ওই আকাশের মতো,,,,



ও প্রিয়!!!  প্রিয়,,,, 

বা!!! 
এইতো কত সুন্দর!!! কত সুন্দর করে তুমি সাড়া দিলে  আমার ডাকে। 
 আমি তো এই চাই।।।।
আমি এই চাই। 
বিশ্বাস করো আমি ঠিক এই চাই! 
 আমি ঠিক  এই চাই।।।

আমি চাই! "
আমার প্রতি ডাকে তুমি সাড়া দাও,,,
আর সেই কণ্ঠস্বর!!! পৌঁছে যাবে আমার কর্ণ হইতে মস্তিষ্ক ভেদ করিয়া হৃদপিন্ডের প্রবেশদ্বারে.... 

প্রিয় অনেক কিছু চাই,,, 
আর সেই জন্যই তো!!! 
এতো উৎসুক আমি! 
তুমি বোঝনা? বোঝনা তুমি? 
নাকি সব বুঝেও অবুজ  হওয়ার ভান করো 
ও!!!
তুমি তো আবার নিজেকে বলো অবুঝ বালিকা!!!!   হু,,,,,,,বালিকা  
,,,, আমার,,, ইয়ে😄😄😄।
 হ্যা,,,,রে,,, 
তুই আমারে,, ইয়ে,,,।।


তুই আমার ভালোবাসা,,, 
তুই আমার আকাংখা,,, 
তুই আমার সব,,,,,, সব,,, সব,,,

এইজন্যই তো তোর থেকে জীবনের সব চাওয়া গুলো পেতে চাই,,,, 

এই যেমন এখন বললে না আমি বাড়ির সামনে চলে এসেছি   ফোনটা রাখছি।।।। 

ওসব না বলে এমনটাও তো বলতে পারতে!!!!

এই পাগলা,,, 
রাতে তারাতারি বাড়ি ফিরবি।
 দুপুরে কিন্তু ভাত খাওনি।।।
বাড়ি ফিরে তাড়াতাড়ি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়বে। বেশি রাত জাগা দরকার নাই সকালে কথা হবে। 

বিশ্বাস করো খুব খুশি হতাম আরো খুশি হতাম,,,, আজ,,,,,
আমি এইসব কিছুই চাই তোমার কাছ থেকে!!!!! 
আমি এইসব কিছুই চাই।।।। 

আর সেই জন্যই তো তোমায় বারবার বলি,,, 
হে প্রিয়,,, তোমায় আমি বারবার বলি,,, 
খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,, খুব।।।


ও প্রিয়,,,, 

প্রিয়,,,, 

আজ তোমার চোখ দুটো,,,

হ্যাঁ ঐ ছবির চোখ দুটো তোমার।
  আমার হৃদপিন্ডের  ধুকপুকানির যন্ত্র,,
বলতে পারো,,,, 
সেই তোমার চোখ দুটো পৃথিবীর এতো  মানুষ দেখবে,,,
তোমায় জীবন্ত ওতো মানুষ স্বচোখে দেখবে না।।।

কতো প্রেমিক দেখে আমার মতোই  আনন্দে একা হাসবে,,,আর চোখ ভিজে যাবে।

কতো বীর প্রেমিক তৌসিফ দেবে।। 
বলবে এই পাগলের ভাগ্যে যেন সত্যিই শুধু তুমিই থাকো। এটা ওদের অভিশাপ।।।। 

তুমি ওদের অভিশাপের কারণ হবে। 
আর আমিও তাই চাই!!! 
আমি শুধু  তোমায় চাই।

পৃথিবীর  কতো পুরুষ দেখবে ,,,, 
দেখবে আর বুকে হাত দিয়ে বলবে আমাও যদি এমন একটা প্রিয়,, থাকতো!  

আমার উপর হিংসা করতো ওরা সবাই,,,

কিন্তু আমি শালা এক ফোটাও রাগ করবো না।
কেন করবো,,, 
ওদের হিংসার কারণ তো তুমি,,, 

আমি অহংকার করবো,,,,,

সেই তুমি টা আমার,,, শুধু  
আমার,,, 


সেই জন্য তোমার অনুমতি নেইনি তাই রাগ করো না প্রিয়,,, 

খুব ভালোবাসি প্রিয়,,,, তোমায় খুব ভালোবাসি।


এর পরেও,,,তুমি চুপ থাকতে পারলে??
 প্রিয়!!! 
বাঃ!!!!
ও প্রিয়!! 
প্রিয়,,,, 
কি করে পারলে বলবে!!!

 এতো চুপচাপ থাকতে!!! 

আমি না এই সব পারি না।।

আমায় শেখাবে!!  
শেখাবে? 

আমিও শিখবো! 
কি করে তোমার মতো এতো  হ্রদয়ের  গভিরে বন্দি করে কাউকে ভালোবাসা যায়। 

সত্যিই অবাক লাগে!! 
অবাক হই!!! 

ভালো লাগে এই গুলো খুব ভালো লাগে!!!

সেই জন্যই তো,,,
বারবার বলি,,, বারবার বলি,,

খুব ভালোবাসি প্রিয়,, 
খুব ভালোবাসি,,,, তোকে সত্যিই খুব ভালোবাসি।


সত্যি ভালোবাসা

 আচ্ছা সত্যিকারের ভালোবাস কাকে বলে? 

জানেন কেউ? 
আমার তো মনে হয় যেখানে উদ্দেশ্য হীন ভাবনা থাকবে।
যেখানে কোনো স্বার্থ ছাড়াই  আপনাকে ভালোবাসবে।
না সেখানে বিন্দু মাত্র সংশয় থাকবে না।

কোনো কারন ছারাই যখন  হিয়ায় হারাবে কেউ ।
 অসুস্থতায় সেই মানুষ টা   পাশে ছায়ার মত থাকবে। 
একটু দূরে গেলে অস্থির হয়ে যাবে।

সময় অসময়ে একজনকে অন্য জন পাগলের মত খুজবে। 
 খারাপ সময়ে ঠিক  বুঝবে কিছু না বললেও।
কারণ!! 
সত্যি কারের ভালোবাসতে কোনো কারন লাগেনা।
লাগে একটা পরিস্কার মন। আর সেই মনের মাঝে বিশাল এক আকাশ। আর একটু  ইচ্ছা শক্তি , একটা মানুষ কে ভালোবাসার।  

আর যারা মন থেকে ভালোবাসে তারা কখনো কারণ খোকলজেনা।
যাদের এরকম একজন আছে সে খুব ভাগ্যবান।
খেয়াল রাখবেন  মানুষ টাকে,,,
তাকে কখনো হারাতে দিও না।

আবার তবে একাদশীতে এ-----সো! তিথি!!!

 ওই!!"   

  শুনছো!!!

এই চান্দের রাইতে মাঝে মইধ্যেই 
তোমার কথা আমার খুব মনে পড়ে গোঁ,,,খুব মনে পড়ে,,,,,,

জানো,!!!

ওই চান্দের রাইতেই,,
তোমার লগে  আমার প্রথম দেখা হই ছিলো,,,
 মনে আচ্ছে?

জানো! 
আমি নিরালায় বইয়া বইয়া আইজোও,
তোমার কথা যত্ন কইরা  ভাবি। 

কি অসম্ভব অসহায় কইরা আমায় ফালাইয়া থুইয়া নিজে চইলা গেছো না ফেরার দেশে,,,

জ্যোৎস্না রাইতে, 
তোমার  কল্পনায় জাগ্রত থাহি  যহোন!  
মনে পড়ে
তুমি আমার হইবা কইয়া, 
আজীবনের জন্য পালাইয়া গেলা!!! "
কি করলা!!!

আমি সেই দিন থিকা  একাই ছিলাম!
 চল তে  চল তে আমি নিজেরে লইয়া বড্ডো কেলান্ত হইয়া শ্যাষে একটা  ঠিকানা  পাইছি। 

জানো  আইজ তোমারে এক খান কথা কই,, 
তুমিও শুনলে খুশিই হইবা। 
তুমিও হেই কথাই  কইতা, 

মুই রাইগ্যা তোমারে খুব বকতাম।

 হু-নো কতা-ডা কই!!

আমি না নতুন কইরা নিজেরে আবার নিঃস্ব করছি! জানো!!
 এক্কারে কিছুই রাহি নাই!    
 হ  তুমার  নামের ভালোবাসাও আমি হ্যেরে কইছি,,,,
কইছি তোমার বেবাক গল্প গুলান।
কইছি তোমার চান্দের নাহান মুক- খানের গল্প। 
 হেই দিন ডাও এই চান্দেরই রাইত ছেলো। 

তুমি আমার ধরাছোঁয়ার মাঝেও রইলা না,!!
ক্যেন যে ওই রকম ঘটলো আইজো চোখ্যে টলটল করে। 
হেই কথা মনে হইলে আগেতো কাইন্দাই ফালাইতাম।
 কতো রাইত ঘুমাই নাই,   জানো!!!, 
নিজেও হেই হিসাব রাহি-নাই।

 কোন দূর  আকাশে একেবারে পালাইয়া গেলা।
 স্বার্থপরের মত আমারে একলা ফালাইয়া,,,, 
কি হইতো যদি লগে কইরা নিজের ধারেই রাখতা ?

জানো!  

আমি তারপর তোমারে যখন খুইজ্জা খুইজ্জা আধ পাগোলের মতো ঘুইরা বারাইছি !! 
তখন  মাঝে মইধ্যে গঞ্জিকা খাইয়া ভোলা বাবার নামেই  পইরা থাকচি অনেক দিন।

  তারপর তোমারে ঘুছাইয়া রাখছিলাম তোমার নামের পাতায়। 
আমার তারপর আর তোমারে হারানোর কো-নো দুঃখ ছেলোনা। 
মনে হইলেই পাতা খুইল্লা পড়তে থাকতাম। 
 পড়তে পড়তে কহোন ঘুমাইয়া পড়তাম হুস  হইতো না। 

তোমার চোখ দুই খানের  সাতশো পাতায় ছিলো বর্ননায়। 
আমি তো ওই গুলাই বেশি পরতাম।  

আরে তিথি! ?? 

 তুমি এই রহোম রাইগা যাইতাছো ক্যেন তোমার চোখ দুই খান কেমন জানি লাগে? 

কি হইছে কইবা? 

কও তিথি  হুনি কি হইছে? 

চোক্কো দুইটা  ওই ছলছল করে ক্যেন?

  আইজো বুঝি কইবা আমার এই সব প্যাচাল পারা কথা তোমার হোনতে ভালো লাগে না?

 তিথি!  আইজ তোমারে আমি সত্যিই তোমার একটা অনেক ব্যাথা দেওয়া কথা কমু,,

,তুমি বিশ্বাস করো আমার কিছুই করার ছেলো না।
 আমিও বেইমানের মতোই নিজেরে ভালো রাখার লোভে ওই কাম করছি। 

কি কাম?  সোনবা?  

যাইহোক আইজ কিন্তু বেবাক কথাডা সুইনা তারপর যা-ওন লাগবো।
 হুট কইরা চইলা যাইয়ো না। 

কইতাছিতো,,,ওই রহোম চোক্কের  কি আছে? 

হেইডা ছেলো একটা আমাব্যইস্যা রাইত,,,

 আমি তোমার নামের  পাতা খান ছিড়া ফালাইছি। 

নাই!  

আইজ এক খান পাতাও নাই।  

সব ছিড়া,,, আমি সত্যিই  নিজেরে  স্বপ্নের  ফেরিওয়ালা বানাইয়া  সেই  স্বপ্ন বেইচা দিছি  অন্ধকারের থিকা এক বিন্দু আলোর শিখা দেইখা যেই পথে  কিছুটা পৌছাইতেই দেখি তোমার মতোই এক দ্বিপ শিখা। 
আমি নিজের সব স্বপ্ন গুলা তার কাছে বেইচা দিছি।
 শুধু  তার ওই আলোয় নিজের বাকি জীবন টা কাটানোর ইচ্ছায়। 

 জানো তিথি!!! 
 নতুন মানুষ টার রাগ  টা একটু বেশিই। 
 অভিমান আরো বেশি। 
খুব শক্ত মানুষ ।  
আবার কিছু ভুল টুল করলে রাইগ্যা যায়। 
আমি ক্ষমা চাইলে ক্ষমাও কইরা দেয়।
 নতুন মানুষ টা ও খুব ভালো। 
আর আমি তারে অহোন খুব ভালোবাসি। 
আমি তারে কইছি আমার মরণডা যেন তোর কোলেই মাথা রাইখা হয়। 
 তুই আমারে দূর কইরা তাড়াইস না। 
আমার আর কিছুই নাই তোরে দেওনের মতো।  পেরানডা চাইলে নেতে পারিস.. 
কি  করমু ওডা আর কোন কামেই লাগবে না। ওডায় বাবলা গাছের কষ লাগচে।
 তোর পিরিতের  রস ছাড়া ওইডা আর বাচবে না। 

জানো তিথি কথা গুলা কইতে গেলে মাঝে মইধ্যে এহোনো কাইন্দা দেই,,, ওরে দেখতে দেই না সেই সব।

ও-য় শুইনা হাসে তেমন কিছুই কয় না।
 তবে জানো ক্যেন জানি খুব বিশ্বাস হয় নতুন মানুষ টারে।
 হ গো আমিও মনে করি হ্যেয় আমারে ভালোবাসে। 
তিথি!?  
তুমি কানতাছো ক্যেন?

 তুমিই তো কইতা,,, যহোন তোমার  মাথায় হাত বুলাইয়া দিতাম।  
এট্টু আদর করতে গ্যেলেই তুমি এই কথা টাই কইতা বারবার।  
আর আমি রাইগ্যা গিয়া মাঝ মাঝে গাইলাইতাম তোমারে।
 আইজ কানতাছো ক্যেন? 
আমার বুঝি ইচ্ছা হয় না! 
 আমিও  সংসারের দিকে যাই। 
আমিও সব বন্ধু গো মতো  খুশিতে থাকি।
 আনন্দে থাকি?  
ক্যেন?  ক্যেন?  
আমি ওই সব ভাবতে পারি না। 
আমিতো তোমারে নিয়াও এই সব স্বপ্নই দেখতাম। 

 তুমি ওই ভাবে ক্যেন জেদ কইরা আমার উপরে রাগ দেহাইয়া হন হন কইরা পিছনে চইলা গ্যেলা? 

 আমি তো তোমার পাশেই ছিলাম আমারে কইয়াও যাও নাই। 
পিছনে  ওই বিকট আওয়াজে তাকাইয়া দেখি আমার সব শ্যাষ।

হ্যা তুমি নিজেরে স্থাপন করছিলা আমার সব অধিকারের ছায়ায়। 
আমি হেই সব কথাও কইছি নতুন মানুষ টারে।

আমি!  আমি!  তার কাছে কিছহু লুকাই নাই।

 আমার সব ভালো লাগা।
আমার সব  খারাপ লাগা অনুভূতি গুলা।
আমার কি   পছন্দ.. আমার কি  পছন্দ  না... আমার সব টুকুই তারে আমি নিজের     মানুষ ভাই-বা গুণ গুণ  কইরা সব কইছি।

জানো  তিথি!!! 

