পায়ের তলার মাটি শক্ত হলে শুভাকাঙ্ক্ষীর অভাব হয় না।

যার প্রতি পূর্ন বিশ্বাস রাখবে যে, সে যে কোনো পরিস্থিতিতেই হোক কখনো তোমাকে ছেড়ে যাবে না,সেই মানুষটা সবার আগে তোমার জীবন থেকে হারিয়ে যাবে।যাকে নিজের জীবনের সুখের চাবাকাঠি মনে করবে, সেই তোমার জীবনে দুঃখের সবচেয়ে বড় কারণ হবে। যাকে বেশি ভালোবাসবে, সে তোমাকে ততবেশি কষ্ট দিবে ।

তাই আগে নিজেকে ভালোবাসতে শেখো ।কারণ তুমি ছাড়া তোমাকে তোমার মত আর কেউ বুঝবে না। যার কাছে বেশি আশা করবে। সেই মানুষটা তোমার চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিবে, এ পৃথিবীতে নিজের পথ নিজের খুঁজতে হয়, অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে কখনো সামনে আগানো যায় না, সামনে আগাতে হলে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয়।

যার কাছে বেশি আশা করবে সে তোমার চোখে আঙুল দিয়ে তোমাকে বুঝিয়ে দিবে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে কেউ এসে উঠিয়ে দেয় না বরং নিজেকেই উঠে দাঁড়াতে হয়। ভালো থাকার কারণ কেউ কেউ এসে দিয়ে যায় না। নিজেকেই নিজের ভালো থাকার কারণ খুঁজে নিতে হয়।

মেঘের মত অসংখ্য মানুষ তোমার জীবনে আসবে যাবে। কেউ থাকবে স্বপ্ন দেখাবে কেউ স্বপ্ন ভেঙে চলে যাবে। শুধু তুমিই থেকে যাবে স্থির হয়ে আকাশের মত।তোমার যাবার কোনো জায়গা নেই কারণ তুমি আকাশের মত।তুমিই তোমার অস্তিত্ব। 

দিনশেষে তোমার একান্ত আপন, বিশ্বস্ত ও ভরসা করার মতো মানুষ তুমি ছাড়া আর কেউ নেই। তাই আগে নিজেকে ভালোবাসতে শেখো । মনে রাখবে পায়ের তলার মাটি শক্ত হলে শুভাকাঙ্ক্ষীর অভাব হয় না। 

অভিসারী আলো

অভিসারী আলো একা ঝোলে কার্নিশে
এখানে রোদেলা যাপনে তিলোত্তমা;
অভিমানী কেউ নীল হয়ে গেছে বিষে
শরীরের ভাঁজে হিসেব রেখেছে জমা।

খুনসুটি সুখ খুঁজে খুঁজে প্রত্যেকে
সুগম করেছে সুরভিত বদনামে;
জীবন নিয়েছে দিনলিপি তারও ছেঁকে
আলতো মুড়েছে ব্যবহার করা খামে।

রাস্তাতে সাজা সমান্তরাল কাঁধে
ঘুরে ফিরে গেছে পূবালী দরদী হাওয়া;
রয়ে গেছে তারা হারানোর সংবাদে
পথ শেষে সোঁদা বুকে আশ্রয় পাওয়া।

অভিসারী আলো আজও ঝোলে কার্নিশে
অভিমানী লোক ভিড়ে গেছে ঠিক মিশে..

যে তোমায় ভালোবাসে না,,,,,


যে তোমায় ভালোবাসে না
সে কি করে তোমার অভিমান বুঝবে
তোমার অভিমানে তার কিছু যায় আসে না
যে তোমায় ভালোবাসে না।

জীবনে যখন দুঃখ আসে তখন একা একাই পথ চলতে হয়
সেই সময়ে কেউ কারো নয়।

কারো কাছে আশা রাখতে নেই 
কারন যখন সে নিরাশ করে দেবে তখন কষ্ট পাবে 
তাই কারো কাছে আশা রাখা ঠিক নয়।

পৃথিবীতে আমরা যেমন একা এসেছি একাই চলে যাবো কেউ সাথে যাবে না।
মাঝে যতো আপন আপন শুনছো
আসলেই কেউ আপন নয় সব প্রয়োজন মাত্র।

প্রয়োজন শেষ তো সব শেষ।


আমিতো অবাক


নিশিরাতে জেগে দেখি,
গাছের ডালে কাক,
শালা আমিতো অবাক!!

চোর ঢুকেছে ঘরের
ভেতর,
দরজা ছিলো ফাঁক?
শালা আমিতো অবাক!

মোবাইল
নিলো,টিভি নিলো,
রিমোট না হয় থাক?
শালা আমিতো অবাক!!

পাচ্ছে যা তা নিচ্ছে ভরে, দুই
হাতেরই
মুঠোয়
করে,
চোরটা তো নির্বাক,
শালা আমিতো অবাক!!

সব মালামাল
বস্তা ভরে,
চোর
পালালো চুরি করে,
যাক না চলে যাক,
শালা আমিতো অবাক!!

মধ্যরাতে অন্ধকারে,
কুত্তা ডাকে জোরে জোরে,
শিয়ালরা
দেয়
হাক?
শালা আমিতো অবাক!!

ভয়ে শরীর
শিউরে ওঠে,
না জানি আজ
কি যে ঘটে?
আবার ডাকে কাক?
শালা আমিতো অবাক!

হয়নি রাতে তেমন
কিছু,
কোন ভূতই
নেয়নি পিছু,
বেঁচে গেছি যাক......
শালা আমিতো অবাক!

সকালে দেখি পুরো পাড়া, মারছে
সবাই
বেরেআমি মারছে তারা,
চোরটা নাকি পড়ছে ধরা, চোরের
মাথায়
টাক,
শালা এবারতো আমি পুরাই অবাক...!!

মেয়ে মানুষ,,,,,

মেয়ে মানুষ একটু সুন্দর হলেই হয়। আর কিছু লাগে না। দীর্ঘমেয়াদি মন খারাপ নিয়ে থাকতে হয় না।

সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি আপলোড করলেই রিয়েক্ট, কমেন্টে ভরে যায়। ইনবক্সে সরগম তো লেগেই থাকে। 
প্রেমিক থাকলে সেও খুব বেশি কেয়ারিং হয়ে যায়। ছেলে বন্ধুরা তো পাশ ছাড়তেই চায় না। 

আত্মীয়-স্বজনের কাছে কোনো আবদার করলে না রেখে পারে না। 
অপরিচিত একজনের কাছে সাহায্য চাইলে দশ জন ছুটে আসে,সাহায্য করতে।

ক্লাসে পড়া না পারলে  জোরে ধমক দেয় না।
অফিসের বস মুখের দিকে চেয়ে বেশি কাজের চাপ দেয় না। 

যে যাই বলুক, পুরুষ মানুষের কাছে সুন্দরী মেয়েরাই বরাবর অগ্রাধিকার পায়। তাদের ন্যাকামি,রাগ,অভিমান,আবদার,চোখের জল সবকিছুর মোটামুটি ভালোই দাম আছে। 

অতৃপ্ত ভালোবাসা

অতৃপ্ত ভালোবাসা 💔
একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে.... 

একটি মেয়ে ছিলো, যাকে আমি অনেক ভালোবাসতাম। তার নাম ছিলো রেবতী। ফেইসবুকে মেয়েটির সাথে পরিচয়। দীর্ঘ ৮ বছর রিলেশন, তারপর হটাৎ করে মেয়েটির মা ওর বিয়ে ঠিক করে ফেলে। এটা জানার পর, আমিও বিয়ের প্রস্তাব দিলাম। বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর, ওর মা রেবতীকে জিজ্ঞাসা করলো ছেলে কি করে? রেবতী বললো, ছেলে কিছু করেনা, কিন্তু সার্টিফিকেট যখন আছে চাকরি একটা হয়েই যাবে। তাছাড়া আর মাত্র ৬ মাস পরে আমার ও মাস্টার্স কমপ্লিট হয়ে যাবে, সাথে আমিও কিছু একটা করতে পারবো। রেবতীর মা কিছুতেই রাজি হলো না। ওর মা বললো, ছেলে বেকার, সে কি করে তোকে খাওয়াবে? আমি ভালো একজন ডাক্তার এর সাথে তোর বিয়ে ঠিক করেছি। রেবতী ওর মা কে বললো, সে যদি আমাকে না পাই - তাহলে সে সুইসাইড করবে। কিন্তু, রেবতীর মা ও বলে উঠলো, আমার পছন্দ করা ছেলেকে তুই যদি বিয়ে না করিস, তাহলে তুই ও আমার মরা মুখ দেখবি। রেবতী কাদঁতে থাকলো। সব কথা খুলে বললো আমায়। আমি কি করবো, ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। রেবতীকে বললাম, যা হওয়ার হবে, চলো আমরা পালিয়ে বিয়ে করে ফেলি। রেবতী অনেক কাদঁলো, আর কাদঁতে কাদঁতে বললো। এটা আমি পারবোনা, কারন, আমি তোমাকে যতোটুকু ভালোবাসি, আমার মা বাবাকে তার চেয়ে আরো বেশি ভালোবাসি। তুমি আমাকে ভুলে যাও। হ্যাঁ আমি মানলাম, কাওকে পেয়ে হারানোর কষ্ট অনেক বেশি। কিন্তু আমি কি করবো বলো, আমার যে কিছুই করার নেই. আমি পরিস্থিতির স্বীকার। 😥 আমি অনেক বুঝিয়ে বললাম, রেবতী বুঝলোই না। রেবতীকে আরও বললাম, যদি ভাবো আমায় ছেড়ে তুমি খুব ভালো থাকতে পারবে
তাহলে তুমি চলে যেতে পারো, 
আমি তোমাকে আটকাবো না।
তোমার পথ আগলে বলবো না থেকে যাও প্লিজ। 
যদি ভাবো আমার চেয়েও বেশি অন্য কেউ তোমায় ভালোবাসবে, 
তাহলে তার কাছেই চলে যেও
আমি কোনো প্রশ্ন করবো না।
আমি ভুল করেও প্রশ্ন করবো না,
আমার কি ভুল ছিলো?
রেবতী আমার প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়েই চলে গেলো। 
 রেবতী তার পরিবারকে নিয়ে অনেক চিন্তা করতো, সেদিনের পর থেকে আমাদের আর দেখা করা হয় না।। যেদিন রেবতীর বিয়ে, তার আগের দিন আমাকে ফোন করেছিলো রেবতী। 
হেলো রেবতী,, কেমন আছো তুমি? কোনো উত্তর নেই, 
আমি বললাম, শুনো রেবতী - সেদিন তুমি ছেড়ে যাবার পর বাজার থেকে একটা আয়না কিনেছিলাম, তোমার বিচ্ছেদ কতটা ভেঙে দিয়েছে আমাকে দেখার খুব ইচ্ছে ছিলো। আয়নার সমানে দাঁড়াতেই সিগারেটের খালি খোসার মত আমাকে আবিষ্কার করলাম, কিন্তু ভিতরে কতটা ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেছে, সেটা দেখার কোনো উপায় পেলাম না।

আমি আবারও বুঝতে পারলাম সবকিছু দেখা যায় না। হোক সেটা ভালোবাসা কিংবা কষ্ট। কিছু জিনিস অনুভবে লুকিয়ে থাকে। আমার ভালোবাসা যেমন তোমাকে দেখাতে পারিনি, জানি আমার এই ব্যথাও তুমি বুঝতে পারবে না কোনোদিন।
আগে যত্ন করে হৃদয়ের যেখানে তোমায় রাখতাম, ঠিক সেখানেই আজ তোমার দেয়া কষ্ট রাখি। তুমি ছিলে আমার ভালোবাসায়, কিন্তু তুমি এখন মিশে আছো হৃদয়ের ব্যথায়।
এখনো তুমি আছো, হোক সেটা ভালোবাসা নয়তো হৃদয়ের ব্যথা।
তবুও তো আছো।  
লাস্ট ২ ঘন্টা আমরা ফোনে শুধু কাদঁতেছিলাম। এই ২ ঘন্টায় রেবতী কাদঁতে কাদঁতে আমায় একটাই কথা বললো,,সব ভালোবাসা পূর্নতা পায় না। আমার শরীর না হয় তার কাছে থাকবে, কিন্তু, আমার মন, আমার আত্মা তোমার ছিলো, আর সর্বদা তোমার কাছেই থাকবে। 
আমার যে আর কিছুই বলার নেই, এভাবেই প্রিয় মানুষটিকে হারালাম চিরো জীবনের জন্য।
ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, যেখানেই থাকো, যেভাবেই থাকো- সুখে থেকো, ভালো থেকো প্রিয়।

আমার শহরে ঝুম বৃষ্টিরা বাসা বেঁধেছে আজ,,,,

আমার শহরে ঝুম বৃষ্টিরা বাসা বেঁধেছে আজ 
বৃষ্টির গতি আজ অনেক অনেক বেশি।। 
প্রতিটি বৃষ্টির ফোটা বলে দিচ্ছে কতো দিনের জমানো মেঘ আজ বৃষ্টি রুপে বর্ষন হচ্ছে !! 

কালো আকাশ ঝুম বৃষ্টি তুমিহীনতা তোমার স্মৃতি নিয়ে বৃষ্টি বিলাস চলেছে আমার। বারান্দায় বসে বৃষ্টির ছিটেফোঁটায় নিজের গা ভেজাচ্ছি । 
কড়া লিকার দেওয়া চা আমার ঠান্ডা হয়েছে অনেক আগেই, তোমায় নিয়ে লিখতে লিখতে আমার চা আজ অভিমান করে ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে ।। 

হাহা, কি অদ্ভুত তাইনা তুমি চলে যাওয়ার পর প্রকৃতি, এই বাতাস, রাতের আকাশ,দীর্ঘশ্বাস এই বৃষ্টির ফোটা সব কিছুর সাথেই বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে আমার। আমার একাকিত্বের সঙ্গী তারা !! 

আগের বছর এই সময় এই চন্দ্রিমায় এক সাথে বৃষ্টি বিলাস করেছিলাম আমরা। ঝুম বৃষ্টির মাঝে একে অপরের হাতে হাত রেখে খানিক দূরত্ব রেখে হেঁটে ছিলাম আমরা !! 

বৃষ্টির প্রতিটি ফোটা, সেই রাস্তা, সেই সময় আমাদের ভালোবাসার সাক্ষী হয়ে ছিলো। ভালোবাসার মিছিলে হারিয়ে গিয়েছিলাম আমরা!! 

আর আজ এক বছর পরে বারান্দায় বসে এক কাপে চায়ে চুমুক দিয়ে ঝুম বৃষ্টির ছিটে ফোঁটায় একা একা করে চলেছি বৃষ্টি বিলাস!! 

কি অদ্ভুত তাইনা সময় কতো তারাতাড়ি আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আর আমরা সময়ের সাথে সব কিছু মানিয়ে নেই ~~

আজও ঝুম বৃষ্টি নেমেছে শহরে এই অবেলায় বেলায় ঝুম বৃষ্টির মাঝে কিছু তৃপ্ত প্রেমিক-প্রেমিকা ভালোবাসায় বৃষ্টি বিলাস করছে -

~আর কিছু অতৃপ্ত প্রেমিক প্রেমিকা একাকিত্বে এই শহর জুড়ে ঝুম বৃষ্টি অনুভব করছে প্রিয় মানুষটির স্মৃতি ভেবে করছে তারা বৃষ্টি বিলাস!! 

