নীলাক্ত নীল
"ক"
নীলাম্বরী
তোমার শুন্যতা
আমি এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন
বেহায়া সময়
আমরা সেই না বলা কথা গুলো
কাঠ গোলাপের আগুন
জীবন আর ভুল মানুষ
আমায় একটু ভালোবাসবে!
মৃত্যুর মতো ভালোবাসা
বিষাক্ত বিষাদ
*ফিকে হয়েছে কাঠ গোলাপের স্মৃতি..
স্মৃতির পাতা ছিড়েছে ধুলোরঝড়ে...
প্রিয়, কলমের বিষাক্ত ছোবলে.....
হৃদয়ে জমেছে লেবু-কাঁটার বিষ....
হেমন্তের হিমেল হাওয়ায় হাওয়ায়
দেখতে দেখতে এখন ছত্রিশ..
মৌরি ফুলের মুকুল এসেছিলো
মৌমাছিদের উৎপাতে ঝড়ে গেলো সেই ফুল..
বিষাক্ত এই বিষাদ নিয়েই
হয়তো চলতে হবে
আরো বছর বিশ.. আরো বছর বিশ...*
*ফিকে হয়েছে কাঠ গোলাপের স্মৃতি..
স্মৃতির পাতা ছিড়েছে ধুলোরঝড়ে...
প্রিয়, কলমের বিষাক্ত ছোবলে.....
হৃদয়ে জমেছে কাঠ পিঁপড়ের বিষ.......
এ ভাবেই হয়তো চলতে হবে
আরো বছর বিশ.. আরো বছর বিশ...*
আমি
আমার নাম টা লিখে রেখো...
হারাইয়া গেছি যন্ত্রণার বাস্তবতার মাঝে।
"মায়া,,
খুব মনে পরতাসে তোমায়...
রাত্রি
আইজও তোমার খবর রাখি
এহন আর তোমার জইন্য বাঁচি না প্রিয়,,
চুপ থাকতে শিখতে হবে...
অন্ধকার রাইত
অভাব কাকে বলে!
নীলি! !
সাধু সঙ্গ সাধু সঙ্গ সর্বশাস্ত্রে কয়
প্রাপ্তির শেষ কোথায়?
নতুন পরিচয়
রাখিবন্ধনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মহাভারতের কৃষ্ণ ও যমুনার কাহিনি
বাঙালির রাখিবন্ধন দিবস পালন করা উচিত ১৬ই অক্টোবরে। ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে লর্ড কার্জন বাংলাকে ভাগ করেন। তাই প্রতিবাদ স্বরূপ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেইদিনেই বাংলা ব্যাপী সমস্ত বাঙালিকে এক সুতোয় বাঁধার জন্য রাখিবন্ধনের ডাক দেন।
রবীন্দ্রনাথের এই রাখিবন্ধন কোনভাবেই ‘বোন ভাইকে রাখি বাঁধবে আর ভাই তার সুরক্ষার ভার নেবে’ জাতীয় পুরুষতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে ছিল না। বরং তা ছিল সর্বব্যাপী। যে কেউ, যে কাউকে রাখি বাঁধতে পারে। মূলত বিশ্বমানবতাই ছিল রবীন্দ্রনাথের এই রাখিবন্ধনের ভিত্তি।
ঠিক এজন্যই রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রেম পর্যায়ের গান ‘ ভালবেসে সখী নিভৃত যতনে’তে লিখছেন –
“ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরে আমার মুখর পাখি-- তোমার প্রাসাদপ্রাঙ্গণে॥
মনে ক’রে সখী, বাঁধিয়া রাখিয়ো আমার হাতের রাখী-- তোমার কনককঙ্কণে॥
ভারতের সংস্কৃতি হল বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য। এই দেশে বিভিন্ন উৎসব সাড়ম্বরে পালিত হয়। এক একটি মরসুমে এক-একটি উৎসব ঘিরে তৈরি হয় অনিবার্য মাদকতা। যা আরও রঙিন করে তোলে সংস্কৃতিকে। ভারতের সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত রয়েছে নানা মহাকাব্যে বর্ণিত অগণিত ঘটনা। রাখি উৎসবও তার ব্যতিক্রম নয়।
কৃষ্ণ ও দ্রৌপদী