আইজ নিজেরে একটু  ভালো রাখার লোভে পইরা আমার সব স্বপ্ন  আমার ইচ্ছে আমার বেবাক পরিস্থিতিতে আমি নতুন মানুষ টারেই চাই। 

নতুন মানুষ টা কিন্তু খুব হিংসুইট্টা ও কিন্তু  আগেই কইছে,,
যেদিন  হিসাব নেবে পাই পাই হিসাব না মিললেই খবর আছে আমার। 

ওই চান্দের রাইতে, 
তোমারে লইয়া আমি  যেমন  স্বপ্ন সাজাইতাম!!
তোমার মাঝে আমি আমারে সঁপে দিছিলাম যেমন!
ঠিক সেই একই স্বপ্ন নতুন মানুষ টারে নিয়া পেত্তেক দিন সাজাই।
 
জানো,, 
তখন  তুমি একটু  কথা কওয়ার  জন্য তখন কতো দিনের পর দিন অপেক্ষা করতা। 
আর যেই অভিযোগ তুইলা কইতা এক দিন আমি বুঝমু কি জ্বালা হয়।
 হু বুঝি গো,,,
আমার বুকের পাঁজর কয়টা তার হিসাব ভালোই পায়। 

একটু  দেখার জন্য কত আকুতি করতা। 
আমি ধমকাইয়া চুপ করাইতাম কাজের তাগিদে।
 কইতা  একদিন আমার সব ব্যস্ততা হারাইয়া যাবে।
 সেই দিন তুমি থাকবে না।
 তিথি!! 
আজ সত্যিই সেই ব্যস্ততা আমার কিছুই নাই।
 আমিও  ওই একই জ্বালায় জ্বলি। 

মাঝে মধ্যে মনে হয় তোমার তোলা অভিযোগ গুলা আমার জীবনে অভিশাপে বদলা নিতাছে। 
আর তুমি দূর থিকা দেইখা হয়তো আনন্দই পাও।

 না মানুষ টারে কইতে পারি না। 
প্রিয়  আমার খুব দ্যেখতে ইচ্ছা করে তোমায়।
 তখন তো এতো সব আজকের মতো উন্নত ব্যাবস্থাও ছিলো না। 
আইজ সব আছে। 
সত্যিই সব আছে গো।
 শুধু ইচ্ছে প্রকাশের সাহস নাই।

 আমি ভয়েও নতুন মানুষ টারে কইতে পারি না। 

 প্রিয়,, তোমারে আমার খুব দেখতে ইচ্ছে করে।

কারণ  সে আমারে বিস্বাস করে না।

 থাকেও  আমার থেকে অনেক টাই দূরে রোজ দেখাও হয় না। 

ও-তিথি!!! -- 
তোমারে তো কই-ই নাই,,  

আমি তোমারে যেমন খুশি হইয়া তিথি  কইয়া ডাকতাম ।, ,, প্রিয়  আমার ওই নতুন মানুষ টার নাম। 
আমি ওরে ওই নামেই ডাকি।  
বিশ্বাস করো ওয় যহোন হু কইরা  আমার ডাকে সাড়া দেয়। 
আমাই কইলজা টা আনন্দে ভইরা যায়।  

মনে হয় আমি এই জন্যই বাইচা আছি। 
আমি অর পিছু পিছু  নিজেরে শেষ দিন পর্যন্ত ওর সাথেই   থাখমু। 
 আমি এই খান থিকা কোত্থাও নিজের নিমুও না যামুও না।

তিথি " 
তোমারে আমি যত্ন কইরা এই হৃদয়ের মনিকোঠায় রাখছি, এইখান থাইকা তুমি কোথাও পালাইতে পারবা না। 
জীবনে তুমি মনে পড়বা না তা ঠিক না।

 মনে পড়লেও আমি সেই অবস্থার কথা কোন দিনই নতুন মানুষ টারে দেখতে দিমু না।  

আর আমার হৃদপিণ্ড টা আমি নতুন মানুষ টার নামে লেইখা দিছি। 
 সেই দিন টাও ছিলো এই রকমের এক চান্দের রাইত।


তিথি,,!
 তুমি খুশি হইছো?
 আমার এই নতুন মানুষ টার গল্প শুইন্যা!!!
 নাই গো হ্যের কোন ছবিও আমার ধারে নাই। থাকলে দেখাইতাম তোমারে। 

তুমি কথা কও না ক্যেন তিথি? 

 ও হো,, আইজতো পঞ্চমী। 
তুমি তো একাদশীতে কথা কও। 
আইজ তায়লে আইছো ক্যেন?  

কানতাছো ক্যেন তুমি?

 আমি তো তোমার কথা রাখতেই   গেছিলাম।  রাস্তায় আমি সাবধানেই চলি। 
যদি বালিতে গাড়িটা  পিছল  খাইয়া গাড়ি টা পইরা যায় হ্যেলে আমি কি করুম? 
কি হইছে পইরা গেছি।
 একটু তো রক্তই গ্যেছে আমি মইরাতো যাই নাই।
 আমি জ্বল জ্যান্তই আছি।
 যদি    আমি মরি তয়লে ওই নতুন মানুষ টার কাছেই মরমু। 
আর হ্যা আমি তখন তার সাথেই দেখা করতে যাইতে ছিলাম  অতো দূর থিকা। 
না ভয় আমি পাই নাই। 
ভয় পাইছি
  বুইন ডা দেখতে চাইলে কি কমু? 

আর এই কথাই ভাবতে ভাবতে রাস্তার ধারে এক বাড়িতে জল দিয়া রক্তের দাগ গুলা ধুইতে ছিলাম এর মধ্যেই ফোনের শব্দ দেখি জ্যোতি। 
 ভয়ে ভয়ে যেই কইছি।
 কয় আমার মনে এই জন্যই কু ডাক দিতে ছিলো দাদা।
 কই যাইবা? 
কই লাম প্রিয়  ফোন কইরা যাইতে কইছে তাই দেখা করতে। 
কইছে তোমার প্রচুর এনার্জি শক্তি।
 আমি কইছি বুইন রে মানুষ টা তো আমার প্রিয়  মানুষ।
 ক্যেন থাকবো না? 
সাবধানে যাও। 
পৌছাইয়া খবর দিবা।

হু আমার মঙ্গলের দশা টা বাড়ছে  তাই রক্তপাত হইছে। 
আমি মইরা তো যাই নাই। 
কিন্তু  তিথি !! 
তুমি  এমন  কানতাছো ক্যেন? 
আমি কিছুই বুঝতে পারতাছি না!

আচ্ছা আমি তোমারে ভুইলা গ্যেছি?

 নাঃ আমি একটুও বদলাই নাই।
 তোমারে কখনোই ভুলবো না তিথি!!!! 


তিথি!!!! তি -থি!!! তি---থি,,, 

আবার তবে একাদশিতে এ-----সো!!!!!

প্রিয় "র ছবি পাইলে দেখাবো!!!!! 

             

“সব স্বপ্নের রঙ বেদনার মত নীল নয়” প্রিয়

“সব স্বপ্নের রঙ বেদনার মত নীল নয়”


প্রিয়  জানো তো তুমি? 
আমি এক অভিশপ্ত পাতালঘরের অধিবাসী ।
জলের অতল তলে ডুবে যাওয়া অসাড় অজাতক।
কেন আমাকে টেনে তুলে  অবারিত স্বপ্নধারায় আনতে চাও।
আমি দেখিনি  স্বপ্ন বিহীন মানুষ কি করে বাঁচে? তুমিতো স্বপ্ন পথের পথিক। আর আমি!  আমি তোমার রাত ঘুমহীন নিশাচর । স্বপ্ন দেখতে গিয়ে  ভুলতে বসেছি সব  অথচ তোমার নামের  নীল  খামের শুদ্ধতার মতো স্বপ্ন ফেরি করবার কথা ছিল আমার ! নিজেকে অনাবিষ্কৃত রেখেছি  বহুদিন, আমার পুরোনো আমিটাকে অতল গহবর থেকে স্বপ্নধারায় আনতেই হয়েছে আমাদের পরিচয়,, আলাপ,, সেখান থেকেই আমার স্বপ্নের শুরু।  
নিজেকে চিনতে শিখিছি তোমার জন্যই। 

জানি না আমি  তোমার মনের ছবিতে নিজেকে কবে দেখতে পাবো! হয়তো বা  না কখনই না! 
অযুত, নিযুত, কোটিবার চাইলেও আমি পারবো  না তোমার হতে। কারণ আমার স্বভাব বড্ডো এলোমেলো। 
তোমার ছবিতে যখন আমার চোখ পড়ে, 
আমার চোখের পাতায় অনুভব করি তোমার স্পর্শ, তোমার ছোঁয়া।সেই স্পর্শ, সেই হাসি মুখের আদল, সেই হাতে হাত রেখে সন্ধ্যার আঁধারে তোমার শহর চিনিয়ে দেয়া। এই টুকুই আমার অনেক বেশি পাওনা। এর থেকে বেশি কিছুই চাই না।
প্রিয়  চোখের পাপড়ি বেয়ে শিশির বিন্দু টপ করে ঝরে পড়ার দৃশ্যটা কখনো অবলোকন করেছিলে? 
কী অনিন্দ মুগ্ধতার আবেশ তাতে! হৃদয়ের  সমস্ত দুঃখ, মান-অভিমান, রাগ কিভাবে উবে যায়! 
এই চোখে শীতলতা সবাই এনে দিতে পারে না প্রিয় । যে শীতলতা আমি তোমায় দেখলে অনুভব করি।
যে মানুষটা দিতে জানে বিধাতা তাকে শুধু দৃষ্টিতে ছোঁয়ার সৌভাগ্য দেন।
পাশাপাশি পথ চলার মতো মানুষগুলো মনের মতো হবে তা বোধহয় অমাবস্যার চাঁদের মতো। 
“হ্যাঁ সব স্বপ্নের রঙ বেদনার মতো নীল রঙা হয় না।"

 হ্যাঁ সেই প্রিয় কন্ঠ, সেই নির্ঝর শব্দ তরঙ্গ, 
সেই আনন্দঘন উচ্ছাস… আজ সবই যেন স্বর্গ।
স্বর্গ হতে উড়ে যায় হাজারো স্বর্গ,আমার আর্তনাদ যুগান্তর হতে যুগান্তর, পথ পেরিয়ে পথে পথে, লোকালয়ে, জনস্রোতে তোমাকেই খুঁজেছে অনাদি অনন্ত অধীর।
যেখানে পথের শেষ সেখানে নতুন গন্তব্যের জন্য যাত্রা শুরু হয়। নোনাবালির চর ধরে হেঁটে হেঁটে সমুদ্রের গর্জন শুনে সূর্যাস্ত দেখবার মাঝে যে স্বর্গ সুখ তা কেবল বুকে যত্ন করে পুষতে হয়। সমুদ্রের শেষ ঠিকানা খুঁজতে যাওয়ার পথ অনন্ত, অধীর। সমুদ্র কে ভালোবাসে তাকে সাথে করে বাড়ি ফেরা যায় না কেবল বুকে পুষতে হয়!
প্রিয়  শুধু তুমি বোঝোনি, বুঝলেও বলোনি।
এখনও তোমাতে বিভোর হয়ে তোমাকে খুঁজি।
শুধু বদলে যায় ঋতু, বদলে যায় ভাবনার পরিধি। 
সে তুমি বোঝো কিংবা না বোঝো চাওয়া- পাওয়ার হিসেব এক দিন নিলামে উঠবে । সে দিন শুধু সস্তায় আমার স্বপ্ন গুলো আকাশের দিকে ছুড়ে দিও না! চড়া দামে ধরে রেখো নিজের করে। তোমার যত্নে আমার স্বপ্ন গুলো আরো প্রানবন্ত হবে। তোমার স্পর্শ পেলে দিনে দিনে আমার স্বপ্ন দেখা তোমার নামে শহর জুড়ে  বৃষ্টি হবে প্রতিদিন । শুধু তুমি  মাথা উঁচু করে একবার দেখো নীল আকাশ তোমার নামে ই!! 
প্রকৃতির মতো প্রেয়সী খুঁজেছে! 
 সেখানে ঋতু বদলায় তোমার নামেই। 
প্রকৃতিকেই নাহয় তোমার প্রেয়সী রূপে নিত্যদিনের সাধনা। 
প্রিয়,,,এই এখন যেমন ছন্ন ছাড়া জীবন আমার, 
একলা আমি উছলে পড়া জলজোছনায়,
আদ্যোপান্ত নিজেই ভিজি প্রতিদিন,, রূপ কথার গল্প লিখি,,, চুপ থাকতে পারি  না।
সেই অনুভব সেই কথাতেও শুধু তুমি,,,,
স্বপ্ন দেখি  রূপকথারা ঘুম কাঁথা জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ুক। বাস্তবতার মেলুক ডানা। 
প্রিয়,,, 
"জীবন সেতো লেপ্টে আছে বাস্তবতায় ষোল আনা। 
নিজেই জানি এই জীবনে সুখ পেয়েছি কয় আনা।"

মনের মধ্যে  কেবল স্বপ্ন গড়ি তুমি-আমি আমি তুমি, হয়তো এই ভাবনায়  স্বপ্ন দেখেন  সব মানুষ। 
বাস্তবতার কালো স্পর্শে চাওয়া গুলো কেবল ফানুস।
তবুও যেন সব মানুষের জীবন জুড়ে  গল্পে গল্পে স্বপ্ন থাকুক,,,,।

আমার আকাশ

কেন এমন হয় বলো তো? 
তোমার মুখ টা    প্রতিচ্ছবি হয়ে,,,
আমার ঘুমের ঘরে দোলা দেয়?
মনে হয় কতো আপণ আমরা  উভয়ের । 
কতো যুগের অবসানে এই মুখ আবার সামনে এসেছে। 

আগে  কখনোই তোমায় নিয়ে এমন করে ভাবিনি,

 যতো বার আমি তোমার অযোগ্য ভেবে নিজেকে অনেক দূরে নিয়ে মরুভূমির প্রখর বিদ্রূপাত্মক উপত্যকায় নিজেকে নিয়ে উপস্থাপন করেছি।

 ততই আরো নিজেকে ফুরিয়ে যেতে দেখেছি তোমার বিরহের মায়ায়। 
আজ আমার সকল ভাবনায় শুধু তুমিই প্রিয়।। 

কেন এমন হয় বলো তো? 
তোমার থেকে দূরে থাকার নামে একটু আড়াল হই।
  আমি যখনই পড়ার   টেবিলে যাই- তখন আমার সব বই খাতায়   পাতায় তোমার নামটি ভেসে উঠে, প্রিয়,   
আর  মাঝে, মাঝে আমার কানে ধ্বনিত হয়
তুমি আমাকে বলছো- আমি তোমাকে ভালোবাসি, ভালোবাসি। 
সে এক অদ্ভুত অনুভব। 

আমার সকল চিন্তা চেতনার মাঝে যে আকাশটা দেখি।
আমার সেই আকাশটায় তোমার নামের সুর্য ওঠে প্রতিদিন।  কতো তীব্র তার ত্বেজ।   
আমি সেই আলোতেই শরির পোড়াই,, 

তোমার ছবি ভেসে উঠে ওই আকাশে  ঠিক গোধুলীর পরে যখন অন্ধকার নেমে আসে গোটা আকাশ জুড়ে। 
আমি নিজেকে খুজে পাই অচেনা নদির মোহনায় অবাক চোখে তোমায় দেখি।

তবে কী আমি তোমাকে  খুব বেসিই- ভালো বেসে ফেলেছি প্রিয় ?