এই অকারণে চলে আসা ঝুম বৃষ্টি অনেক পুরনো ঘাঁ তৈরি করে হৃদয়ে,,,

ভালবাসায় ভালবেসে বেধে যে রাখে ভালবাসা ভালবাসে শুধু যে তাকে,,,,


শারীরিক চাহিদার বাহিরেও যে মনের একটা চাহিদা থাকে তা আমরা হয়তো জানিনা। শারীরিক চাহিদা মিটানোর পর আমরা নিজের স্ত্রীকেও পতিতার মতো বিছানায় রেখে চলে আসি।

চারিদিকে যৌনতার আওয়াজ শুনে আমরা ভালোবাসার অর্থটাই ভুলে গেছি। নারীর শরীর স্পর্শ মানেই শুধু যৌনতা মনে করি। যৌনতার বাহিরেও যে একটা ভালোবাসার স্পর্শ থাকে তাহ আমরা জানিনা।

আমাদের পুরুষ সমাজ যে কতোটা নিচে নেমে গেছে তাহ ভাবনারও বাহিরে। তারা নারী বলতে শুধু যৌনতার খনি মনে করে। নিজের স্ত্রীকেও স্পর্শ করে শুধু কামুন টানে।
কিন্তু একজন নারী কখনোই এই কামের স্পর্শে তৃপ্ত নয়।
তাদের মনের চাহিদা গুলো ছোট্ট বাচ্চার মতো ভিন্ন ধরনের যা আপার কাছে হাস্যকরও মনে হবে।

আসলে নারীর স্বভাবটাই এমন। তারা একটু ভালোবাসার পাগল। ভালোবাসা পেলে তাদের আর কিছুই লাগেনা।
তাই তারা মনের চাহিদা মতো একটা ছেলে খোঁজে যে তাকে অনেক ভালোবাসবে। যে তার ছোট ছোট ইচ্ছাগুলোকে পূরণ করতে সহযোগীতা করবে। যে তার স্বপ্নগুলো বাবুই পাখির কুঁড়ে ঘরের মতো বুনে দিবে তাকেই জীবন সঙ্গী করবে।

অবসর সময়ে একজন নারীকে তার সারা শরীর ভোগ করে যতোটাই না তৃপ্ত করতে পারবেন তার চেয়ে বেশী তৃপ্ত করতে পারবে যদি শত ব্যস্ততার মাঝেও তাকে একটু আদর করে কাছে নিয়ে কপালে আলতো একটি চুমু দেন।

তারা জানে তাদের মাঝে পুরুষ শুধু যৌনতা দেখে
কিন্তু তারা তাকে চায়না যে তার কাছে যৌনতা খোঁজে। তারা কেবল তাকেই চায় যে তাদের কাছে যৌনতার বাহিরে ভিন্নি কিছু খুঁজবে এবং মনটা বুঝবে।

যদি যৌনাতাই তাদের চাহিদা হতো তাহলে তারা বিয়ে করতোনা। পতিতালয়ে গিয়ে আশ্রয় নিতো। বিয়ে করে মানুষ শারীরিক চাহিদা মেটানোর টিকেট নেয়না। বিয়ে হলো একমাত্র ভালোবাসার চাবি।

শারীরিক চাহিদা মিটানোর জন্য বিয়ে করা লাগেনা। পতিতা পল্লির সামনে দুইশ টাকা নিয়ে দাঁড়ালেও শারীরিক চাহিদা মেটানো যায়।

একশটা পতিতাও পারবেনা একজন পুরুষের মনের চাহিদা মিটাতে। একশটা পুরুষও পারবেনা একটা পতিতার মনের চাহিদা মিটাতে।
কারন শারীরিক চাহিদা আর মনের চাহিদা এক নয়!

একজন নারী যতই দূর্বল অথবা বোকা হোক যদি কোন পুরুষ তাকে স্পর্শ করে সে বুঝতে পারে এটা ভালোবাসার স্পর্শ নাকি যৌনতার?!

আসলেই কথা গুলো যৌক্তিক!
কিন্তু বাস্তবতা খুঁজে বের করে এবং ভালবাসার মহিমায় সাজিয়ে তোলা বিশাল বড় একটা তফাৎ ।
এই জীবন বড় অচেনা লাগে! 
আসলে আমরা ছোট ছোট ভালবাসা গুলো হারিয়ে ফেলেছি এই ব্যস্ত নগরীর বাসিন্দা হয়ে। প্রতি দিন প্রতিটা মুহূর্তে হাহাকার ছাড়া কিছু খুঁজেই পাই না। আজকে, কালকে, পরশু, এইভাবে চলে যাচ্ছে জীবন। 
আসলে সামাজিকত নিয়ে কথা বলা  আর পালন করার ভিতর অনেক ফারাক! 
তবুও ভালবাসা বেচে থাকুক সারাজীবন। 
ভালবাসায় ভালবেসে বেধে যে রাখে ভালবাসা ভালবাসে শুধু যে তাকে,,,,

ছন্দ পতন

যে মানুষটাকে পরিবার মেনেই নিবে না, এমন মানুষের সাথে সম্পর্কে যাওয়ার কোনো মানেই হয় না! আর যদি পরিবারের এত ভয়;তবে সম্পর্কে জড়ানোর কি দরকার?পরিবারের পছন্দের জন্য অপেক্ষা করলেই তো হয়! পরিবার একটা অজুহাত মাত্র। আজ অবধি যারা সম্পর্ক করে বিয়ে করেছে তাদের দেখি নাই যে পরিবার সারাজীবনে মেনে নেয়নি তাদের।একটা সময় না একটা সময় পরিবার ঠিকই মেনে নেয়। যারা পরিবারের দোহাই দিয়ে ভালোবাসাকে প্রত্যাখ্যান করে তারা ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না।

প্রচন্ড ভালোবাসার পরেও যাকে পেলাম  না,তার জন্য মন খারাপ করা কিংবা আফসোস করা নিছক বোকামি বৈকি!
আফসোস তো সে করবে,যে আমার কাছ থেকে এত ভালোবাসা,যত্ন,আদর পাওয়ার পরেও আরেকটু ভালো থাকার জন্য অন্য কাউকে বেছে নিয়েছে!
ভালোবাসার মানুষটাকে মুক্ত করে দিতে হয়।যাতে মানুষটা অন্তত দেখতে পারে;পৃথিবীর আর কেউ তাকে ঠিক আমার মতো করে ভালোবাসতে পারে কিনা,বুঝতে পারে কিনা।

আর যখন সেই মানুষটা পুরো পৃথিবী ঘুরেও আমার মতো কাউকে পাবে না,ঠিক তখন চরম আফসোস করবে!নিজেকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলবে।
আমায় কষ্ট দিয়ে অন্য কোথাও সুখ সে কোনোদিনও পাবে না এটা নিশ্চিত ।হয়তোবা আমার সামনে নিজেকে সুখী উপস্থাপন করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করবে ঠিকই কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে প্রচন্ড আফসোস করবে আমার জন্য।
পৃথিবীতে আজকাল প্রকৃত ভালোবাসা যে বড্ড দুর্লভ!যে মানুষ সামান্য একটু সুখের লোভে কারো ভালোবাসাকে অবজ্ঞা করে,সে মানুষ আর কোনোদিনও ভালোবাসা পায় না! কেননা ভালোবাসার মাঝেই যে প্রকৃত সুখ,তা অনেক মানুষেরই অজানা।
মন আদানপ্রদানকারী দুটি মানুষের মধ্যে এক ধরনের টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা কাজ করে...। একজন যত গোপনেই প্রতারণা করুক প্রতারিত মানুষটি কেমন করে যেন সব বুঝে যায়....!! এটা কোনো সুপারন্যাচারাল পাওয়ার নয়...। বোকা মানুষটিও তার প্রতি সূক্ষ্ম অবহেলাটা বুঝতে পারে....!!

যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন,যত্ন নিতেন,আগলে রাখতেন;তাকে না পাওয়াটাই বেশ ভালো!
নিজের ভালো যে না বুঝে উল্টে তীব্র আঘাত দিয়ে নিজের সুখের লোভে অন্য কাউকে বেছে নেয়,তার কাছে আমি অন্তত কখনোই ভালো থাকার আশা রাখতে পারেন না,ভালো থাকতে পারবো না,ভালো থাকার কথাও না!

মনে রাখতে হবে
যাকে প্রচন্ড ভালোবাসা যায়,তার থেকে–যে প্রচন্ড ভালোবাসে;তাকে হারানোর বেদনা অধিক কষ্টের এবং যন্ত্রণাদায়কও বটে!

আজ ভালোবাসার মানুষটাকে না পেয়ে  যে আঘাত পাচ্ছি,নিজেকে তীলে তীলে শেষ করে দিচ্ছি;সেই মানুষটাও একটা সময় ঠিক আপনার থেকে দ্বিগুণ কষ্ট পাবে কেবল আমার থেকে পাওয়া প্রচন্ড ভালোবাসা,যত্ন এবং আদরের কথা মনে করে।
বিশ্বাস করি,অবশ্যই পাবে!

ভালোবাসা আর সময়;কখনোই কারো কাছে তার দেনা-পাওনা বাকি রাখে না।সময় মতো সুদে-আসলে সব শোধ করে দেয়! যে সত্যিকারে ভালোবাসতে পারে .. সে সবকিছুই করতে পারে... নিজের প্রাণপণ চেষ্টার মাধ্যমেও সে তার ভালোবাসার মানুষটিকে পাওয়ার জন্য সবকিছুই করতে পারে।

অতঃপর ?
একটা সময় ঠিকই তার স্বার্থপরতার কথা ভেবে নিজেকে বদলে নেবো,গুছিয়ে নেবো।কষ্টকে জয় করে নিজে ভালো থাকা শিখে নেবো!

আফসোস কিংবা আক্ষেপ আমার জন্য নয়,বরং তার জন্য-যে আমার অসীম ভালোবাসাকে মূল্যহীন মনে করে নিজেকে বিকিয়ে দিয়েছে অন্য কারো বাসনায় আর নয়তো চাহিদায়!

তুমিহীন এক বৃষ্টি বিলাস

এই বৃষ্টির দিনে আমার মন খারাপ হয় 
আক্ষেপ হয়, তুমি নেই বলে ~
বারান্দায় বসে পায়ের উপর পা রেখে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছি আহা,কি সুন্দর পরিবেশ বৃষ্টি শহরের সব ময়লা পরিষ্কার করার দায়িত্ব নিয়েছে আজ। 
তবুও কোথায় যেন ব্যথা অনুভব হচ্ছে, হয়তো তুমিহীনতার ব্যথা~~
রবীন্দ্র সংগীত শুনছি '' আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলো '' আহা সুন্দর পরিবেশের সাথে গানটা বড্ড মানিয়েছে। হঠাৎ মনে পরলো মায়ের অনেক পুরনো একটি আসমানি রঙের শাড়ি আছে, আলমারি খুলে সযত্নে রাখা শাড়িটি বের করে এলোমেলো ভাবে পরে নিলাম,উগরো ভাবে চুল গুলো খোপা করলাম বারান্দায় থাকা তারা ফুল গুলো খোপায় পরলাম ~
আজ বেলী ফোটেনি আমার বাগানে -

তারপর উপন্যাসের নায়িকার মতো হাতে চায়ের কাপ নিয়ে বারান্দায় বসি!! 
চোখে ললটে কাজল, শুষ্ক ঠোঁট এলোমেলো খোপা তবুও যেন আমিই সেরা। তবুও তুমি না থাকার আক্ষেপ বিরাজমান এই চোখে। কাজলের সাথে লেপ্টে আছে তুমিহীনতার আক্ষেপ ~ পলকহীন ভাবে বৃষ্টির মাঝে চেয়ে আছি।  

আজ তুমি থাকলে হয়তো সময়টা অন্য রকম হতে পারতো, আজ আমি বিষন্ন উপন্যাসের নায়িকার বদলে তোমার নায়িকা হতাম, বৃষ্টির সাথে প্রেম বিলাস হতো আমাদের!! 
তুমি,এই বৃষ্টি, রবি ঠাকুরের গান যে আমার বড্ড প্রিয় -
শাড়ি সামলাতে আমি বড্ড হিমসিম খাচ্ছি, তবুও সব কিছু উপেক্ষা করে চায়ের কাপে চুমুক লাগালাম এবং তোমায় নিয়ে মনে মনে কবিতা লিখতে শুরু করলাম -

~তুমিহীনতায় বৃষ্টি বিলাস করছি,  তুমিহীনতায় আরেকটি বৃষ্টি বিলাস পার করলাম আমি। 
~তুমিহীন এক বৃষ্টি বিলাস 

তবুও আমি বাচতে চাই

আমার এখন অসুখ করেছে সারারাত ঘুম হয় না,
খাই তবে স্বাদ পাই না, সারাক্ষণ ঘরেই থাকি!
কোথাও যাই না। বন্ধুদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হয় না। পরিবারের সকলের সাথেই খিটমিট করি। সামান্য কিছুর জন্য চিল চিৎকার করি।
চেনা মানুষগুলো কেমন অচেনা লাগে। কাউকেই বিশ্বাস হয় না। অযথাই ঘাবড়ে যাই! 
কেউ হেসে কাছে আসলেই সরে যাই, দূরে রাখি নিজের ভয়ের থেকে। আমার ভয় লাগে!!!

প্রিয় জনদের ভুলতে পারিনা,চেনাদের চিনতে পারিনা, আর অচেনাদের তো চিনতেই চাইনা!
"যত হাসি তত কান্না" সেই ভয়ে আমি হাসতে চাই না!
আমি বেঁচে আছি, আমার অসুখ করেছে জানি!!
তবু আমি মরতে চাইনা...

তবুও যেন ভুলে যাওয়া বড্ড দায়!!

তোমায় এতো ভালোবেসে আমি কি পেলাম বলতে পারো..?  
হিসেব করেছো কখনো..?! 
তোমায় নিয়ে নীল আকাশে ভালোবাসার 
নীড় বানাতে চেয়েছিলাম,, 
আর তুমি এক আকাশ বিষন্নতা দিয়ে গেলে আমায়~

তোমায় নিয়ে সুখের সাগরে ডুব দিয়ে 
ভালোবাসার অস্তিত্ব স্থাপন করতে চেয়েছিলাম
আর তুমি সেই সাগরের অতলে আমায় 
ভাসিয়ে দিলে ~~

তোমায় নিয়ে বিশলতায় সুখ 
পাখি হতে চেয়েছিলাম -
আর তুমি আমায় কাকতাড়ুয়া বানিয়ে 
চলে গেলে!! 

এতো অবহেলা করেছো যে,যেই আমি 
আগে তোমায় ছোয়ার জন্য ইচ্ছে করে হোচট 
খেতাম, তোমার সাথে কথা বলার 
অহেতুক বাহানা খুঁজতাম, 
সেই আমি আজ হাজারো ব্যস্ততায় তোমায় 
ভুলতে ব্যস্ত -
তবুও যেন ভুলে যাওয়া বড্ড দায়!!

হারিয়ে যাবো,,,

হারিয়ে যাবো একদিন  
সব অভিযোগ রেখে, 
নীল আকাশের মাঝে  বিলীন হবো
ফেলে আসা স্মৃতি নিয়ে,,  

হারিয়ে যাবো কোনো অচেনায়
নাম না জানা ঠিকানায়,,, 
অনেক মানুষের  মাঝে! 

হারিয়ে যাবো
সব অভিযোগ, অভিমান, ঘৃণা 
তিক্ততা নিয়েই 
হারিয়ে যাবো সেই সিক্ত অনুভূতি নিয়ে
যা কখনো হয়নি প্রকাশ!! 

হারিয়ে গেলে হয়তো খুঁজবে তুমি আমায়! তবে অনেক দেরি হয়ে যাবে। আমি তো আর ফিরবো না। আমায় পাবে তুমি কোনো এক উপন্যাসের 
পাতায় যেখানে লেখা থাকবে আমায় প্রিয়,, মানুষ টার থেকে পাওয়া অবহেলা গুলো নিয়ে ও  আমার ব্যর্থ প্রেমের গল্প নিয়ে হারিয়ে গেছি আমি।

 তুমি বোঝোনি, তুমি বোঝোনি!! তুমি  বুঝতে চাওনি।

কি করেই বা বুঝবে আমি তো তোমার মনের দ্বারে দাড়িয়ে ছিলাম মাত্র।  ভেতর ঢুকতেই দাও নি কোন দিন। 
দোড়্ গোড়ায় কি মানুষ চেনা যায়?

কোন কাব্যিকতার  গল্পে পাবে আমায়।  সেদিন তোমার কাব্যও ভালো লাগবে। 
আমায় খুজে পাবে, তবে বাস্তবে  নয় শুধুই তোমার কল্পনায় থাকবো।

মানুষ মানুষের জন্য

আচ্ছা! যদি আমি নিজের জন্য এমন কিছু চাই!!
   এমন এক  মেয়ে কোথায় পাবো!?  যার জীবনটা অবহেলায় ভরে গেছে!। তার কাছ থেকে অবহেলাতো পাবোই না শুধু মাত্র এই টুকু আশায়। 
            
  যার জন্য সেই মানুষ টা  প্রতিনিয়ত মরন চাইতো।  যার মনটা ভেঙ্গে গেছে চরম আঘাত পেয়ে!
    
আমি নাহয় খুব দ্বায়িত্ব কিরে  তাকে নতুন করে বাচিয়ে তুলবো! নতুন করে সাজাবো নিজে মতো করে।  আমার মতো করে তাকেও মানিয়ে নিবো!
চিনিয়ে দেবো একটু একটু করে আমার সম্পুর্ন পৃথিবী টা।  তার ভাঙা মনটাকে আমি আমার মনের মতো করে জোড়া লাগিয়ে দিবো খুব
ভালোবেসে!।  একটুও দাগ থাকবে না তাতে যেমনটা সে আগে ভেঙে ছিলো। 
এমন মেয়ে কি পাওয়া যাবে এই অচিন শহরে!? .এমন  মেয়ে কি একটাও আছে  এই অন্ত পুরে,,,..........
  কারণ 
মানুষ তো মানুষের জন্যে 

শুধু তোমাকেই চাই

যদি পাশে থাকার নাম করে
দিনরাত অভিনয় করেও
হাজার ঝগড়াঝাটি হলেও
থেকে যেতে চাই তোমার  অন্তরে।
ভুলতে চাই ভুলে যেতে চাই তোমায়, 
আমায় কষ্ট দেয় তোমার অবহেলা,, 
 তুমি মন বোঝো  না বুঝতেও চাও না।
তবুও  বলবো  শুধু  তোমাকেই ভালোবাসি যে! 
          