মহাভারতের কাহিনি থেকে জানা যায়, একটি যুদ্ধের সময় শ্রীকৃষ্ণের হাতের কবজিতে আঘাত লাগে। সেই ক্ষত থেকে রক্তপাত হতে শুরু হয়। তা দেখতে পেয়ে দ্রৌপদী নিজের শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাতে বেঁধে দেন। তার পর থেকেই শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদীকে নিজের বোন সখী হিসাবে মানতে শুরু করেন। এই উপকারের প্রতিদান দেওয়ারও অঙ্গীকার করেন কৃষ্ণ। এর পর পাশা খেলায় পাণ্ডবরা সর্বস্ব খুইয়ে যখন দ্রৌপদীকে কৌরবদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়, দ্রৌপদীর চরম বিপদ এসে পড়ে। দুঃশাসন তাঁর বস্ত্রহরণ করতে গেলে দ্রৌপদী শ্রীকৃষ্ণকে প্রাণ ভরে স্মরণ করেন। দ্রৌপদীর সম্মানরক্ষা করে সেই শ্রীকৃষ্ণ সেই প্রতিদান দেন। সেই সময় থেকে এই ভাবেই রাখিবন্ধন উৎসবের প্রচলন হয়।
যমুনা ও যম
পুরাণ কথা অনুযায়ী, এক বার যমুনা নদী যমরাজকে রাখি পরিয়েছিলেন। তাতে খুশি হয়েছিলেন যমরাজ। তিনি যমুনা নদীকে অমরত্বের আশীর্বাদ দেন। তার পর থেকেই এটাই প্রচলিত বিশ্বাস যে, যদি কোনো বোন বা দিদি ভাই বা দাদার হাতে রাখি বাঁধে তা হলে সে অমরত্ব প্রাপ্ত হবে।
পুরাণে রাখি বন্ধন
রাখি বন্ধনের প্রচলন নিয়ে ভবিষ্যপুরাণে একটি আগ্রহজনক গল্পের কথা বলা আছে। সত্যযুগে বৃতাসুর নামে এক অসুর ছিল। দেবতাদের যুদ্ধে পরাজিত করে এই অসুর স্বর্গলোক দখল করে। বৃতাসুর বর পেয়েছিল যে কোনও অস্ত্রে তাকে ঘায়েল করা যাবে না। সেই কারণে বারবার চেষ্টা করেও দেবরাজ ইন্দ্র তাকে হারাতে পারেননি। তখন মহর্ষি দধিচি দেবতাদের জন্য নিজের শরীর দান করেন এবং তাঁর হাড় দিয়ে তৈরি হয় ইন্দ্রের অস্ত্র বজ্র।
বৃতাসুরের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার আগে ইন্দ্র তাঁর গুরু বৃহস্পতির কাছে যান। বৃহস্পতিকে তিনি বলেন যে এই শেষবার তিনি বৃতাসুরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হতে চলেছেন। এই যুদ্ধে হয় তাঁর জয় হবে, নয়তো পরাজয়। এই কথা শুনে ইন্দ্রের সুরক্ষা নিয়ে অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়েন ইন্দ্রাণী সচী। তিনি তাঁর সমস্ত সাধনার শক্তি একত্রিত করে একটি বিশেষ রক্ষাসূত্র তৈরি করেন। ইন্দ্রের সুরক্ষা কামনা করে এই সুতো তিনি দেবরাজের কবজিতে বেঁধে দেন। সেদিন ছিল শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা। এই যুদ্ধে বৃতাসুরকে হত্যা করে জয়ী হয়ে ফিরে আসেন দেবরাজ ইন্দ্র।
আমি কেমন শুধু শুধু ঝগড়া করি একটু আইসা দ্যেখেন...
সেই ছেলেটার জন্মদিন ''
ও! তুমি!
ভজে ব্রজৈকমণ্ডন্ম
ভজে ব্রজৈকমণ্ডনম (কৃষ্ণাষ্টকম) [ 1 ] ১. ভজে ব্রজৈক-মণ্ডলং সমস্ত-পাপ-খণ্ডনং স্বভক্ত-চিত্ত-রঞ্জনং সদৈব নন্দ-নন্দনম । সুপিক্চ্ছ-গুচ্ছ-মস্তকং স...
-
ওওওওওও কানাই,,,, রেএএএ প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,, সোনার চাঁদ বদন, ও বদন পাশরি কেমনে? প্রাণের ভাই কানাই রেএএএএ,,,, সোনার চাঁদ বদন, ও ব...
-
শিকল বেরি দিলেই কি আর -বাংলা লিরিক্স: শিকল বেরি দিলেই কি আর,,,,কাউরে বাইন্ধা রাখা যায়...... শিকল বেরি দিলেই কি আর,,,কাউরে বাইন্ধা রাখা য...
-
শ্যামা, ও শ্যামা কি করি বলনা... সংসার কারাগারে মুক্তি মেলেনা।। কামনা-বাসনা কিছুতে ছাড়েনা; বৃথা কাল গেল চলে হলো না সাধনা।। ও শ্যামা ও শ্যাম...