এই শহরের বৈধতায় শুধু তুমি প্রিয়

সম্পর্কের বাঁধন গুলো যে বিনি সুতায় বাঁধা হয় সেখানে সত্যি মুক্তি বলতে কিছুই নেই। সময়ের ব্যবধানে স্তব্ধতার সাথে প্রতিনিয়ত প্রতিবেশীর মতো থাকতে থাকতে আলাদা একটা অভ্যাস গড়ে ওঠে। তারপর থেকে আর ওই ধুলো জমা খন্ডচিত্র যখন অপরিচ্ছন্ন থাকতে থাকতে একটা সময় মনে হয় মেঠো পথের ধারের পদাঘাতে বেড়ে ওঠা ঘাস ফুলের মতো। অপলকেই থেকে যায়। খুব সাধারণ মানুষ তার ওপর যেমন দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে না। সম্পর্কের বিচ্ছিন্নতায় একটা সময় ভুলে থাকতে হবেই ভেবে যে অভ্যাসের স্বভাব তৈরি হয় তাতেও শুধুই ওপর থেকে ধুলোয় চাপা দেওয়া মুখোশ নিয়েই চলতে হয়। ভেতরে হৃদপিণ্ডের কোন এক কোনে জীর্ন সুপ্ততায় থেকে যায় সেই বিনি সুতোয় গাঁথা সম্পর্কের বাঁধন। 

ধুলোর এই পৃথিবীতে কিছু মানুষের জন্য অপেক্ষা করে শুধুই ধুলো। তাদের কখনো কোন ইচ্ছে থাকতে নেই। আঁকঙ্ক্ষা থাকতে নেই। তাদের থাকতে নেই উজাড় করে ভালোবাসার মতো ক্ষমতা। তাদের জন্য বরাদ্দ শুধুই এই পৃথিবীর এক মুঠো ধুলো। দীর্ঘ নিশ্বাস ফুঁকে, শোক প্রকাশ ওদের মানায় না। মেনে নিতে হয় এসেছি তো এই ধুলো থেকেই যেতেও হবে ওই ধুলোয়। এ ছাড়া সেই মানুষ গুলোর আর কিছুই থাকে না।

বিধাতা নাকি সকলের ভাগ্য খুব ভালো লেখেন! মানুষ তাদের কর্মফলের দোষে বা গুনে জীবনের প্রাপ্তি উপলব্ধি করে। তবে কিছু মানুষ আছে যাদের মধ্যে কর্মফল বলতে সবটাই অভিশপ্ত। কিছুই না করেও এমন কিছু ঘটিয়ে ফেলে সেটাই জীবনের কাল হয়ে ওঠে। এদের মধ্যেই কতো কাঙ্গাল আছে   জীবনে একটা শান্তির নিঃশ্বাস নিতে স্বপ্ন দেখে ভালোবাসার। স্বপ্ন দেখে মানুষের মধ্যে মানুষ হয়ে বেঁচে থাকার। সময়ের স্রোতে বয়ে যাওয়া অভ্যাসটা এতটাই অপ্রত্যাশিত ভাবে প্রতিনিয়ত তাদের এমন একটা পরিস্থিতিতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের কেউ বিশ্বাসের সাথে মেনে নিতে পারে না। কি অভিশপ্ত কপাল নিয়ে তাদের জন্ম! হে! বিধাতা  কেন এমন মানুষ গুলোর জীবন এতো দীর্ঘ হয়? কেন এই মানুষ গুলোর মৃত্যু লেখা হয় না জন্মের সাথে সাথেই? এই দাবি টাও তাদের অন্যায়।  সেই মানুষ গুলো কে কি নামের পরিচয় দিয়ে সম্মধনে সঠিক হবে অজানাই নিজের। 

জীবনের  অনেক টা সময় অতিক্রম করে যে দ্বীপ শিখার আলোয় নিজেকে দেখতে চেয়েছি তার সাথেই  অবুঝের মতো অন্যায় করেছি প্রতিনিয়ত। নিজের থেকেও বেশি মুল্য দিয়ে যার জন্য বাঁচতে চাওয়ার  আর্তনাদ শুনিয়ে  তার সাথে থাকার অভ্যাস করতে হবে বলে চেষ্টায় ছিলাম তার সাথেই  ঘটেছে বিবাদ।  স্বপ্ন গুলো মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ থেকে হৃদপিণ্ডে এসে বাসা বেঁধেছে ঠিক তক্ষুনি আঁকড়ে থাকা সত্ত্বেও তার থেকে দূরে সরে থাকতে হয়েছে।  ভালোবাসার নাম শুনে ছিলাম  উপলব্ধি টা পেয়েছি প্রিয় মানুষ টার থেকেই। আর সেই শিখার আলোয় হঠাৎ করেই কালো মেঘের আচ্ছনতায় আমায় আবার সেই অন্ধকারেই রেখেছে। 

ক্ষমার অযোগ্য মনে হয় নিজেকে। না!  সে তো ভুল করেনি। প্রতি পদেই ভুল শুধু আমার।  আমি জানি না কেন এই ভুল গুলো আমার থেকেই হয়। হয়তো স্বভাবতই আমার পরিচয় বড্ডো এলোমেলো।  তবুও প্রিয় মানুষ টাকেই চেয়ে থাকবো সেই দিন পর্যন্ত। তার দেওয়া প্রতিটি মুহূর্ত তুলে রাখবো হৃদপিণ্ডের এতো গোপনে যদি আমি আবার ধুলোয় মিশে যাই সেই মূহুর্ত গুলো যেন আমারই থাকে। সেই ধুলোর প্রত্যেক কণায় থাকবে প্রিয় মানুষ টার দেওয়া অনুভূতি।  
ভালো থেকো প্রিয়,, এই পৃথিবীতে আমার মতো কপাল পোড়া শহর জুড়ে তোমার স্বপ্নের বিঞ্জাপন ছাড়া অন্য কিছুর বৈধতা থাকলো না।

আলিঙ্গন,,

এই জড়িয়ে ধরার ব্যাপারটা বড়ই অদ্ভুত। বুকের মধ্যে হাজার খানিক ক'ষ্ট  নিয়েও যদি প্রিয় মানুষটাকে জড়িয়ে  ধরতে  পারেন। তবে  আপনার  আর কোনো  ক'ষ্টই থাকবে  না! আপনার  মন  সকল অস্থিরতা ভুলে একেবারে ফ্রিজের জলের মতো ঠান্ডা হয়ে যাবে,একদম  ফুরফুরে  হয়ে যাবে। এই জড়িয়ে ধরার ব্যাপারটার মাঝে  এক প্রকার মানসিক শান্তি আছে। 

প্রিয় মানুষটাকে শক্ত করে বুকের সাথে  জড়িয়ে  নেওয়ার মতো  শান্তি বোধহয় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। প্রিয় মানুষটাকে জড়িয়ে  ধরার পর আপনার  বুক শীতল  হয়ে যাবে। বুকের মধ্যে কোনো প্রকার জ্বা'লা য'ন্ত্র'ণা থাকবে না। আপনি  খানিকটা সময় পৃথিবীর সকল কিছু ভুলে স্ব'র্গে'র সুখ অনুভব করবেন। 

রোবটিক্স হৃদয়  নিয়ে  কাউকে  জড়িয়ে ধরবেন না। যাকে অনুভব করেন, যে আপনাকে  অনুভব করে। যে একটা  আলিঙ্গনের জন্য  অসহায় পথশিশুর মতো  আপনার  দিকে  চেয়ে থাকে। তাকে জড়িয়ে  ধরার  মতো  মানসিক শান্তি বোধহয় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। 

কাউকে  একবার  জড়িয়ে ধরে  ছেড়ে চলে যাবেন না!  যাকে জড়িয়ে ধরবেন  সে যেনো আপনার  হৃদপিণ্ডে বাসা বেঁধে নেয়।তার বুকের আবহাওয়া যেনো আপনার  সুখে থাকার কারণ হয়। পৃথিবীর অন্য  সকল বুক যেনো আপনার  জন্য  বি'ষা'ক্ত  হয়। 

এই জড়িয়ে ধরার ব্যাপারটা সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত। আমাদের  ডিপ্রেশন,ক'ষ্ট, হতাশা দূর করার জন্যই হয়তো  সৃষ্টিকর্তা  আমাদের  প্রিয় মানুষদের বুক এতো শীতল করে দিয়েছেন। ডিপ্রেশন, কষ্ট, হতাশার দিনগুলোতে পাশে  থেকে,বুকে আগলে রেখে সাপোর্ট  দেওয়ার জন্যই হয়তো  সৃষ্টিকর্তা জোড়ায় জোড়ায় আমাদের   সৃষ্টি  করেছেন। 

*বউ না থাকলে কি কি হয়।*

*বউ না থাকলে কি কি হয়।*

বউ না থাকলে,
একটা ছোট্ট হারপিক অন্তত দশ বছর চলতে পারে।

বউ না থাকলে,
একটা রুম ফ্রেশনারে সারা জীবন চলে যায়।

বউ না থাকলে,
একটা ঘর মোছা বারুন অন্তত পাঁচ বছর টেকে।

বউ না থাকলে,
একটা পাতি দাঁতের ব্রাস দু বছর অব্দি চলে।

বউ না থাকলে,
ডিওর কোনো প্রয়োজনই নেই।

বউ না থাকলে,
তোয়ালে কেনার প্রশ্নই নেই। একটা গামছাই যথেষ্ট। পা মোছা গামছা, হাত মোছা তোয়ালে, মুখ মোছা টিস্যু, পিঠ মোছা টাওয়াল ইত্যাদি সমস্ত বিভাজন একটা সুতির গামছাই মেটাতে পারে।

বউ না থাকলে,
জল আর উইল্কিনশন ব্লেডেই দিয়েই দাঁড়ি কামানো যায়। ফোম লোশন ইত্যাদি নিশ্চিন্তে ভুলে যেতে পারেন।

বউ না থাকলে,
এরিয়াল, সার্ফ এক্সেল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ টাকার রিনের গুড়ো তিন মাস চলবে।

বউ না থাকলে,
হিম্যান ওম্যান শিম্যান ইত্যাদি বিভাজনের প্রশ্ন ওঠে না। জুই ফুল গন্ধ শ্যাম্পুও অবলিলায় গায়ে মাথায় মাখা যায় - লাল লাইফবয় সাবানও খুশিতে মাখা যায় - গায়ে বা মাথায়।

বউ না থাকলে,
কোলগেটের গুঁড়োতেই কাজ চলে। নুন দেওয়া, চারকোল ঠোসা, লবঙ্গ পেষা, ফ্লোরাইড, ভিজিবল হোয়াইট ইত্যাদি পেষ্টের দরকার হয় না।

বউ না থাকলে,
জামা প্যান্ট ইস্ত্রি করানোর খরচ শূন্য. তাছাড়া ইস্ত্রি লাগে এমন জামাকাপড় কেনারও প্রয়োজন নেই। পাতি টেরিকটের শার্টেও "ও লাভলি" বলার লোক প্রচুর আছে, সবাই যদিও স্বীকার করে না শিকার হবার ভয়ে।

বউ না থাকলে,
আত্মীয় অনাত্মীয় আপ্যায়নের খরচ খুব কম - একটা ঝাল চানাচুরের প্যাকেটেই দশটা আপ্যায়নের কাজ চলে, মিষ্টি চানাচুর অনেকেই ভালো খান - সেইজন্যই ঝাল ভাবলাম।

বউ না থাকলে,
কেবল কানেকশন লাগে না। ইউটিউব আর টোরেন্ট লিঙ্ক যথেষ্ট - আর মাঝে সাঝে বড়দের সিনেমা।

বউ না থাকলে,
হিট মর্টিন গুডনাইট অল আউট লাগে না। ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ারও ভয় নেই। জানলাই খুলবো না তো মশা আসবে কোত্থেকে। তাছাড়া মশার পছন্দসই ইন্ডোর আগাছাও বাড়িতে থাকে না, বউ না থাকলে।

বউ না থাকলে,
ধুপকাঠি, নকুলদানা, বাতাসা, গুজিয়া, আমিষ নিরামিষ বাসন ইত্যাদি বাবদ জিরো এক্সপেন্স।

বউ না থাকলে,
ইকোপার্ক নিকোপার্ক নলবন নানা ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি যেতে লাগে না। বুড়ো আমগাছ তলায়, আরো জনা দুই বউছাড়া বন্ধুর সাথে বসে বিশ্বভ্রমনের সুখ পাওয়া যায়! টেকনিকটা জানতে হবে শুধু।

বউ না থাকলে,
একবার মশারি টাঙালে অন্তত একমাস খোলার দরকার নেই। ধার গুটিয়ে গুটিয়ে ঠিক চালিয়ে নেওয়া যায় - বছরে দুবার বিছানার চাদর আর বালিশের ওয়ার পাল্টানো যথেষ্ট।

বউ না থাকলে,
বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডালসেদ্ধ ঘি দিয়ে আর কাটা কাতলা পেটি ভাজা খেয়ে একশো বছর সুস্থ ভাবে বাঁচা যায়। দশ রকম শাক, নানা কিসিমের ভাজা, বড়ি সুক্ত সব্জি কাসন আচার যত্তসব।

এবং আরো আরো আরো - প্রচুর আছে এই তালিকার লিষ্ট। আপনার যদি কিছু মনে হয় তা জুড়ে দেবেন। বহুজাতিক থেকে আঞ্চলিক ব্যবসা যত, সবই টিকে আছে শুধু নারীদের ভিত্তি করেই - এবং টিকে আছি আমরাও। আমাদের গায়ে গন্ধ নেই, শার্টে রিঙ্কেল নেই, মুখে ব্রন নেই, এও তো কোনো না কোনো নারীর খ্যাকানির ভয়েই। আমাদের রুপ, শিষ্টাচার, বা আরও যা কিছু পুরুষালি কাজকর্ম সবই তো কোনো না কোনো নারীর জন্যই। কথাতেই আছে না -

*বন্যরা বনে সুন্দর*
*পুরুষেরা নারীর ভয়ে*

ভয়ে? নাকি ভালোবাসায়? নাকি ভক্তিতে? নাকি সবগুলো মিলে মিশেই?