 বিস্বাস করবে প্রিয়?  

আমি  কথা দিয়ে কথা রাখবো  না,
আসছি বলে তোমায় রাখবো না  অপেক্ষায়,,
তুমি  ইচ্ছে করেই   তবে কেন অবহেলা করে 
দুঃখ দিয়ে কি আনন্দের  সাফল্য কুড়াও,,
তবুও মন বলে আমার  তোমাকেই চাই।
 যে কষ্ট দেয় বেশি,হয়তো সে-ই একদিন ভালোবাসবে,,,একদিন অনেক কাছে টানবে!
  অবুঝ মন তাই শোনো না বারণ 
কেনো এই মন বলে  আমার শুধু  তোমাকেই চাই। 

অতিত তখন আমি


হঠাৎ করেই চারিদিক শূন্য করে
তুমি দিনের আলোর মতো গোধুলির কাঁধে মাথা রেখে রাতের বুকে মুখ লুকিয়ে  হয়ে গেলে অচেনা। তোমাকে নিজের করে ভালোবাসার আগেই তোমায়  বুঝে ওঠার আগেই!! 
তুমি আমার কেউ না!  এই ভাবনা যে দুঃস্বপ্ন!
কিন্তু কিছু করার নেই, মেনে নিতে হবে
মেনে নেওয়া আর মানিয়ে নেওয়ার
মধ্যে দিয়েই তো জীবন! আর তা তোমার হাত ধরতে এসেই শিখেছি। তুমি নিপুণ কৌশলে শিখিয়েছো। 
মেনে নিতে হবে যে তুমি আর আমার কেউ না।
 এখন আর নেই  মনের কোনে সেই বিষাদ আর মন খারাপি দিনের আলোয় দিন শেষ হয় না।
তোমার ভালবাসায় এখন দাবিদার আমিই একমাত্র সেই বোকা কথা আজ বলি না।
মেনে নিতে হবে তুমি  আর কোনদিনই 
আমার সাথে কোন পথের ধারে গভীর কোন গল্পে আমরা আর হাটবো  না।
ব্যথা বুকে নিয়ে,অশ্রুসিক্ত নয়নে,
বালিশ ভিজিয়ে ঘুমিয়ে যেতে হয়,
ঘুমিয়ে যেতে হবে।  আবার  ঘুম থেকে উঠে 
এক অন্য ভোর দেখার জন্য বেচে থাকার মন্ত্র টাও ভুলি না।
যেই ভোরে  আমার  সূর্যোদয় দেখে তোমায় মনে পড়বে  না,
যে ভোরে  আমার শরির  ছুঁয়ে স্নিগ্ধ বাতাস বইবে  না!! হবে  না আর উষ্ণ আলিঙ্গন নতুন সূর্যের নরম আলোর সাথে।  যে ভোরে ওষ্ঠ যুগল হাসি ভুলে যাবে। তারপর আর হবে না সব কাঙ্খিত সমর্পণ!
কারণ আমি  শুধুই অতিত তখন।

তুমি নামক শূন্যতা এখন আর আমায় কাঁদায় না,,

মাঝে মাঝে পৃথিবীর সব থেকে বোকা মানুষ নিজেকে মনে হয়! তোমার প্রতি অসম্ভব ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায়।এই দুর্বলতাটাই আমার জীবনের সব থেকে বড় কাল হয়েছে...!! 

আমি যদি তোমার প্রতি এতটা দুর্বল না হোতাম তাহলে তুমি আমার সাথে যা যা করেছো,,তার জন্য আমি তোমাকে প্রচন্ড ভাবে ঘৃণা করতে পারতাম...!!

  তুমি নামক শূন্যতা এখন আর আমায় কাঁদায় না
বরং অনেক বেশি ভাবায়।
তোমার ভালোবাসার অভাবটা
এখন আর আমায় রাত জাগায় না বরং স্বপ্ন দেখায়।
তোমার বিশ্বাসের অভাবটা এখন আর ঘৃনা জাগায় না বরং আশার শিকলে বাঁধে বার বার...!!

সত্যি বলছি---
তোমার সাথে আমার আর কখনো দেখা হবে না
কিংবা কথা হবে না তাও জানি না। কিংবা
সন্ধ্যা গনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল হাতে নিয়ে বসা হবে না তোমার ছোট্ট কোন চিরকুটের আশায়..!!

তোমার জন্য আর অপেক্ষার প্রহরগুলো তিক্ততার বিষাদে আমার হৃদয়টা বিষাক্ত করে তুলবে না...!

অস্তিত্বে শুধু তুমিই আছো

লোকে বলে তোমার কথায় এতো বিষন্নতা কেন---
বিষাদের রঙ চেপে আছে কেন এই চেহারায়?! 
চোখের মাঝে মেঘ কেন? মনের মধ্যে হাহাকার কেন?  কেন এমন দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া স্বভাবের মানুষ নামের তালিকায় নিজেকে লিপিবদ্ধ করেছো? কি নেই তোমার কাছে যা আগে ছিলো!  কোথাও গেলো তোমার সেই উন্মাদনা, হাসিঠাট্টার আসরে এখন কেন দেখিনা তোমায়? 

না  কোনো  জবাবই  দেইনা তাদের। কেনই বা দেবো?  কি করে বলবো তাদের কোনো এক মানবী আমার সব মায়া,আশা-আকাঙ্ক্ষা, তৃষ্ণা, ভালো লাগা, ভালো থাকা  নিয়ে চলে গেছে।  নিয়ে চলে যায় নি আসলে আমিই তাকে আমার সব টা উপহার হিসেবে দান করেছি। কারণ ভেবেছিলাম সে আমার সাথেই থাকবে। আমায় আর একলা চলার ভয়ের ভয়ংকর কষ্ট কিছুই করতে পারবে না।  নাঃ আমার সব টাই ছিলো ভুল ভাবনা মাত্র। আজ সে আমায় দিয়েছে  শুধুই নীরবতা ও অবহেলা। আজ  একাই নিজেকে  সামলাতে হচ্ছে সব  ফেলে!!  আজ চতুর্দিকে অন্ধকার দেখি।

      তার দ্বায়িত্ব    ওই,,,এক চিলতে হাসি দিয়ে চলে যাওয়া। 

আজও তাই হয়েছে। যদিও সে টুকুও পেতাম না যদি নিজে থেকে চেষ্টা করতাম। 

              ওর থেকে পাওয়া  সেই হাসির মাঝে লুকিয়ে থাকে  না পাওয়ার ক্ষোপ - আক্ষেপ বেদনা!! সেই যন্ত্রণা সে বোঝেই না।

আমায় আর কেউ এখন বুঝে উঠতে পারে না 
হয়তো বা আমি বুঝতে দেইনা - 
না আর কেউ কোন দিনই এই মূল্য হীন মানুষ টার কোন কিছুই খোজ পাবে না। তার জন্য নিজেকে যতটা অগোছালো রাখতে হয় আমি সেই চেষ্টাই করবো। আর কখনোই নিজেকে সহজ লভ্য করে উপস্থাপন করতে যাবো না কোথাও। 
কারণ আমার গভীরে গেলে যে শুধু তোমায় খুঁজে পাবে, তোমার স্মৃতি গুলো খুঁজে পাবে।  আর আমি চাই না সেই অনুভূতি আমি ছাড়া অন্য কেউ অনুভব করুক।
হ্যা  শরীর টা আজ  আমার পরিচয় টাই বহন করে তবে বিশ্বাস করো প্রিয়  তার ভেতরের অস্তিত্ব তোমার,,,তোমায় এতোটাই ভালোবাসি। 

অভ্যাস হলে সব ঠিক হয়ে যাবে

স্ত্রীর আচরনে অতিষ্ঠ হয়ে জামাই তার শাশুড়িকে ফেইসবুকে মেসেজ করলঃ 

আপনার প্রোডাক্টে জন্মগত ক্রুটি আছে, যা আমাকে ডেলিভারির সময় জানানো হয়নি।

আমি হয়রান হয়ে যাচ্ছি। 
প্লিজ মাল ফেরত নিয়ে ভালো মাল পাঠান।

মেসেজ পেয়ে শাশুড়ির জবাব,
মালের ওয়ারেন্টি শেষ আমাদের মালের রিফান্ড অথবা এক্সচেঞ্জ অফার নেই। 
মাল বুঝে নেবার পর মাল ঠিকঠাক ব্যবহার করার দায়িত্ব গ্রাহকের।

ডেলিভারির সময় মালের ব্যবহারবিধি আমরা গ্রাহককে ভালোভাবে বুঝিয়ে ছিলাম।

মেশিন সব পুরান হয়ে গেছে, ফ্যাক্টরি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, এখানে আর নতুনভাবে কোন প্রোডাকশন হচ্ছেনা। 
তাই নতুন মাল পাঠানোর সুযোগ নেই, 
বর্তমান মালটাই একটু বুঝে সুঝে সাবধানতার সাথে ব্যবহার করো।

অভ্যস্ত হওয়ার পর সব ঠিক হয়ে যাবে,,
ভালো থেকো সুখী হও....!!!!!!!

তুমি শুধু আমার হও

তোমার সঙ্গতার অভাবে আজ-কাল বড্ড একা লাগে,নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হয়!
এতশত মানুষের ভীড়েও নিজেকে নিঃস্ব  মনে হয়, যখন-তখন না চাইতেও চোখ ছলছল হয়ে ওঠে।

আমাদের দুটি  হৃদয় হয়তো খুব কাছাকাছি এসে মেলেনি এখন বুকের সেই পিপাসা  মিটাই বিরহের সাথে।তবে  বিরহ আমাকে তোমার মতই  আগলে রাখতে  পারে না!
তোমাকে ভাবলে  বুকের ভেতর শান্তি পেতাম,তবে বিরহের বুকের সাথে  বুক মিলিয়ে বুক ফাটা কান্না আসে, অন্তরের সৌন্দর্য গুলোয় আগুন লাগে অসম্ভব যন্ত্রণা দিয়ে যায়!

তুমি তো বেশ ভালাই আছো শুনতে তো তাই পেলাম। তবে  আমায় কেন হতাশার সাগরে ভাসাতে গেলা? আগেই বলতে পারতে আমার আমিকে তোমার পছন্দ নয় কিংবা আমি তোমার যোগ্যই নই। হয়তো তবে আমিও এতো আবেগে নিজেকে তোমার সাথে মিশিয়ে আজ শুন্যতায় থাকতাম না। আমাকেও তো একটুখানি ভালো  রাখতেই পারতে,বুকের মধ্যে যত্ন করে  রাখতে পারতে না আমায়! 
তুমি আমার হলে কি খুব বেশি ক্ষতি হয়ে যেতো?
তোমাকে আকাশের চাঁদ এনে দিতে পারতাম না ঠিকই, তবে  জোৎস্না  রাতে তোমাকে দূর থেকে  চাঁদ দেখাতে পারতাম! আর তাতেই আমার স্বর্গের সুখের অনুভব পেতাম। 
তোমাকে সাত সমুদ্র পার হয়ে  একশো টা গোলাপ এনে দিতে পারতাম না ঠিকই,তবে তোমার জন্য বাজার থেকে  বাড়ি ফেরার পথে   দশ টাকা দিয়ে  একটা  গোলাপ ফুল এনে  দিতে পারতাম! যদিও বা সেটাও প্রতিদিন হতো না।

তোমার অভিমান ভাঙতে  আমি  দামী দামী উপহার  দিতে পারতাম না ঠিকই,তবে নিজের মতো করে চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখতাম না।
তোমাকে আহামরি সুখে রাখতে পারতাম না ঠিকই, তবে  দুঃখের কালো ছায়াও তোমাকে স্পর্শ করতে  দিতাম না।
তোমাকে পাওয়ার জন্য হয়তো আবার জন্ম নেবো আসতেই হবে  পৃথিবীতে।এ জনমের কপাল দিয়া তোমাকে  আর পাওয়া হলো না,কোনোদিনও হবে না! তবে  আরেকবার জন্মাবার সুযোগ পেলে ওই সৃষ্ট কর্তাকে বলবো 
“তুমি যেন শুধু আমার কপালেই থাকো;অন্য কারো কপালে থাকলে আর আমার জন্মাবার দরকারই নেই!”

নাড়ীর আকর্ষন টাই অদ্ভুত,,,

"নাড়ীর আকর্ষন টাই অদ্ভুত...!!
 এরা যেভাবে মায়ায় জড়িয়ে রাখতে পারে তেমনি ভাবে আবার রাগ অভিমানও করতে পারে... 
এদের দিয়ে দুটোই সম্ভব...!  

মেয়েরা দুনিয়ায় সবকিছু শেয়ার করতে পারলেও নিজের মানুষটাকে কখনো অন্য কোনো মেয়ের পাশে বিন্দুমাত্র সহ্য করতে পারেনা...!
 শুধু তাই নয়... প্রিয় মামুষটার পাশে নিজের ছায়াটুকুকেও পর্যন্ত হিংসা করে...!

মেয়েরা নিজের মানুষটাকে সম্পূর্ণ একার করে পেতে চায়...
 এরা কখনো নিজের মানুষটার ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়... 
 শুধু তাই নয়... নিজের বেস্টফ্রেন্ডও অন্য কারো সাথে কথা বললেও এরা মেনে নিতে পারে না...!! 

মেয়েরা যতটা না রাগ করে তারচেয়ে বেশি করে অভিমান...!
 এরা অভিমান প্রিয় হয়... বড়সড় ব্যাপারে এরা কখনো মাথা ঘামায় না...
  অথচ... ছোটখাটো বিষয়ে এরা এক আকাশ পরিমান অভিমান করে বসে...!

স্কুল কলেজে থাকা অবস্থায় ছেলেরা টিফিন নিয়ে মারামারি করলেও কোনো মেয়েকে একটু মিষ্টি কথা বলে পটাতে পারলে পুরো টিফিন বক্সটাই দিয়ে দিতো...!
 আবার অভিমান করলে স্কুলে আসতো না, আসলেও কথা বলতো না...! 

মেয়েদের খুশি করতে লাখ টাকা লাগে না...
  একজোড়া কানের দুল, এক পাতা টিপ কিংবা কাঁচের রেশমি চুড়ি কিনে দিতে পারলেই তারা খুশিতে গদগদ হয়ে যায়...!
এদের চাওয়া পাওয়া খুবই ছোট...!!

মেয়েরা চাইলে সবই পারে...!
একটা অগোছালো ছেলেকে গুছিয়ে নিতে একটা মেয়ের খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না...
 আবার একটা গোছালো ছেলের জীবন শেষ করে দিতেও একটা মেয়ের বেশি কিছু করতে হয় না...! দুনিয়ায় সব মেয়েদের এই ক্ষমতাটুকু রয়েছে....!! 

মেয়েরা যতটুকু ভালোবাসে তারচেয়ে বেশি মায়ায় আবদ্ধ করে রাখে...!
 এরা কখনো অন্য কারোর সাথে নিজের তুলনা পছন্দ করে না... 

 সারাজীবন নিজেই অতুলনীয় হয়ে থাকতে চায়...!!

অ-প্রাপ্তিতেই-প্রাপ্তি

যতটুকু চেয়েছিলেম 
ততো বেশিই হারিয়েছি।
যেটুকু আমার চাওয়া প্রাপ্য ছিলো 
তার অধিক কেনো চেয়েছিলেম?
জানিনা কেন এমন ছিলাম!! 