বড় জটিল এর উত্তর - 
বোঝার ক্ষমতা নেই আমার - বুঝে কাজও নেই।

সংগৃহীত

পায়ের তলার মাটি শক্ত হলে শুভাকাঙ্ক্ষীর অভাব হয় না।

যার প্রতি পূর্ন বিশ্বাস রাখবে যে, সে যে কোনো পরিস্থিতিতেই হোক কখনো তোমাকে ছেড়ে যাবে না,সেই মানুষটা সবার আগে তোমার জীবন থেকে হারিয়ে যাবে।যাকে নিজের জীবনের সুখের চাবাকাঠি মনে করবে, সেই তোমার জীবনে দুঃখের সবচেয়ে বড় কারণ হবে। যাকে বেশি ভালোবাসবে, সে তোমাকে ততবেশি কষ্ট দিবে ।

তাই আগে নিজেকে ভালোবাসতে শেখো ।কারণ তুমি ছাড়া তোমাকে তোমার মত আর কেউ বুঝবে না। যার কাছে বেশি আশা করবে। সেই মানুষটা তোমার চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিবে, এ পৃথিবীতে নিজের পথ নিজের খুঁজতে হয়, অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে কখনো সামনে আগানো যায় না, সামনে আগাতে হলে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয়।

যার কাছে বেশি আশা করবে সে তোমার চোখে আঙুল দিয়ে তোমাকে বুঝিয়ে দিবে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে কেউ এসে উঠিয়ে দেয় না বরং নিজেকেই উঠে দাঁড়াতে হয়। ভালো থাকার কারণ কেউ কেউ এসে দিয়ে যায় না। নিজেকেই নিজের ভালো থাকার কারণ খুঁজে নিতে হয়।

মেঘের মত অসংখ্য মানুষ তোমার জীবনে আসবে যাবে। কেউ থাকবে স্বপ্ন দেখাবে কেউ স্বপ্ন ভেঙে চলে যাবে। শুধু তুমিই থেকে যাবে স্থির হয়ে আকাশের মত।তোমার যাবার কোনো জায়গা নেই কারণ তুমি আকাশের মত।তুমিই তোমার অস্তিত্ব। 

দিনশেষে তোমার একান্ত আপন, বিশ্বস্ত ও ভরসা করার মতো মানুষ তুমি ছাড়া আর কেউ নেই। তাই আগে নিজেকে ভালোবাসতে শেখো । মনে রাখবে পায়ের তলার মাটি শক্ত হলে শুভাকাঙ্ক্ষীর অভাব হয় না। 

অভিসারী আলো

অভিসারী আলো একা ঝোলে কার্নিশে
এখানে রোদেলা যাপনে তিলোত্তমা;
অভিমানী কেউ নীল হয়ে গেছে বিষে
শরীরের ভাঁজে হিসেব রেখেছে জমা।

খুনসুটি সুখ খুঁজে খুঁজে প্রত্যেকে
সুগম করেছে সুরভিত বদনামে;
জীবন নিয়েছে দিনলিপি তারও ছেঁকে
আলতো মুড়েছে ব্যবহার করা খামে।

রাস্তাতে সাজা সমান্তরাল কাঁধে
ঘুরে ফিরে গেছে পূবালী দরদী হাওয়া;
রয়ে গেছে তারা হারানোর সংবাদে
পথ শেষে সোঁদা বুকে আশ্রয় পাওয়া।

অভিসারী আলো আজও ঝোলে কার্নিশে
অভিমানী লোক ভিড়ে গেছে ঠিক মিশে..

যে তোমায় ভালোবাসে না,,,,,


যে তোমায় ভালোবাসে না
সে কি করে তোমার অভিমান বুঝবে
তোমার অভিমানে তার কিছু যায় আসে না
যে তোমায় ভালোবাসে না।

জীবনে যখন দুঃখ আসে তখন একা একাই পথ চলতে হয়
সেই সময়ে কেউ কারো নয়।

কারো কাছে আশা রাখতে নেই 
কারন যখন সে নিরাশ করে দেবে তখন কষ্ট পাবে 
তাই কারো কাছে আশা রাখা ঠিক নয়।

পৃথিবীতে আমরা যেমন একা এসেছি একাই চলে যাবো কেউ সাথে যাবে না।
মাঝে যতো আপন আপন শুনছো
আসলেই কেউ আপন নয় সব প্রয়োজন মাত্র।

প্রয়োজন শেষ তো সব শেষ।


আমিতো অবাক


নিশিরাতে জেগে দেখি,
গাছের ডালে কাক,
শালা আমিতো অবাক!!

চোর ঢুকেছে ঘরের
ভেতর,
দরজা ছিলো ফাঁক?
শালা আমিতো অবাক!

মোবাইল
নিলো,টিভি নিলো,
রিমোট না হয় থাক?
শালা আমিতো অবাক!!

পাচ্ছে যা তা নিচ্ছে ভরে, দুই
হাতেরই
মুঠোয়
করে,
চোরটা তো নির্বাক,
শালা আমিতো অবাক!!

সব মালামাল
বস্তা ভরে,
চোর
পালালো চুরি করে,
যাক না চলে যাক,
শালা আমিতো অবাক!!

মধ্যরাতে অন্ধকারে,
কুত্তা ডাকে জোরে জোরে,
শিয়ালরা
দেয়
হাক?
শালা আমিতো অবাক!!

ভয়ে শরীর
শিউরে ওঠে,
না জানি আজ
কি যে ঘটে?
আবার ডাকে কাক?
শালা আমিতো অবাক!

হয়নি রাতে তেমন
কিছু,
কোন ভূতই
নেয়নি পিছু,
বেঁচে গেছি যাক......
শালা আমিতো অবাক!

সকালে দেখি পুরো পাড়া, মারছে
সবাই
বেরেআমি মারছে তারা,
চোরটা নাকি পড়ছে ধরা, চোরের
মাথায়
টাক,
শালা এবারতো আমি পুরাই অবাক...!!

মেয়ে মানুষ,,,,,

মেয়ে মানুষ একটু সুন্দর হলেই হয়। আর কিছু লাগে না। দীর্ঘমেয়াদি মন খারাপ নিয়ে থাকতে হয় না।

সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি আপলোড করলেই রিয়েক্ট, কমেন্টে ভরে যায়। ইনবক্সে সরগম তো লেগেই থাকে। 
প্রেমিক থাকলে সেও খুব বেশি কেয়ারিং হয়ে যায়। ছেলে বন্ধুরা তো পাশ ছাড়তেই চায় না। 

আত্মীয়-স্বজনের কাছে কোনো আবদার করলে না রেখে পারে না। 
অপরিচিত একজনের কাছে সাহায্য চাইলে দশ জন ছুটে আসে,সাহায্য করতে।

ক্লাসে পড়া না পারলে  জোরে ধমক দেয় না।
অফিসের বস মুখের দিকে চেয়ে বেশি কাজের চাপ দেয় না। 

যে যাই বলুক, পুরুষ মানুষের কাছে সুন্দরী মেয়েরাই বরাবর অগ্রাধিকার পায়। তাদের ন্যাকামি,রাগ,অভিমান,আবদার,চোখের জল সবকিছুর মোটামুটি ভালোই দাম আছে। 

অতৃপ্ত ভালোবাসা

অতৃপ্ত ভালোবাসা 💔
একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে.... 

একটি মেয়ে ছিলো, যাকে আমি অনেক ভালোবাসতাম। তার নাম ছিলো রেবতী। ফেইসবুকে মেয়েটির সাথে পরিচয়। দীর্ঘ ৮ বছর রিলেশন, তারপর হটাৎ করে মেয়েটির মা ওর বিয়ে ঠিক করে ফেলে। এটা জানার পর, আমিও বিয়ের প্রস্তাব দিলাম। বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর, ওর মা রেবতীকে জিজ্ঞাসা করলো ছেলে কি করে? রেবতী বললো, ছেলে কিছু করেনা, কিন্তু সার্টিফিকেট যখন আছে চাকরি একটা হয়েই যাবে। তাছাড়া আর মাত্র ৬ মাস পরে আমার ও মাস্টার্স কমপ্লিট হয়ে যাবে, সাথে আমিও কিছু একটা করতে পারবো। রেবতীর মা কিছুতেই রাজি হলো না। ওর মা বললো, ছেলে বেকার, সে কি করে তোকে খাওয়াবে? আমি ভালো একজন ডাক্তার এর সাথে তোর বিয়ে ঠিক করেছি। রেবতী ওর মা কে বললো, সে যদি আমাকে না পাই - তাহলে সে সুইসাইড করবে। কিন্তু, রেবতীর মা ও বলে উঠলো, আমার পছন্দ করা ছেলেকে তুই যদি বিয়ে না করিস, তাহলে তুই ও আমার মরা মুখ দেখবি। রেবতী কাদঁতে থাকলো। সব কথা খুলে বললো আমায়। আমি কি করবো, ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। রেবতীকে বললাম, যা হওয়ার হবে, চলো আমরা পালিয়ে বিয়ে করে ফেলি। রেবতী অনেক কাদঁলো, আর কাদঁতে কাদঁতে বললো। এটা আমি পারবোনা, কারন, আমি তোমাকে যতোটুকু ভালোবাসি, আমার মা বাবাকে তার চেয়ে আরো বেশি ভালোবাসি। তুমি আমাকে ভুলে যাও। হ্যাঁ আমি মানলাম, কাওকে পেয়ে হারানোর কষ্ট অনেক বেশি। কিন্তু আমি কি করবো বলো, আমার যে কিছুই করার নেই. আমি পরিস্থিতির স্বীকার। 😥 আমি অনেক বুঝিয়ে বললাম, রেবতী বুঝলোই না। রেবতীকে আরও বললাম, যদি ভাবো আমায় ছেড়ে তুমি খুব ভালো থাকতে পারবে
তাহলে তুমি চলে যেতে পারো, 
আমি তোমাকে আটকাবো না।
তোমার পথ আগলে বলবো না থেকে যাও প্লিজ। 
যদি ভাবো আমার চেয়েও বেশি অন্য কেউ তোমায় ভালোবাসবে, 
তাহলে তার কাছেই চলে যেও
আমি কোনো প্রশ্ন করবো না।
আমি ভুল করেও প্রশ্ন করবো না,
আমার কি ভুল ছিলো?
রেবতী আমার প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়েই চলে গেলো। 
 রেবতী তার পরিবারকে নিয়ে অনেক চিন্তা করতো, সেদিনের পর থেকে আমাদের আর দেখা করা হয় না।। যেদিন রেবতীর বিয়ে, তার আগের দিন আমাকে ফোন করেছিলো রেবতী। 
হেলো রেবতী,, কেমন আছো তুমি? কোনো উত্তর নেই, 
আমি বললাম, শুনো রেবতী - সেদিন তুমি ছেড়ে যাবার পর বাজার থেকে একটা আয়না কিনেছিলাম, তোমার বিচ্ছেদ কতটা ভেঙে দিয়েছে আমাকে দেখার খুব ইচ্ছে ছিলো। আয়নার সমানে দাঁড়াতেই সিগারেটের খালি খোসার মত আমাকে আবিষ্কার করলাম, কিন্তু ভিতরে কতটা ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেছে, সেটা দেখার কোনো উপায় পেলাম না।

আমি আবারও বুঝতে পারলাম সবকিছু দেখা যায় না। হোক সেটা ভালোবাসা কিংবা কষ্ট। কিছু জিনিস অনুভবে লুকিয়ে থাকে। আমার ভালোবাসা যেমন তোমাকে দেখাতে পারিনি, জানি আমার এই ব্যথাও তুমি বুঝতে পারবে না কোনোদিন।
আগে যত্ন করে হৃদয়ের যেখানে তোমায় রাখতাম, ঠিক সেখানেই আজ তোমার দেয়া কষ্ট রাখি। তুমি ছিলে আমার ভালোবাসায়, কিন্তু তুমি এখন মিশে আছো হৃদয়ের ব্যথায়।
এখনো তুমি আছো, হোক সেটা ভালোবাসা নয়তো হৃদয়ের ব্যথা।
তবুও তো আছো।  
লাস্ট ২ ঘন্টা আমরা ফোনে শুধু কাদঁতেছিলাম। এই ২ ঘন্টায় রেবতী কাদঁতে কাদঁতে আমায় একটাই কথা বললো,,সব ভালোবাসা পূর্নতা পায় না। আমার শরীর না হয় তার কাছে থাকবে, কিন্তু, আমার মন, আমার আত্মা তোমার ছিলো, আর সর্বদা তোমার কাছেই থাকবে। 
আমার যে আর কিছুই বলার নেই, এভাবেই প্রিয় মানুষটিকে হারালাম চিরো জীবনের জন্য।
ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, যেখানেই থাকো, যেভাবেই থাকো- সুখে থেকো, ভালো থেকো প্রিয়।

আমার শহরে ঝুম বৃষ্টিরা বাসা বেঁধেছে আজ,,,,

আমার শহরে ঝুম বৃষ্টিরা বাসা বেঁধেছে আজ 
বৃষ্টির গতি আজ অনেক অনেক বেশি।। 
প্রতিটি বৃষ্টির ফোটা বলে দিচ্ছে কতো দিনের জমানো মেঘ আজ বৃষ্টি রুপে বর্ষন হচ্ছে !! 

কালো আকাশ ঝুম বৃষ্টি তুমিহীনতা তোমার স্মৃতি নিয়ে বৃষ্টি বিলাস চলেছে আমার। বারান্দায় বসে বৃষ্টির ছিটেফোঁটায় নিজের গা ভেজাচ্ছি । 
কড়া লিকার দেওয়া চা আমার ঠান্ডা হয়েছে অনেক আগেই, তোমায় নিয়ে লিখতে লিখতে আমার চা আজ অভিমান করে ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে ।। 

হাহা, কি অদ্ভুত তাইনা তুমি চলে যাওয়ার পর প্রকৃতি, এই বাতাস, রাতের আকাশ,দীর্ঘশ্বাস এই বৃষ্টির ফোটা সব কিছুর সাথেই বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে আমার। আমার একাকিত্বের সঙ্গী তারা !! 

আগের বছর এই সময় এই চন্দ্রিমায় এক সাথে বৃষ্টি বিলাস করেছিলাম আমরা। ঝুম বৃষ্টির মাঝে একে অপরের হাতে হাত রেখে খানিক দূরত্ব রেখে হেঁটে ছিলাম আমরা !! 

বৃষ্টির প্রতিটি ফোটা, সেই রাস্তা, সেই সময় আমাদের ভালোবাসার সাক্ষী হয়ে ছিলো। ভালোবাসার মিছিলে হারিয়ে গিয়েছিলাম আমরা!! 

আর আজ এক বছর পরে বারান্দায় বসে এক কাপে চায়ে চুমুক দিয়ে ঝুম বৃষ্টির ছিটে ফোঁটায় একা একা করে চলেছি বৃষ্টি বিলাস!! 

কি অদ্ভুত তাইনা সময় কতো তারাতাড়ি আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আর আমরা সময়ের সাথে সব কিছু মানিয়ে নেই ~~

আজও ঝুম বৃষ্টি নেমেছে শহরে এই অবেলায় বেলায় ঝুম বৃষ্টির মাঝে কিছু তৃপ্ত প্রেমিক-প্রেমিকা ভালোবাসায় বৃষ্টি বিলাস করছে -

~আর কিছু অতৃপ্ত প্রেমিক প্রেমিকা একাকিত্বে এই শহর জুড়ে ঝুম বৃষ্টি অনুভব করছে প্রিয় মানুষটির স্মৃতি ভেবে করছে তারা বৃষ্টি বিলাস!! 

এই অকারণে চলে আসা ঝুম বৃষ্টি অনেক পুরনো ঘাঁ তৈরি করে হৃদয়ে,,,

ভালবাসায় ভালবেসে বেধে যে রাখে ভালবাসা ভালবাসে শুধু যে তাকে,,,,


শারীরিক চাহিদার বাহিরেও যে মনের একটা চাহিদা থাকে তা আমরা হয়তো জানিনা। শারীরিক চাহিদা মিটানোর পর আমরা নিজের স্ত্রীকেও পতিতার মতো বিছানায় রেখে চলে আসি।

চারিদিকে যৌনতার আওয়াজ শুনে আমরা ভালোবাসার অর্থটাই ভুলে গেছি। নারীর শরীর স্পর্শ মানেই শুধু যৌনতা মনে করি। যৌনতার বাহিরেও যে একটা ভালোবাসার স্পর্শ থাকে তাহ আমরা জানিনা।

আমাদের পুরুষ সমাজ যে কতোটা নিচে নেমে গেছে তাহ ভাবনারও বাহিরে। তারা নারী বলতে শুধু যৌনতার খনি মনে করে। নিজের স্ত্রীকেও স্পর্শ করে শুধু কামুন টানে।
কিন্তু একজন নারী কখনোই এই কামের স্পর্শে তৃপ্ত নয়।
তাদের মনের চাহিদা গুলো ছোট্ট বাচ্চার মতো ভিন্ন ধরনের যা আপার কাছে হাস্যকরও মনে হবে।

আসলে নারীর স্বভাবটাই এমন। তারা একটু ভালোবাসার পাগল। ভালোবাসা পেলে তাদের আর কিছুই লাগেনা।
তাই তারা মনের চাহিদা মতো একটা ছেলে খোঁজে যে তাকে অনেক ভালোবাসবে। যে তার ছোট ছোট ইচ্ছাগুলোকে পূরণ করতে সহযোগীতা করবে। যে তার স্বপ্নগুলো বাবুই পাখির কুঁড়ে ঘরের মতো বুনে দিবে তাকেই জীবন সঙ্গী করবে।

অবসর সময়ে একজন নারীকে তার সারা শরীর ভোগ করে যতোটাই না তৃপ্ত করতে পারবেন তার চেয়ে বেশী তৃপ্ত করতে পারবে যদি শত ব্যস্ততার মাঝেও তাকে একটু আদর করে কাছে নিয়ে কপালে আলতো একটি চুমু দেন।

তারা জানে তাদের মাঝে পুরুষ শুধু যৌনতা দেখে
কিন্তু তারা তাকে চায়না যে তার কাছে যৌনতা খোঁজে। তারা কেবল তাকেই চায় যে তাদের কাছে যৌনতার বাহিরে ভিন্নি কিছু খুঁজবে এবং মনটা বুঝবে।

যদি যৌনাতাই তাদের চাহিদা হতো তাহলে তারা বিয়ে করতোনা। পতিতালয়ে গিয়ে আশ্রয় নিতো। বিয়ে করে মানুষ শারীরিক চাহিদা মেটানোর টিকেট নেয়না। বিয়ে হলো একমাত্র ভালোবাসার চাবি।

শারীরিক চাহিদা মিটানোর জন্য বিয়ে করা লাগেনা। পতিতা পল্লির সামনে দুইশ টাকা নিয়ে দাঁড়ালেও শারীরিক চাহিদা মেটানো যায়।

একশটা পতিতাও পারবেনা একজন পুরুষের মনের চাহিদা মিটাতে। একশটা পুরুষও পারবেনা একটা পতিতার মনের চাহিদা মিটাতে।
কারন শারীরিক চাহিদা আর মনের চাহিদা এক নয়!

একজন নারী যতই দূর্বল অথবা বোকা হোক যদি কোন পুরুষ তাকে স্পর্শ করে সে বুঝতে পারে এটা ভালোবাসার স্পর্শ নাকি যৌনতার?!

আসলেই কথা গুলো যৌক্তিক!
কিন্তু বাস্তবতা খুঁজে বের করে এবং ভালবাসার মহিমায় সাজিয়ে তোলা বিশাল বড় একটা তফাৎ ।
এই জীবন বড় অচেনা লাগে! 
আসলে আমরা ছোট ছোট ভালবাসা গুলো হারিয়ে ফেলেছি এই ব্যস্ত নগরীর বাসিন্দা হয়ে। প্রতি দিন প্রতিটা মুহূর্তে হাহাকার ছাড়া কিছু খুঁজেই পাই না। আজকে, কালকে, পরশু, এইভাবে চলে যাচ্ছে জীবন। 
আসলে সামাজিকত নিয়ে কথা বলা  আর পালন করার ভিতর অনেক ফারাক! 
তবুও ভালবাসা বেচে থাকুক সারাজীবন। 
ভালবাসায় ভালবেসে বেধে যে রাখে ভালবাসা ভালবাসে শুধু যে তাকে,,,,

ছন্দ পতন

যে মানুষটাকে পরিবার মেনেই নিবে না, এমন মানুষের সাথে সম্পর্কে যাওয়ার কোনো মানেই হয় না! আর যদি পরিবারের এত ভয়;তবে সম্পর্কে জড়ানোর কি দরকার?পরিবারের পছন্দের জন্য অপেক্ষা করলেই তো হয়! পরিবার একটা অজুহাত মাত্র। আজ অবধি যারা সম্পর্ক করে বিয়ে করেছে তাদের দেখি নাই যে পরিবার সারাজীবনে মেনে নেয়নি তাদের।একটা সময় না একটা সময় পরিবার ঠিকই মেনে নেয়। যারা পরিবারের দোহাই দিয়ে ভালোবাসাকে প্রত্যাখ্যান করে তারা ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না।

প্রচন্ড ভালোবাসার পরেও যাকে পেলাম  না,তার জন্য মন খারাপ করা কিংবা আফসোস করা নিছক বোকামি বৈকি!
আফসোস তো সে করবে,যে আমার কাছ থেকে এত ভালোবাসা,যত্ন,আদর পাওয়ার পরেও আরেকটু ভালো থাকার জন্য অন্য কাউকে বেছে নিয়েছে!
ভালোবাসার মানুষটাকে মুক্ত করে দিতে হয়।যাতে মানুষটা অন্তত দেখতে পারে;পৃথিবীর আর কেউ তাকে ঠিক আমার মতো করে ভালোবাসতে পারে কিনা,বুঝতে পারে কিনা।

আর যখন সেই মানুষটা পুরো পৃথিবী ঘুরেও আমার মতো কাউকে পাবে না,ঠিক তখন চরম আফসোস করবে!নিজেকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলবে।
আমায় কষ্ট দিয়ে অন্য কোথাও সুখ সে কোনোদিনও পাবে না এটা নিশ্চিত ।হয়তোবা আমার সামনে নিজেকে সুখী উপস্থাপন করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করবে ঠিকই কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে প্রচন্ড আফসোস করবে আমার জন্য।
পৃথিবীতে আজকাল প্রকৃত ভালোবাসা যে বড্ড দুর্লভ!যে মানুষ সামান্য একটু সুখের লোভে কারো ভালোবাসাকে অবজ্ঞা করে,সে মানুষ আর কোনোদিনও ভালোবাসা পায় না! কেননা ভালোবাসার মাঝেই যে প্রকৃত সুখ,তা অনেক মানুষেরই অজানা।
মন আদানপ্রদানকারী দুটি মানুষের মধ্যে এক ধরনের টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা কাজ করে...। একজন যত গোপনেই প্রতারণা করুক প্রতারিত মানুষটি কেমন করে যেন সব বুঝে যায়....!! এটা কোনো সুপারন্যাচারাল পাওয়ার নয়...। বোকা মানুষটিও তার প্রতি সূক্ষ্ম অবহেলাটা বুঝতে পারে....!!

যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন,যত্ন নিতেন,আগলে রাখতেন;তাকে না পাওয়াটাই বেশ ভালো!
নিজের ভালো যে না বুঝে উল্টে তীব্র আঘাত দিয়ে নিজের সুখের লোভে অন্য কাউকে বেছে নেয়,তার কাছে আমি অন্তত কখনোই ভালো থাকার আশা রাখতে পারেন না,ভালো থাকতে পারবো না,ভালো থাকার কথাও না!

মনে রাখতে হবে
যাকে প্রচন্ড ভালোবাসা যায়,তার থেকে–যে প্রচন্ড ভালোবাসে;তাকে হারানোর বেদনা অধিক কষ্টের এবং যন্ত্রণাদায়কও বটে!

আজ ভালোবাসার মানুষটাকে না পেয়ে  যে আঘাত পাচ্ছি,নিজেকে তীলে তীলে শেষ করে দিচ্ছি;সেই মানুষটাও একটা সময় ঠিক আপনার থেকে দ্বিগুণ কষ্ট পাবে কেবল আমার থেকে পাওয়া প্রচন্ড ভালোবাসা,যত্ন এবং আদরের কথা মনে করে।
বিশ্বাস করি,অবশ্যই পাবে!

ভালোবাসা আর সময়;কখনোই কারো কাছে তার দেনা-পাওনা বাকি রাখে না।সময় মতো সুদে-আসলে সব শোধ করে দেয়! যে সত্যিকারে ভালোবাসতে পারে .. সে সবকিছুই করতে পারে... নিজের প্রাণপণ চেষ্টার মাধ্যমেও সে তার ভালোবাসার মানুষটিকে পাওয়ার জন্য সবকিছুই করতে পারে।

অতঃপর ?
একটা সময় ঠিকই তার স্বার্থপরতার কথা ভেবে নিজেকে বদলে নেবো,গুছিয়ে নেবো।কষ্টকে জয় করে নিজে ভালো থাকা শিখে নেবো!

আফসোস কিংবা আক্ষেপ আমার জন্য নয়,বরং তার জন্য-যে আমার অসীম ভালোবাসাকে মূল্যহীন মনে করে নিজেকে বিকিয়ে দিয়েছে অন্য কারো বাসনায় আর নয়তো চাহিদায়!

তুমিহীন এক বৃষ্টি বিলাস

এই বৃষ্টির দিনে আমার মন খারাপ হয় 
আক্ষেপ হয়, তুমি নেই বলে ~
বারান্দায় বসে পায়ের উপর পা রেখে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছি আহা,কি সুন্দর পরিবেশ বৃষ্টি শহরের সব ময়লা পরিষ্কার করার দায়িত্ব নিয়েছে আজ। 
তবুও কোথায় যেন ব্যথা অনুভব হচ্ছে, হয়তো তুমিহীনতার ব্যথা~~
রবীন্দ্র সংগীত শুনছি '' আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলো '' আহা সুন্দর পরিবেশের সাথে গানটা বড্ড মানিয়েছে। হঠাৎ মনে পরলো মায়ের অনেক পুরনো একটি আসমানি রঙের শাড়ি আছে, আলমারি খুলে সযত্নে রাখা শাড়িটি বের করে এলোমেলো ভাবে পরে নিলাম,উগরো ভাবে চুল গুলো খোপা করলাম বারান্দায় থাকা তারা ফুল গুলো খোপায় পরলাম ~
আজ বেলী ফোটেনি আমার বাগানে -

তারপর উপন্যাসের নায়িকার মতো হাতে চায়ের কাপ নিয়ে বারান্দায় বসি!! 
চোখে ললটে কাজল, শুষ্ক ঠোঁট এলোমেলো খোপা তবুও যেন আমিই সেরা। তবুও তুমি না থাকার আক্ষেপ বিরাজমান এই চোখে। কাজলের সাথে লেপ্টে আছে তুমিহীনতার আক্ষেপ ~ পলকহীন ভাবে বৃষ্টির মাঝে চেয়ে আছি।  

আজ তুমি থাকলে হয়তো সময়টা অন্য রকম হতে পারতো, আজ আমি বিষন্ন উপন্যাসের নায়িকার বদলে তোমার নায়িকা হতাম, বৃষ্টির সাথে প্রেম বিলাস হতো আমাদের!! 
তুমি,এই বৃষ্টি, রবি ঠাকুরের গান যে আমার বড্ড প্রিয় -
শাড়ি সামলাতে আমি বড্ড হিমসিম খাচ্ছি, তবুও সব কিছু উপেক্ষা করে চায়ের কাপে চুমুক লাগালাম এবং তোমায় নিয়ে মনে মনে কবিতা লিখতে শুরু করলাম -

~তুমিহীনতায় বৃষ্টি বিলাস করছি,  তুমিহীনতায় আরেকটি বৃষ্টি বিলাস পার করলাম আমি। 
~তুমিহীন এক বৃষ্টি বিলাস 

তবুও আমি বাচতে চাই

আমার এখন অসুখ করেছে সারারাত ঘুম হয় না,
খাই তবে স্বাদ পাই না, সারাক্ষণ ঘরেই থাকি!
কোথাও যাই না। বন্ধুদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হয় না। পরিবারের সকলের সাথেই খিটমিট করি। সামান্য কিছুর জন্য চিল চিৎকার করি।
চেনা মানুষগুলো কেমন অচেনা লাগে। কাউকেই বিশ্বাস হয় না। অযথাই ঘাবড়ে যাই! 
কেউ হেসে কাছে আসলেই সরে যাই, দূরে রাখি নিজের ভয়ের থেকে। আমার ভয় লাগে!!!

প্রিয় জনদের ভুলতে পারিনা,চেনাদের চিনতে পারিনা, আর অচেনাদের তো চিনতেই চাইনা!
"যত হাসি তত কান্না" সেই ভয়ে আমি হাসতে চাই না!
আমি বেঁচে আছি, আমার অসুখ করেছে জানি!!
তবু আমি মরতে চাইনা...

তবুও যেন ভুলে যাওয়া বড্ড দায়!!

তোমায় এতো ভালোবেসে আমি কি পেলাম বলতে পারো..?  
হিসেব করেছো কখনো..?! 
তোমায় নিয়ে নীল আকাশে ভালোবাসার 
নীড় বানাতে চেয়েছিলাম,, 
আর তুমি এক আকাশ বিষন্নতা দিয়ে গেলে আমায়~

তোমায় নিয়ে সুখের সাগরে ডুব দিয়ে 
ভালোবাসার অস্তিত্ব স্থাপন করতে চেয়েছিলাম
আর তুমি সেই সাগরের অতলে আমায় 
ভাসিয়ে দিলে ~~

তোমায় নিয়ে বিশলতায় সুখ 
পাখি হতে চেয়েছিলাম -
আর তুমি আমায় কাকতাড়ুয়া বানিয়ে 
চলে গেলে!! 

এতো অবহেলা করেছো যে,যেই আমি 
আগে তোমায় ছোয়ার জন্য ইচ্ছে করে হোচট 
খেতাম, তোমার সাথে কথা বলার 
অহেতুক বাহানা খুঁজতাম, 
সেই আমি আজ হাজারো ব্যস্ততায় তোমায় 
ভুলতে ব্যস্ত -
তবুও যেন ভুলে যাওয়া বড্ড দায়!!

হারিয়ে যাবো,,,

হারিয়ে যাবো একদিন  
সব অভিযোগ রেখে, 
নীল আকাশের মাঝে  বিলীন হবো
ফেলে আসা স্মৃতি নিয়ে,,  

হারিয়ে যাবো কোনো অচেনায়
নাম না জানা ঠিকানায়,,, 
অনেক মানুষের  মাঝে! 