 কতো মানুষ কে দিব্যি বলে বেড়িয়েছি
কপালে আমার লেখা ছিলো এই প্রেম,,
 হয়তো  একদিন  হারিয়েও যাবে,,
হারানোর দোষ তাও আমারই জন্য  কীইবা করি তাতে? 
কতো বোকা আমি 
নিজেই নিজের দোষে দোষী হয়ে
আজ নিজের  কপালের নিজেই তুলি   তর্জনী।
 
চাওয়া পাওয়ার অমল তৃষ্ণা ছিলো। 
এক চলতে চলতে আজও ক্লান্ত, এই একাকিত্ব ঘুচবে সেই স্বপ্নে বিভোর হয়ে তার কোলে চেয়েছিলাম মৃত্যু হোক আমার।  আমি আর ফিরবো না মানুষ হয়ে। আমার তৃপ্তি মিটবে জীবনের প্রতি। 
তুমি ছাড়া আমার ভীষণ একলা লাগে
পৃথিবীটা শূন্য মনে হয়,  বহুবার বলেছি আমি নিজেকে শুন্যে আবিস্কার করি। আমার সব টা শুধুই তোমায় পাই। তুমি ছাড়া বিরহের অসুখ আমার মৃত্যু যন্ত্রণার থেকেও কঠিন লাগে। 
তুমিহীন সব জয়ই পরাজয় আমি কিছুই পারছি না।
ফুটেছিলো তোমায় নিয়ে আমার  অন্তরাত্মায় গুলমোহর,,,, 
কোটি কোটি  বাকরুদ্ধ শব্দমালা ঝড়ে গিয়েছে
কেবল তোমার'ই অতি বুদ্ধির বিদ্বিষ্ট পারদর্শিতায় -- 
সব কিছু যে প্রাপ্তিতে পরিপূর্ণ থাকবে তা কিন্তু নয়! থাকুক না কিছু অপ্রাপ্তি --
এই তো জীবন ❤️

আর স্বপ্ন দেখি না,,,,

আমি কাউকে নিয়ে আর স্বপ্ন দেখিনা।

কোনো মানুষ আমার সাথে শেষদিন অবধি থেকে যাবে আমি সেটাও ভাবিনা।
এই না ভাবার পেছনে যে আমার একাধিক ব্রেক-আপ কিংবা কাউকে না পাওয়া আছে তেমনটাও নয়। 
তবু আমি আশা করিনা, ভাবতেই পারিনা ভালো-মন্দ ।  সবকিছু মিলিয়ে মিশে কেউ আমার সাথে সারাজীবন থেকে যেতে চাইবে,,শুধু আমাকে পাওয়ার জন্য,শুধু আমার সাথেই কথা বলার জন্যে অপেক্ষা করবে,,কিংবা তার ভালো লাগা বা খারাপ লাগা সবটাই আমাকে আগে জানাবে।
এই সমাজ,পরিবার,দুনিয়া সবকিছু মানিয়ে কেউ আমার জন্য,শুধু আমার জন্যই থেকে যাবে।
আর যদি সত্যিই এমনটা হয় সেদিন আমার এই না ভাবা গল্পগুলোকে আমি তারই সাথে কোন বৃষ্টিভেজা ফুটপাতে কিংবা রাতে কফির কাপ নিয়ে বারান্দায় ভাগ করে নেব বড্ড একান্তে......

তার কোলেই আমার শান্তির মৃত্যু হোক।

যদি আমি  ছেড়ে গিয়ে ফিরে আসি। তবে তখন আর তুমি  আমায় গ্রহণ করবে না। মন চাইবে তোমার আরেকটি সুযোগ দিতে তবে আমি যে অভিশপ্ত হয়ে ফিরবো। আমি কেন অভিশপ্ত জানো..?

কারণ তুমি এক ফুলের মতো মন কে যার মাঝে ছিলো অঢেল ভালোবাসা তাকে খুন করেছো সেই দিনের ওই অট্টহাসির ছলে। তবে তোমার খারাপ চাইনা, আমি চাই যে আমার ভালোবাসাকে খুন করেছে সেও আমার মতো প্রখর ভাবে কাউকে ভালোবাসুক!! 

আমি আজ আর  চাইনা আমায় কেউ ভালোবাসুক 
আমি চাই এমন কেউ আসুক জীবনে যে আমার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখবে।আমি আর নিজেকে নিয়ে একলা চলতে পারছি না।  সকল বিপদ থেকে আমায় আগলে রাখতে সব সময় পাশে থাকবে। হোক বা সে বন্ধু বা প্রিয়জন ।। 

অন্য কাউকে বিশ্বাস করতে আমার ভয় হয় সে সব বুঝে আমার বিশ্বাস রাখুক আমায় একটু আগলে রাখুক। আমায় বুঝুক আমার ভাঙা মনকে জোরা লাগিয়ে আবার না ভাঙুক, এমন কেউ আসুক!! 

এলোমেলো কথা অজানা অহেতুক কারণে যেন আমায় কখনোই ছেড়ে না যায়, এমনই অজানা কারণে কেউ আমায় আপন করে নেক। যে কখনো আমায় মৃত্যুর যন্ত্রণা দিবে না বরং তার কোলে আমার শান্তির মৃত্যু হোক এমন কেউ জীবনে আসুক!!
হ্যাঁ আমিও তো তাই চেয়েছিলাম। 

কৌতুক

বল্ তো এটা কী ধরনের বাক্য  ?

শিক্ষক :  এই  শুভ,  দাঁড়া ।  আমি  যা  জিজ্ঞেস  করবো,  ঠিকমতো  উত্তর  দিবি ।

‘আজ  ভীষণ  শীত  পড়েছে’  -   বল্  তো‌‌ এটা  কী  ধরনের  বাক্য  ?

শুভ :  এটা  'হু হু  কাঁপাকাঁপি মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  অ্যাঁ  !  কি  বললি  হতচ্ছাড়া  ?!! 

শুভ :  এটা  'রাগ রাগ মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  আজকে  তোর  পিঠের  ছাল  ছাড়িয়ে  দেবো ।

শুভ :  এটা  'অত্যাচার মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  চুপ ।  একদম  চুপ  !  নয়তো  ...

শুভ :  এটা  'বাক্ - স্বাধীনতা  হরণকারী  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  আরে,  এটা  তো  দেখছি  আমার  মাথাটাই  খারাপ  করে  দেবে ।  আমাকে  তো  শেষ  পর্যন্ত  পাগলা  গারদে  যেতে  হবে ।

শুভ :  এটা  খুবই  'আনন্দদায়ক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  ( রাগে  কাঁপতে  কাঁপতে )  তোকে  আমি  খুন  করে  ফেলবো ।

শুভ :  এটা  'উগ্রপন্থী মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  এক্ষুনি  তুই  আমার  চোখের  সামনে  থেকে  দুর  হয়ে  যা ।  বেরিয়ে  যা  ক্লাস  থেকে ।

শুভ :  এটা  'অসভ্যতা মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  হায়রে! কোনদিকে  যাবো  আমি  ?!! 

শুভ :  এটা  'অন্ধকারে  পথ  হাতড়ানো মূলক  বাক্য',  স্যার 

শিক্ষক :  দূর  !  তুই-ই  থাক  ।  আমিই  ক্লাস  থেকে  বেরিয়ে  যাচ্ছি ।

শুভ :  এটা  অনেক  ছাত্রেরই  'চাহিদা মূলক  বাক্য',  স্যার  ।।
©️

তুমি হীন এই শহর

কষ্টরা যেন ট্রেনের মতো আমার মাঝে
আঁচড়ে পরছে। না চাইতেও দুঃখরা বাসা বেঁধেছে মনের মাঝে।  অদ্ভুদ এক ভয় কাজ করছে মনের মাঝে, 
তোমাকে হারানোর ভয়~তোমাকে হারিয়ে ফেলার ভয় !! 

বেদনারা মস্তিষ্কে চেপে বসেছে, 
মনে হচ্ছে এই শহর থেকে তুমি, আমার থেকে তুমি চলে যাচ্ছো বহু দুরে চলে যাচ্ছো!! 

আচ্ছা যেই শহরে তুমি নেই,
সেই শহরে আমি কিভাবে থাকবো..? 
তুমিহীনতা তো ভর করে বসবে এই হৃদয়ে ~ কোনো ভালবাসার গল্প আর তৈরি হবে না তুমিহীন শহরে!! 

তুমিহীনতায়, মনের মাঝে কেউ একজন ছুরি চালাচ্ছে -
আমি বার বার মরে মরে বাঁচচ্ছি কিংবা বেঁচে বেঁচে মরছি। রেল লাইনের উত্তপ্ত পাথরের মতো জ্বলছে হৃদয় ~ শুধু তোমায় একবার দেখার অপেক্ষায় !! 

চোখ ব্যথায় ব্যথিত হয়ে আছে রাত্রির নিস্তব্ধ কান্নায়, তোমায় পাওয়ার আকুলতায়। চোখের নিচে কার কালো দাগ গুলো বলে দেবে  কতটা চেয়েছি প্রতিটি রাতে তোমায়!! 
তবুও তুমি আসোনি,তোমার আর খোঁজ মেলেনি~তুমি হারিয়ে গেছো -

-হারিয়ে গেছো এই শান্তনা দিচ্ছি নিজেকে,আসলে তো তুমি ইচ্ছে করেই হারিয়েছো!! 
~ এ শহরে আর নতুন করে ভালবাসার গল্প তৈরি হয়না

তিন নম্বরের গল্প

“পুলিশ : অস্ত্র কই রাখছিস বল...??
আসামী: স্যার, আমি অস্ত্রের খবর যানি না স্যার।

পুলিশ : বলবি নাকি ক্রসফায়ারে মরবি..?শেষ বারের মতন জিগাইতেছি..
আসামী: স্যার ঐ দিক দিয়ে গেলে তিনটা তাল গাছ পাবেন।

পুলিশ : তাল গাছের গোঁড়ায় পুতে রাখছিস..?
আসামী: না স্যার প্রথম দুইটা তাল গাছ বাদ। তিন নাম্বারটার...

পুলিশ : হুম ওখানে আছে..?
আসামী: স্যার তিন নাম্বারটার পাশ দিয়ে তিনটা রাস্তা আছে। প্রথম দুইটা বাদ।তিন নাম্বার রাস্তা দিয়ে গিয়ে তিনটা বাড়ি পাবেন।

পুলিশ : কোন বাড়িতে বল শালা..?
আসামী: প্রথম দুইটা বাদ। তিন নাম্বার বাড়িতে গিয়ে, তিনটা ঘর। প্রথম দুইটা বাদ। তিন নাম্বার ঘরে, তিনটা আলমারি আছে। প্রথম দুইটা বাদ তিন নাম্বারটাতে তিনটা ড্রয়ার আছে। তিন নাম্বার ড্রয়ারে....

পুলিশ : অস্ত্র আছে.?
আসামী: স্যার তিনটা ছবি আছে। প্রথম দুইটা বাদ। তিন নাম্বার ছবিটা আমার মায়ের। বাকী দুইটা নানি দাদীর। ঐ তিন নম্বর ছবির কসম স্যার। আমি অস্ত্রের খবর যানি না স্যার।”

বেকার প্রেমিকের চিঠি

বালিকা, তোমাকেই বলছি......

- Doctor কে বিয়ে করো না। কারন, সে তোমায় সময় দিবে না, রোগী নিয়ে ব্যস্ত থাকবে!

- Engineer কে বিয়ে করো না। কারন, সে প্রোজেক্ট নিয়ে ২৪ ঘন্টা ব্যস্ত থাকবে!

- Teacher কে বিয়ে করো না। কারন, কিছু বছর পর এদের মাথা ঠিক থাকে না!

- Army কে বিয়ে করো না। কারন, ওরা বউ কি তাই-ই বোঝে না!

- Police কে বিয়ে করো না। কারন, ওরা লোকের পাহাড়া দিবে, কিন্তু তোমার না!

- Business man কে বিয়ে করো না। কারন, ওরা ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে তোমায় নিয়ে না!

- Politicians কে বিয়ে করো না। কারন, এরা শুধু তোমায় মিথ্যা আশ্বাস দিবে!

- ভাবছো, তাহলে বিয়ে করবে কাকে..? তার সমাধানও আছে!
.
.
.
.
.
তুমি বিয়ে করবে আমার মত বেকারকে! যে তোমায় ভালোবাসা দিয়ে তোমার সব চাওয়া পূরণ করবে
যে তোমায় ছেড়ে কখনো দূরে যাবে না! তোমার চোখে কখনো পানি আসতে দিবে না, আর কখনো তোমাকে চোখের আড়াল করবে না....!

ইতি,
বেকার সমাজ থেকে, আমি এক বেকার প্রেমিক। 😍😘😘😘😁🥰

তুমি আমার মানে পুরোটাই আমার।

তোমাকে ভালোবাসি মানে, পুরোটাই ভালোবাসি।
তোমার এলোমেলো চুল, চোখের নিচের কালি, মেদযুক্ত পেট, ঘর্মাক্ত শরীর কিংবা একটা আস্ত অগোছালো তোমাকেও পুরোপুরি ভালোবাসি।
যে মানুষ একবার আমার হয়েছে, সে মানুষ যত'টাই বদলাক, সে মানুষ আমারই।
যে কখনো আমার হয়নি, তার বাদামী চোখ, রিবন্ডিং চুল, পারফিউমের ঘ্রাণ, মেদহীন পেট কিংবা একটা আস্ত গোছালো মানুষকেও আমি ভালোবাসিনা।
ভালোবাসা ব্যপারটাই এমন অদ্ভুত।
একবার ঠিকঠাক ভালোবেসে ফেলতে পারলে, আর কিছুতেই সেসব কমেনা।
লাবণ্য কমে, ভালোবাসার মানুষের লাবণ্য কখনো কমেনা।
ভালোবাসলে, এলোমেলো চুল দেখে মনে হয়- আহারে, কি অযত্নে পরে আছে একটা শুভ্র ফুল।
ভালোবাসলে, মেদযুক্ত পেট দেখে মনে হয়- এত গুলুমুলু হয়ে গ্যাছে ক্যান?
ভালোবাসলে, মানুষটার অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে দিতে ইচ্ছে হয়।
ভালোবাসলে, চোখের নিচে কালি পরে গ্যাছে দেখে মনে হয়- ঠিক মতো ঘুমাও না, নাহ? নিজের প্রতি এত অবহেলা করলে, হবে?
ভালোবাসা যত'টা মুগ্ধতার, তারচেয়ে বেশি যত্নের!
ভালোবাসা যত'টা মোহের, তারচেয়ে বেশি দায়িত্ববোধের!
একবার তোমাকে ভালোবেসেছি মানে, তোমার সমস্তটাই ভালোবেসেছি।
আংশিক ভালোবাসাকে, আমি কখনো ভালোবাসা বলিনা।
তুমি আমার মানে, পুরোটাই আমার।

ইচ্ছে

আমি এই শহরের হাজারো অবহেলায় অবহেলিত এক ধর্ষীতা মেয়েকে বিয়ে করতে চাই। যাকে তার ইচ্ছে না থাকা সত্বেও চিরে চিরে কষ্ট দিয়ে খেয়েছে কিছু নরপশু। 

যাকে শান্ততা দেওয়ার বদলে মা*গী নাম দেয় কাছের মানুষগুলোকে। যাকে দেখলেই সবাই আলোচনা শুরু করে দেয়, যাকে দেখলে সবাই খারাপ মন্তব্য পোষন করে আমি তাদের সবার সামন দিয়ে সেই মেয়েটাকে বিয়ে করে 'গেনিস অফ দা বুক'এ নাম লেখাতে চাই। আমি তাকে এমন ভাবে বিয়ে করতে চাই যা কখনো কোনো রাজাও কল্পনা করেনি।

যে মেয়েটা তার অনিচ্ছায় নিজের সম্মান এবং সম্পদ হারালো সেই মেয়েটাই আমার কাছে অন্যসব মেয়েদের থেকে হাজার হাজার গুণ সম্মানিয়।

এই ভালোবাসার যুগে নাকি ভালোবাসার প্রমাণ দিতে অনেক মেয়েই তাদের সতিত্ব উপহার দেয়। তারা নাকি একে অপরকে খুব ভালোবাসে। 

বাবা-মা মেয়ের স্বপ্ন পুরোণের জন্য তাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে কলেজ পাঠাচ্ছে আর সেই মেয়ে'ই বাবা-মায়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে দিচ্ছে। তারা নাকি এখন বড় হয়েছে নিজেদের ভালো নিজেরাই বোঝে। 

এখনকার ছেলে-মেয়েরা ভালোবাসতে শিখে গেছে। তাদেরকে শেখাতেও হয় নি; ভালোবাসা নাকি এমনি-এমনি শেখা যায়! আসলেই তো এখানে শিখার মতো কিছুই নেই।

তারা ফুল দিচ্ছে ভালোবাসা নিচ্ছে অথচ মানুষ জীবন দিয়েও ভালোবাসা ভিক্ষা পায় না। পুরুষ তার ভালোবাসার মানুষকে না পেয়েও দূর থেকে ভালোবাসে যাচ্ছে আ'জীবন। নারী এখনো কুমারি, মানুষটিকে পায় নি বলে। নারী মা ডাকটিও শুনতে চায় নি একবারও।

আর এখনকার ভালোবাসা! ওরা রাস্তায় রাস্তায় হাটে হাতে হাত রেখে। আমরা গল্পে যতটা রোমান্টিক, বাস্তবে এরা গল্পকেও যেন হার মানায়। 

স্ববে মাত্র এদের পাঙ্খা গজিয়েছে। আমি সেদিন ঘুরতে গেছিলাম এক পার্কে, সেখানে যেয়ে মনে হয়েছিল, পার্কে একা প্রবেশ করা পাপ। ছোট ভাই-বোন; একে অপরকে খাওয়াচ্ছে, কোলে মাথা রাখছে, সুযোগ পেলে কি* টাও বাদ পরছে না।

কিছুদিন বাদে এদের ভালোবাসায় ডেট করার সময় আসে। 'বেড শেয়ার' শব্দ টা এদের কাছে নতুন কিছু নয়। এরা ভালোবাসার কাছে এভাবেই নিজের সতিত্ব টুকুও দিয়ে দেয়। কিছু দিন বাদে সেই ব্রেকআপ!