হারিয়ে যাবো
সব অভিযোগ, অভিমান, ঘৃণা 
তিক্ততা নিয়েই 
হারিয়ে যাবো সেই সিক্ত অনুভূতি নিয়ে
যা কখনো হয়নি প্রকাশ!! 

হারিয়ে গেলে হয়তো খুঁজবে তুমি আমায়! তবে অনেক দেরি হয়ে যাবে। আমি তো আর ফিরবো না। আমায় পাবে তুমি কোনো এক উপন্যাসের 
পাতায় যেখানে লেখা থাকবে আমায় প্রিয়,, মানুষ টার থেকে পাওয়া অবহেলা গুলো নিয়ে ও  আমার ব্যর্থ প্রেমের গল্প নিয়ে হারিয়ে গেছি আমি।

 তুমি বোঝোনি, তুমি বোঝোনি!! তুমি  বুঝতে চাওনি।

কি করেই বা বুঝবে আমি তো তোমার মনের দ্বারে দাড়িয়ে ছিলাম মাত্র।  ভেতর ঢুকতেই দাও নি কোন দিন। 
দোড়্ গোড়ায় কি মানুষ চেনা যায়?

কোন কাব্যিকতার  গল্পে পাবে আমায়।  সেদিন তোমার কাব্যও ভালো লাগবে। 
আমায় খুজে পাবে, তবে বাস্তবে  নয় শুধুই তোমার কল্পনায় থাকবো।

মানুষ মানুষের জন্য

আচ্ছা! যদি আমি নিজের জন্য এমন কিছু চাই!!
   এমন এক  মেয়ে কোথায় পাবো!?  যার জীবনটা অবহেলায় ভরে গেছে!। তার কাছ থেকে অবহেলাতো পাবোই না শুধু মাত্র এই টুকু আশায়। 
            
  যার জন্য সেই মানুষ টা  প্রতিনিয়ত মরন চাইতো।  যার মনটা ভেঙ্গে গেছে চরম আঘাত পেয়ে!
    
আমি নাহয় খুব দ্বায়িত্ব কিরে  তাকে নতুন করে বাচিয়ে তুলবো! নতুন করে সাজাবো নিজে মতো করে।  আমার মতো করে তাকেও মানিয়ে নিবো!
চিনিয়ে দেবো একটু একটু করে আমার সম্পুর্ন পৃথিবী টা।  তার ভাঙা মনটাকে আমি আমার মনের মতো করে জোড়া লাগিয়ে দিবো খুব
ভালোবেসে!।  একটুও দাগ থাকবে না তাতে যেমনটা সে আগে ভেঙে ছিলো। 
এমন মেয়ে কি পাওয়া যাবে এই অচিন শহরে!? .এমন  মেয়ে কি একটাও আছে  এই অন্ত পুরে,,,..........
  কারণ 
মানুষ তো মানুষের জন্যে 

শুধু তোমাকেই চাই

যদি পাশে থাকার নাম করে
দিনরাত অভিনয় করেও
হাজার ঝগড়াঝাটি হলেও
থেকে যেতে চাই তোমার  অন্তরে।
ভুলতে চাই ভুলে যেতে চাই তোমায়, 
আমায় কষ্ট দেয় তোমার অবহেলা,, 
 তুমি মন বোঝো  না বুঝতেও চাও না।
তবুও  বলবো  শুধু  তোমাকেই ভালোবাসি যে! 
          
 বিস্বাস করবে প্রিয়?  

আমি  কথা দিয়ে কথা রাখবো  না,
আসছি বলে তোমায় রাখবো না  অপেক্ষায়,,
তুমি  ইচ্ছে করেই   তবে কেন অবহেলা করে 
দুঃখ দিয়ে কি আনন্দের  সাফল্য কুড়াও,,
তবুও মন বলে আমার  তোমাকেই চাই।
 যে কষ্ট দেয় বেশি,হয়তো সে-ই একদিন ভালোবাসবে,,,একদিন অনেক কাছে টানবে!
  অবুঝ মন তাই শোনো না বারণ 
কেনো এই মন বলে  আমার শুধু  তোমাকেই চাই। 

অতিত তখন আমি


হঠাৎ করেই চারিদিক শূন্য করে
তুমি দিনের আলোর মতো গোধুলির কাঁধে মাথা রেখে রাতের বুকে মুখ লুকিয়ে  হয়ে গেলে অচেনা। তোমাকে নিজের করে ভালোবাসার আগেই তোমায়  বুঝে ওঠার আগেই!! 
তুমি আমার কেউ না!  এই ভাবনা যে দুঃস্বপ্ন!
কিন্তু কিছু করার নেই, মেনে নিতে হবে
মেনে নেওয়া আর মানিয়ে নেওয়ার
মধ্যে দিয়েই তো জীবন! আর তা তোমার হাত ধরতে এসেই শিখেছি। তুমি নিপুণ কৌশলে শিখিয়েছো। 
মেনে নিতে হবে যে তুমি আর আমার কেউ না।
 এখন আর নেই  মনের কোনে সেই বিষাদ আর মন খারাপি দিনের আলোয় দিন শেষ হয় না।
তোমার ভালবাসায় এখন দাবিদার আমিই একমাত্র সেই বোকা কথা আজ বলি না।
মেনে নিতে হবে তুমি  আর কোনদিনই 
আমার সাথে কোন পথের ধারে গভীর কোন গল্পে আমরা আর হাটবো  না।
ব্যথা বুকে নিয়ে,অশ্রুসিক্ত নয়নে,
বালিশ ভিজিয়ে ঘুমিয়ে যেতে হয়,
ঘুমিয়ে যেতে হবে।  আবার  ঘুম থেকে উঠে 
এক অন্য ভোর দেখার জন্য বেচে থাকার মন্ত্র টাও ভুলি না।
যেই ভোরে  আমার  সূর্যোদয় দেখে তোমায় মনে পড়বে  না,
যে ভোরে  আমার শরির  ছুঁয়ে স্নিগ্ধ বাতাস বইবে  না!! হবে  না আর উষ্ণ আলিঙ্গন নতুন সূর্যের নরম আলোর সাথে।  যে ভোরে ওষ্ঠ যুগল হাসি ভুলে যাবে। তারপর আর হবে না সব কাঙ্খিত সমর্পণ!
কারণ আমি  শুধুই অতিত তখন।

তুমি নামক শূন্যতা এখন আর আমায় কাঁদায় না,,

মাঝে মাঝে পৃথিবীর সব থেকে বোকা মানুষ নিজেকে মনে হয়! তোমার প্রতি অসম্ভব ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায়।এই দুর্বলতাটাই আমার জীবনের সব থেকে বড় কাল হয়েছে...!! 

আমি যদি তোমার প্রতি এতটা দুর্বল না হোতাম তাহলে তুমি আমার সাথে যা যা করেছো,,তার জন্য আমি তোমাকে প্রচন্ড ভাবে ঘৃণা করতে পারতাম...!!

  তুমি নামক শূন্যতা এখন আর আমায় কাঁদায় না
বরং অনেক বেশি ভাবায়।
তোমার ভালোবাসার অভাবটা
এখন আর আমায় রাত জাগায় না বরং স্বপ্ন দেখায়।
তোমার বিশ্বাসের অভাবটা এখন আর ঘৃনা জাগায় না বরং আশার শিকলে বাঁধে বার বার...!!

সত্যি বলছি---
তোমার সাথে আমার আর কখনো দেখা হবে না
কিংবা কথা হবে না তাও জানি না। কিংবা
সন্ধ্যা গনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল হাতে নিয়ে বসা হবে না তোমার ছোট্ট কোন চিরকুটের আশায়..!!

তোমার জন্য আর অপেক্ষার প্রহরগুলো তিক্ততার বিষাদে আমার হৃদয়টা বিষাক্ত করে তুলবে না...!

অস্তিত্বে শুধু তুমিই আছো

লোকে বলে তোমার কথায় এতো বিষন্নতা কেন---
বিষাদের রঙ চেপে আছে কেন এই চেহারায়?! 
চোখের মাঝে মেঘ কেন? মনের মধ্যে হাহাকার কেন?  কেন এমন দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া স্বভাবের মানুষ নামের তালিকায় নিজেকে লিপিবদ্ধ করেছো? কি নেই তোমার কাছে যা আগে ছিলো!  কোথাও গেলো তোমার সেই উন্মাদনা, হাসিঠাট্টার আসরে এখন কেন দেখিনা তোমায়? 

না  কোনো  জবাবই  দেইনা তাদের। কেনই বা দেবো?  কি করে বলবো তাদের কোনো এক মানবী আমার সব মায়া,আশা-আকাঙ্ক্ষা, তৃষ্ণা, ভালো লাগা, ভালো থাকা  নিয়ে চলে গেছে।  নিয়ে চলে যায় নি আসলে আমিই তাকে আমার সব টা উপহার হিসেবে দান করেছি। কারণ ভেবেছিলাম সে আমার সাথেই থাকবে। আমায় আর একলা চলার ভয়ের ভয়ংকর কষ্ট কিছুই করতে পারবে না।  নাঃ আমার সব টাই ছিলো ভুল ভাবনা মাত্র। আজ সে আমায় দিয়েছে  শুধুই নীরবতা ও অবহেলা। আজ  একাই নিজেকে  সামলাতে হচ্ছে সব  ফেলে!!  আজ চতুর্দিকে অন্ধকার দেখি।

      তার দ্বায়িত্ব    ওই,,,এক চিলতে হাসি দিয়ে চলে যাওয়া। 

আজও তাই হয়েছে। যদিও সে টুকুও পেতাম না যদি নিজে থেকে চেষ্টা করতাম। 

              ওর থেকে পাওয়া  সেই হাসির মাঝে লুকিয়ে থাকে  না পাওয়ার ক্ষোপ - আক্ষেপ বেদনা!! সেই যন্ত্রণা সে বোঝেই না।

আমায় আর কেউ এখন বুঝে উঠতে পারে না 
হয়তো বা আমি বুঝতে দেইনা - 
না আর কেউ কোন দিনই এই মূল্য হীন মানুষ টার কোন কিছুই খোজ পাবে না। তার জন্য নিজেকে যতটা অগোছালো রাখতে হয় আমি সেই চেষ্টাই করবো। আর কখনোই নিজেকে সহজ লভ্য করে উপস্থাপন করতে যাবো না কোথাও। 
কারণ আমার গভীরে গেলে যে শুধু তোমায় খুঁজে পাবে, তোমার স্মৃতি গুলো খুঁজে পাবে।  আর আমি চাই না সেই অনুভূতি আমি ছাড়া অন্য কেউ অনুভব করুক।
হ্যা  শরীর টা আজ  আমার পরিচয় টাই বহন করে তবে বিশ্বাস করো প্রিয়  তার ভেতরের অস্তিত্ব তোমার,,,তোমায় এতোটাই ভালোবাসি। 

অভ্যাস হলে সব ঠিক হয়ে যাবে

স্ত্রীর আচরনে অতিষ্ঠ হয়ে জামাই তার শাশুড়িকে ফেইসবুকে মেসেজ করলঃ 

আপনার প্রোডাক্টে জন্মগত ক্রুটি আছে, যা আমাকে ডেলিভারির সময় জানানো হয়নি।

আমি হয়রান হয়ে যাচ্ছি। 
প্লিজ মাল ফেরত নিয়ে ভালো মাল পাঠান।

মেসেজ পেয়ে শাশুড়ির জবাব,
মালের ওয়ারেন্টি শেষ আমাদের মালের রিফান্ড অথবা এক্সচেঞ্জ অফার নেই। 
মাল বুঝে নেবার পর মাল ঠিকঠাক ব্যবহার করার দায়িত্ব গ্রাহকের।

ডেলিভারির সময় মালের ব্যবহারবিধি আমরা গ্রাহককে ভালোভাবে বুঝিয়ে ছিলাম।

মেশিন সব পুরান হয়ে গেছে, ফ্যাক্টরি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, এখানে আর নতুনভাবে কোন প্রোডাকশন হচ্ছেনা। 
তাই নতুন মাল পাঠানোর সুযোগ নেই, 
বর্তমান মালটাই একটু বুঝে সুঝে সাবধানতার সাথে ব্যবহার করো।

অভ্যস্ত হওয়ার পর সব ঠিক হয়ে যাবে,,
ভালো থেকো সুখী হও....!!!!!!!

তুমি শুধু আমার হও

তোমার সঙ্গতার অভাবে আজ-কাল বড্ড একা লাগে,নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হয়!
এতশত মানুষের ভীড়েও নিজেকে নিঃস্ব  মনে হয়, যখন-তখন না চাইতেও চোখ ছলছল হয়ে ওঠে।

আমাদের দুটি  হৃদয় হয়তো খুব কাছাকাছি এসে মেলেনি এখন বুকের সেই পিপাসা  মিটাই বিরহের সাথে।তবে  বিরহ আমাকে তোমার মতই  আগলে রাখতে  পারে না!
তোমাকে ভাবলে  বুকের ভেতর শান্তি পেতাম,তবে বিরহের বুকের সাথে  বুক মিলিয়ে বুক ফাটা কান্না আসে, অন্তরের সৌন্দর্য গুলোয় আগুন লাগে অসম্ভব যন্ত্রণা দিয়ে যায়!

তুমি তো বেশ ভালাই আছো শুনতে তো তাই পেলাম। তবে  আমায় কেন হতাশার সাগরে ভাসাতে গেলা? আগেই বলতে পারতে আমার আমিকে তোমার পছন্দ নয় কিংবা আমি তোমার যোগ্যই নই। হয়তো তবে আমিও এতো আবেগে নিজেকে তোমার সাথে মিশিয়ে আজ শুন্যতায় থাকতাম না। আমাকেও তো একটুখানি ভালো  রাখতেই পারতে,বুকের মধ্যে যত্ন করে  রাখতে পারতে না আমায়! 
তুমি আমার হলে কি খুব বেশি ক্ষতি হয়ে যেতো?
তোমাকে আকাশের চাঁদ এনে দিতে পারতাম না ঠিকই, তবে  জোৎস্না  রাতে তোমাকে দূর থেকে  চাঁদ দেখাতে পারতাম! আর তাতেই আমার স্বর্গের সুখের অনুভব পেতাম। 
তোমাকে সাত সমুদ্র পার হয়ে  একশো টা গোলাপ এনে দিতে পারতাম না ঠিকই,তবে তোমার জন্য বাজার থেকে  বাড়ি ফেরার পথে   দশ টাকা দিয়ে  একটা  গোলাপ ফুল এনে  দিতে পারতাম! যদিও বা সেটাও প্রতিদিন হতো না।

তোমার অভিমান ভাঙতে  আমি  দামী দামী উপহার  দিতে পারতাম না ঠিকই,তবে নিজের মতো করে চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখতাম না।
তোমাকে আহামরি সুখে রাখতে পারতাম না ঠিকই, তবে  দুঃখের কালো ছায়াও তোমাকে স্পর্শ করতে  দিতাম না।
তোমাকে পাওয়ার জন্য হয়তো আবার জন্ম নেবো আসতেই হবে  পৃথিবীতে।এ জনমের কপাল দিয়া তোমাকে  আর পাওয়া হলো না,কোনোদিনও হবে না! তবে  আরেকবার জন্মাবার সুযোগ পেলে ওই সৃষ্ট কর্তাকে বলবো 
“তুমি যেন শুধু আমার কপালেই থাকো;অন্য কারো কপালে থাকলে আর আমার জন্মাবার দরকারই নেই!”