ব্রেকআপ বলে কোনো শব্দও আমার জানা ছিল না বহুদিন। এদের থেকে অনেক কিছুই শিখেছি।
ডেট করা শেষ, এবার এদের বিচ্ছেদের পালা। ডেট করার কথা মনে করিয়ে দিলে জবাব, 'তুমিও ম*জা নিছো আমিও ম*জা নিছি' আহারে ভালোবাসা! 

এবার এরা এদের সেই ভালোবাসার মানুষটিকে অভিশাভ দেয় অথচ কেউ কাউকে ভালোবাসলে কখনোই তাকে অভিশাপ দিতে পারে না। কেউ তার ভালোবাসার মানুষটি তাকে কাঁদিয়ে গেলেও কখনোই তার খারাপ চায় না বরং উল্টো আরো ভালো চায়। নিজে জীবন দিয়ে দেয় তাও সেই মানুষটার কখনোই খারাপ কামনা করে না।

আমি এরকম বিয়ের আগেই সতিত্ব হারানো মেয়েগুলোকে পতি*তা লয়ের পতি*তাদের সাথেও তুলনা করবো না কারণ তাদেরও একটা সম্মান আছে। সেটা তাদের বিজনেস, তাদের সবাই পতিতা নামেই জানে। 

বিয়ের আগে গোপনেই সবকিছু এক প্রেমিককে উৎস্বর্গ করা মেয়েকে আমি পতি*তার থেকেও বেশি যদি কিছু হয়ে থাকে তাহলে তাদের সেই খানেই রাখবো।

বিয়ের আগে সতিত্ব হারানো মেয়েগুলোকে বিয়ে করা মহাপাপ। এদের মতো মেয়েদের গায়ের চা*মড়া ছিলে হ*ত্যা করা উচিৎ। 

বিয়ের আগে সতিত্ব হারানো মেয়েগুলোর কখনোই ভালো হয় না। এরা এক সময় না এক সময় কাঁদবেই। এদের পাপের ক্ষমার কথা কল্পনাতেও কল্পনা করাও পাপ। 

ভালো থাকুক সেই মেয়েটা যাকে এ সমাজ ধর্ষীতা নাম দিয়েছি। 

ডাকবক্স

এখন আর আমাদের কথা হয়না
সন্ধ্যা হয়,রাত হয়,রাত গভীর হয় 
আবার সকাল হয় কিন্তু আমাদের আর কথা হয়না!😐

আমার কথা ফেলার ডাকবাক্সটা হারিয়ে গেছে! এই শোকে,আমার মাঝেমাঝে বিলবোর্ড ছাপিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিতে ইচ্ছে হয়! ইচ্ছে হয় অলিতে গলিতে মাইকিং করে বলতে'আমার ডাকবাক্সটা হারিয়ে গেছে'! 
তাতে কি কোনো লাভ হবে? 
ডাকবাক্সটা তো নিজ থেকেই হারিয়ে গেছে,কেউ নিজ থেকে চলে গেলে কি তাকে খুঁজে পাওয়া যায়?

আচ্ছা ডাকবাক্সটা কি এখন আর খালি পড়ে থাকে যেই ডাকবাক্সটায় আমি আমার সারাদিনের কাহিনী জমা রাখতাম নাকি অন্য কারো কথায় সেটি ভরপুর?

আমি বারবার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই তাকে ছাড়াই ভালো থাকবো,তাই সবসময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকি কিন্তু ব্যস্ততা শেষ হলেই আমার বুকের মধ্যে চিনচিন ব্যথা হয়,নিরব রাত যত বাড়ে আমার মধ্যে হাহাকারও ততোই বৃদ্ধি পায়!

কি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে সে আমায়,
আমি পৃথিবীর রঙে ডুবে থাকতে চাইলেও সব ঝাপসা দেখি,তাকে ছাড়া সবকিছুই যেন রঙচটা দেয়ালের মতো! আমার বারবার ইচ্ছে হয় তাকে একটিবারের জন্য বলতে "আমার দোষটা কোথায়,বেশি ভালবাসা নাকি তোমার জন্য বেহায়া হওয়াটা"? 

অথচ এই প্রশ্ন করার ও সুযোগ নেই, তার আঙিনা আমার জন্য নিষিদ্ধ, তার প্রবেশদ্বারে কারফিউ জারি করেছে সে,ঢুকলেই ছিন্নভিন্ন করে দিবে!
সে কি জানে? আমি অনেক আগেই ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছি!

কারণ, এখন আর আমাদের কথা হয়না,
রাত গভীর হলেও কথা হয়না,
ফোনে ভরপুর চার্জ থাকলেও কথা হয়না,
আমাদের আর কোনো অজুহাতেই কথা হয়না।

তোমার উপেক্ষা আর আমার অপেক্ষা

এই যে আমার একটু থাকার ইচ্ছে ছিল। কত গুলো মন খারাপ তোমায় বলার ইচ্ছে ছিল, তোমার কিছু মন খারাপ আমার শোনার ইচ্ছে ছিল। তোমার কাঁধে মাথা রেখে একটু কাঁদার ইচ্ছে ছিল, তোমার লড়াই এ একটা সঙ্গী হওয়ার ইচ্ছে ছিল , এসব ইচ্ছে তুমি এক পলকেই উড়িয়ে দিয়েছিলে তোমার ঐ দূরত্ব তৈরি করবার ইচ্ছে দিয়ে।

আমি বলেছিলাম আমার একটু তোমায় দরকার, তুমি বলেছিলে এখনও অনেক সময় বাকি আছে। আমি বলে ছিলাম তোমার কাছে আমি শান্তি পাই তুমি বলেছিলে তোমার মত অশান্ত মানুষ কাউকে শান্তি দিতে পারে না। আমি বলেছিলাম একটু ভালোবাসতে চাই, তুমি বলেছিলে বন্ধুত্বও তোমার পক্ষে দেওয়া কঠিন, তুমি ভালোবাসা দিতে ভয় পাও। আমি বলেছিলাম আমায় একটু জড়িয়ে ধরো, তুমি বলেছিলে জড়িয়ে থেকে যেতে হলে জড়িয়ে ধরার সব সময় প্রয়োজন হয় না।
মাঝে মধ্যে ভাবলে অবাক লাগে, আমি একটু আদর চাইলাম না, আমি একটু সোহাগ চাইলাম না, ভালোবাসার মানুষের স্বীকৃতি চাইলাম না, শুধু সব কিছু ভুলে একটু থাকতে চাইলাম, তাও আমাদের মধ্যে সেই প্রেম টা হলো না বন্ধুত্ব টাও হলো না। তুমি ভাবলে তুমি যদি আবার প্রেমে পড়ো আবার ঠকে যাবে, অথচ এই দিক এর মানুষ টা রাতারাতি ভালোবাসা গুলো তোমার পায়ের তলায় রেখে আসলো।

আজকাল ভালোবাসতে ইচ্ছে হয় না। প্রেমে পড়তে ইচ্ছে হয় না, তার কারণ কি তুমি? জানিনা। আবার প্রেমে পড়লে তার কারণ তুমিই হবে এটা জানি।

 তুমি পুরোনো আঘাত জড়িয়ে ধরে বাঁচো,
 আর মিলিয়ে নাও নতুন লোকের সাথে,
 তুমি অতীত গুলো যত্ন করেই রাখো।
 নতুন সবই ভাঙছো নিজের হাতে।

  তবু তোমায় একটা দিব্যি দিয়েই যাব,
  যদি নতুন করেও ভালোবাসতে শিখি,
  তবে তোমার জন্য মিষ্টি পাঠিয়ে দেব,
   তুমি অভিজ্ঞ লোক বুঝবে সবটা ঠিকই।

   তোমার কাছে সস্তা আমার হৃদয়,
   যেমন খুশি টুকরো করে দিও,
    যদি উপেক্ষাদের দর বেড়ে যায় রোজই,
   তবে আমার জন্য গোলাপ কিনে নিও।

তুমি উপেক্ষা করতে পারো। তবে আমার মত অপেক্ষা করতে পারবে না।

পাগল ছেলে

পাগল ছেলে,,,,,,,

জানি,তোমরা আমায় পাগল বলো, 
এমন কি আমার প্রতিবিম্ব ও আমায় পাগল বলে। এতে তোমাদের বা প্রতিবিম্বের কোনো ভুল নেই কারণ আমি মানি যে আমি পাগল। 

পাগলামির কারণ বোধহয় এগুলোই, না?-

আমি অন্ধকারে এক কোণে বসে থাকি 
আলোর ভয়ে,,,
আমি কারোর সাথে কথা বলি না 
শব্দের ভয়ে।
আমি না ঘুমিয়ে মাঝেমধ্যে সারারাত কাটাই
স্বপ্ন দেখার ভয়ে।
আমি কাউকে শরীর ছুঁতে দি না 
স্পর্শের ভয়ে।
আমি চুল দাড়ি  ঠিক  সময় মতো কাটি না
আমার অমিটাকে চেনার ভয়ে।
আমি কাউর সাথে খেলি না 
আনন্দের ভয়ে।
আমি লাল রং দেখে থেমে যাই
 অতীত মনে পড়ার ভয়ে।
আমি গুছিয়ে কথা বলি না 
গল্প তৈরি হবার ভয়ে।
আমি সব সময়ই হাসি
 নোনা জল ঠোঁটে লাগার ভয়ে।
আমি ভগবান মানি না 
প্রার্থনার ভয়ে।
আমি অসামাজিক ভাবে কাটাই 
সমাজের ভয়ে।

তাই তো তোমরা, সামাজিক জীবেরা আমায় পাগল বলো। তোমরা শুধু বলতেই পারো। একবার পেরিয়ে আসো আমার গন্ডিতে, দেখতে পাবে কত শান্তি আমার পৃথিবীতে। কিন্তু তোমরা তো সভ্য এর পোশাক পড়ে সামাজিক সম্মান পেতে চাও পাছে তোমাদের কেউ পাগল বলে …

তাকে আমি খুব ভালোবাসতাম। এমনকি নিজের থেকেও বেশি। ও যখন উড়না উড়িয়ে সূর্য ঢেকে নাচত দুহাত ছড়িয়ে, আমার মনে যেন রামধনু উঠতো। ও যখন আমায় খাইয়ে দিত নরম হাত এ, আমি যেন অমৃতের তৃপ্ততা পেতাম। ও যখন আমার উপর ঠোট ফুলিয়ে রাগ করে থাকতো, মনে হতো সব রাগ লাল রং হয়ে ওর ঠোঁটের কাছে জমেছে। যখন হওয়ার ব্যস্ততায় চুল সারাতো ঠোট থেকে তখন ইচ্ছা হতো বারবার যেন হাওয়া হাতে করে চুলের দল আবার পৌঁছে দিক ওর ঠোঁটে।

ও পাশে না থাকলেও ওর স্পর্শ দুলিয়ে দিত। ও ছিল আমার আনন্দর ঝরনা। ওর জন্য প্রার্থনা করতাম প্রতিদিন। ও বলত-‘তুই না একটা পাগল, আমার পাগল।কে পায় এমন পাগল প্রেমিক! আমি তো সৌভাগ্যবতী যে এমন পাগল ছেলেটাকে বিয়ে করবো। কোনোদিন সবার মতো মানুষ হোস না। এই পাগলামি গুলোকে আঁকড়ে ই তো বাঁচবো আমি’।

কে বা জানতো এমন দিন আসবে যে ওর পাগলটা সবার পাগল হয়ে উঠবে।

সেদিন ও একটা লাল চুড়িদার পরে এসেছিল আমার সাথে দেখা করতে।আমি বলেছিলাম-‘তোকে আজ রাতপরি লাগছে’। আমায় বাঁ হাতের ছোট আঙ্গুলটা বাড়িয়ে বললো-‘তাহলে কামড়ে দে না’। আমি কবিতা লেখা ডায়েরির ছেড়া পাতাটা বুক পকেট থেকে বের করে দিলাম ওর হাতে। কতবার যে পড়লো জানিনা। আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিলো
-‘ তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম…’। 
আমার চোখ শুধু ওর মুখের দিকে। আর ও গান থামিয়ে অনবরত বকবক বকবক… আমি ওকে না থামিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রইলাম, কিছুই শুনতে বা বুঝতে পারলাম না।

আকাশের বুক চিরে বৃষ্টি নামলো। ও রেস্টুরেন্ট থেকে সবার দৃষ্টি ভ্রূক্ষেপ করে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে এলো রাস্তায়। আমি ভিজবো না র ও ছাড়বে না। আমি একটু ধমক দিয়ে বললাম-‘তুই যাবি না হলে আমি চললাম।’ রাস্তা পেরিয়ে রেস্টুরেন্টের দিকে গেলাম এটা ভেবে যে ও রাগ ভাঙাতে পিছন পিছন আসবে। হঠাৎ শুনতে পেলাম বিকট চিৎকার আমার নাম ধরে। 

'''''''::ইইইইইইনননননদ্রদ্রদ্রদ্রদ্র,,,,,,,,,

পিছন ফিরে যখন দেখলাম, গলা ফাটিয়ে বলেছিলাম-স্মৃতি,,ই,,ই,, ই  ই…। আমার মস্তিষ্কের সমস্ত শিরা ছিঁড়ে জট পাকানো। তবুও ছুটছি, আমার হৃদপিণ্ড শ্বাস নিতে ভুলে গিয়েছিলো, কোনো শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম না… সব দৃশ্য আস্তে আস্তে হলুদ… ফ্যাকাসে…ঝাপসা। পড়লাম হুমরি খেয়ে ওর হাতের উপর। সব কালো… অন্ধকার।

যখন জ্ঞান ফিরলো তখন তোমরা সভ্য, সামাজিকতায় মোড়া মানুষের দল আমার নতুন নাম দিলে- ‘পাগল‘।

তবে আজ নিজেকে সক্ষম করতে পেরেছি,,,
তোমার  স্মৃতি নিয়েই আমার  পথ চলতে পাড়ছি 
তুমি,,,,, রবে,,,,, নিরবে,,,,,,,,,,চির দিন,,,

কেমন আছো তুমি?