নাড়ীর আকর্ষন টাই অদ্ভুত,,,

"নাড়ীর আকর্ষন টাই অদ্ভুত...!!
 এরা যেভাবে মায়ায় জড়িয়ে রাখতে পারে তেমনি ভাবে আবার রাগ অভিমানও করতে পারে... 
এদের দিয়ে দুটোই সম্ভব...!  

মেয়েরা দুনিয়ায় সবকিছু শেয়ার করতে পারলেও নিজের মানুষটাকে কখনো অন্য কোনো মেয়ের পাশে বিন্দুমাত্র সহ্য করতে পারেনা...!
 শুধু তাই নয়... প্রিয় মামুষটার পাশে নিজের ছায়াটুকুকেও পর্যন্ত হিংসা করে...!

মেয়েরা নিজের মানুষটাকে সম্পূর্ণ একার করে পেতে চায়...
 এরা কখনো নিজের মানুষটার ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়... 
 শুধু তাই নয়... নিজের বেস্টফ্রেন্ডও অন্য কারো সাথে কথা বললেও এরা মেনে নিতে পারে না...!! 

মেয়েরা যতটা না রাগ করে তারচেয়ে বেশি করে অভিমান...!
 এরা অভিমান প্রিয় হয়... বড়সড় ব্যাপারে এরা কখনো মাথা ঘামায় না...
  অথচ... ছোটখাটো বিষয়ে এরা এক আকাশ পরিমান অভিমান করে বসে...!

স্কুল কলেজে থাকা অবস্থায় ছেলেরা টিফিন নিয়ে মারামারি করলেও কোনো মেয়েকে একটু মিষ্টি কথা বলে পটাতে পারলে পুরো টিফিন বক্সটাই দিয়ে দিতো...!
 আবার অভিমান করলে স্কুলে আসতো না, আসলেও কথা বলতো না...! 

মেয়েদের খুশি করতে লাখ টাকা লাগে না...
  একজোড়া কানের দুল, এক পাতা টিপ কিংবা কাঁচের রেশমি চুড়ি কিনে দিতে পারলেই তারা খুশিতে গদগদ হয়ে যায়...!
এদের চাওয়া পাওয়া খুবই ছোট...!!

মেয়েরা চাইলে সবই পারে...!
একটা অগোছালো ছেলেকে গুছিয়ে নিতে একটা মেয়ের খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না...
 আবার একটা গোছালো ছেলের জীবন শেষ করে দিতেও একটা মেয়ের বেশি কিছু করতে হয় না...! দুনিয়ায় সব মেয়েদের এই ক্ষমতাটুকু রয়েছে....!! 

মেয়েরা যতটুকু ভালোবাসে তারচেয়ে বেশি মায়ায় আবদ্ধ করে রাখে...!
 এরা কখনো অন্য কারোর সাথে নিজের তুলনা পছন্দ করে না... 

 সারাজীবন নিজেই অতুলনীয় হয়ে থাকতে চায়...!!

অ-প্রাপ্তিতেই-প্রাপ্তি

যতটুকু চেয়েছিলেম 
ততো বেশিই হারিয়েছি।
যেটুকু আমার চাওয়া প্রাপ্য ছিলো 
তার অধিক কেনো চেয়েছিলেম?
জানিনা কেন এমন ছিলাম!! 

 কতো মানুষ কে দিব্যি বলে বেড়িয়েছি
কপালে আমার লেখা ছিলো এই প্রেম,,
 হয়তো  একদিন  হারিয়েও যাবে,,
হারানোর দোষ তাও আমারই জন্য  কীইবা করি তাতে? 
কতো বোকা আমি 
নিজেই নিজের দোষে দোষী হয়ে
আজ নিজের  কপালের নিজেই তুলি   তর্জনী।
 
চাওয়া পাওয়ার অমল তৃষ্ণা ছিলো। 
এক চলতে চলতে আজও ক্লান্ত, এই একাকিত্ব ঘুচবে সেই স্বপ্নে বিভোর হয়ে তার কোলে চেয়েছিলাম মৃত্যু হোক আমার।  আমি আর ফিরবো না মানুষ হয়ে। আমার তৃপ্তি মিটবে জীবনের প্রতি। 
তুমি ছাড়া আমার ভীষণ একলা লাগে
পৃথিবীটা শূন্য মনে হয়,  বহুবার বলেছি আমি নিজেকে শুন্যে আবিস্কার করি। আমার সব টা শুধুই তোমায় পাই। তুমি ছাড়া বিরহের অসুখ আমার মৃত্যু যন্ত্রণার থেকেও কঠিন লাগে। 
তুমিহীন সব জয়ই পরাজয় আমি কিছুই পারছি না।
ফুটেছিলো তোমায় নিয়ে আমার  অন্তরাত্মায় গুলমোহর,,,, 
কোটি কোটি  বাকরুদ্ধ শব্দমালা ঝড়ে গিয়েছে
কেবল তোমার'ই অতি বুদ্ধির বিদ্বিষ্ট পারদর্শিতায় -- 
সব কিছু যে প্রাপ্তিতে পরিপূর্ণ থাকবে তা কিন্তু নয়! থাকুক না কিছু অপ্রাপ্তি --
এই তো জীবন ❤️

আর স্বপ্ন দেখি না,,,,

আমি কাউকে নিয়ে আর স্বপ্ন দেখিনা।

কোনো মানুষ আমার সাথে শেষদিন অবধি থেকে যাবে আমি সেটাও ভাবিনা।
এই না ভাবার পেছনে যে আমার একাধিক ব্রেক-আপ কিংবা কাউকে না পাওয়া আছে তেমনটাও নয়। 
তবু আমি আশা করিনা, ভাবতেই পারিনা ভালো-মন্দ ।  সবকিছু মিলিয়ে মিশে কেউ আমার সাথে সারাজীবন থেকে যেতে চাইবে,,শুধু আমাকে পাওয়ার জন্য,শুধু আমার সাথেই কথা বলার জন্যে অপেক্ষা করবে,,কিংবা তার ভালো লাগা বা খারাপ লাগা সবটাই আমাকে আগে জানাবে।
এই সমাজ,পরিবার,দুনিয়া সবকিছু মানিয়ে কেউ আমার জন্য,শুধু আমার জন্যই থেকে যাবে।
আর যদি সত্যিই এমনটা হয় সেদিন আমার এই না ভাবা গল্পগুলোকে আমি তারই সাথে কোন বৃষ্টিভেজা ফুটপাতে কিংবা রাতে কফির কাপ নিয়ে বারান্দায় ভাগ করে নেব বড্ড একান্তে......

তার কোলেই আমার শান্তির মৃত্যু হোক।

যদি আমি  ছেড়ে গিয়ে ফিরে আসি। তবে তখন আর তুমি  আমায় গ্রহণ করবে না। মন চাইবে তোমার আরেকটি সুযোগ দিতে তবে আমি যে অভিশপ্ত হয়ে ফিরবো। আমি কেন অভিশপ্ত জানো..?

কারণ তুমি এক ফুলের মতো মন কে যার মাঝে ছিলো অঢেল ভালোবাসা তাকে খুন করেছো সেই দিনের ওই অট্টহাসির ছলে। তবে তোমার খারাপ চাইনা, আমি চাই যে আমার ভালোবাসাকে খুন করেছে সেও আমার মতো প্রখর ভাবে কাউকে ভালোবাসুক!! 

আমি আজ আর  চাইনা আমায় কেউ ভালোবাসুক 
আমি চাই এমন কেউ আসুক জীবনে যে আমার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখবে।আমি আর নিজেকে নিয়ে একলা চলতে পারছি না।  সকল বিপদ থেকে আমায় আগলে রাখতে সব সময় পাশে থাকবে। হোক বা সে বন্ধু বা প্রিয়জন ।। 

অন্য কাউকে বিশ্বাস করতে আমার ভয় হয় সে সব বুঝে আমার বিশ্বাস রাখুক আমায় একটু আগলে রাখুক। আমায় বুঝুক আমার ভাঙা মনকে জোরা লাগিয়ে আবার না ভাঙুক, এমন কেউ আসুক!! 

এলোমেলো কথা অজানা অহেতুক কারণে যেন আমায় কখনোই ছেড়ে না যায়, এমনই অজানা কারণে কেউ আমায় আপন করে নেক। যে কখনো আমায় মৃত্যুর যন্ত্রণা দিবে না বরং তার কোলে আমার শান্তির মৃত্যু হোক এমন কেউ জীবনে আসুক!!
হ্যাঁ আমিও তো তাই চেয়েছিলাম। 

কৌতুক

বল্ তো এটা কী ধরনের বাক্য  ?

শিক্ষক :  এই  শুভ,  দাঁড়া ।  আমি  যা  জিজ্ঞেস  করবো,  ঠিকমতো  উত্তর  দিবি ।

‘আজ  ভীষণ  শীত  পড়েছে’  -   বল্  তো‌‌ এটা  কী  ধরনের  বাক্য  ?

শুভ :  এটা  'হু হু  কাঁপাকাঁপি মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  অ্যাঁ  !  কি  বললি  হতচ্ছাড়া  ?!! 

শুভ :  এটা  'রাগ রাগ মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  আজকে  তোর  পিঠের  ছাল  ছাড়িয়ে  দেবো ।

শুভ :  এটা  'অত্যাচার মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  চুপ ।  একদম  চুপ  !  নয়তো  ...

শুভ :  এটা  'বাক্ - স্বাধীনতা  হরণকারী  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  আরে,  এটা  তো  দেখছি  আমার  মাথাটাই  খারাপ  করে  দেবে ।  আমাকে  তো  শেষ  পর্যন্ত  পাগলা  গারদে  যেতে  হবে ।

শুভ :  এটা  খুবই  'আনন্দদায়ক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  ( রাগে  কাঁপতে  কাঁপতে )  তোকে  আমি  খুন  করে  ফেলবো ।

শুভ :  এটা  'উগ্রপন্থী মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  এক্ষুনি  তুই  আমার  চোখের  সামনে  থেকে  দুর  হয়ে  যা ।  বেরিয়ে  যা  ক্লাস  থেকে ।

শুভ :  এটা  'অসভ্যতা মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  হায়রে! কোনদিকে  যাবো  আমি  ?!! 

শুভ :  এটা  'অন্ধকারে  পথ  হাতড়ানো মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  দূর  !  তুই-ই  থাক  ।  আমিই  ক্লাস  থেকে  বেরিয়ে  যাচ্ছি ।

শুভ :  এটা  অনেক  ছাত্রেরই  'চাহিদা মূলক  বাক্য',  স্যার  ।।
©️

তুমি হীন এই শহর

কষ্টরা যেন ট্রেনের মতো আমার মাঝে
আঁচড়ে পরছে। না চাইতেও দুঃখরা বাসা বেঁধেছে মনের মাঝে।  অদ্ভুদ এক ভয় কাজ করছে মনের মাঝে, 
তোমাকে হারানোর ভয়~তোমাকে হারিয়ে ফেলার ভয় !! 

বেদনারা মস্তিষ্কে চেপে বসেছে, 
মনে হচ্ছে এই শহর থেকে তুমি, আমার থেকে তুমি চলে যাচ্ছো বহু দুরে চলে যাচ্ছো!! 

আচ্ছা যেই শহরে তুমি নেই,
সেই শহরে আমি কিভাবে থাকবো..? 
তুমিহীনতা তো ভর করে বসবে এই হৃদয়ে ~ কোনো ভালবাসার গল্প আর তৈরি হবে না তুমিহীন শহরে!! 

তুমিহীনতায়, মনের মাঝে কেউ একজন ছুরি চালাচ্ছে -
আমি বার বার মরে মরে বাঁচচ্ছি কিংবা বেঁচে বেঁচে মরছি। রেল লাইনের উত্তপ্ত পাথরের মতো জ্বলছে হৃদয় ~ শুধু তোমায় একবার দেখার অপেক্ষায় !! 

চোখ ব্যথায় ব্যথিত হয়ে আছে রাত্রির নিস্তব্ধ কান্নায়, তোমায় পাওয়ার আকুলতায়। চোখের নিচে কার কালো দাগ গুলো বলে দেবে  কতটা চেয়েছি প্রতিটি রাতে তোমায়!! 
তবুও তুমি আসোনি,তোমার আর খোঁজ মেলেনি~তুমি হারিয়ে গেছো -

-হারিয়ে গেছো এই শান্তনা দিচ্ছি নিজেকে,আসলে তো তুমি ইচ্ছে করেই হারিয়েছো!! 
~ এ শহরে আর নতুন করে ভালবাসার গল্প তৈরি হয়না

তিন নম্বরের গল্প

“পুলিশ : অস্ত্র কই রাখছিস বল...??
আসামী: স্যার, আমি অস্ত্রের খবর যানি না স্যার।

পুলিশ : বলবি নাকি ক্রসফায়ারে মরবি..?শেষ বারের মতন জিগাইতেছি..
আসামী: স্যার ঐ দিক দিয়ে গেলে তিনটা তাল গাছ পাবেন।

পুলিশ : তাল গাছের গোঁড়ায় পুতে রাখছিস..?
আসামী: না স্যার প্রথম দুইটা তাল গাছ বাদ। তিন নাম্বারটার...

পুলিশ : হুম ওখানে আছে..?
আসামী: স্যার তিন নাম্বারটার পাশ দিয়ে তিনটা রাস্তা আছে। প্রথম দুইটা বাদ।তিন নাম্বার রাস্তা দিয়ে গিয়ে তিনটা বাড়ি পাবেন।

পুলিশ : কোন বাড়িতে বল শালা..?
আসামী: প্রথম দুইটা বাদ। তিন নাম্বার বাড়িতে গিয়ে, তিনটা ঘর। প্রথম দুইটা বাদ। তিন নাম্বার ঘরে, তিনটা আলমারি আছে। প্রথম দুইটা বাদ তিন নাম্বারটাতে তিনটা ড্রয়ার আছে। তিন নাম্বার ড্রয়ারে....

পুলিশ : অস্ত্র আছে.?
আসামী: স্যার তিনটা ছবি আছে। প্রথম দুইটা বাদ। তিন নাম্বার ছবিটা আমার মায়ের। বাকী দুইটা নানি দাদীর। ঐ তিন নম্বর ছবির কসম স্যার। আমি অস্ত্রের খবর যানি না স্যার।”

বেকার প্রেমিকের চিঠি

বালিকা, তোমাকেই বলছি......

- Doctor কে বিয়ে করো না। কারন, সে তোমায় সময় দিবে না, রোগী নিয়ে ব্যস্ত থাকবে!

- Engineer কে বিয়ে করো না। কারন, সে প্রোজেক্ট নিয়ে ২৪ ঘন্টা ব্যস্ত থাকবে!