বিচ্ছেদের কিছু দিন পর হঠাৎ একদিন তোমার মেসেজ এলো আমার সিম নাম্বারে। "কেমন আছো"

যখন নোটিফিকেশন টা দেখলাম আমার বুকে কেমন জানি একটা ব্যথা অনুভব করলাম। আমার পুরো পৃথিবী মুহূর্তের মধ্যে এলোমেলো হয়ে গেলো। মেসেজ টা খুব ছোট ছিলো কিন্তু আমার খারাপ লাগাটা ছিলো এক সমুদ্র সমান।

খারাপ এজন্য লাগেনি তুমি এতদিন পর মেসেজ দিয়েছো; এজন্যেও লাগেনি তোমার স্মৃতি চোখে ভেসে উঠেছে। তুমি যদি আমাকে ১০লাইনেরও একটা মেসেজ দিতে আমার হয়তো তেমন কিছু যেতো আসতো না।

কিন্তু তুমি "কেমন আছো" মেসেজ টা আমার ভেতরে একটা চাপা কষ্ট চাপিয়ে দিয়েছে; কারণ আমি বুঝে গিয়েছিলাম "তুমি ভালো নেই।"

জীবনে এমন একটা মানুষ চাই,,

"জীবনে আর কিছু থাকুক কিংবা না থাকুক, এমন একজন থাকুক যার কাছে মানসিক শান্তি খুঁজে পাওয়া যায়... যার পাশে বসলে সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায় !!
.
এমনই একজন থাকুক যার চোখের দিকে তাকালে ভরসা করা যায়... যার হাসিতে আস্থা খুঁজে পাওয়া যায়... মানুষটা আর যাই হোক অন্তত অন্য সবার মতো ভুল বুঝবে না... অন্য কারো সাথে তুলনা করে কথার আঘাত দিবে না !!
.
প্রিয় মানুষ হোক কিংবা বন্ধু হোক এমন একজন থাকুক যে কখনো মানসিক আঘাত দিবে না... যার কাছে নিজের কোনো কিছু লুকাতে হবে না... নির্ধিদায় মানুষটাকে বলে দেয়া যাবে সব... মানুষটা হবে জীবনের একটা অন্যতম অংশ !!
.
এমনই একজন থাকুক যে মানুষটাকে বিশ্বাস করে কখনো ঠকতে হবে না... বরং নিজেকে বিশ্বাস করতে না পারলেও ঐ মানুষটাকে ঠিকই বিশ্বাস করা যাবে... চারপাশে প্রতারকদের ভীরে শুধুমাত্র একজন বিশ্বাসী মানুষ জীবনে থাকুক !!
.
আমাদের সবার জীবনেই কেউ না কেউ ঠিকই আছে, তবে সবাই কিন্তু ঐ মানুষটাকে নিয়ে মানসিক শান্তিতে নেই... কারো রুপ কিংবা অধিক টাকা থাকলেও মানসিক শান্তি আসে না... মানসিক শান্তি আসে মানুষের ব্যবহারে, মানুষের আচার আচরণে কিংবা কাজে !!
.
জীবনে শত বন্ধু থাকুক তবে মানসিক শান্তি খুঁজে পাওয়া যাবে এমন বন্ধু যদি একজনও না থাকে, তাহলে শত বন্ধু থেকেও না থাকার সমান... অপর দিকে মানসিক শান্তি পাওয়া যায় এমন একজন বন্ধু থাকলেও আরো কোনো বন্ধুর প্রয়োজন নেই !!
.
জীবনে এমন একজন মানুষ আসুক যার সাথে পূর্বের অন্য কারোর মিল থাকবে না... মানুষটা থাকবে একদমই আলাদা... মানসিক শান্তি হয়ে এমন কেউ আসুক, যে শুধু আসবেই কিন্তু কখনো ছেড়ে যাবে না... পাশে থাকবে আজীবন !!"

একচিলতে আলো নিয়ে এসো

রাত্রি যায়,দিন যায় তোমার অপেক্ষায়।। 
অন্ধকারের মাঝে একা রয়ে যাই আমি, 
বাহিরে কোলাহল, ভেতরে নিস্তব্ধ আমি ।। 

ঘুচিয়ে গেছে কান্না হাসি মিশ্রিত মুখাবয়ব।। 
কতদিন হলো তোমায় দেখিনা,
কতো সময় পার হলো তোমায় ছাড়া ।। 
দুঃখেরা ভর করেছে, আয় হায় আমার 
মাঝে দুঃখেরা ভর করেছে !! 

পায়ে পা মিলিয়ে চলা হয়না বহুদিন।। 
কেউ আর মাথায় হাত রেখে আশ্বাস দেয়না 
ভয় পেয়ো না আছি আমি!! 

ঘুমে ছেয়ে গেছে নয়ন,তবুও তোমায় 
দেখার তৃষ্ণায় রয়েছে এই নয়ন।। 
তোমায় দেখার জন্য মাথার মধ্যে মনে 
হয়, কেউ একজন ছুরি চালাচ্ছে !! 

দম বন্ধ হয়ে আসছে,তবুও যেন 
বেঁচে আছি,কারো বুকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগের 
আসায় ~ অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করতে 
করতে প্রতিদিন মরছি আমি !! 

এসো এসো সন্ধ্যা তারা ফুলের মতো 
এসো তুমি, একবার হলেও আমার বাগানের 
ফুল হয়ে ফুটো  আমি অপেক্ষায় রবো তোমায় ছুয়ে দেওয়ার !!  

শান্তি ~সুপ্তি~শ্রান্তকায়ে ভরা বাগানে এসো আমার, 
তুমিও এসো আমি সুখের তরী নিয়ে যাব তোমার 
জীবনে!! 

~তুমিও এসো, আমি চাই তুমি এসো আমার শহরে এসো এক চিলতে আলো নিয়ে এসো। 

ভুলে যেতেই পারো,,,

আমায় ভুলে যেতেই পারিস,
অন্য রোদের বিছানায় কোলাজ সুখ নিতেই পারিস।

অন্য বুকে মাথা রেখে-ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতেই পারিস,
অতীতটাও মুছে ফেলতেই পারিস অনায়সে!

ভুলে যাবি?তো ভুলে যা...
পিছুটান রাখিস কেনঃখামাখা?

সূর্য উদয়ে ভুলে যায় চাঁদকে,
আবার চাঁদ ভুলে তার রাতকে।
আমায় ভুলতে দোষের কিছু নেই তো,
পাশে যাকে পাবি,আপনই সেই তো!

চলে যাবি?তো চলে যা না,
যেতে তো কেউ করেনি মানা।

পায়ে শিকল পরিয়ে কাউকে-কে,ধরে রাখতে পেরেছে কবে?
যত্ন করে হিয়ার মাঝে রাখতে পেরেছে কি সবে?

অন্য ঠোঁটে চুমু খাবি?তো খা না..

যেই ঠোঁটে লেপ্টে ছিলি প্রথম চুম্বন,
যে বুকে মিশে ছিলি প্রথম আলিঙ্গন। 
সব ভুলে যাবি?আরেহ–যা না,
কে করেছে মানা?

শরীর ছুঁবে অন্য কেউ? তো ছুঁক না..
মন ছুঁয়ে দেখেছিলাম,শরীর ছুঁতে পারছি কই?
শরীরটা তো অন্য কারো,মনটা থাকুক আমার জন্যই মানানসই!

সত্যিই চলে যাবি?তো যা না,
যেতেই পারিস;ঠিক সময় যেমন যায়,
ভালোবাসার মতো বাসলেই কি-সবাই তারে পায়?

হতেই পারে প্রেম ছিল পরিণয়ের ভুল,
যেমন করে অকালে ঝরে যায় শত-শত ফুল!

আমি এক অমনোযোগী প্রেমিক,বড্ড নিরুপায়-
যার কাছে ভালো থাকা, প্রেমিকা তার সাথেই যায়!

চলে যাবি?তো যা না,
কেন মিছে সান্ত্বনা দিস,করিস কেন তাল-বাহানা?

একটু মায়া হয়ে থাকতে দিবি!!!

দিবি একটু মায়া হয়ে থাকতে?
অনাদরে কতশত রাত যে নিভৃতে কেটে গেলো তার টের টুকু পাইনি। উত্তপ্ত মরুভূমির খরা রোদ্রের তৃষ্ণার্ত কূল হারা মানবীর মতো ছুটছি। এই আধমরা রুহের ব্যাকুল আহাজারি কি তোর হৃদয়ে পৌঁছোয় না?

হাতটা একটু শক্ত করে ধরবি শেষ প্রহর অব্দি?
শেষ কয়েকটা সেকেন্ড?
শুধু ভরসা দেওয়ার জন্য!
এখন যদি তুই আগুন হবি বলিস,
আমি সে আগুনে পুড়তে রাজি
তুই যদি রাত্রি হবি বলিস,
আমি নিশাচর ও হতে রাজি।

শেষবার আমার মায়া হয়ে থাকা বারণ নয় রে। আমি শুধুই তোর মায়া হয়ে থাকতে চাই, রাখবি তো একটু তোর নিজস্ব মায়া করে?

তোর আমার সে মায়া জড়ানো ছোট্ট নীড়।
যেখানে জমেছে অসংখ্য মান অভিমানের ভীড়। 

বিচরণ

এই তো কাল অব্দিও অধিকার বোধের
আঙিনায় অবাধ বিচরণ ছিল
এখন অদেখা দেয়াল উঠে গেছে যেন!
ভাবনায় আগে অন্যের ছায়া ছিল না
আর এখন!
সেই ভাবনাটাই আগে আসে।
অইদিন ছোট্ট করে বলেছিলে,
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও আর কারো নয়
ভেবেছো এই অতি সাধারণ আমাকে
স্তব্ধ বিস্ময় নিয়ে চুপ ছিলাম শুধু!
অইদিন ও একটা দ্বিধা ছিল।
অন্যরকম,ভালবাসার দ্বিধা। 
এত ভালবাসতে পারে কেউ অই ভেবে দ্বিধা!
আর আজ!?
অন্য রকম অস্বস্তি যেন!
জীবন যাপনের আটপৌরে বদল তোমার!
নেই আর সেখানে আমার
অবাধ বিচরণ!! 

তাকেই আগলে রাখুন

কখনও যদি কেউ আপনাকে খুব ভালবাসে আর তা যদি আপনি বুঝতে পারেন তাহলে তাকে আগলে রাখুন! বিশ্বাস করুন তার মতো করে অন্য কেউ হয়তো আপনাকে কখনও ভালবাসতে পারবে না। 

আপনি হয়তো তার থেকে বেটার কাউকে পেয়ে যাবেন, সে হয়তো দেখতে অনেক সুন্দর হবে, যাকে দেখলে এক নজরে ভাল লেগে যাবে। 

কিন্তু আপনার প্রিয় মানুষটির মতো সে কখনও হতে পারবে না, কারণ মানুষটি আপনার সাথে রাত জেগে হয়তো কথা বলে চোখের নিচে কালি করে ফেলেছে! আপনার জন্য রোদে পুড়ে দেখা করতে গিয়েছে, আপনার খারাপ সময়ে সে পাশে থাকার চেষ্টা করেছে। 

সে চেয়েছে বাকি জীবন একসাথে থাকতে আপনার সাথে! তাহলে বলুন তো এমন প্রিয় মানুষকে হারালে তো সারা জীবন অপ্রাপ্তি নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে তাই যাকে ভালবাসেন তাকে আগলে রাখুন এতে আপনিও ভালো থাকবেন বাকি সময়। 

তুমি আর ডেকো না

তুমি আর ফিরে এসোনা 
কোনভাবেই আর ডেকোনা,
বার-বার এসে ওগো তুমি 
আমার মনটা আর ভেঙোনা।
অনেকতো দিলে আঘাত আমায় 
এখনো কি কিছু বাকী আছে?
আমার মন যে একটাই প্রিয় 
অনেক আগেই এক ক্ষত আছে ।
কত করবে আর আঘাত আমায় 
কত দেবে আর শাস্তি,
তোমাকে ভালবাসার জন্য 
এই উপহারই আমার প্রাপ্তি ।
 রাতের পর রাত জেগে 
অনেক অপেক্ষা করতাম,
একটা বার্তার অপেক্ষায়
বার-বার ফোন দেখতাম।
করতে-করতে অপেক্ষায়
চোখ যে জলে ভরতো,
হাসি মুখে থাকলেও আমার 
কষ্টে বুক যে ফাটতো।
তাইতো আজকে বলছি তোমায় 
আর দয়াকরে  তুমি এসোনা,
নতুন করে ওইসব বলে
আর মনটা ভেঙোনা।

আমাদের আবার দেখা হোক

আমাদের আবার দেখা হোক,কভু কথা না হোক,
চোখে চোখ না ফিরুক অনুভুতিরা শুন্য হোক,
অতঃপর দাওয়াইখানার ছাড়পত্র পেয়ে যাবো
ছেড়ে যাবো ভূপৃষ্ঠ,আমি অগোচরেই শুন্যতার শুকতারা।
আবারো দেখা হোক,কোনো এক রাস্তার মিলনমেলায়
হুট তোলা রিক্সায় চড়ে বেড়াবো দুজন
জমবে আলাপণ, সুখ-দুঃখ সন্ধিক্ষণ
যদি বলতে দ্বীধা হয় তবে নিরবে বুঝে নেবো চোখের ভাষা 
তবুও আমি চাই,
এ আমার মনের কোণের এক অতৃপ্ত বাসনা,
আবারো দেখা হোক,
আমি উজাড় করে বিলাতে চাই একরাত্রি জোসনা।
তোমাকে মেখে জোসনা বিলাবো বলে
আমার চোখের কোনে জেগে থাকা রাত,
তোমাকে ভাবায়।
তুমি আমার বহুদূরের উপত্যকার সুখ
মরিচা ধরা জানালার গ্রিলের দুঃখের মত যাতনা।
দুঃখ নিয়ে ভেসে চলেছি সুখের অববাহিকায়
এসো এ নবধারায়,এলো কেশে,
বধু বেশে আমার কল্পনায়
মন চায় হাত ধরি,আচলে লেপ্টে থাকি
হয়ে তোমার শাড়ি, হে মায়াবী নারী!
কবে আসবে এ নীড়ে?
আমি ডুবু ডুবু অপেক্ষায়,
দিব্য অবেলায় ঘোরে কাটে ঘড়ির কাটা
নির্ঘুম রজনী,শূন্যতার চাহনী,
ডুব দেই ভালোবাসার তালে। 
আমি চাই আবারো দেখা হোক আমাদের,
আমি নিদ্রায় যেতে চাই তোমার মায়াজলে।।

আত্মহংকার আর আত্ম-সম্মানের পার্থক্য

ইগো এবং সেলফ রেসপেক্টের মাঝে পার্থক্য আছে। দুটি আলাদা বিষয়। আমরা দুটিকে এক মনে করি।

আমারা নিজের পারসোনালিটি দেখাতে গিয়ে কাছের মানুষটার সাথে ইগো দেখিয়ে বসে থাকি। তখন আমরা ভাবি আমরা খুব ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। 

আরে ভাই তোমার পারসোনালিটি থাকুক পুরো পৃথিবীর কাছে। অন্তত ঐ একটা মানুষের কাছে তার মতো হও। খুব সাধারণ ভাবে তার সাথে মেশো। 

খুব কাছের মানুষ হয়েও তোমার সাথে কথা বলতে গেলে যদি তার ম্যাচিউরিটি দেখানো লাগে, যদি তার খুব ভেবে চিন্তে কথা বলতে হয় তাহলে আর তুমি তার কাছের মানুষ হতে পারলে কই! এগুলো তো আমরা দূরের মানুষের সাথে করি। যারা আমাদের অচেনা। তুমি তাহলে ঐ দূরের মানুষ হয়েই রয়ে গেলে। তুমি আর কাছের মানুষ হতে পারলে না। 

কাছের মানুষের সাথে এতো বেশি ইগো বা পারসোনালিটি দেখানোর প্রয়োজন নেই। তুমি তার সাথে একেবারেই সাধারণ একজন হয়ে মেশো। তাকে বাচ্চাদের মতো ট্রিট করো। তার হুটহাট পাগলামো আর আবদার গুলো হাসি মুখে পূরণ করতে চেষ্টা করো। তুমি বরং তাকে তার মতো আগলে রাখো। এতে তোমার ব্যক্তিত্ব একটুও কমবে না। তুমি বরং সেই মানুষটার কাছে সারাজীবন সবচেয়ে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষটা হয়েই থাকবে।

ভালোবাসা সহজ নয়

মুখে মুখে ভালোবাসি বললেই ভালোবাসা হয় না! ভালোবাসাটা মন থেকে আসতে হয়,মন থেকে ভালোবাসার মানুষটাকে স্বীকৃতি  দিতে হয়। ভেতর থেকে আবেগ,অনুভূতি তার জন্য আসতে হয়। 

কেউ তোমাকে প্রান , প্রিয় , লাভ ইউ বলে উল্টে ফেললো। এর মানে এই না সে তোমাকে খুব ভালোবাসে। চামড়ার মুখ দিয়ে অনেক কিছু বলা যায়। দিন শেষে কেউ তোমাকে সত্যিই যদি ভালোবাসে তোমার প্রতি তার আচরণ,আবেগ,অনুভূতিই সেটা বুঝিয়ে দিবে। 

কেউ তোমার সাথে এডজাস্ট করতে পারছে না! তোমার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, তোমার আবেগ,ইমোশনকে মূল্যয়ণ করতে পারছে না!
তার মানে সে তোমাকে ভালোবাসি বললেও আজও তোমাকে ভালোবাসতে পারেনি। 

যে তোমাকে সত্যিই ভালোবাসবে তার তোমার সাথে কথা বলার জন্য ব্যকুলতা থাকবে। সে তোমাকে প্রতিটা মুহূর্ত মিস করবে। তোমার সাথে কথা বলা, সময় কাটানোর জন্য অস্থির হয়ে যাবে। তোমার মেসেজের উত্তরে দেরি হলে কষ্ট পাবে, অভিযোগ করবে, অভিমান করবে। 

নড়বড়ে ইমোশন নিয়ে ভালোবাসতে যাবেন না! ভালোবাসলে জেদি হতে হবে, একরোখা হতে হবে। নয়তো আপনার দূর্বল ভালোবাসা পরিবার, সমাজ,বাস্তবতার চাপে হারিয়ে যাবে।
দিনশেষে যারা জেদি হয়, তারাই সবকিছুকে তুচ্ছ করে পাত্তা না দিয়ে ভালোবাসাকে পূর্ণতা দিতে পারে। আর নড়বড়ে প্রেমিক প্রেমিকাদেরি বিচ্ছেদ হয়, মন মালিন্য হয়। অবশেষে ডিপ্রেশনে ভোগে। 

এখনো ভালোবাসি

একদিন ভালোবেসেছিলাম বলে যেভাবে এখনো ভালোবেসে যাচ্ছি ঠিক তেমনি সে একদিন বেইমানী করেছিলো তাই তারে আমি তার অপরাধের জন্য মাফও করবোনা। যে মানুষটা অন্যের জন্য আমাকে ছেড়ে গেছে, যে মানুষটা অন্য কাউকে পেয়ে আমার মত মানুষকে একা ফেলে চলে গেছে তাও আমার সবচেয়ে খারাপ সময়ে, যে আমার বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে, যে মানুষটা এতগুলো দিন আমি কিভাবে আছি- কেমন আছি নুন্যতম খবর নেইনি, যে মানুষটা নিজের স্বার্থের জন্য আমাকে রাতের পর রাত কাঁদিয়েছে আর যা হোক তারে অন্তত মাফ করা যায় না। তারে আমি কখনোই মাফ করতে পারবোনা।

ভালো এখনো বাসি না তা কিন্তু না; এখনো ভালোবাসি। এখনো সময়ে অসময়ে তারে মনে করি, এখনো আগের মেসেইজ, তার দেয়া রেকর্ডিং চুপচাপ একা একা শুনি কারণ এখনো তারে আমি এখনো ভালোবাসি; এখনো আমার জীবনের অনেকটা অংশ জুড়েই তার অস্তিত্ব। তবুও তারে আমি কোনদিন মাফ করবোনা; বেইমানদের দিনের পর দিন ভালোবেসে যাওয়া যায়; মাফ করা যায় না; তাদের দেয়া কষ্ট, তাদের স্বার্থপরতা মন থেকে বাদ দেয়া যায় না। আর যায় হোক তাদের আমি কখনোই মাফ করবো না; অন্তত তাদের মাফ করে দেয়ার মত বড় মনের কিংবা অত বড় ভালো মানুষও আমি না 

পরিস্থিতিই মানুষ কে বদলায়

পৃথিবীতে প্রাণীদের মধ্যে একমাত্র মানুষ নামক প্রাণীগুলোই ক্ষণে ক্ষণে বদলায়,বদলাতে হয়!