- Teacher কে বিয়ে করো না। কারন, কিছু বছর পর এদের মাথা ঠিক থাকে না!

- Army কে বিয়ে করো না। কারন, ওরা বউ কি তাই-ই বোঝে না!

- Police কে বিয়ে করো না। কারন, ওরা লোকের পাহাড়া দিবে, কিন্তু তোমার না!

- Business man কে বিয়ে করো না। কারন, ওরা ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে তোমায় নিয়ে না!

- Politicians কে বিয়ে করো না। কারন, এরা শুধু তোমায় মিথ্যা আশ্বাস দিবে!

- ভাবছো, তাহলে বিয়ে করবে কাকে..? তার সমাধানও আছে!
.
.
.
.
.
তুমি বিয়ে করবে আমার মত বেকারকে! যে তোমায় ভালোবাসা দিয়ে তোমার সব চাওয়া পূরণ করবে
যে তোমায় ছেড়ে কখনো দূরে যাবে না! তোমার চোখে কখনো পানি আসতে দিবে না, আর কখনো তোমাকে চোখের আড়াল করবে না....!

ইতি,
বেকার সমাজ থেকে, আমি এক বেকার প্রেমিক। 😍😘😘😘😁🥰

তুমি আমার মানে পুরোটাই আমার।

তোমাকে ভালোবাসি মানে, পুরোটাই ভালোবাসি।
তোমার এলোমেলো চুল, চোখের নিচের কালি, মেদযুক্ত পেট, ঘর্মাক্ত শরীর কিংবা একটা আস্ত অগোছালো তোমাকেও পুরোপুরি ভালোবাসি।
যে মানুষ একবার আমার হয়েছে, সে মানুষ যত'টাই বদলাক, সে মানুষ আমারই।
যে কখনো আমার হয়নি, তার বাদামী চোখ, রিবন্ডিং চুল, পারফিউমের ঘ্রাণ, মেদহীন পেট কিংবা একটা আস্ত গোছালো মানুষকেও আমি ভালোবাসিনা।
ভালোবাসা ব্যপারটাই এমন অদ্ভুত।
একবার ঠিকঠাক ভালোবেসে ফেলতে পারলে, আর কিছুতেই সেসব কমেনা।
লাবণ্য কমে, ভালোবাসার মানুষের লাবণ্য কখনো কমেনা।
ভালোবাসলে, এলোমেলো চুল দেখে মনে হয়- আহারে, কি অযত্নে পরে আছে একটা শুভ্র ফুল।
ভালোবাসলে, মেদযুক্ত পেট দেখে মনে হয়- এত গুলুমুলু হয়ে গ্যাছে ক্যান?
ভালোবাসলে, মানুষটার অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে দিতে ইচ্ছে হয়।
ভালোবাসলে, চোখের নিচে কালি পরে গ্যাছে দেখে মনে হয়- ঠিক মতো ঘুমাও না, নাহ? নিজের প্রতি এত অবহেলা করলে, হবে?
ভালোবাসা যত'টা মুগ্ধতার, তারচেয়ে বেশি যত্নের!
ভালোবাসা যত'টা মোহের, তারচেয়ে বেশি দায়িত্ববোধের!
একবার তোমাকে ভালোবেসেছি মানে, তোমার সমস্তটাই ভালোবেসেছি।
আংশিক ভালোবাসাকে, আমি কখনো ভালোবাসা বলিনা।
তুমি আমার মানে, পুরোটাই আমার।

ইচ্ছে

আমি এই শহরের হাজারো অবহেলায় অবহেলিত এক ধর্ষীতা মেয়েকে বিয়ে করতে চাই। যাকে তার ইচ্ছে না থাকা সত্বেও চিরে চিরে কষ্ট দিয়ে খেয়েছে কিছু নরপশু। 

যাকে শান্ততা দেওয়ার বদলে মা*গী নাম দেয় কাছের মানুষগুলোকে। যাকে দেখলেই সবাই আলোচনা শুরু করে দেয়, যাকে দেখলে সবাই খারাপ মন্তব্য পোষন করে আমি তাদের সবার সামন দিয়ে সেই মেয়েটাকে বিয়ে করে 'গেনিস অফ দা বুক'এ নাম লেখাতে চাই। আমি তাকে এমন ভাবে বিয়ে করতে চাই যা কখনো কোনো রাজাও কল্পনা করেনি।

যে মেয়েটা তার অনিচ্ছায় নিজের সম্মান এবং সম্পদ হারালো সেই মেয়েটাই আমার কাছে অন্যসব মেয়েদের থেকে হাজার হাজার গুণ সম্মানিয়।

এই ভালোবাসার যুগে নাকি ভালোবাসার প্রমাণ দিতে অনেক মেয়েই তাদের সতিত্ব উপহার দেয়। তারা নাকি একে অপরকে খুব ভালোবাসে। 

বাবা-মা মেয়ের স্বপ্ন পুরোণের জন্য তাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে কলেজ পাঠাচ্ছে আর সেই মেয়ে'ই বাবা-মায়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিচ্ছে। তারা নাকি এখন বড় হয়েছে নিজেদের ভালো নিজেরাই বোঝে। 

এখনকার ছেলে-মেয়েরা ভালোবাসতে শিখে গেছে। তাদেরকে শেখাতেও হয় নি; ভালোবাসা নাকি এমনি-এমনি শেখা যায়! আসলেই তো এখানে শিখার মতো কিছুই নেই।

তারা ফুল দিচ্ছে ভালোবাসা নিচ্ছে অথচ মানুষ জীবন দিয়েও ভালোবাসা ভিক্ষা পায় না। পুরুষ তার ভালোবাসার মানুষকে না পেয়েও দূর থেকে ভালোবাসে যাচ্ছে আ'জীবন। নারী এখনো কুমারি, মানুষটিকে পায় নি বলে। নারী মা ডাকটিও শুনতে চায় নি একবারও।

আর এখনকার ভালোবাসা! ওরা রাস্তায় রাস্তায় হাটে হাতে হাত রেখে। আমরা গল্পে যতটা রোমান্টিক, বাস্তবে এরা গল্পকেও যেন হার মানায়। 

স্ববে মাত্র এদের পাঙ্খা গজিয়েছে। আমি সেদিন ঘুরতে গেছিলাম এক পার্কে, সেখানে যেয়ে মনে হয়েছিল, পার্কে একা প্রবেশ করা পাপ। ছোট ভাই-বোন; একে অপরকে খাওয়াচ্ছে, কোলে মাথা রাখছে, সুযোগ পেলে কি* টাও বাদ পরছে না।

কিছুদিন বাদে এদের ভালোবাসায় ডেট করার সময় আসে। 'বেড শেয়ার' শব্দ টা এদের কাছে নতুন কিছু নয়। এরা ভালোবাসার কাছে এভাবেই নিজের সতিত্ব টুকুও দিয়ে দেয়। কিছু দিন বাদে সেই ব্রেকআপ!

ব্রেকআপ বলে কোনো শব্দও আমার জানা ছিল না বহুদিন। এদের থেকে অনেক কিছুই শিখেছি।
ডেট করা শেষ, এবার এদের বিচ্ছেদের পালা। ডেট করার কথা মনে করিয়ে দিলে জবাব, 'তুমিও ম*জা নিছো আমিও ম*জা নিছি' আহারে ভালোবাসা! 

এবার এরা এদের সেই ভালোবাসার মানুষটিকে অভিশাভ দেয় অথচ কেউ কাউকে ভালোবাসলে কখনোই তাকে অভিশাপ দিতে পারে না। কেউ তার ভালোবাসার মানুষটি তাকে কাঁদিয়ে গেলেও কখনোই তার খারাপ চায় না বরং উল্টো আরো ভালো চায়। নিজে জীবন দিয়ে দেয় তাও সেই মানুষটার কখনোই খারাপ কামনা করে না।

আমি এরকম বিয়ের আগেই সতিত্ব হারানো মেয়েগুলোকে পতি*তা লয়ের পতি*তাদের সাথেও তুলনা করবো না কারণ তাদেরও একটা সম্মান আছে। সেটা তাদের বিজনেস, তাদের সবাই পতিতা নামেই জানে। 

বিয়ের আগে গোপনেই সবকিছু এক প্রেমিককে উৎস্বর্গ করা মেয়েকে আমি পতি*তার থেকেও বেশি যদি কিছু হয়ে থাকে তাহলে তাদের সেই খানেই রাখবো।

বিয়ের আগে সতিত্ব হারানো মেয়েগুলোকে বিয়ে করা মহাপাপ। এদের মতো মেয়েদের গায়ের চা*মড়া ছিলে হ*ত্যা করা উচিৎ। 

বিয়ের আগে সতিত্ব হারানো মেয়েগুলোর কখনোই ভালো হয় না। এরা এক সময় না এক সময় কাঁদবেই। এদের পাপের ক্ষমার কথা কল্পনাতেও কল্পনা করাও পাপ। 

ভালো থাকুক সেই মেয়েটা যাকে এ সমাজ ধর্ষীতা নাম দিয়েছি। 

ডাকবক্স

এখন আর আমাদের কথা হয়না
সন্ধ্যা হয়,রাত হয়,রাত গভীর হয় 
আবার সকাল হয় কিন্তু আমাদের আর কথা হয়না!😐

আমার কথা ফেলার ডাকবাক্সটা হারিয়ে গেছে! এই শোকে,আমার মাঝেমাঝে বিলবোর্ড ছাপিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিতে ইচ্ছে হয়! ইচ্ছে হয় অলিতে গলিতে মাইকিং করে বলতে'আমার ডাকবাক্সটা হারিয়ে গেছে'! 
তাতে কি কোনো লাভ হবে? 
ডাকবাক্সটা তো নিজ থেকেই হারিয়ে গেছে,কেউ নিজ থেকে চলে গেলে কি তাকে খুঁজে পাওয়া যায়?

আচ্ছা ডাকবাক্সটা কি এখন আর খালি পড়ে থাকে যেই ডাকবাক্সটায় আমি আমার সারাদিনের কাহিনী জমা রাখতাম নাকি অন্য কারো কথায় সেটি ভরপুর?

আমি বারবার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই তাকে ছাড়াই ভালো থাকবো,তাই সবসময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকি কিন্তু ব্যস্ততা শেষ হলেই আমার বুকের মধ্যে চিনচিন ব্যথা হয়,নিরব রাত যত বাড়ে আমার মধ্যে হাহাকারও ততোই বৃদ্ধি পায়!

কি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে সে আমায়,
আমি পৃথিবীর রঙে ডুবে থাকতে চাইলেও সব ঝাপসা দেখি,তাকে ছাড়া সবকিছুই যেন রঙচটা দেয়ালের মতো! আমার বারবার ইচ্ছে হয় তাকে একটিবারের জন্য বলতে "আমার দোষটা কোথায়,বেশি ভালবাসা নাকি তোমার জন্য বেহায়া হওয়াটা"? 

অথচ এই প্রশ্ন করার ও সুযোগ নেই, তার আঙিনা আমার জন্য নিষিদ্ধ, তার প্রবেশদ্বারে কারফিউ জারি করেছে সে,ঢুকলেই ছিন্নভিন্ন করে দিবে!
সে কি জানে? আমি অনেক আগেই ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছি!

কারণ, এখন আর আমাদের কথা হয়না,
রাত গভীর হলেও কথা হয়না,
ফোনে ভরপুর চার্জ থাকলেও কথা হয়না,
আমাদের আর কোনো অজুহাতেই কথা হয়না।

তোমার উপেক্ষা আর আমার অপেক্ষা

এই যে আমার একটু থাকার ইচ্ছে ছিল। কত গুলো মন খারাপ তোমায় বলার ইচ্ছে ছিল, তোমার কিছু মন খারাপ আমার শোনার ইচ্ছে ছিল। তোমার কাঁধে মাথা রেখে একটু কাঁদার ইচ্ছে ছিল, তোমার লড়াই এ একটা সঙ্গী হওয়ার ইচ্ছে ছিল , এসব ইচ্ছে তুমি এক পলকেই উড়িয়ে দিয়েছিলে তোমার ঐ দূরত্ব তৈরি করবার ইচ্ছে দিয়ে।

আমি বলেছিলাম আমার একটু তোমায় দরকার, তুমি বলেছিলে এখনও অনেক সময় বাকি আছে। আমি বলে ছিলাম তোমার কাছে আমি শান্তি পাই তুমি বলেছিলে তোমার মত অশান্ত মানুষ কাউকে শান্তি দিতে পারে না। আমি বলেছিলাম একটু ভালোবাসতে চাই, তুমি বলেছিলে বন্ধুত্বও তোমার পক্ষে দেওয়া কঠিন, তুমি ভালোবাসা দিতে ভয় পাও। আমি বলেছিলাম আমায় একটু জড়িয়ে ধরো, তুমি বলেছিলে জড়িয়ে থেকে যেতে হলে জড়িয়ে ধরার সব সময় প্রয়োজন হয় না।
মাঝে মধ্যে ভাবলে অবাক লাগে, আমি একটু আদর চাইলাম না, আমি একটু সোহাগ চাইলাম না, ভালোবাসার মানুষের স্বীকৃতি চাইলাম না, শুধু সব কিছু ভুলে একটু থাকতে চাইলাম, তাও আমাদের মধ্যে সেই প্রেম টা হলো না বন্ধুত্ব টাও হলো না। তুমি ভাবলে তুমি যদি আবার প্রেমে পড়ো আবার ঠকে যাবে, অথচ এই দিক এর মানুষ টা রাতারাতি ভালোবাসা গুলো তোমার পায়ের তলায় রেখে আসলো।

আজকাল ভালোবাসতে ইচ্ছে হয় না। প্রেমে পড়তে ইচ্ছে হয় না, তার কারণ কি তুমি? জানিনা। আবার প্রেমে পড়লে তার কারণ তুমিই হবে এটা জানি।

 তুমি পুরোনো আঘাত জড়িয়ে ধরে বাঁচো,
 আর মিলিয়ে নাও নতুন লোকের সাথে,
 তুমি অতীত গুলো যত্ন করেই রাখো।
 নতুন সবই ভাঙছো নিজের হাতে।

  তবু তোমায় একটা দিব্যি দিয়েই যাব,
  যদি নতুন করেও ভালোবাসতে শিখি,
  তবে তোমার জন্য মিষ্টি পাঠিয়ে দেব,
   তুমি অভিজ্ঞ লোক বুঝবে সবটা ঠিকই।

   তোমার কাছে সস্তা আমার হৃদয়,
   যেমন খুশি টুকরো করে দিও,
    যদি উপেক্ষাদের দর বেড়ে যায় রোজই,
   তবে আমার জন্য গোলাপ কিনে নিও।

তুমি উপেক্ষা করতে পারো। তবে আমার মত অপেক্ষা করতে পারবে না।

ভজে ব্রজৈকমণ্ডন্ম

ভজে ব্রজৈকমণ্ডনম (কৃষ্ণাষ্টকম) [ 1 ] ১. ভজে ব্রজৈক-মণ্ডলং সমস্ত-পাপ-খণ্ডনং স্বভক্ত-চিত্ত-রঞ্জনং সদৈব নন্দ-নন্দনম । সুপিক্চ্ছ-গুচ্ছ-মস্তকং স...