প্রচন্ড নিঃসঙ্গতায় ভোগা মানুষটাও একটা সময় না একটা সময় ঠিকই ভালো থাকতে শিখে যায়,একা থাকতে শিখে যায়!

কারণে-অকারণে হুটহাট অভিমান করা কিংবা জেদ করা মানুষটাও একটা সময় অভিমান করা ভুলে যায়,অভিযোগ করা ছেড়ে দেয়,কারো কাছে প্রত্যাশার মাত্রা কমিয়ে দেয়!

সে বুঝতে শিখে যায়;বারবার মানুষের কাছে প্রতারিত হওয়ার চেয়ে,বারবার কেউ থাকার পরও একা হয়ে যাওয়ার চেয়ে,কারো অপেক্ষা কিংবা অবহেলায় পড়ে থেকে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ার চেয়ে,স্বইচ্ছায় একা থাকা ঢের ভালো।

বিশ্বাস আর ভালোবাসা হারিয়েই একটা সময় ভালোবাসতে ভুলে যায়,নতুন করে কাউকে বিশ্বাস করতে ভুলে যায়।

সামান্য একটু মানসিক শান্তির লোভে কিংবা শুধুমাত্র কাউকে পাশে পাওয়ার লোভে যে মানুষটা দিনের পর দিন অবহেলা সহ্য করতো,সম্পর্কে একতরফা স্যাক্রিফাইজ করে যেত–সেই মানুষটাও একদিন নিজের ভালো বুঝতে শিখে যায়,নিজের কাঁধ নিজেই চাপটে নিজেকে সান্ত্বনা দিতে শিখে যায়।

প্রতিনিয়ত সবার কাছ থেকে আঘাত পেতে পেতে;একটা সময় সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়,আড়াল করে নেয়-তীব্র শোকে কিংবা প্রচন্ড ঘৃণায়!

আবেগ ও বাস্তবতা

আবেগঃ আমি ই সত্য।

বাস্তবতাঃ না,তুমি ছলনাময়ি,তুমি মিথ্যা।

আবেগঃ আমি স্বপ্ন দেখাই।

বাস্তবতাঃ আমার কাছে এসে,সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়।

আবেগঃ আমি মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলি।

বাস্তবতাঃ সেই হাসি ক্ষনস্থায়ি

আবেগঃ আমি দুটি মনের মিলন করে দেই

বাস্তবতাঃ আমার কাছে এসে দুটি মন টিকতে পারেনা

আবেগঃ আমি সুখের সাগরে ভাসিয়ে দেই

বাস্তবতাঃ গভীর রাতে,নিরবে,একাকী সেই সুখটাই কান্না বিজড়িত কন্ঠে আমার পায়ে লুটিয়ে পরে।মাথা নত করে ক্ষমা চায়।বুকফাটা আর্তনাদে অসহায়ের মত আমাকে বরন করে নেয়।তখন তুমি হয়ে যাও মিথ্যা,আমি হই সত্য,আমি ই বাস্তব।

ভালোবাসা



তুমি আমার ভোরের  নতুন আলো , 
তপ্ত দুপুরের শীতল হাওয়া , 
নিশী রাত্রির একগুচ্ছ কবিতা আর মধ্য রাত্রির নিবিড়  আলিঙ্গন।
আরাধ্য, অধরা তুমি আমার। 
সুনীল আকাশে একফালি শুভ্র মেঘের মত জুড়ে থাকো অন্তঃপুরের গহিন অতলে। 
তোমাকে খুঁজে নেই অমোঘ হৃদয়ের আকুলতায়।
বৈধব্যের নিষ্ঠুরতায় যখন জীবনের পথে শুষ্কতা ছড়ায়,
তখনই তুমি সিক্ত করে দিলে শ্রাবণের অঝোরধারায়।।
পাতার শরীর যেমন শিশিরে ভেজে, শিলা পাথর যেমন ভিজে ঝরনায়,
তেমনি সিক্ততায় তুমি আমায় ভিজিয়ে রাখো, প্রণতি জলহরিণ। 
মাধুকরী, মধুকর তোমার প্রিয় নাম।
তোমার মধুকুঞ্জে আমি প্রবেশ করি নিবিড় প্রেমাসক্ততায়।
আর তোমার ভেজা ঠোঁটে জমে নিবিষ্টতার নীরদ ছোঁয়া। 
তুমি হয়ে উঠো পৌরণিক কামুক্ততার দেবী।
অঙ্গে তোলো অশান্ত ঝড়, আমাকে ডুবিয়ে তোমার অতলের অতলে।
বুকের ভাজরেখা যখন এলোমেলো হয়ে যায় আমার পরশে, তোমার অঙ্গসৌষ্ঠব হয়ে উঠে বিমুর্ত।
তোমার গলার তিল ছুঁয়ে, আমি তোমার বুকের স্পন্দন শুনি। 
এলোকেশ বিছিয়ে রাখো তোমার আরঙ্গম পৃষ্ঠোপরি ক্রি-বিণে।
স্নান শেষে তোমার চুলের ডগায় যে জলকণা ঝরে, আমি সেই স্ফটিকে তোমার পবিত্রতা দেখি।
নিমগ্ন হয়ে রই অধীর অজান্তে রাতজাগা পাখির মত,
তুমি আবেগে আমার ঠোঁট স্পর্শ করে দাও।
তোমাকে ভেবে ভেবে যখন স্বপ্নঘোর তৈরি করি, আমার কন্ঠ  শুনে তুমি ব্যাকুল হয়ে উঠো, অশান্ত ঢেউয়ের মত। 
প্রোথিত করে নাও তোমাতে, আমার জীবন্ত অপ্সরী।
রিমঝিম শব্দ তরঙ্গ তুলে গমের দানার মত উদোম তুমি, জোৎস্নার আলোতে তোমার শরীর হতে পোষাক ঝরছে,
গাঢ় রাত্রির-তারা-ছাওয়া বিছানায় ভেজা ভেজা কথায়
আমাতে আকন্ঠ ডুবে থাকো।
প্রণয়ী, বিধাতা তোমার নাভিতে দিয়েছে স্বর্গ-মত্যের নির্যাস। 
আমি জীবন সুরা পান করি তোমাতে নিঃস্ব হয়ে অনাবিল সুখে। 
তোমার পায়েলের মত, তোমার বক্ষবেষ্টনির মত, বাধিত আমি।
সুড়ঙ্গ পথের অসমীয়া বিচরণ, উন্মাতাল তৃষিত কলতান।
অনুভব যখন অনুভূতি হয়ে যায়, দিঘল সঙ্গমের রাত্রির জাগরণ।
স্রোতস্বিনী নদীর জল অবগাহন। 
তোমার তালুতে জমা করি জলভারানত উষ্ণতা আর আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুঁয়ে পুর্ণিমা রাতের বিনাশী মিথুন। 
জোৎস্নাকুমারী, কুঞ্চিত নিতম্বে আঁকা রূপোর উল্কা ফাল্গুনী হাওয়াতে। 
রিনিক ঝিনিক কাঁকন বাজে, আঙ্গুল ছোঁয়ায় আঁকা উরুতে। 
বৃষ্টি কাঁপন, বৃষ্টি স্বপন, ভূবন জুড়ে 
ভিজবো দু’জন দুজনার হাত ধরে।
মনেরই ছায়াতে মন থাকে নিরালায়, গান থাকে উর্বশী সব রাতে।
এমনই বাঁধন, অনাদী আপণ। 
উত্থিত গ্রীবায়, প্রেমাতাল বিচ্ছুরণ।

আজ খুব একা,,,

আজ আমি খুব একা

যান্ত্রিক যন্ত্রের সমাজে
আজ আমি একা,
বড়ই একা।
ছলনাময়ী ললনার চল-চাতুরীর চাহনি,
আজ আমাকে করেছে ; ডুবন্ত জলযান।

ছলনাময়ীর ছলনার চক্রজালে,
আমি পা বাড়িয়েছি ;
বলো হে অন্তর্যামী এখন কি করি।

ফুটন্ত গোলাপ মনে করে,
যাকে হৃদয়ে দিয়েছিলাম ঠাঁই ;
সে দেখি ফিরে যাওয়ার পথ চেয়ে আছে।

আজ আমি একা
বড়ই একা,
আকাশের পূনির্মার চাঁদ কেউ মনে হয় ;
বিষাক্ত গোলা।
 
শুধুমাত্র নিষ্টুর নির্দয় অনামিকার জন্য।

"ভালোবাসাকে একবার অবহেলা করলে সে আর কখনো ভালোবাসা পায় না।"

"ভালোবাসাকে একবার অবহেলা করলে সে আর কখনো ভালোবাসা পায় না।"

যে মানুষটা আজ আপনাকে পাগলের মত ভালবাসে, সকাল সন্ধ্যা আপনার খোঁজ নেয়, মেসেজ এর মেসেজ দিয়ে ইনবক্সে জমিয়ে রাখে। 

দুপুরে খেয়েছো কিনা প্যারাসিটামল কয়টা বাকি আছে? মন খারাপ কেন?

বাজারে কি করতে গিয়েছিলে, বাবার ডিপ্রেশন, মায়ের বার্ধ্যক্যের খবর নেয় 

সেই মানুষ টাও একদিন বদলে যাবে।

মানুষ প্রতিনিয়ত বদলে যায়, মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী, মানুষ সব সহ্য করতে পারে, কিন্ত অবহেলা সহ্য করতে পারে না। 

মরীচিকার মত অবহেলা ভালোবাসার পুরুত্ব ক্ষয় করে ফেলে।

পৃথিবীর সবকিছুর একটা সময় না একটা সময় অর্জন করা যায় কিন্তু ভালোবাসা পাওয়া যায় না, আজ আপনার সম্পদ নেই 

পরিশ্রম করলে একটা সময় সম্পদ অর্জন করতে পারবেন। 

আজ আপনি রোগা, নিয়মিত ব্যায়াম করলে একদিন আপনিও সু স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারবেন। কিন্তু আজ আপনি যে ভালোবাসা পেয়েছেন তা পরবর্তীতে আর কখনোই পাবেন না।

কারণ "ভালোবাসাকে একবার অবহেলা করলে সে আর কখনো ভালোবাসা পায় না।"

কিছু অপেক্ষার যন্ত্রণা

ভালোবাসা নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করবো আজ হয়তো আপনার জীবনের সাথে মিলে যাবে,,,,
নিজের ভালোবাসার গুরুত্ব টা সবার আগে দিন।তাহলেই দিন শেষে ভালো থাকবেন,,,,
সম্পন্নটা পড়ার অনুরুধ রইলো,,,,,,, 

অন্য কারো মেসেজের রিপ্লাই দিতে দিতে এমন হয় যে নিজের মানুষের মেসেজ seen করতে এতো Late করো,,,,,ভুলেই যাও তোমার মেসেজের অপেক্ষায় একজন বসে আছে,,,,, 
তুমি তো অন্য কারো সাথে ব্যস্ত হয়ে পড়েছো,,,,কিন্তুু ঐ অপেক্ষা করা মানুষটা তোমার মেসেজের রিপ্লাই এর জন্য অপেক্ষা করতে করতে online থেকেই বের হয়ে গেছে,,,,কিন্তুু তার পরেও তোমার phone এর জন্য wait করে, তুমি কখন phone দিয়ে বলবে online এ আসো,,,,কিন্তু তুমি দাও না,,,,,
তুমি কি জানো এটা কতোটা কষ্টদায়ক তার কাছে,,,তুমি বুঝবে না এ কষ্টের পরিমান,,,এটাযে কতোটা মানুষিক যন্ত্রণা দেয় তুমি বুঝবে না,,,

তাই আপনাদের বলছি,,, নিজের মানুষটার গুরুত্বটা সবার আগে দিন,,,,হারিয়ে যাওয়ার আগেই আকরে ধরুন,,,,

আর আমরা যারা অপেক্ষা করে থাকি ঐ মানুষটার মেসেজের জন্য তাদের বলছি,,,,যদি জীবনের প্রয়োজনে নিজেকে বদলে ফেলতে হয়,,, 
তবে তাই করো,,,,
হয়তো কিছুটা কষ্ট পেতে হবে তোমায়,,,,,
তবুও যে তোমার মূল্য বুঝে-না,,,,
যে তোমার কদর করতে জানে না,,,,
তার অপেক্ষায় থেকো না,,,,

আমি তো চেয়েছিলাম তোমার অস্তিত্বে তুমিময় হতে,,

আজ বহুদিন হতে চলেছে তুমি নেই 
কোথাও নেই,তবে ছিলে কিন্তু এখন আর নেই, 
যে শহরে তুমি নেই সে শহরের প্রতিটি সন্ধ্যায়,প্রতিটি দেয়ালে তোমার স্মৃতিরা রয়েছে, প্রতিটি অলিতে গলিতে চোখ মেললেই তোমার স্মৃতিগুলো আমায় ছুয়ে যায়। কাল তুমি যেখানে আমার অস্তিত্ব ছিলে 
আজ সেখানে তুমি স্মৃতি হয়ে আছো। 
আমি তো তোমায় স্মৃতি রুপে চাইনি 
আমি তো চেয়েছিলাম তোমার আমার একটি ছোট নীড় সাজাতে । 

এখন আর তোমার শহরে ভালোবাসার প্রতিধ্বনি শোনা যায়না। তৈরি হয়না কোনো রুদ্রপুঞ্জের গল্প। আমি আর তোমার শহরে চিৎকার করে তোমায় ভালোবাসি বলতে পারিনা!! 

কালকের তুমির সাথে আজকের তুমির কোনো মিল আমি পাচ্ছি না। চেনা হয়েও যেন আজ তুমি বড্ড অচেনা। আচ্ছা,আমি কি খুব বেশি কিছু চেয়েছিলাম..?  

আমি তো চেয়েছিলাম তোমার চোখে চোখ রেখে ভালোবাসি কথাটি বলতে। তোমার অভিযোগের কারণ হতে কারণে অকারণে তোমার অভিযোগ গুলো তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে শুনতে। 

আজ সেই শহরে শতশত প্রেমিক-প্রেমিকা হারিয়ে যাচ্ছে ভালোবাসার অবহেলায়। ভালোবাসা অভাবে অভাবি তারা। না না সে শহরে আমরা আমাদের বসতি করবো না, একদম না --

আমাদের বসতি হবে এক সুন্দর শান্তির নীড়ে,কিন্তু তুমি যে সেই শহরেই হারিয়ে গেলে। একা তো থাকতে চাইনি আমি,তবে কেনো তুমি হারিয়ে গেলে সেই অভাবি শহরে- ভালোবাসার অভাবি শহরে..? 

আমি তো চেয়েছিলাম তোমার অস্তিত্বে তুমিময় হতে
কিন্তু তুমি হারিয়ে গিয়ে বুঝিয়ে দিলে তুমি আমার নও। 

চির শান্তির আশায় মৃত্যু হোক এই পৃথিবীর

আমি চাঁদ কেও দেখেছি!
ঘোর অমাবস্যায় চাঁদের অস্তিত্ব বিলীন
হতে  --

আমি নীড় হারা পাখি কেও দেখেছি! অজানা গন্তব্যে উড়ে যেতে --

আমি স্বচ্ছ নীল আকাশ কেও দেখেছি! কালো মেঘের আবরণে জর্জরিত হতে --

আমি বৃষ্টি কেও দেখেছি!
প্রখড় রোদেও তার জলকণা ছড়াতে -- 

আমি পাহাড়ি ঝর্ণা কেও দেখেছি!
ক্ষুদ্র নদীতে মিশে বৃহত্তর সমুদ্রে রূপ নিতে --

অবশেষে প্রকৃতির থেকে নিপুণ ভাবে শিখেছি তার রঙ বৈচিত্র্য বহুরূপী নানান লীলাখেলা -- 

হে পৃথিবী তোমার মৃত্যু হোক 
সুনামি নামুক তোমার কুসুম কাননে
তপ্ত গলিত লাভা বেরিয়ে আসুক তোমার বুক ছিড়ে ক্ষতবিক্ষত হোক। তোমার সাধের মৃত্যু হোক
 চির শান্তির আশায় -- 

ভালো থেকো প্রিয়,,

প্রিয়,,,
একদিন আমাদের প্রেম ছিলো দুর্নিবার, 
এক বুক আশা ছিলো, এক আকাশ  স্বপ্ন ছিলো
ছিলো একরাশ উষ্ণতা।
হয়ত আজ বৈরি বাতাস, বাস্তবতার চরম নির্মমতায় খসে পড়ছি ভালোবাসার আকাশ থেকে, ওখানে কেবলই নিকষ কালো বিভীষিকা।
কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে সুখস্বপ্ন, বিষাক্ত পোকামাকড়ের মত কামড়ে খাচ্ছে অসহ্য এক শূন্যতা। 
খরতাপে পুড়ে ছাই হওয়া হৃদয়ের চারপাশে দাগে দাগে কি এক ধোঁয়াটে বিবর্ণতা!
 জীবন চলার পথ হয়ত বদলে গেছে, বদলে গেছে গন্তব্য, 
তবু বার বার ঘুরোফিরো হাজার ভাবনার ভীড়ে, 
ভীষণ ব্যস্ততায় কিংবা অবসরে,
মন খারাপের বিকেল, যখন একলা লাগে কিংবা
এলোমেলো বিলাপ উঠে প্রচণ্ড জ্বরে
সব বদলে গেলেও, মস্তিষ্ক জুড়ে তোমার উঁকি দেয়ার অভ্যাস বদলায়নি।
ভালো থেকো প্রিয়,,,
অসীম দুরত্বের সীমানার ওপারে। 

আমার ভালো থাকার জন্যই তুমি

তোমাকেই খুজি,,তোমাকেই  বুঝি আমার  ভালো থাকার মানে,,হ্যা তুমি। শুধুই তুমি। আর সেখানে অন্য কেউ না। আমি হাজার চেষ্টায় আজ অন্য কিছু বুঝি না। তাই তোমাকেই বুঝি প্রিয়।  তুমিই আমার ভালো থাকার কারণ।  তো  সেই কারণ ছাড়া আমিতো নিজেকে শূন্যতায় অনুভব করি। মূল্য বুঝি না নিজের।  
তোমাতেই স্বপ্নেরা ব্যাকুল- তোমাকে ঘিরেই চলে মনের ভেতর অলিখিত কিছু কাল্পনিক ইচ্ছের।  মূহুর্তে কিঞ্চিৎ শুখ অনুভব হয়। মনে হয় এইতো আমরা একসাথে কোন অচেনা পথের ধারে। মনে হয় এই পথ চলা আমাদের যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। 
ভালো থাকার চেয়ে অধিক ভালো থাকি যখন  তুমি থাকো আমার স্বপ্নের দুনিয়ায়। আমি সেদিন 
যখন স্পর্শে তোমার আঙুল ছুয়েছিলাম সেদিন নিজেকে শুদ্ধতায় পরিপূর্ণ মনে হয়েছিল। সেই মূহুর্তে ঠিক কি অনুভব করেছি আমি বলে বোঝানোর ভাষা আজও প্রকাশ করতে পারিনি প্রিয়। 

একাই ভালো থাকতে শিখছি

জীবনে এমন একটা সময় আসবে, তখন তোমার আর কাউকেই ভালো লাগবে  না।কোন ইচ্ছেই থাকবে না ভালো লাগার।
 
এই তো, কিছুদিন আগেও যার জন্যে নিজে অনেক পাগল ছিলেম  যার কথা ভাবলেই আমার হার্টবিট বেড়ে যেতো, তাকেও আর ভালো লাগে  না! যে আমায় পাত্তা দিতো না, সে সেধে এসে আমার সাথে কথা বললেও ভালো লাগে না! 

মোট কথা, এখন  কাউকেই ভালো লাগে না, কিছুই  না, কারো সাথেই কথা বলতে ইচ্ছে হয় না!! তখন বুঝে নিয়েছি , 'আমি পৃথিবীর মানুষগুলোকে চিনে গেছি,, একা ভালো থাকতে শিখে গেছি' 

তুমি যে আমার শূন্যতার মাঝে পূর্ণতা

তোমায় ছাড়া সুখ গুলো আমার কাছে
সুখ মনে হয়না, বিষাদ চেপে বসে আমার হৃদয়ে 
এক বুক শিরোনামহীন দুঃখ চেপে বসে আমার মগজে !! 

আমি এগিয়ে যেতে যেতে আরও দুইপা পিছিয়ে যাই
তুমি আসবে বলে - এক অদৃশ্য ছায়ায় হাত বারাই তুমি এসে ধরবে বলে। 

দেবাশীনি হয়ে আলতা পায়ে ঘুরে বেরাচ্ছি তুমি এসে যত্নে সেই পায়ে তোমার ছোয়া দেবে বলে -
মগজে চেপে বসেছো তুমি,চেপে বসেছে তোমার স্পর্শ । 

তুমি নেই হয়েও শূন্যতায় আজও তোমায় অনুভব করি!! 
ভালো লাগে আমার তোমায় অনুভব করতে করতে, শান্তি খুঁজে পাই আমি তোমার মাঝে । 

~তুমি যে আমার শূন্যতার মাঝে পূর্ণতা~

তোমাকে দেখার শেষ হয় না

কখনো'ই মেটেনি আমার
একবার তোমায় দেখার সাধ,,,,
যতবার দেখেছি আরো দেখতে চেয়েছি
এ দেখার যেনো হয় না অবসাদ! 

কি আছে জানি না। একদম জানি না।  যতোবার তোমায় দেখি নতুন লাগে তত তোমায়। প্রতি বার খুজি সেই পুরনো তুমি টা কেই। যাকে আমি ভালোবাসি। 


ভীন্ন ভীন্ন ভালোবাসার রুপ

ব্যাক্তি,বয়স ও সময় ভেদে ভালোবাসার রূপটা ভিন্ন হয়।একেক বয়সের প্রেম-ভালোবাসা একেক রকম।
.
.
যখন স্কুল,কলেজে ছিলাম তখন ভালোবাসা মানে ছিলো একটা গার্লফ্রেন্ড থাকা। বন্ধু মহলে শো অফ করার মতো  সুন্দরী একটা গার্লফ্রেন্ড। স্কুল,কোচিং পালিয়ে রাস্তা দিয়ে হাটব,বাবার পকেট চুরি করে,প্রাইভেট,কোচিংয়ের টাকা মেরে দিয়ে গার্লফ্রেন্ডকে ফুচকা খাওয়াব। সবাই জানবে আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে।ব্যাস।

ভার্সিটিতে আসার বয়সটায় প্রচন্ড আবেগ আসে। এই আবেগের ধাক্কা সামলাতে পারেনা অনেকেই। ভালোবাসা হয়ে যায় তখন শারীরিক,মানসিক, কাব্যিক,ভাববাদী ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রেমিকা ৫ মিনিট ফোন রিসিভ না করলে মনে হয় আমারে এভয়েড  করতেছে। কোনো ছেলের সাথে কথা বললেই মনে হয় এই বুঝি ছেড়ে গেল। রাত জেগে কথা না বললে মনে হয় প্রেমটা জমছে না। মাঝে মাঝে প্রেমটাই আসে শরীর থেকে, যখন চাহিদা মিটে যায় প্রেমও নিভে যায় টাইপ।
 কারো প্রেম প্রচন্ড আবেগের। একটু পান থেকে চুন খসলেই মারামারি কাটাকাটি। কেউ কেউ ভুল সময় ভুল মানুষের প্রেমে পরে যায়। কারো কারো প্রেমে কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে না,প্রেম করছি যা হবার হবে।কেউ আবার বোঝেও না কি করছে কেনো করছে। এ বয়সে প্রেম মানে নিজেকে বিসর্জন দিয়ে আর একজনকে সুখী করার প্রচেষ্টা। 
বয়সটাই উত্তেজনার বহু জনের বহু ধরনের  প্রেম।

আমাদের বয়সে এসে প্রেম নিয়ে কথা বললে একটা শব্দই উঠে আসে "মেন্টাল এটাচমেন্ট"।

এই বয়সে প্রেম মানে মানসিক প্রেম,তাঁর চিন্তার সাথে আমার চেতনার প্রেম। তাঁর ভালো লাগার সাথে আমার ভালো থাকার প্রেম। তাঁর চাওয়ার সীমাবদ্ধতার সাথে আমার দেয়ার অসীমতার প্রেম।
এই বয়সে রাত দিন ফোনে কথা বলার চেয়ে দিন শেষে ৫ মিনিটের সারাংশই অকৃতিম আনন্দ দেয়। এই বয়সে বুঝতে পারাটাই  সবচেয়ে বড় আবেগের জায়গা। এই বয়সে নিজে কষ্ট পেলেও তাঁর ঐ হাসিমুখের উপরে মেঘের আবছায়া দেখতে ইচ্ছা হয় না। এই বয়সে প্রেম মানে নিজেকে বিসর্জন দিয়ে আরেকজনকে সুখী না করে  দুজনে পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া। 

আস্তে আস্তে করে আবেগের নদীটা শুকিয়ে যায়। সেখানে জন্ম নেয় বিশালাকৃতির সবুজ শ্যামল বটবৃক্ষ। যার শেকড়ে শেকড়ে ছুঁয়ে থাকে ভালোবাসা, যা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে পাশের মানুষটাকে। ছায়ার মত,আকাশের মতো।

কাউকে ভালো লাগে বলতে পারা,,,

কাউকে ভালো লাগলে তাকে সেটা বলতে পারাটাও এক ধরনের সফলতা।

পৃথিবীতে প্রায় সবার কাউকে না কাউকে ভালো লাগে। কিন্তু খুব কম মানুষই তার ভালা লাগার মানুষকে  "ভালো লাগার" কথা বলতে পারে।

কারণ, কাউকে "ভালো লাগে" এই কথাটি জানানোর অধিকাংশ মানুষ চরম অবহেলা আর অবজ্ঞার সম্মুখীন হয়ে থাকে। সেই ভয় থেকেই অনেকে ভালো লাগার কথা বুকে চাপা রেখে ভিতরে কষ্ট অনুভব করে, বাহ্যিকভাবে প্রকাশ করে তার সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলছে। তারপরও যেন ভালো লাগার মানুষগুলো ভালো থাকে...🌼🖤

মানুষ যখন

মানুষ যখন তার কাঙ্খিত কিছু পেয়ে যায় ! 
তখন সেই বাস্তবতাকে মেনে নিতে গিয়ে সে নিজেই চমকে যায় !
সব কিছুই কেমন যেন স্বপ্ন স্বপ্ন লাগে,,,,

ভালোবাসা

এক জোড়া চোখ আমাকে খুব করে খোঁজে 
যে চোখের নিজের কাজল দেওয়া
পাপড়ি তে যেন মুগ্ধতা 
প্রতি পলকে পলকে যেন ভালোবাসা।

সেই হাসির কি মুগ্ধতা 
সেই তাকিয়ের থাকার কি মুগ্ধতা 
যখন সে আমাকে দেখে
বুকের ভিতরে কেমন যেন 
ঘূর্ণিঝড় বয়ে চলে।

সামনে দিয়ে গেলে 
সমস্ত শরীর জানান  দিয়ে যায়।
একটা মিষ্টি ছোঁয়া 
শত মাইল দূর থেকে অনূভব হয়।

আসলে ভালোবাসলে।
মানুষটার উপর একটা অনূভুতি 
মনের ভিতরে সারাক্ষন উকিঁ মেরে যায়।

একটা মানুষ একটা সম্পর্ক
তার প্রতি মুগ্ধতা 
তার জন্য অপেক্ষা 
সব মিলিয়ে তার জন্য এক 
সমুদ্র ভালোবাসা।

কেউ শুনেনি

আমার অভিযোগ কেউ শুনেনি,,,
আমার অভিমান কেউ বুঝেনি,,, 
কথা দিয়েও,কেউ কথা রাখেনি,,,,

স্বপ্নের দেশে তুমি

তাকে কি এখনও খুব miss করো 😔 যার সাথে অনেক অপূর্ণ স্বপ্ন দেখছিলা 😢 যা কখনো পূর্ণতা পাবে না🥲তাকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন যা সে ভুলে গিয়েছে
কিন্তু তুমি ভুলোনি😔..............~☘️ব্যস্ত শহরটা ব্যস্ত থেকে যাবে..!🥀

🥀শুধু বদলে যাবে কিছু গল্পের মোড়!!😊💔🌼༆ বাস্তবে না হওয়া মানুষ গুলাকে  🤲࿐
     ࿐🖤 স্বপ্নে দেখতে যেও না 🤗😌 

       🌸༆  তুমি তাকে নিয়া যতবারই স্বপ্ন দেখবা""
 ࿐💔  ༆ "ঘুম ভাঙ্গলে ততবারই হারাইবা ࿐😇

জীবন তবেই সুন্দর

- লাইফে  অলওয়েজ  Don’t  care mood  নিয়ে  থাকতে হবে।  কে  আসলো  আর  কে  চলে  গেলো  সেইটা  নিয়ে মন খারাপ করে বসে  থাকলে চলবে না। 

-  আপনার  জীবনে  অনেকেই আসবে  আবার  তারা চলেও যাবে , আপনাকে  শুধু  ঐ  বিশাল  আকাশের মতো  থাকতে হবে স্থির । তবেই  না  জীবন  হবে সুন্দর!!! 

#mood Of

এখন আর বিরক্ত করি না,,,


রাগ তার উপরে করা উচিত যার উপরে বিশ্বাস আছে,যে সে রাগ ভাঙ্গাবে।
যে তোমার অনুভুতি বোঝে না,তার উপর অভিযোগ করাটা বেকার।কষ্ট তো তখনি হয়,যখন অনেকটা কাছে এসে আবার দুরে চলে যায়।

একটু সুযোগ দিও!

একটু সুযোগ দিও!!
তোমার রাগ ভাঙ্গাবো।
আমার বোকা বোকা কথাগুলোতে
তোমায় মৃদু হাসাবো।
আমি তোমার ভাবনায় মিশে 
সুখের ঝুম বৃষ্টিতে ভেজাব।
শত পূর্ণিমায় তোমার সঙ্গি হয়ে
জোসনা স্নানে  বেরোবো     ।।।।।
নিশি প্রহরী জোনাক হয়ে তোমার 
মন কুঠিরের পরশী হবো।।
অল্প শাসনে তোমার বেখেয়াল 
ভাবনা গুলোতে দখল নেব।।
তুমি সায় দিলে বন্ধুত্ব থেকে 
আর একটু সামনে পা বারাবো,,,,,,
বুঝলে ***🥰🥰পাথর**🥰🥰????
একটু অধিকার দাও তোমার 
রাগ ভাঙ্গাবো!!!!!!

ভজে ব্রজৈকমণ্ডন্ম

ভজে ব্রজৈকমণ্ডনম (কৃষ্ণাষ্টকম) [ 1 ] ১. ভজে ব্রজৈক-মণ্ডলং সমস্ত-পাপ-খণ্ডনং স্বভক্ত-চিত্ত-রঞ্জনং সদৈব নন্দ-নন্দনম । সুপিক্চ্ছ-গুচ্ছ-মস্তকং স...